Class 12 Advance Bengali Important Chapter 9 ভাগীরথীর উৎস-সন্ধানে

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 9 ভাগীরথীর উৎস-সন্ধানে Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 9 ভাগীরথীর উৎস-সন্ধানে Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 9 ভাগীরথীর উৎস-সন্ধানে

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 9

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘ভাগীরথীর উৎস-সন্ধানে’ প্রবন্ধটি কার লেখা? 

উত্তরঃ প্রবন্ধটি আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর লেখা। 

২। জগদীশ চন্দ্র বসুর জন্ম কত সালে হয়েছিল? 

উত্তরঃ তাঁর জন্ম ৩০-১১-১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে হয়েছিল।

৩। তাঁর আদি নিবাস কোথায় ছিল? 

উত্তরঃ তাঁর আদি নিবাস ছিল বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার রাঢ়িখাল গ্রামে। 

৪। জগদীশ চন্দ্র বসুর পিতার নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম ছিল ভগবানচন্দ্র বসু। 

৫। তিনি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস সি.পাস করেন? 

উত্তরঃ তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস সি. পাস করেন।

৬। তাঁর কোন গ্রন্থে তাঁর সৌন্দর্যপূজারী শিল্পী মনের পরিচয় পাওয়া যায়? 

উত্তরঃ তাঁর বাংলা রচনা ‘অব্যক্ত’ গ্রন্থের মধ্যে এই পরিচয় পাওয়া যায়।

৭। শৈশবে লেখক নদীকে কী জিজ্ঞাসা করতেন? 

উত্তরঃ লেখক নদীকে জিজ্ঞাসা করতেন, “তুমি কোথা হইতে আসিতেছ?” 

৮। শৈশব থেকেই নদীর উৎপত্তি সম্বন্ধে লেখক কী শুনেছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি শুনেছিলেন নদীর উৎপত্তি “মহাদেবের জটা হইতে।” 

৯। লেখক কোন কোন পাহাড়ের চূড়ায় আরোহণ করেছিলেন? 

উত্তরঃ লেখক নন্দাদেবী ও ত্রিশূল শিখরের পাদদেশে আরোহণ করেছিলেন। 

১০। পুরাণে বর্ণিত ‘কূর্মাচল’ দেশ কোথায় অবস্থিত? 

উত্তরঃ হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে ভাগীরথীর যাত্রাপথে এটি অবস্থিত। 

১১। গঙ্গার অন্য নাম ‘জাহ্নবী’ কেন? 

উত্তরঃ জহ্নু মুনি গঙ্গাকে পান করার পর জানু বিদীর্ণ করে মুক্তি দিয়েছিলেন বলে এর নাম জাহ্নবী। 

১২। ‘অব্র’ ও ‘সরিত’ শব্দ দুটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘অব্র’ শব্দের অর্থ আকাশ এবং ‘সরিত’ শব্দের অর্থ নদী।

১৩। সগর রাজার কতজন পুত্র ছিল? 

উত্তরঃ সগর রাজার ৬০,০০০ পুত্র ছিল। 

১৪। সরযূ নদী কোথা থেকে নিঃসৃত হয়েছে? 

উত্তরঃ সরযূ নদী কৈলাস পর্বতের মানস সরোবর থেকে নিঃসৃত হয়েছে।

১৫। লেখক পাহাড়ের গায়ে কী কী চূড়া শুভ্র বসন পরে আছে দেখেছিলেন? 

উত্তরঃ লেখক নন্দাদেবী ও ত্রিশূল শিখরকে শুভ্র তুষারাবৃত অবস্থায় দেখেছিলেন। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ভাগীরথীর উৎস সন্ধানে বেরিয়ে লেখক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের যে বর্ণনা দিয়েছেন তা সংক্ষেপে লেখো। 

উত্তরঃ লেখক যখন ভাগীরথীর উৎস সন্ধানে হিমালয়ের পথে যাচ্ছিলেন,তখন তিনি চারিদিকে নিবিড় অরণ্য ও গহীন পর্বতমালা দেখতে পান। উচ্চতর শৃঙ্গে আরোহণ করার পর মেঘের আবরণ সরে গিয়ে তাঁর সামনে নন্দাদেবী ও ত্রিশূল শিখরের মহিমা প্রকাশিত হয়। লেখক দেখেন, অনন্ত প্রসারিত নীল নভোমণ্ডলে মহাদেবের জটা সদৃশ তুষারাবৃত শৃঙ্গগুলো বিরাজ করছে। সেখানে রূপালি সুতোর মতো সরু হয়ে ভাগীরথী বয়ে চলেছে। ঝরনাগুলোর শব্দ লেখকের কানে শঙ্খধ্বনির মতো মনে হচ্ছিল এবং তুষার-নদী বা হিমবাহের এই বিশালতা তাঁকে অভিভূত করে দিয়েছিল। 

২। গঙ্গার মর্ত্যে আগমনের পৌরাণিক কাহিনীটি বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, ইক্ষ্বাকু বংশের রাজা সগরের ৬০,০০০ পুত্র কপিল মুনির অভিশাপে ভস্মীভূত হন। তাঁদের উদ্ধারের জন্য সগরের বংশধর ভগীরথ কঠোর তপস্যা করেন। তাঁর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে গঙ্গা মর্ত্যে আসতে রাজি হন,কিন্তু তাঁর পতনের বেগ ধারণ করার জন্য ভগীরথ মহাদেবকে অনুরোধ করেন। মহাদেব গঙ্গাকে তাঁর জটায় ধারণ করেন এবং সেখান থেকে একটি ধারা বিন্দু সরোবর হয়ে মর্ত্যে প্রবাহিত হয়। ভগীরথ এই ধারাকে শঙ্খ বাজিয়ে পথ দেখিয়ে নিয়ে যান বলে গঙ্গার নাম ভাগীরথী হয়েছে। 

৩। জলকণার চিরন্তন গতির পরিচয় লেখক কীভাবে প্রবন্ধটিতে ফুটিয়ে তুলেছেন? 

উত্তরঃ লেখক দেখিয়েছেন যে জলকণার কোনো বিশ্রাম নেই। সূর্যের তেজে সমুদ্রের জল বাষ্প হয়ে আকাশে ওঠে এবং মেঘের রূপ ধরে পর্বতের শিখরে তুষাররূপে আশ্রয় নেয়। সেই তুষার আবার গলে গিয়ে ঝরনা ও নদীর আকারে সমুদ্রের দিকে ধাবিত হয়। পথে এই জল মৃত্তিকাকে উর্বর করে, বনস্পতিকে সঞ্জীবিত করে এবং লোকালয়কে পুষ্ট করে। অবশেষে নদী আবার সমুদ্রে গিয়ে মেশে এবং এই চক্রাকার গতি অবিরাম চলতেই থাকে। লেখকের মতে,এই গতির বিরাম নেই এবং এর শেষও নেই।

৪। ‘মহাদেবের জটা’ শব্দবন্ধটি লেখক কোন প্রাকৃতিক রূপের বর্ণনায় এবং কেন ব্যবহার করেছেন? 

উত্তরঃ লেখক হিমালয়ের তুষারাবৃত পর্বতশৃঙ্গ ও সেখান থেকে নেমে আসা হিমবাহকে ‘মহাদেবের জটা’র সাথে তুলনা করেছেন। শৈশবে তিনি লোকগাথায় শুনেছিলেন গঙ্গা মহাদেবের জটা থেকে নির্গত হয়েছে। বড় হয়ে যখন তিনি হিমালয়ে নন্দাদেবী ও ত্রিশূল শিখর দেখলেন, তখন তাঁর মনে হলো তুষারের এই স্তূপ ও মেঘের জটলা যেন বাস্তুবিকই শিবের জটা। এই তুষার থেকেই গলে গলে জলধারা নির্গত হয়ে গঙ্গার সৃষ্টি করছে, যা পৌরাণিক বিশ্বাসের একটি সুন্দর প্রাকৃতিক ব্যাখ্যা হিসেবে লেখক উপস্থাপন করেছেন।

৫। জহ্নু মুনির সাথে গঙ্গার সম্পর্কের যে কাহিনী উৎসে বর্ণিত আছে তা বুঝিয়ে বলো। 

উত্তরঃ পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, ভগীরথ যখন গঙ্গাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন,তখন গঙ্গা জহ্নু মুনির যজ্ঞভূমি প্লাবিত করে তাঁর যজ্ঞের সরঞ্জাম ভাসিয়ে নিয়ে যান। এতে ক্রুদ্ধ হয়ে জহ্নু মুনি গঙ্গার সমস্ত জল পান করে ফেলেন। পরে ভগীরথের সনির্বন্ধ অনুরোধে তুষ্ট হয়ে মুনি তাঁর জানু বা হাঁটু বিদীর্ণ করে গঙ্গাকে মুক্তি দেন। এই ঘটনার পর থেকেই গঙ্গা জহ্নু মুনির কন্যা হিসেবে পরিচিত হন এবং তাঁর নাম হয় ‘জাহ্নবী’ বা ‘জহ্নুকন্যা’।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top