Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 বাংলা বানানবিধি

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 বাংলা বানানবিধি Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 বাংলা বানানবিধি Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 15 বাংলা বানানবিধি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 16

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। অতৎসম স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের বানানে কোন কার ব্যবহৃত হবে?

উত্তরঃ অতৎসম স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের বানানে কেবলমাত্র ই-কার ব্যবহৃত হবে।

২। ‘বাঙালি’, ‘খুশি’ এবং ‘নেপালি’ শব্দে ঈ-কারের পরিবর্তে ই-কার ব্যবহারের কারণ কী?

উত্তরঃ বাংলায় গৃহীত সংস্কৃত শব্দ ছাড়া অন্য যেকোনো অর্থাৎ অতৎসম শব্দে ঈ-কারের পরিবর্তে কেবল ই-কার ব্যবহৃত হবে।

৩। যেসব সংস্কৃত শব্দে ‘ই’ এবং ‘ঈ’ অথবা ‘উ’ এবং ‘ঊ’ উভয় রূপই বিকল্প হিসেবে প্রচলিত, সেখানে কোন রূপটি লিখতে হবে?

উত্তরঃ সেখানে কেবল ‘ই’ এবং ‘উ’-যুক্ত রূপটিই লিখতে হবে।

৪। ‘কোনো’ বানানের ক্ষেত্রে কী নিয়ম নির্দেশ করা হয়েছে?

উত্তরঃ নির্দেশ অনুযায়ী ‘কোন’ শব্দের শেষে ও-কার দিয়ে ‘কোনো’ লিখতে হবে।

৫। ‘কখনো’ শব্দটির সঠিক বানান রূপ কী হবে?

উত্তরঃ নির্দেশ অনুযায়ী শব্দটির সঠিক বানান রূপ হবে ও-কার যুক্ত ‘কখনো’।

৬। অতৎসম স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ অতৎসম স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের দুটি উদাহরণ হলো ‘মামি’ এবং ‘পিসি’।

৭। ‘উষা’ বানানে ‘ঊ’ নাকি ‘উ’ ব্যবহার করতে হবে?

উত্তরঃ বিকল্প বানানের নিয়ম অনুসারে ‘উষা’ বানানে হ্রস্ব ‘উ’ ব্যবহার করতে হবে।

৮। বাংলা বানানবিধি অনুযায়ী শব্দশেষে কোনটি ব্যবহার করা যাবে না?

উত্তরঃ বাংলা বানানবিধি অনুযায়ী শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) ব্যবহার করা যাবে না।

৯। ‘সঙ্গীত’ বা অন্যান্য সন্ধিজাত শব্দে ‘ং’ (অনুস্বার) ব্যবহারের নিয়ম কী?

উত্তরঃ সন্ধি হলে পদের শেষে ম-এর স্থানে ‘ং’ (অনুস্বার) লিখতে হবে।

১০। অসংস্কৃত বা অতৎসম শব্দে শব্দান্তে ‘ং’ নাকি ‘ঙ’ হবে?

উত্তরঃ অসংস্কৃত শব্দে শব্দান্তে ‘ং’ (অনুস্বার) হবে; যেমন— রঙ, ঢঙ বা শিং।

১১। ‘রঙ’ শব্দের সঙ্গে স্বরধ্বনি যোগ হলে বানানটি কী হবে?

উত্তরঃ ‘রঙ’ শব্দের সঙ্গে স্বরধ্বনি যোগ হলে ‘ং’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ঙ’ হয়ে যাবে; যেমন— ‘রঙের’।

১২। ‘এগারো’ থেকে ‘আঠারো’ পর্যন্ত সংখ্যাবাচক শব্দের শেষে কী লিখতে হবে?

উত্তরঃ এগারো থেকে আঠারো পর্যন্ত সংখ্যাবাচক শব্দের শেষে ও-কার লিখতে হবে।

১৩। অসংস্কৃত শব্দে ‘ৎ’ (খণ্ড-ত) ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী নিয়ম বলা হয়েছে?

উত্তরঃ অসংস্কৃত শব্দে শব্দের শেষে ‘ৎ’ হবে না; যেমন— হিম্মত বা তফাত।

১৪। অসংস্কৃত বা তদ্ভব শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহারের নিয়ম কী?

উত্তরঃ সংস্কৃত বা সংস্কৃতমূলক শব্দ ছাড়া অন্য কোনো বানানে মূর্ধন্য-ষ (ষ) হবে না।

৫। ‘কী’ এবং ‘কি’ শব্দ দুটির ব্যবহারের মূল পার্থক্য কী?

উত্তরঃ ‘কী’ হলো প্রশ্নবাচক সর্বনাম এবং ‘কি’ হলো সাধারণ প্রশ্নবাচক অব্যয় যার উত্তর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে দেওয়া যায়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। বাংলায় অতৎসম এবং সংস্কৃত শব্দের বানানে হ্রস্ব-কার (ই, উ) এবং দীর্ঘ-কার (ঈ, ঊ) ব্যবহারের সাধারণ নিয়মগুলি উদাহরণসহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ বাংলা বানানবিধি অনুযায়ী বাংলায় গৃহীত সংস্কৃত শব্দ ছাড়া অন্য যেকোনো অতৎসম (তদ্ভব, দেশী ও বিদেশী) শব্দে দীর্ঘ-কার (ঈ, ঊ) বা ঋ-কার হবে না, সর্বদা হ্রস্ব-কার (ই, উ) ব্যবহৃত হবে; যেমন— ‘বাঙালি’, ‘জমিদারি’, ‘পুজো’ ও ‘রুপো’। তবে সংস্কৃত শব্দে যেখানে ই/ঈ বা উ/ঊ উভয় রূপই বিকল্পে প্রচলিত, সেখানে কেবল হ্রস্ব রূপটিই গ্রাহ্য হবে; 

যেমন— ‘উষা’, ‘বীথি’, ‘অঙ্গুলি’ ও ‘অবনি’। অতৎসম স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের ক্ষেত্রেও সর্বদা হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হবে; যেমন— ‘বাঘিনি’, ‘মামি’, ‘কাকি’ ও ‘মেথরানি’।

২। অসংস্কৃত এবং ধ্বন্যাত্মক শব্দে অনুস্বার (ং) এবং খণ্ড-ত (ৎ) ব্যবহারের নিয়মগুলি সবিস্তারে বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ অসংস্কৃত শব্দের শেষে সাধারণত অনুস্বার (ং) ব্যবহৃত হয়; যেমন— ‘রঙ’, ‘ঢঙ’, ‘শিং’ ও ‘দার্জিলিং’। তবে এই সমস্ত শব্দের শেষে যদি কোনো স্বরধ্বনি যুক্ত হয়, তখন অনুস্বারটি পরিবর্তিত হয়ে ‘ঙ’-তে রূপান্তরিত হয়ে যায়; যেমন— রঙ থেকে ‘রঙের’ এবং শিং থেকে ‘শিংয়ের’। অন্যদিকে, অসংস্কৃত শব্দের শেষে খণ্ড-ত (ৎ) ব্যবহৃত হবে না; যেমন— ‘হিম্মত’, ‘হজরত’, ‘তফাত’ ও ‘মেরামত’ শব্দগুলিতে সাধারণ ত ব্যবহৃত হয়। তবে কেবল ধ্বন্যাত্মক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দান্তে খণ্ড-ত (ৎ) ব্যবহার করা যাবে; যেমন— ‘ফটাত’, ‘ধপাত’ ও ‘খটাত’।

৩। ‘কোনো’, ‘কখনো’ এবং ‘যেমন/teমন’ শব্দগুলির বানান ও প্রয়োগের নিয়ম বাংলা বানানবিধি অনুসারে আলোচনা করো।

উত্তরঃ বাংলা বানানে স্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য ‘কোন’ শব্দের শেষে ও-কার যোগ করে ‘কোনো’ লেখার নিয়ম করা হয়েছে; যেমন— ‘কোনোদিন’, ‘কোনোকালে’, ‘কোনো উপায়ে’ বা ‘কোনোভাবে। একইভাবে ‘কখন’ শব্দের ও-কার যুক্ত রূপ ‘কখনো’ ব্যবহৃত হবে; যেমন— ‘কখনোই’ বা ‘কখনো কখনো’। এছাড়া ‘যেমন’, ‘যেমনই’, ‘তেমন’, ‘তেমনি’, ‘এমন’ ও ‘এমনই’ শব্দগুলি লেখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নির্দেশ রয়েছে; তবে এদের অর্থভেদে প্রয়োগ আলাদা হতে পারে, যেমন— ‘তেমন খারাপ কিছু দেখছি না’ অর্থে তেমন এবং ‘তেমনি করে গাও গো’ অর্থে তেমনি ব্যবহৃত হয়।

৪। সংখ্যাবাচক শব্দ এবং মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা বানানবিধির নির্দেশিকা উদাহরণসহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ বাংলা সংখ্যাবাচক শব্দ এগারো থেকে আঠারো পর্যন্ত লেখার সময় শব্দান্তে ও-কার যুক্ত করা বাধ্যতামূলক; যেমন— ‘এগারো’, ‘বারো’, ‘তেরো’, ‘চোদ্দো’, ‘পনেরো’, ‘ষোলো’, ‘সতেরো’ ও ‘আঠারো’। তবে ‘শতক’ বা ‘শো’ যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য; যেমন— ‘এক-শো’ বা ‘দু-শো’ লেখার সময় ও-কার বসবে কিন্তু ‘শতখানেক’ বা ‘শতিনেক’ শব্দে ও-কার বসবে না। এছাড়া মূর্ধন্য-ষ (ষ) কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দেই ব্যবহৃত হতে পারে; সংস্কৃত বা সংস্কৃতমূলক শব্দ ছাড়া অন্য কোনো অতৎসম বা বিদেশী শব্দে মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহার করা যাবে না; 

যেমন— ‘মানুষ’, ‘ষাঁড়’ বা ‘ষোলো’ শব্দে বানানের রূপভেদ ঘটে।

৫। ‘কী’ এবং ‘কি’ শব্দ দুটির ব্যাকরণগত তফাত এবং শব্দশেষে বিসর্গ (ঃ) বর্জনের নিয়মটি বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ বাংলা ব্যাকরণে ‘কী’ এবং ‘কি’ শব্দ দুটির অর্থ ও প্রয়োগ সম্পূর্ণ আলাদা। ‘কী’ হলো একটি প্রশ্নবাচক সর্বনাম পদ যা কোনো বিষয়ের বিবরণ বা নির্দিষ্ট উত্তর জানতে ব্যবহৃত হয়; যেমন— “তুমি কী খাচ্ছ?” বা “তোমার নাম কী?”। অন্যদিকে ‘কি’ হলো একটি প্রশ্নবাচক অব্যয় পদ যার উত্তর কেবল ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে দেওয়া সম্ভব; যেমন— “তুমি কি যাবে?” বা “সে কি আসবে?”। এছাড়া নতুন বানানবিধি অনুযায়ী শব্দের শেষে কোনোভাবেই বিসর্গ (ঃ) ব্যবহার করা যাবে না, কেবল শব্দের মধ্যে সন্ধি বা যুক্তাক্ষরের প্রয়োজনে বিসর্গ থাকতে পারে; যেমন— ‘মনঃসংযোগ’ বানানে বিসর্গ থাকবে কিন্তু সাধারণ শব্দের শেষে বিসর্গ সম্পূর্ণ বর্জনীয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top