Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 ভারতবর্ষ

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 ভারতবর্ষ Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 ভারতবর্ষ Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 ভারতবর্ষ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 15

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘ভারতবর্ষ’ প্রবন্ধ বা পাঠটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘ভারতবর্ষ’ পাঠটি লেখক এস. ওয়াজেদ আলীর রচনা।

২। লেখক এস. ওয়াজেদ আলী কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ লেখক এস. ওয়াজেদ আলী ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দের ৪ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার বড়তাজপুরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

৩। এস. ওয়াজেদ আলী কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা বা বি.এ. পাস করেছিলেন?

উত্তরঃ এস. ওয়াজেদ আলী কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. পাস করেছিলেন।

৪। এস. ওয়াজেদ আলী কত খ্রিস্টাব্দে ব্যারিস্টারি পাস করে ভারতে ফিরেছিলেন এবং কর্মজীবনে তিনি কী ছিলেন?

উত্তরঃ এস. ওয়াজেদ আলী ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে ব্যারিস্টারি পাস করে ভারতে ফিরেছিলেন এবং কর্মজীবনে তিনি একজন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।

৫। এস. ওয়াজেদ আলী রচিত দুটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ এস. ওয়াজেদ আলী রচিত দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘জীবনের শিল্প’ এবং ‘খেয়ালের ফেরতা’।

৬। ‘ভারতবর্ষ’ নামক পাঠটি লেখকের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?

উত্তরঃ ‘ভারতবর্ষ’ পাঠটি লেখকের ‘মানুষের দরবার’ নামক গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

৭। পঁচিশ বছর পূর্বে লেখক যখন প্রথম কলকাতায় এসেছিলেন, তখন তাঁর বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ পঁচিশ বছর পূর্বে লেখক যখন প্রথম কলকাতায় এসেছিলেন, তখন তাঁর বয়স ছিল এগারো বছর।

৮। লেখকের বাসার কাছে অবস্থিত মুদিখানায় বসে প্রকাণ্ড শরীরের ব্রাহ্মণটি কী করছিলেন?

উত্তরঃ লেখকের বাসার কাছে অবস্থিত মুদিখানায় বসে প্রকাণ্ড শরীরের ব্রাহ্মণটি সাপ-খেলানো সুরে রামায়ণ পড়ছিলেন।

৯। প্রথমবার কলকাতায় আসার কত দিন পর লেখক পুনরায় নিজের দেশে ফিরে গিয়েছিলেন?

উত্তরঃ প্রথমবার কলকাতায় আসার দুই-চার দিন পরেই লেখক পুনরায় নিজের দেশে ফিরে গিয়েছিলেন।

১০। পঁচিশ বছর পর কলকাতায় ফিরে লেখক রাস্তার গ্যাসের বাতির জায়গায় কী জ্বলতে দেখেছিলেন?

উত্তরঃ পঁচিশ বছর পর কলকাতায় ফিরে লেখক রাস্তার গ্যাসের বাতির জায়গায় উজ্জ্বল বৈদ্যুতিক আলো জ্বলতে দেখেছিলেন।

১১। বর্তমান ব্রাহ্মণটির হাতের রামায়ণ বইটি কার কেনা ছিল এবং সেটি কোথা থেকে কেনা হয়েছিল?

উত্তরঃ বর্তমান ব্রাহ্মণটির হাতের বইটি তাঁর ঠাকুরদার কেনা কৃত্তিবাসী রামায়ণ ছিল এবং সেটি কলকাতার বটতলা থেকে কেনা হয়েছিল।

১২। কৃত্তিবাস ওঝা আনুমানিক কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ কৃত্তিবাস ওঝা আনুমানিক ১৩৮৫ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদীয়া জেলার ফুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৩। ‘বটতলা’ বলতে কলকাতার কোন অঞ্চলকে বোঝায় এবং এটি কীসের জন্য বিখ্যাত ছিল?

উত্তরঃ ‘বটতলা’ বলতে কলকাতার চিতপুর অঞ্চলকে বোঝায় এবং এটি ঊনবিংশ শতকে সুলভ মূল্যে বাংলা বই মুদ্রণ ও প্রকাশের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিখ্যাত ছিল।

১৪। ইংরেজি ‘Tradition’ শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ কী?

উত্তরঃ ইংরেজি ‘Tradition’ শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হলো ঐতিহ্য।

১৫। ‘বিপুলকায়’ এবং ‘দিব্যচক্ষু’ শব্দ দুটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘বিপুলকায়’ শব্দের অর্থ হলো অতিশয় বা খুব বড় শরীর এবং ‘দিব্যচক্ষু’ শব্দের অর্থ হলো অলৌকিক দৃষ্টি।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘ভারতবর্ষ’ পাঠ অবলম্বনে পঁচিশ বছর আগে ও পরে কলকাতার বাহ্যিক পরিবর্তনের যে চিত্র লেখক তুলে ধরেছেন তা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ পঁচিশ বছরের ব্যবধানে কলকাতার বাহ্যিক রূপের এক বিরাট ও আমূল পরিবর্তন ঘটেছিল বলে লেখক লক্ষ্য করেছেন। পূর্বে যেখানে সাধারণ ঘর-বাড়ি ছিল, পঁচিশ বছর পর সেখানে বড় বড় অট্টালিকা বা ম্যানশন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আগে রাস্তায় কেবল দু-চারটি ঘোড়ার গাড়ি বা রিকশা চলত, কিন্তু পরে সেখানে অনবরত দ্রুতগতির মোটর গাড়ি ও ট্রাম গাড়ি চলতে শুরু করে। এছাড়া, আগে রাস্তার ধারে মিটমিট করে গ্যাসের বাতি জ্বলত, কিন্তু পরবর্তীতে সেখানে উজ্জ্বল বৈদ্যুতিক আলো দিনকে রাতের মতো উজ্জ্বল করে তুলেছে। এইভাবে আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়ায় কলকাতার বাহ্যিক পরিবেশ সম্পূর্ণ যান্ত্রিক ও উন্নত হয়ে উঠেছিল।

২। “আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম ভেতরকার দৃশ্য দেখে” — লেখক কেন স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন? তাঁর এই স্তম্ভিত হওয়ার কারণ সংক্ষেপে বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ পঁচিশ বছর পর কলকাতায় ফিরে এসে লেখক চারপাশের আধুনিক ও যান্ত্রিক পরিবর্তন দেখে যখন বিস্ময় প্রকাশ করছিলেন, তখনই হঠাৎ তাঁর নজর পড়ে সেই পুরনো মুদিখানাটির ওপর। বাইরে যখন যুগের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে, তখন সেই মুদিখানার ভেতরে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সেখানে পূর্বের মতোই কেরোসিনের বাতি ঝুলছিল এবং পঁচিশ বছর আগে তিনি যেভাবে এক ব্রাহ্মণকে বস্তার ওপর বসে সাপ-খেলানো সুরে রামায়ণ পড়তে দেখেছিলেন, ঠিক একই রকমভাবে এক ব্রাহ্মণকে সেখানে পড়তে দেখেন। এছাড়া সেই আগের মতোই এক মধ্যবয়সী লোক শ্রোতা হিসেবে বসে খদ্দেরদের দেখাশোনা করছিল এবং একটি খালি গায়ে থাকা ছেলে ও দুটি মেয়ে পরম আগ্রহে সেই পাঠ শুনছিল। দীর্ঘ পঁচিশ বছর পরেও দৃশ্যটি সম্পূর্ণ একই রকম বা অপরিবর্তিত থাকায় লেখক চরম বিস্ময়ে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন।

৩। লেখকের প্রশ্নের উত্তরে ব্রাহ্মণটি কী জানিয়েছিলেন এবং এর মাধ্যমে কোন পারিবারিক সত্য উদ্ঘাটিত হয়েছিল?

উত্তরঃ লেখকের বিস্ময় প্রকাশ করে করা প্রশ্নের উত্তরে বর্তমানের সেই ব্রাহ্মণটি তাঁর ভুল ভেঙে দিয়ে আসল সত্য প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানান যে,পঁচিশ বছর আগে লেখক যাকে সেখানে রামায়ণ পাঠ করতে দেখেছিলেন, তিনি আসলে তাঁর স্বর্গীয় ঠাকুরদা ছিলেন। আর তৎকালীন সময়ে যে ছেলেমেয়েরা সেখানে বসে পাঠ শুনছিল, তাদের মধ্যে ছেলেটি এখন বড় হয়ে লেখকের বয়সী হয়েছে এবং মেয়েটির বিয়ে হয়ে সে স্বামী-পুত্র নিয়ে ঘর-সংসার করছে। বর্তমানে যে খালি গায়ে থাকা ছেলেটি এবং দুটি মেয়ে বসে পাঠ শুনছে, তারা আসলে বর্তমান ব্রাহ্মণের যথাক্রমে নাতি ও নাতনি, অর্থাৎ তাঁর সেই বড় হয়ে যাওয়া ছেলেরই সন্তান। এই উত্তরের মাধ্যমে প্রকাশ পায় যে পুরুষানুক্রমে একই বংশের উত্তরসূরিরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সেই পারিবারিক ধারাকে টিকিয়ে রেখেছে।

৪। “মনে হলো, আমি দিব্যচক্ষু পেয়েছি” — লেখকের এমন মনে হওয়ার কারণ ‘ভারতবর্ষ’ প্রবন্ধ অবলম্বনে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ব্রাহ্মণের মুখ থেকে বংশপরম্পরায় রামায়ণ পাঠের ধারাবাহিকতার কথা শুনে লেখক অনুভব করেন যে তিনি এক অলৌকিক বা দিব্যচক্ষু লাভ করেছেন। তিনি উপলব্ধি করেন

যে, বাইরে কলকাতার ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট ও যান্ত্রিক সভ্যতার যতই পরিবর্তন ঘটুক না কেন, ভারতবর্ষের ভেতরের চিরন্তন সনাতন ধারাটি আসলে অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের প্রজন্ম বদলে যায় ঠিকই, কিন্তু রামায়ণ-মহাভারতের মতো শাশ্বত ভারতীয় আদর্শ ও ঐতিহ্য বংশানুক্রমে নতুন প্রজন্মের হাতে সঁপে দেওয়া হয়। এই অন্তরের অপরিবর্তিত সহজ-সরল ধর্মপ্রাণতা ও ঐতিহ্যের নিখুঁত ছবিই লেখকের চোখের সামনে ভেসে উঠেছিল, যার কারণে তাঁর এমন অনুভব হয়েছিল।

৫। ‘ভারতবর্ষ’ প্রবন্ধের মূলভাব বা সারাংশ সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ এস.ওয়াজেদ আলীর ‘ভারতবর্ষ’ প্রবন্ধটি ভারতীয় সভ্যতার চিরন্তন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক চমৎকার প্রতিচ্ছবি। লেখক দেখিয়েছেন যে, সময়ের সাথে সাথে কলকাতার মতো আধুনিক শহরের বাহ্যিক পরিকাঠামো, রাস্তাঘাট বা আলোর আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। কিন্তু এই যান্ত্রিক উন্নতির অন্তরালে ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষের সহজ-সরল ধর্মপ্রাণতা এবং সংস্কার সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রয়েছে। বংশপরম্পরায় বটতলার কৃত্তিবাসী রামায়ণ পাঠ শোনার মাধ্যমে এদেশের মানুষ তাঁদের হাজার বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক ধারাটিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। বাহ্যিক রূপান্তরের মধ্যেও ভেতরের এই শাশ্বত সনাতন একতার ধারাটিই ভারতবর্ষের আসল রূপ, যা কখনো বিলীন হয় না।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top