Class 9 Bengali MIL Important Chapter 3 ধূলামন্দির

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 3 ধূলামন্দির Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 3 ধূলামন্দির Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 3 ধূলামন্দির

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 3

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘ধূলামন্দির’ কবিতাটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘ধূলামন্দির’ কবিতাটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।

২। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল কত?

উত্তরঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল ১৮৬১ থেকে ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

৩। কবির মতে দেবালয়ের অন্ধকার কোণে লুকিয়ে ভক্ত আপন মনে কাকে পূজা করছে?

উত্তরঃ কবির মতে দেবালয়ের অন্ধকার কোণে লুকিয়ে ভক্ত আপন মনে দেবতাকে পূজা করছে।

৪। নয়ন মেলে চেয়ে কবি ভক্তকে কী দেখতে বলেছেন?

উত্তরঃ নয়ন মেলে চেয়ে কবি দেখতে বলেছেন যে দেবালয়ের ঘরে কোনো দেবতা নেই।

৫। কবির মতে দেবতা আসলে কোথায় গেছেন?

উত্তরঃ কবির মতে দেবতা সেখানে গেছেন যেখানে চাষা মাটি ভেঙে চাষ করছে এবং পাথর ভেঙে পথ কাটা হচ্ছে।

৬। রৌদ্রে ও জলে দেবতা কাদের সাথে বারো মাস খাটছেন?

উত্তরঃ রৌদ্রে ও জলে দেবতা সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের সাথে বারো মাস খাটছেন।

৭। দেবতার দুই হাতে কী লেগে আছে?

উত্তরঃ দেবতার দুই হাতে ধুলা লেগে আছে।

৮। কবি পূজারীকে কী ছেড়ে ধুলার পরে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন?

উত্তরঃ কবি পূজারীকে দেবালয়ের পরিহিত শুচি বসন ছেড়ে ধুলার পরে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

৯। ‘ধূলামন্দির’ কবিতায় মুক্তি সম্পর্কে কবি কী প্রশ্ন তুলেছেন?

উত্তরঃ কবি প্রশ্ন করেছেন যে সৃষ্টির বাঁধনে প্রভু নিজে যেখানে বাঁধা আছেন, সেখানে আলাদা করে মুক্তি কোথায় পাওয়া যাবে।

১০। প্রভু বা ঈশ্বর কার কাছে বাঁধা আছেন?

উত্তরঃ প্রভু বা ঈশ্বর নিজের সমস্ত সৃষ্টির কাছে সৃষ্টিবাঁধন পরে বাঁধা আছেন।

১১। ধুলার পরে নেমে আসার জন্য কবি ভক্তকে কী কী রেখে দিতে বা ত্যাগ করতে বলেছেন?

উত্তরঃ কবি ভক্তকে ধ্যানের আরাধনা এবং পূজার ফুলের ডালি রেখে দিতে বা ত্যাগ করতে বলেছেন।

১২। কবির মতে কিসের মাধ্যমে ঈশ্বরের সাথে এক হওয়া বা ঈশ্বর লাভ করা সম্ভব?

উত্তরঃ কর্মের হাত ধরে কর্মযোগে যুক্ত হয়ে ঘাম ঝরানোর মাধ্যমেই ঈশ্বরের সাথে এক হওয়া সম্ভব।

১৩। ‘ধূলামন্দির’ পাঠের অর্থমূলক দিক থেকে বাক্যকে কয়টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে?

উত্তরঃ অর্থমূলক দিক থেকে বাক্যকে মোট সাতটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।

১৪। “আমি অন্যায় যুদ্ধ করিনি।”—এটি ব্যাকরণ অনুসারে কী ধরণের বাক্য?

উত্তরঃ এটি ব্যাকরণ অনুসারে একটি নাস্ত্যর্থক বা না-বাচক নির্দেশক বাক্য।

১৫। “তোমার নাম সকলেই জানে।”—এই নির্দেশক বাক্যটিকে প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপান্তর করলে কী হবে?

উত্তরঃ এই বাক্যটিকে প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপান্তর করলে হবে— “তোমার নাম কে না জানে?”।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘ধূলামন্দির’ কবিতার নামকরণের সার্থকতা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ধূলামন্দির’ কবিতার নামটির মধ্য দিয়ে কবিতার মূল ভাব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। সাধারণত মানুষ মনে করে দেবতা কেবল মন্দির বা দেবালয়ের শুষ্ক ও অন্ধকার কোণে সীমাবদ্ধ থাকেন। কিন্তু কবি দেখিয়েছেন যে, প্রকৃত দেবতা কোনো কৃত্রিম মন্দিরে বা জড় মূর্তিতে থাকেন না; তিনি থাকেন মাটির ধূলাবালির মাঝে, যেখানে কৃষকেরা চাষ করছে আর শ্রমিকেরা পাথর ভেঙে পথ তৈরি করছে। এই শ্রমজীবী মানুষের ধূলিমলিন কর্মক্ষেত্রই হলো ঈশ্বরের আসল আস্তানা বা ‘ধূলামন্দির’। তাই কবিতাটির নামকরণ অত্যন্ত সার্থক ও অর্থবহ হয়েছে।

২। “নয়ন মেলে দেখ দেখি তুই চেয়ে— দেবতা নাই ঘরে।”—কবি কেন এমন মন্তব্য করেছেন তা কবিতা অবলম্বনে বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাসে মানুষ মনে করে মন্দিরের রুদ্ধদ্বারে, অন্ধকারে বসে আরাধনা করলেই ঈশ্বরকে পাওয়া যায়। কিন্তু কবি এই সংকীর্ণ ধারণাকে খণ্ডন করে বলেছেন যে, দেবতা কোনো জড় মূর্তিতে বা কৃত্রিম মন্দিরে বাস করেন না। ঈশ্বর থাকেন প্রকৃতির মাঝে, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কর্মের মধ্যে। তাই যারা কেবল মন্দিরের চার দেয়ালের মধ্যে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরকে খোঁজে, তারা কখনো ঈশ্বরের দেখা পায় না। এই কারণেই কবি ভক্তকে অন্ধ মোহ দূর করে চোখ মেলে বাস্তব পৃথিবীর দিকে তাকাতে বলেছেন, যেখানে কৃত্রিম দেবালয়ে কোনো দেবতার অস্তিত্ব নেই।

৩। “আপনি প্রভু সৃষ্টিবাঁধন প’রে বাঁধা সবার কাছে।”—এই চরণের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ এই চরণের মাধ্যমে কবি পরমেশ্বরের এক পরম সত্য ও গভীর ভালোবাসার রূপকে উন্মোচিত করেছেন। সাধারণ মানুষ মনে করে সংসারের যাবতীয় বন্ধন ছিন্ন করে মুক্তি লাভ করাই ঈশ্বরের সাধনা। কিন্তু কবি দেখিয়েছেন যে, স্বয়ং ঈশ্বর তাঁর নিজের সৃষ্টিজগতের সাথে গভীর ও অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আছেন। তিনি তাঁর সৃষ্টিকে ছেড়ে দূরে কোথাও একা বা নিঃসঙ্গ থাকেন না, বরং সৃষ্টির প্রতিটি ধূলিকণা ও জীবের সুখ-দুঃখের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। তাই সংসার ত্যাগ করে বা চোখ বন্ধ করে নয়, বরং ঈশ্বরের সৃষ্টির সেবায় ও কর্মে নিজেকে যুক্ত করার মাধ্যমেই ঈশ্বরের এই শাশ্বত বন্ধনের অংশ হওয়া যায়।

৪। ‘ধূলামন্দির’ কবিতাটির মূলভাব বা সারাংশ সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘ধূলামন্দির’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুষ্ক আচারসর্বস্ব ও বাহ্যিক আড়ম্বরের পূজাকে অস্বীকার করে কর্মযোগের মাধ্যমে ঈশ্বর সাধনার কথা বলেছেন। কবি ভক্তদের মন্দিরের রুদ্ধদ্বার ও কৃত্রিম পূজার ডালি ত্যাগ করে ধুলার ধরণীতে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ প্রকৃত দেবতা মন্দিরে থাকেন না, তিনি রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে মাঠে খাটা চাষী ও পাথরভাঙা শ্রমিকের ধূলিমলিন হাতের কাজের মধ্যে লীন হয়ে থাকেন। সৃষ্টিকে ভালোবেসে এবং জগতের কল্যাণে নিঃস্বার্থ কর্মে লিপ্ত হয়ে ঘাম ঝরানোর মাধ্যমেই কেবল পরমেশ্বরের প্রকৃত সান্নিধ্য ও মুক্তি লাভ করা সম্ভব।

৫। বাক্যের অর্থমূলক শ্রেণীবিভাগ বলতে কী বোঝায়? এই শ্রেণীবিভাগগুলো উদাহরণসহ সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ শ্রোতার কাছে বাক্যের বিভিন্ন অর্থ প্রকাশের পদ্ধতিকে বাক্যের অর্থমূলক শ্রেণীবিভাগ বলা হয়। ‘ধূলামন্দির’ পাঠের ব্যাকরণ অংশে অর্থমূলক দিক থেকে বাক্যকে সাতটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। 

যেমন— 

(১) নির্দেশক বাক্য, যা কোনো সাধারণ বিবৃতি দেয়; যেমন “সৎ ব্যক্তিকে সকলে বিশ্বাস করে।” 

(২) প্রশ্নবোধক বাক্য, যার মাধ্যমে কোনো জিজ্ঞাসা করা হয়; যেমন “তোমার নাম কী রে?” 

(৩) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য, যা আদেশ বা অনুরোধ বোঝায়। 

(৪) ইচ্ছাসূচক বা প্রার্থনাসূচক বাক্য। 

(৫) কার্যকারণাত্মক বাক্য।

(৬) সন্দেহদ্যোতক বাক্য এবং। 

(৭) বিস্ময়াদিবোধক বাক্য।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top