Class 12 Advance Bengali Important Chapter 8 রাজধর্ম

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 8 রাজধর্ম Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 8 রাজধর্ম Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 8 রাজধর্ম

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 8

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘রাজধর্ম’ পাঠ্যাংশটি কার লেখা? 

উত্তরঃ পাঠ্যাংশটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা।

২। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন? 

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। বিদ্যাসাগর কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ তিনি মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৪। তিনি কত খ্রিস্টাব্দে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন? 

উত্তরঃ তিনি ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে হিন্দু ল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন।

৫। বিদ্যাসাগরের লেখা দুটি জনপ্রিয় বইয়ের নাম লেখো। 

উত্তরঃ তাঁর লেখা দুটি জনপ্রিয় বই হলো ‘বর্ণপরিচয়’ ও ‘কথামালা’। 

৬। কার উদ্যোগে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়? 

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একক উদ্যোগে ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।

৭। রামচন্দ্রের অত্যন্ত বিশ্বস্ত অনুচরের নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ রামচন্দ্রের অত্যন্ত বিশ্বস্ত অনুচরের নাম ছিল দুর্মুখ।

৮। দুর্মুখের প্রধান কাজ কী ছিল? 

উত্তরঃ নগরে ও জনপদে প্রজারা রাজার শাসন সম্পর্কে কী ভাবছে,তা গোপনে অবগত হওয়া ছিল দুর্মুখের কাজ।

৯। প্রজারা সীতা সম্পর্কে কী ধরনের নিন্দা করছিল? 

উত্তরঃ প্রজারা রাবণের ঘরে দীর্ঘকাল বন্দি থাকার কারণে সীতার চরিত্র নিয়ে নিন্দা ও অপবাদ দিচ্ছিল। 

১০। রামচন্দ্রের মতে রাজার পরম ধর্ম কী? 

উত্তরঃ রামচন্দ্রের মতে সর্বপ্রযত্নে প্রজারঞ্জন করাই হলো রাজার পরম ধর্ম। 

১১। রামচন্দ্র তাঁর ভাইদের কোথায় উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ রামচন্দ্র তাঁর ভাইদের মন্ত্রভবনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

১২। রামচন্দ্র লক্ষ্মণকে কী কঠোর আদেশ দিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ রামচন্দ্র লক্ষ্মণকে আদেশ দিয়েছিলেন সীতাকে তপোবন দর্শনের ছলনায় বাল্মীকির আশ্রমে রেখে আসতে। 

১৩। সীতাকে কার কন্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে? 

উত্তরঃ সীতাকে মিথিলার রাজা জনকের কন্যা বা ‘জনক-তনয়া’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

১৪। রামচন্দ্রের ভাইদের নাম কী কী? 

উত্তরঃ রামচন্দ্রের তিন ভাই হলেন ভরত, লক্ষ্মণ ও শত্রুঘ্ন।

১৫। ‘রাজধর্ম’ পাঠ্যাংশটি বিদ্যাসাগরের কোন মূল গ্রন্থের অন্তর্গত? 

উত্তরঃ এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘সীতার বনবাস’ নামক গ্রন্থের অন্তর্গত। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর। 

১। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সাহিত্যিক অবদান এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে তাঁর ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সাহিত্যিক অবদান:

(i) শিক্ষা বিস্তারে প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তক: বাংলা শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যাসাগরের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি শিশুদের শিক্ষার জন্য ‘বর্ণপরিচয়’,’কথামালা’ ‘বোধোদয়’, ‘চরিতাবলী’ এবং ‘ঋজুপাঠ’ প্রভৃতি বই লিখে বাংলা শিক্ষার ভিত্তি স্থাপন করেন। 

(ii) ধ্রুপদী ও অনুবাদ সাহিত্য: তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি সাহিত্যের বিভিন্ন কাহিনী বাংলায় সহজ ও সাবলীল গদ্যে রূপান্তর করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’,’শকুন্তলা’ এবং ‘সীতার বনবাস’। 

সমাজ সংস্কারক হিসেবে ভূমিকা:

(i) বিধবা বিবাহ আইন: সমাজ সংস্কারক হিসেবে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ এবং অত্যন্ত কঠিন কাজ ছিল বিধবা বিবাহ প্রচলন। তৎকালীন সমাজে বিধবাদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত করুণ। বিদ্যাসাগর শাস্ত্রীয় প্রমাণ দিয়ে এবং সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে এই প্রথার বিরোধিতা করেন। তাঁরই অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্দোলনের ফলে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। 

(ii) নারী শিক্ষা ও সমাজসেবা: তিনি কেবল বিধবা বিবাহেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বাংলায় নারী শিক্ষা প্রসারেও তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। এছাড়াও বিদ্যাসাগর বাংলার সমাজ-সংস্কারকদের মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং বিভিন্ন সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। 

২। প্রজাদের মনোভাব জানার পর রামচন্দ্রের মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিল? 

উত্তরঃ দুর্মুখের কাছ থেকে প্রজাদের কলঙ্ক-কীর্তন শোনার পর রামচন্দ্র চরম মর্মাহত ও শোকাভিভূত হয়ে পড়েন। তিনি অত্যন্ত বিমর্ষ হয়ে দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়তে থাকেন এবং তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হতে থাকে।তিনি বুঝতে পারেন যে, প্রজারঞ্জনের খাতিরে তাঁকে তাঁর প্রাণপ্রিয় ও নিরপরাধ পত্নী সীতাকে ত্যাগ করতে হবে। এই কঠিন সিদ্ধান্তের দ্বন্দ্বে তাঁর হৃদয় বিদীর্ণ হচ্ছিল এবং তিনি দীর্ঘক্ষণ কোনো কথা বলতে পারছিলেন না। 

৩। রামচন্দ্র কেন সীতাকে বিসর্জন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন? তাঁর কাছে ‘রাজধর্ম’ এর অর্থ কী ছিল? 

উত্তরঃ রামচন্দ্রের কাছে ব্যক্তিগত সুখের চেয়ে রাজার দায়িত্ব বা ‘রাজধর্ম’ ছিল অনেক বড়। যখন তিনি জানতে পারেন যে প্রজারা সীতার পবিত্রতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, তখন তিনি মনে করেন যে রাজার চরিত্র ও তাঁর পরিবারের ওপর কোনো কলঙ্ক থাকা উচিত নয়। তাঁর মতে,প্রজারঞ্জনই রাজার পরম ধর্ম এবং সেই ধর্ম পালনের জন্য যদি স্ত্রী বা নিজের প্রাণও ত্যাগ করতে হয়,তবে রাজাকে তা করতে হবে।কুলকলঙ্ক মোচন এবং প্রজাদের সন্তুষ্টির জন্যই তিনি অত্যন্ত ভারী মনে সীতাকে বিসর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।

৪। মন্ত্রভবনে উপস্থিত ভাইদের সামনে রামচন্দ্র কীভাবে নিজের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন? 

উত্তরঃ রামচন্দ্র ভরত, লক্ষ্মণ ও শত্রুঘ্নকে মন্ত্রভবনে ডেকে পাঠান এবং তাঁদের সামনে অত্যন্ত কাতরভাবে নিজের মনের কথা ব্যক্ত করেন।তিনি তাঁদের জানান যে, রাবণের ঘরে সীতার অবস্থানের কারণে প্রজারা অত্যন্ত অসন্তোষ প্রকাশ করছে এবং নিন্দা করছে।তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন যে, যদি তিনি প্রজারঞ্জন করতে না পারেন তবে তাঁর জীবন ও রাজত্বের কোনো মূল্য নেই। তাই তিনি স্থির করেছেন যে সীতাকে গৃহ থেকে বহিষ্কার করবেন এবং ভাইদের অনুরোধ করেন যাতে তাঁরা এই সিদ্ধান্তে কোনো বাধা না দেন।

৫। লক্ষ্মণের প্রতি রামচন্দ্রের আদেশের বিবরণ দাও এবং এই আদেশের প্রেক্ষাপট আলোচনা করো। 

উত্তরঃ লক্ষ্মণের প্রতি রামচন্দ্রের আদেশের বিবরণ: রাজকীয় মন্ত্রভবনে ভরত, লক্ষ্মণ ও শত্রুঘ্নকে উপস্থিত করার পর রামচন্দ্র অত্যন্ত শোকার্ত হৃদয়ে লক্ষ্মণকে একটি কঠোর আদেশ প্রদান করেন। তিনি লক্ষ্মণকে নির্দেশ দেন যে,পরদিন প্রভাত হওয়া মাত্রই তিনি যেন জানকীকে রথে আরোহণ করিয়ে মহর্ষি বাল্মীকির আশ্রমের কাছে রেখে আসেন। রামচন্দ্র এই কাজের জন্য একটি কৌশলের আশ্রয় নিতে বলেন; সীতা ইতিপূর্বেই তপোবন দর্শনের ইচ্ছা বা অভিলাষ প্রকাশ করেছিলেন,তাই সেই তপোবন দর্শনের ছলনায় বা ‘ব্যপদেশে’ তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। রামচন্দ্র লক্ষ্মণকে অত্যন্ত কড়াভাবে সতর্ক করে দেন যে, তাঁর এই আদেশের যেন কোনোভাবেই অন্যথা না হয় এবং লক্ষ্মণ যেন এই বিষয়ে কোনো প্রকার আপত্তি বা প্রতিবাদ না করেন।

আদেশের প্রেক্ষাপট: রামচন্দ্রের এই অত্যন্ত বেদনাদায়ক সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল তাঁর প্রখর রাজকর্তব্যবোধ এবং প্রজাদের প্রতি দায়বদ্ধতা।

প্রজাদের নিন্দা ও অপবাদ: রামচন্দ্র তাঁর বিশ্বস্ত অনুচর দুর্মুখের মাধ্যমে জানতে পারেন যে,লঙ্কারাজ রাবণের গৃহে দীর্ঘকাল বন্দি থাকার কারণে প্রজারা সীতার পবিত্রতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছে এবং অত্যন্ত কুৎসা রটাচ্ছে।

প্রজারঞ্জন ও রাজধর্ম: রামচন্দ্রের মতে,”সর্বপ্রযত্নে প্রজারঞ্জন করাই রাজার পরম ধর্ম”। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, যদি প্রজারা রাজার আচরণে বা রাজপরিবারের কারও চরিত্রে অসন্তুষ্ট থাকে,তবে সেই রাজত্বের কোনো সার্থকতা নেই। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top