Class 9 Bengali MIL Important Chapter 2 খাই খাই Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 2 খাই খাই Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.
Class 9 Bengali MIL Important Chapter 2 খাই খাই
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
খাই খাই
Chapter: 2
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘খাই খাই’ কবিতাটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘খাই খাই’ কবিতাটি সুকুমার রায়ের রচনা।
২। কবি সুকুমার রায়ের জন্ম কবে এবং কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় কবি সুকুমার রায়ের জন্ম হয়েছিল।
৩। সুকুমার রায়ের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তরঃ সুকুমার রায়ের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসূয়ায়।
৪। সুকুমার রায়ের পিতা কে ছিলেন?
উত্তরঃ বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী সুকুমার রায়ের পিতা ছিলেন।
৫। সুকুমার রায়ের অস্কার পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার পুত্রের নাম কী?
উত্তরঃ অস্কার পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় তাঁর পুত্র ছিলেন।
৬। সুকুমার রায় কত সালে রসায়নে অনার্স-সহ বি.এসসি পাস করেন?
উত্তরঃ সুকুমার রায় ১৯১১ সালে রসায়নে অনার্স-সহ বি.এসসি পাস করেন।
৭। সুকুমার রায়ের অকালপ্রয়াণ কবে ঘটেছিল?
উত্তরঃ ১৯২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর এই প্রতিভাধর সাহিত্যিকের অকালপ্রয়াণ ঘটেছিল।
৮। সুকুমার রায়ের লেখা দুটি বিখ্যাত শিশুসাহিত্য গ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ সুকুমার রায়ের লেখা দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘আবোল তাবোল’ এবং ‘হযবরল’।
৯। ফরাসিরা কী খায় বলে কবি উল্লেখ করেছেন?
উত্তরঃ ফরাসিরা ব্যাঙ খায় বলে কবি উল্লেখ করেছেন।
১০। বার্মার কোন খাবারটির তীব্র গন্ধের কথা কবিতায় বলা হয়েছে?
উত্তরঃ বার্মার ‘ঙাপি’ নামক খাবারটির তীব্র গন্ধের কথা কবিতায় বলা হয়েছে।
১১। চীনারা সুখে কী মুখে দিয়ে খায়?
উত্তরঃ চীনারা সুখে আরশোলা মুখে দিয়ে খায়।
১২। ‘খাই খাই’ কবিতায় ‘দারোগা’ কী খায় বলে উল্লেখ আছে?
উত্তরঃ ‘খাই খাই’ কবিতায় দারোগা ঘুষ খায় বলে উল্লেখ আছে।
১৩। ‘খাই খাই’ কবিতায় ‘সিঁধে’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘খাই খাই’ কবিতায় ‘সিঁধে’ শব্দের অর্থ হলো সহজ।
১৪। পাঠশালার ছেলেরা ভয় পেয়ে কী খায়?
উত্তরঃ পাঠশালার ছেলেরা ভয় পেয়ে খাবি খায়।
১৫। কাশীতে প্রসাদ খেয়ে কী হওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ কাশীতে প্রসাদ খেয়ে পাক্কা সাধু হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘খাই খাই’ কবিতা অবলম্বনে বিভিন্ন দেশের মানুষের বিচিত্র খাদ্যভাসের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘খাই খাই’ কবিতায় সুকুমার রায় বিভিন্ন দেশের মানুষের বিচিত্র এবং অদ্ভুত খাবারের অভ্যাসের কথা তুলে ধরেছেন। কবি জানিয়েছেন যে, ফরাসিরা ব্যাঙ খেতে পছন্দ করে এবং বার্মার ‘ঙাপি’ নামক খাবারে তীব্র গন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, জাপানিরা ফড়িঙের ঘণ্ট খায় এবং চীনারা সুখে আরশোলা মুখে দিয়ে চিবিয়ে খায়। এছাড়া মাদ্রাজি মানুষেরা অত্যন্ত ঝাল খাবার খায়, যার কারণে তাদের কণ্ঠ জ্বলে যায়। এভাবে কবি হাস্যরসের ছলে দেশ-বিদেশের মানুষের বিচিত্র খাদ্যাভ্যাসের তালিকা ফুটিয়ে তুলেছেন।
২। ‘খাই খাই’ কবিতায় ‘খাওয়া’ শব্দটিকে কবি কীভাবে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করেছেন তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ সুকুমার রায় তাঁর ‘খাই খাই’ কবিতায় কেবল আক্ষরিক অর্থে খাবার গ্রহণ ছাড়াও দৈনন্দিন জীবনের নানা বিচিত্র অর্থে ‘খাওয়া’ শব্দের অসাধারণ প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, অলস বা বোকা মানুষরা ‘ঘোল খায়’, পালোয়ানরা ‘ডিগবাজি খায়’, ঘুড়ি আকাশে ‘গোত্তা খায়’ এবং পাঠশালার ছেলেরা ভয় পেয়ে ‘খাবি খায়’। এছাড়া সামাজিক দুর্নীতি ও অসদুপায় বোঝাতে দারোগার ‘ঘুষ খাওয়া’ এবং মহাজনের ‘সুদ খাওয়া’র মতো প্রসঙ্গগুলোও কবিতায় সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
৩। কবি সুকুমার রায়ের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
উত্তরঃ সুকুমার রায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিশু-সাহিত্যের সম্রাট। ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর জন্ম হয় এবং তাঁর আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহের মসূয়ায়। তাঁর পিতা ছিলেন বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং তাঁর পুত্র ছিলেন অস্কারজয়ী চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে রসায়নে অনার্সসহ বি.এসসি পাস করে পরে বিলেত যান। তাঁর রচিত অমূল্য গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘আবোল তাবোল’, ‘হযবরল’ এবং ‘পাগলা দাশু’। ১৯২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তাঁর অকালপ্রয়াণ ঘটে।
৪। ‘খাই খাই’ কবিতাটি পাঠ করার উদ্দেশ্য বা এর পাঠ-প্রসঙ্গ নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ কিশোর-কিশোরীদের মনে নির্মল হাস্য-মধুর ভাবের সঞ্চার করার উদ্দেশ্যে ‘খাই খাই’ কবিতাটি চয়ন করা হয়েছে। মানুষের জীবনে কৌতুকবোধের আনন্দ অত্যন্ত পবিত্র ও নির্মল, যা মানুষের মনের যাবতীয় কলুষতা এবং দুঃখ-কষ্ট দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে মানুষের মন এবং প্রাণ স্নিগ্ধ হয়ে ওঠে। এই কবিতায় কবি সুকুমার রায় কেবল ‘খাওয়া’ ক্রিয়াপদটির নানাবিধ ও চমৎকার ব্যবহারের মধ্য দিয়ে এক অসাধারণ কাব্যিক সৌন্দর্য ও কৌতুকরস সৃষ্টি করেছেন।
৫। ‘ঙাপি’ এবং ‘কাশী’ সম্পর্কে সংক্ষেপে টীকা লেখো।
উত্তরঃ ‘ঙাপি’ হলো বার্মা বা বর্তমান মায়ানমারের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার, যা অত্যন্ত তীব্র গন্ধযুক্ত বলে কবিতায় উল্লেখ করা হয়েছে। আর ‘কাশী’ হলো ভারতের উত্তরপ্রদেশে গঙ্গার তীরে অবস্থিত একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও পবিত্র তীর্থস্থান। হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই শহরে বিখ্যাত বিশ্বনাথ মন্দির রয়েছে, যেখানে আদি শঙ্করাচার্য, রামকৃষ্ণ পরমহংস এবং স্বামী বিবেকানন্দের মতো মহান সাধকরাও দর্শন করেছিলেন।

