Class 9 Bengali MIL Important Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 1 গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতাটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতাটি বৈষ্ণব কবি মুরারি গুপ্তের রচনা।

২। কবি মুরারি গুপ্ত কোন শতকের কবি ছিলেন?

উত্তরঃ কবি মুরারি গুপ্ত ষোড়শ শতকের কবি ছিলেন।

৩। মুরারি গুপ্তের জন্মস্থান কোথায় ছিল?

উত্তরঃ কবি মুরারি গুপ্তের জন্মস্থান ছিল বাংলাদেশের সিলেটে।

৪। সিলেট থেকে এসে মুরারি গুপ্ত পরবর্তীকালে কোথায় বসবাস করেন?

উত্তরঃ সিলেট থেকে এসে মুরারি গুপ্ত পরবর্তীকালে নবদ্বীপে বসবাস করেন।

৫। পেশাগত জীবনে মুরারি গুপ্ত কী ছিলেন?

উত্তরঃ পেশাগত জীবনে মুরারি গুপ্ত একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ছিলেন।

৬। মুরারি গুপ্ত সংস্কৃতে কোন শ্রীচৈতন্যজীবনী গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন?

উত্তরঃ মুরারি গুপ্ত সংস্কৃতে ‘শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম্’ নামক শ্রীচৈতন্যজীবনী গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।

৭। ‘শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম্’ গ্রন্থটি কত খ্রিস্টাব্দে রচিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ‘শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম্’ গ্রন্থটি ১৫১৩ খ্রিস্টাব্দে রচিত হয়েছিল।

৮। মুরারি গুপ্তের সংস্কৃত গ্রন্থটি বৈষ্ণব সমাজে কী নামে বিখ্যাত?

উত্তরঃ মুরারি গুপ্তের সংস্কৃত গ্রন্থটি বৈষ্ণব সমাজে ‘মুরারি গুপ্তের কড়চা’ নামে বিখ্যাত।

৯। মুরারি গুপ্তের ‘শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম্’ গ্রন্থটি মোট কয়টি খণ্ডে বিভক্ত?

উত্তরঃ মুরারি গুপ্তের ‘শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম্’ গ্রন্থটি মোট চার খণ্ডে বিভক্ত।

১০। শ্রীচৈতন্যদেব কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যদেব ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দে নদীয়া জেলার নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১১। শ্রীচৈতন্যদেবের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যদেবের পিতার নাম জগন্নাথ মিশ্র এবং মাতার নাম শচী দেবী ছিল।

১২। শ্রীচৈতন্যদেবের আসল নাম এবং ডাকনাম কী ছিল?

উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যদেবের আসল নাম বিশ্বম্ভর এবং ডাকনাম নিমাই ছিল।

১৩। শ্রীচৈতন্যদেবের মাতামহ তথা শচী দেবীর পিতা কে ছিলেন?

উত্তরঃ শচী দেবীর পিতা ছিলেন নৈষ্ঠিক ব্রাহ্মণ নীলাম্বর চক্রবর্তী।

১৪। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতায় শিশু গৌরাঙ্গের গলায় কী দুলছিল?

উত্তরঃ ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতায় শিশু গৌরাঙ্গের গলায় বাঘনখ দুলছিল।

১৫। ‘হামাগুড়ি’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘হামাগুড়ি’ শব্দের অর্থ হচ্ছে হাঁটু এবং হাতের চেটোর সাহায্যে শিশুর চলার বিশেষ ভঙ্গি।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতা অবলম্বনে শিশু গৌরাঙ্গের রূপ ও চঞ্চলতার বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ ‘গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা’ কবিতায় কবি মুরারি গুপ্ত শিশু গৌরাঙ্গের অতি মনোরম রূপ ও চঞ্চলতার বর্ণনা দিয়েছেন। শচীর আঙিনায় শিশু গোরাচাঁদ হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ান এবং মায়ের আঙুল ধরে ক্ষণিকের জন্য গুড়ি গুড়ি হেঁটে আবার আছাড় খেয়ে পড়ে যান। তাঁর গলায় বাঘনখ দুলতে থাকে এবং চাঁদমুখ থেকে লালা ঝরে পড়ে। যখনই তিনি হাসেন, তাঁর সেই লাল মিশ্রিত চাঁদমুখে যেন বিদ্যুতের চমক খেলে যায়। ধূলিমাখা শরীরে মায়ের কোল থেকে নেমে আবার তিনি মাটিতে গড়াগড়ি দিতে থাকেন।

২। কবি মুরারি গুপ্তের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তরঃ কবি মুরারি গুপ্ত ছিলেন ষোড়শ শতকের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পণ্ডিত, কবি এবং পেশায় আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক। তিনি বাংলাদেশের সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন এবং পরবর্তী জীবন নবদ্বীপে অতিবাহিত করেন।তিনি ১৫১৩ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃতে চৈতন্যদেবের প্রথম প্রামাণিক জীবনী গ্রন্থ ‘শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম্’ রচনা করেন, যা চার খণ্ডে বিভক্ত। এই গ্রন্থটি বৈষ্ণব সমাজে ‘মুরারি গুপ্তের কড়চা’ নামে সমধিক পরিচিত ও সর্বজনমান্য।

৩। “সন্ন্যাসী হইবে গোরাহরি” — কবি মুরারি গুপ্তের এমন মন্তব্যের কারণ কী ছিল তা কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো।

উত্তরঃ শচীমাতা যখন ধূলিমাখা শিশু গোরাকে স্নেহে বুকে তুলে নেন, তখন শিশুটি কোল থেকে নেমে আবার মাটিতে গড়াগড়ি খেতে শুরু করে এবং আঙুল চুষতে থাকে। শিশু গৌরাঙ্গের এই সাধারণ শিশুর গণ্ডি ছাড়ানো চপলতা, কোল থেকে নেমে মাটির ধুলোয় গড়াগড়ি খাওয়ার উদাসীনতা ও লীলা লক্ষ্য করে কবি মুরারি গুপ্ত হেসে শচীমাতাকে বলেন যে, এই শিশু সাধারণ কোনো কোলের ছেলে নয়। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, এই গোরাচাঁদ ভবিষ্যতে সমস্ত পার্থিব মায়ার বন্ধন ছিন্ন করে সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করবেন।

৪। “ধূলামাখা সব গায় সহিতে কি পারে মায় / বুকের উপর লয় তুলি” — এই চরণের মাধ্যমে মাতৃত্বের কোন চিরন্তন রূপ ফুটে উঠেছে তা বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ এই চরণের মাধ্যমে কবি মুরারি গুপ্ত মায়ের চিরন্তন স্নেহময়ী ও বাৎসল্য রূপকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। শিশু গৌরাঙ্গ যখন চঞ্চলতায় সারা শরীরে ধূলাবালি মেখে উঠোনে গড়াগড়ি খায়, তখন মা শচীর পক্ষে তা সহ্য করা সম্ভব হয় না। মা ধূলিধূসরিত মলিন সন্তানকে কোনো দ্বিধা ছাড়াই পরম স্নেহে নিজের বুকের গভীরে তুলে নেন। এখানে কেবল শচীমাতার ব্যক্তিগত বাৎসল্যই নয়, বরং সমগ্র মানবসমাজের মাতৃত্বের শাশ্বত ও চিরন্তন স্নেহের রূপটি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে, যা সন্তানের বাহ্যিক মলিনতাকে উপেক্ষা করে তাকে বুকে জড়িয়ে নিতে ব্যাকুল হয়।

৫। শ্রীচৈতন্যদেব সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

উত্তরঃ নদীয়া জেলার নবদ্বীপে ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দে শ্রীচৈতন্যদেব জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন জগন্নাথ মিশ্র এবং মাতা শচী দেবী। তাঁর আসল নাম ছিল বিশ্বম্ভর এবং ডাকনাম ছিল নিমাই। তিনি বৈষ্ণব ভক্তিধর্মের প্রবর্তক ছিলেন এবং নিজের ভক্তির মাধ্যমে বাংলা ও ওড়িশার বৈষ্ণব সমাজে এক নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহান আধ্যাত্মিক পুরুষের পরলোকপ্রাপ্তি ঘটে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top