Class 9 Bengali MIL Important Chapter 14 আত্মকথা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 14 আত্মকথা Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.
Class 9 Bengali MIL Important Chapter 14 আত্মকথা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
আত্মকথা
Chapter: 14
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘আত্মকথা’ পাঠটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘আত্মকথা’ পাঠটি মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।
২। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল কত ছিল?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনকাল ছিল ১৮১৭ থেকে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
৩। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম দিগম্বরী দেবী ছিল।
৪। কার মৃত্যুর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনে এক গভীর বৈরাগ্য ও মানসিক পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল?
উত্তরঃ তাঁর প্রিয় দিদিমা অলকাসুন্দরী দেবীর মৃত্যুর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনে গভীর মানসিক পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল।
৫। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যাঠতুত ভাই বা জ্যেষ্ঠতাত-পুত্র কে ছিলেন?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জ্যাঠতুত ভাই ছিলেন ব্রজবাবু।
৬। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রায়শই নির্জনে সময় কাটানোর জন্য কোন বাগানে যেতেন?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রায়শই হুগলি নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত নির্জন বোটানিক্যাল গার্ডেনে যেতেন।
৭। বোটানিক্যাল গার্ডেনের সমাধিস্তম্ভে বসে গাওয়া দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম গানটি কী ছিল?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত প্রথম গানটি ছিল— “হবে, কি হবে বিভা-আলোকে, জ্ঞান বিনা সব অন্ধকার।”।
৮। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ির সভাপণ্ডিতের নাম কী ছিল এবং তাঁর বাড়ি কোথায় ছিল?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ির সভাপণ্ডিতের নাম ছিল কমলাকান্ত চূড়ামণি এবং তাঁর বাড়ি ছিল বলাগড়ে।
৯। সভাপণ্ডিত কমলাকান্ত চূড়ামণির পুত্রের নাম কী ছিল?
উত্তরঃ সভাপণ্ডিত কমলাকান্ত চূড়ামণির পুত্রের নাম ছিল শ্যামাচরণ।
১০। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর সংস্কৃতে প্রবেশ করার জন্য চূড়ামণির কাছে কোন ব্যাকরণ গ্রন্থটি পড়া শুরু করেছিলেন?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর সংস্কৃতে প্রবেশ করার জন্য চূড়ামণির কাছে বোপদেব রচিত বিখ্যাত ‘মুগ্ধবোধ’ ব্যাকরণ পড়া শুরু করেছিলেন।
১১। কমলাকান্ত চূড়ামণি দেবেন্দ্রনাথের কাছ থেকে কাগজে কী লিখিয়ে নিয়ে সই করিয়ে নিয়েছিলেন?
উত্তরঃ চূড়ামণি তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র শ্যামাচরণকে দেবেন্দ্রনাথ যেন আজীবন প্রতিপালন করেন— এই মর্মে কাগজে লিখিয়ে সই করিয়ে নিয়েছিলেন।
১২। ‘ঈশ্বরের তত্ত্বকথা’ জানার ব্যাকুলতায় দেবেন্দ্রনাথ কার কাছে মহাভারত পড়া শুরু করেছিলেন?
উত্তরঃ ‘ঈশ্বরের তত্ত্বকথা’ জানার ব্যাকুলতায় দেবেন্দ্রনাথ পণ্ডিত শ্যামাচরণের কাছে মহাভারত পড়া শুরু করেছিলেন।
১৩। মহাভারত গ্রন্থটি খোলার পর কোন শ্লোকটি দেবেন্দ্রনাথের চোখে পড়েছিল এবং তাঁর মনে গভীর উৎসাহ জাগিয়েছিল?
উত্তরঃ মহাভারত গ্রন্থটি খোলার পর “ধর্মে মতির্ভবতু বঃ সততোত্থিতানাম্” শ্লোকটি তাঁর চোখে পড়েছিল।
১৪। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে এবং কোন সভার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৩৯ সালে ‘তত্ত্বরঞ্জনী সভা’ (যার পরবর্তী নাম হয়েছিল ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
১৫। বোটানিক্যাল গার্ডেনটি কত খ্রিস্টাব্দে এবং কার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তরঃ বোটানিক্যাল গার্ডেনটি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সেনা আধিকারিক রবার্ট কিড- এর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। দিদিমার মৃত্যুর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসিক অবস্থা এবং তাঁর বৈরাগ্যভাবের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ দিদিমার মৃত্যুর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনে এক গভীর বিষাদ ও বৈরাগ্যভাবের উদয় হয়। তিনি তাঁর বৈঠকখানায় বসে সকলকে ডেকে জানান যে তিনি আজ থেকে বিষয়সম্পত্তির মোহ ত্যাগ করে ‘ব্রহ্মত্ব’ গ্রহণ করেছেন এবং তাঁর কাছে যার যা কিছু চাওয়ার আছে তা চাইতে পারেন। তাঁর জ্যাঠতুত ভাই ব্রজবাবুর অনুরোধে তিনি মুহূর্তের মধ্যে তাঁর ঘরের ভালো ভালো ছবি, কার্পেট এবং মূল্যবান জিনিসপত্র সমেত বৈঠকখানার সমস্ত আসবাবপত্র বিলিয়ে দেন। পার্থিব সুখ-সম্পদের প্রতি এই চরম উদাসীনতা ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে তাঁর অন্তরের গভীর আধ্যাত্মিক রূপান্তরের সূচনা ঘটেছিল, যা তাঁকে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের দিকে চালিত করে।
২। বোটানিক্যাল গার্ডেনে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময় কাটানো এবং তাঁর প্রথম গান রচনার প্রেক্ষাপটটি আলোচনা করো।
উত্তরঃ মনের তীব্র অশান্তি ও বিষাদ দূর করার জন্য দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর যখনই সুযোগ পেতেন, কলকাতার কাছে শিবপুরের নির্জন বোটানিক্যাল গার্ডেনে চলে যেতেন। সেখানকার এক শান্ত সমাধির ওপর বসে তিনি প্রকৃতির নির্জনতার মাঝে ঈশ্বরের সন্ধান করতেন। পার্থিব সুখ বা বিষয়াসক্তির কোনো আকর্ষণ তাঁর মনে ছিল না, অথচ ঈশ্বরের কৃপাও তিনি পাচ্ছিলেন না, যার ফলে তাঁর জীবন যেন শ্মশানের মতো মরুভূমি হয়ে উঠেছিল।[২] এমনই এক ব্যাকুল মুহূর্তে তাঁর মুখ দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর জীবনের প্রথম গানটি বের হয়ে আসে— “হবে, কি হবে বিভা-আলোকে, জ্ঞান বিনা সব অন্ধকার।”। এই গানটি তিনি সেই সমাধিস্তম্ভে বসে মুক্তকণ্ঠে গেয়ে নিজের মনের ব্যাকুলতা প্রকাশ করতেন।
৩। সভাপণ্ডিত কমলাকান্ত চূড়ামণির সাথে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্ক এবং তাঁর পুত্রের প্রতিপালনের দায়িত্ব গ্রহণের ঘটনাটি সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে কমলাকান্ত চূড়ামণি নামক এক তেজস্বী ও সুপণ্ডিত ব্যক্তি সভাপণ্ডিত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। আট বছর বয়স থেকে দেবেন্দ্রনাথ তাঁকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভক্তি করতেন এবং চূড়ামণিও তাঁকে গভীর স্নেহ করতেন। একদিন চূড়ামণি পরম স্নেহে দেবেন্দ্রনাথের হাতে একটি কাগজ দিয়ে সই করতে বলেন, যাতে লেখা ছিল দেবেন্দ্রনাথ যেন চূড়ামণির পুত্র শ্যামাচরণকে চিরকাল প্রতিপালন করেন। দেবেন্দ্রনাথ চূড়ামণির প্রতি সুগভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারণে কোনো দ্বিধা না করেই তৎক্ষণাৎ কাগজে সই করে দেন। পরবর্তীতে চূড়ামণির মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র শ্যামাচরণ যখন সেই সই করা কাগজ নিয়ে আসেন, তখন দেবেন্দ্রনাথ পরম আদরে তাঁর প্রতিজ্ঞাপত্র স্বীকার করে শ্যামাচরণকে নিজের কাছে আশ্রয় দেন।
৪। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর কীভাবে সংস্কৃত ও মহাভারত পাঠের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং মহাভারত তাঁর মনে কী প্রভাব ফেলেছিল?
উত্তরঃ শৈশব থেকেই দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংস্কৃত ভাষার প্রতি এক সহজাত অনুরাগ ছিল এবং তিনি চাণক্যের শ্লোক মুখস্থ রাখতেন। পরবর্তীতে ঈশ্বরের তত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক সত্য জানার তীব্র ব্যাকুলতা থেকে তিনি পণ্ডিত শ্যামাচরণের কাছে মহাভারত পাঠ করতে শুরু করেন। মহাভারত গ্রন্থটি খোলামাত্রই তাঁর চোখে একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী শ্লোক পড়ে— “ধর্মে মতির্ভবতু বঃ সততোত্থিতানাম্”, যার অর্থ সর্বদা ধর্মে মতি স্থির রাখা এবং ধর্মের পথে চলা। এই শ্লোকটি দেবেন্দ্রনাথের মনে এক অভূতপূর্ব আলোড়ন ও উৎসাহ সৃষ্টি করে, যা তাঁকে ব্রহ্মজ্ঞানের আলোয় ঈশ্বর লাভ করতে এবং তত্ত্বসন্ধানে আরও গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
৫। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংক্ষিপ্ত জীবনী ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে তাঁর অবদানের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮১৭ সালের ১৫ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং মাতা দিগম্বরী দেবী। তিনি হিন্দু কলেজে শিক্ষা সমাপ্ত করার পর পারিবারিক সম্পত্তি দেখাশোনার পাশাপাশি দর্শনচর্চায় মগ্ন হন। ১৮৩৯ সালে তিনি ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৮৪২ সালে ব্রাহ্মসমাজের পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে ব্রাহ্ম উপাসনা পদ্ধতির প্রচলন করেন। তত্ত্বসন্ধান ও ঈশ্বরের আরাধনায় জীবন উৎসর্গ করার জন্য ব্রাহ্মসমাজ তাঁকে ‘মহর্ষি’ উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯০৫ সালের ১৯ জানুয়ারি এই মহান আধ্যাত্মিক সাধক ও সমাজ সংস্কারকের জীবনাবসান ঘটে।

