Class 9 Bengali MIL Important Chapter 5 মনসামঙ্গল Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 5 মনসামঙ্গল Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.
Class 9 Bengali MIL Important Chapter 5 মনসামঙ্গল
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
মনসামঙ্গল
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘মনসামঙ্গল’ কবিতাটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘মনসামঙ্গল’ কবিতাটি কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর রচনা।
২। কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী ১৯৩৭ সালের ২০ এপ্রিল হবিগঞ্জ মহকুমার সোনাইতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৩। কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর পিতার নাম শশীভূষণ ব্রহ্মচারী এবং মাতার নাম প্রভাবতী দেবী ছিল।
৪। কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী কত সালে এবং কোন বিষয়ে এম.এ. পাস করেছিলেন?
উত্তরঃ কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী ১৯৬৮ সালে বাংলায় এম.এ. পাস করেছিলেন।
৫। কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী ১৯৭১ সালে কোন কলেজের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী ১৯৭১ সালে হাইলাকান্দির এস. এস. কলেজের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।
৬। হাইলাকান্দির পর কবি কোন কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন?
উত্তরঃ হাইলাকান্দির পর কবি শিলচরের গুরুচরণ কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন।
৭। কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী অসম সরকারের কাছ থেকে কবে সাহিত্য পেনশন লাভ করেন?
উত্তরঃ কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী ২০০৪ সালে অসম সরকারের কাছ থেকে সাহিত্য পেনশন লাভ করেন।
৮। কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী কত খ্রিস্টাব্দে পরলোকগমন করেন?
উত্তরঃ কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী ২০০৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পরলোকগমন করেন।
৯। কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর লেখা দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর লেখা দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘সময় শরীর হৃদয়’ এবং ‘কাঠের নৌকা’।
১০। ‘মনসামঙ্গল’ পাঠ্য কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তরঃ ‘মনসামঙ্গল’ পাঠ্য কবিতাটি কবির ‘অনন্ত ভাসানে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
১১। ‘মধুকার’ বা ‘মধুকর’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ ‘মধুকার’ বা ‘মধুকর’ হলো চম্পক নগরের চাঁদ সদাগরের ব্যবহৃত একটি বিখ্যাত ডিঙা বা জলযান।
১২। ‘মনসামঙ্গল’ কবিতায় উল্লেখিত বেহুলা কার কন্যা ছিলেন?
উত্তরঃ ‘মনসামঙ্গল’ কবিতায় উল্লেখিত বেহুলা উজানী নগরের সায়োবেনের কন্যা ছিলেন।
১৩। ‘সাতনরী’ এবং ‘কুপিস্তম্ভ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘সাতনরী’ শব্দের অর্থ হলো সাত লহরের হার বিশেষ এবং ‘কুপিস্তম্ভ’ শব্দের অর্থ হলো বাতি বা দীপদণ্ড রাখার স্তম্ভ।
১৪। ব্যাকরণ অনুসারে ‘নির্দেশক প্রত্যয়’ কাকে বলে?
উত্তরঃ বিশেষ্যের পরে এক-বচনে যে শব্দ বা শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, রূপ বা গুণ নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক প্রত্যয় বলে।
১৫। ‘খানা’ নির্দেশক প্রত্যয়টি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
উত্তরঃ ‘-খানা’ নির্দেশক প্রত্যয়টি মূলত সংস্কৃত ‘খণ্ড’ শব্দ থেকে এসেছে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘মনসামঙ্গল’ কবিতাটির পাঠ-প্রসঙ্গ বা রচনার উদ্দেশ্য সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ লোকপুরাণের সফল ও সার্থক প্রয়োগে শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর ‘মনসামঙ্গল’ কবিতাটি অসাধারণ সাহিত্যিক সৌন্দর্যে মণ্ডিত হয়েছে। বাঙালির প্রাত্যহিক ও সামাজিক জীবনে মনসা-গাথার যে সুগভীর ঐতিহ্যবাহী প্রভাব রয়েছে, কবি এখানে তাকেই এক আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উপস্থাপন করেছেন। এই কবিতার একদিকে যেমন লোকায়ত গ্রামীণ জনজীবনের সরলতা ফুটে উঠেছে, তেমনি অন্যদিকে রয়েছে আধুনিক নাগরিক মানসের জটিলতা। এই দুই বিপরীতমুখী ধারার চমৎকার মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা বাঙালি জীবনের মূল শিকড় এবং তাদের লোকসংস্কৃতির ঐতিহাসিক ধারাটি অনুভব করতে পারে।
২। ‘বেহুলা’ চরিত্রটির পৌরাণিক গুরুত্ব ‘মনসামঙ্গল’ কবিতা ও টীকার আলোকে বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় নারী চরিত্র হলেন বেহুলা, যিনি উজানী নগরের সায়োবেনের কন্যা এবং চাঁদ সদাগরের পুত্র লখিন্দরের স্ত্রী ছিলেন। বাসর ঘরে কালনাগের দংশনে লখিন্দরের অকালমৃত্যু হলে বেহুলা স্বামীর মৃতদেহ মান্দাসে নিয়ে গাঙ্গুরের জলে ভেসে চলেন। তিনি স্বর্গে দেবতাদের সামনে তাঁর অসামান্য নৃত্য ও গীত পরিবেশন করে দেবতাদের সন্তুষ্ট করেন এবং মহাদেবের বরে স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে আনেন। স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি তিনি তাঁর শ্বশুর চাঁদ সদাগরের পূর্বে হারিয়ে যাওয়া ছয় পুত্র এবং চৌদ্দটি ডিঙাও উদ্ধার করেন, যা তাঁর সতীত্ব ও অসীম সাহসের পরিচয় দেয়।
৩। “সায়ের জিয়ারি যায় অনন্ত ভাসানে” — এই চরণের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ আলোচ্য চরণের মাধ্যমে কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারী বেহুলার সেই করুণ ও চিরন্তন স্বর্গযাত্রার কাহিনীকে ফুটিয়ে তুলেছেন। এখানে ‘সায়’ বা ‘সায়োবেন’ হলেন বেহুলার পিতা এবং ‘জিয়ারি’ শব্দের অর্থ হলো কন্যা বা দুহিতা। স্বামী লখিন্দরের মৃত্যুর পর বেহুলা স্বামীর মৃতদেহ নিয়ে গাঙ্গুরের জলে ভেলায় চড়ে স্বর্গের উদ্দেশ্যে ভেসে চলেছিলেন। তাঁর এই নিঃসঙ্গ এবং বিপদসংকুল ভাসান-যাত্রার মাধ্যমে তিনি স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে আনতে এক অনন্ত আধ্যাত্মিক পরীক্ষায় শামিল হন, যা কেবল নদী পার হওয়া ছিল না, বরং তা ছিল ভক্তি ও প্রেমের এক চরম অনন্ত যাত্রা।
৪। নির্দেশক প্রত্যয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘টা’ এবং ‘টি’-র ব্যবহারের পার্থক্য উদাহরণসহ আলোচনা করো।
উত্তরঃ বাংলা ব্যাকরণে অপ্রাণীবাচক শব্দের পরে সাধারণত ‘টা’ বা ‘টি’ যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে। তবে মানব বা উচ্চশ্রেণীর সপ্রাণ বস্তুর ক্ষেত্রে এদের ব্যবহারে অর্থ ও ভাবের সূক্ষ্ম তফাত ঘটে। উচ্চশ্রেণীর কোনো শব্দের সাথে ‘টা’ যোগ করলে সাধারণত অনাদর, তুচ্ছতা বা অবজ্ঞা প্রকাশ পায়; যেমন— “লোকটা অতি পাজি”। কিন্তু সেই একই শব্দের সাথে ‘টি’ যোগ করলে স্নেহভাব, অনুকম্পা কিংবা আদরের প্রকাশ ঘটে; যেমন— “মানুষটি বেশ ভালো”। এভাবে একই শব্দের সাথে ‘টা’ বা ‘টি’ ব্যবহারের মাধ্যমে বক্তার মানসিক ভাব সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে প্রকাশ পায়।
৫। নির্দেশক প্রত্যয় হিসেবে ‘গাছ’, ‘গাছা’ এবং ‘গাছি’ শব্দগুলির প্রয়োগ উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ ‘গাছ’, ‘গাছা’ এবং ‘গাছি’ নির্দেশক প্রত্যয়গুলি মূলত বৃক্ষবাচক শব্দ ‘গাছ’ থেকে এসেছে। এই নির্দেশকগুলি সাধারণত অখণ্ড, সরু, লম্বাকৃতি বা দীর্ঘ কোনো বস্তুর নামের শেষে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা নির্দেশ করে। যেমন— ‘লাঠি-গাছি’, ‘খড়-গাছা’, ‘আখ-গাছ’ ইত্যাদি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই নির্দেশকের সাথে অন্য নির্দেশকও একত্রে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়, যেমন— ‘লাঠি-গাছাটি’। এই প্রত্যয়গুলি বাংলা ভাষায় বস্তুর নির্দিষ্ট আকার ও রূপভেদকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।

