Class 12 Advance Bengali Important Chapter 7 কাস্তে

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 7 কাস্তে Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 7 কাস্তে Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 7 কাস্তে

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 7

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘কাস্তে’ কবিতাটি কার লেখা? 

উত্তরঃ কবিতাটি কবি দিনেশ দাসের লেখা।

২। দিনেশ দাসের জন্ম কত সালে হয়েছিল? 

উত্তরঃ কবি দিনেশ দাস ১৯১৩ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। 

৩। দিনেশ দাসের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী? 

উত্তরঃ কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম হলো ‘কবিতা’,যা ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত হয়। 

৪। কোন কাব্যের জন্য দিনেশ দাস রবীন্দ্র পুরস্কার পেয়েছিলেন? 

উত্তরঃ ‘রাম গেছে বনবাসে’ কাব্যের জন্য কবি ১৯৮২ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার পান। 

৫। ‘কাস্তে’ কবিতায় কবি চাঁদকে কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন? 

উত্তরঃ কবি চাঁদকে কাস্তের সঙ্গে তুলনা করেছেন। 

৬। ‘কাস্তে’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: কাস্তে হলো ধান বা ঘাস কাটার জন্য অর্ধচন্দ্রাকৃতি হালকা এক ধরণের অস্ত্র। 

৭। ‘বেয়নেট’ বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ হাতাহাতি যুদ্ধ করার জন্য রাইফেলের ডগার সঙ্গে লাগানো ছুরির মতো ধারালো ফলককে বেয়নেট বলে।

৮। ‘রাজধর্ম’ গদ্যাংশটি কার রচনা? 

উত্তরঃ এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা। 

৯। বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান কোথায়? 

উত্তরঃ মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

১০। ঈশ্বরচন্দ্র কত সালে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন? 

উত্তরঃ ১৮৩৯ সালে হিন্দু ল’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি এই উপাধি পান। 

১১। বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় কোন আইন পাস হয়েছিল? 

উত্তরঃ তাঁরই উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। 

১২। ‘রাজধর্ম’ পাঠ্যটিতে কোন রাজার কথা বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ এখানে মহারাজ রামচন্দ্রের শাসনব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। 

১৩। রামচন্দ্রের অত্যন্ত বিশ্বস্ত অনুচরের নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ রামচন্দ্রের অত্যন্ত বিশ্বস্ত অনুচরের নাম ছিল দুর্মুখ। 

১৪। রামচন্দ্র কেন দুর্মুখকে নিযুক্ত করেছিলেন? 

উত্তরঃ প্রজা সাধারণের অভিপ্রায় বা মতামত জানার জন্য তিনি দুর্মুখকে নিযুক্ত করেছিলেন। 

১৫। বিদ্যাসাগর রচিত একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম লেখো। 

উত্তরঃ তাঁর রচিত একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো ‘বর্ণপরিচয়’ বা ‘সীতোর বনবাস’। 

দীঘল প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘কাস্তে’ কবিতার মূল ভাববস্তু সংক্ষেপে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ কাস্তে’ কবিতায় কবি দিনেশ দাস রোমান্টিক ভাবালুতা ত্যাগ করে এক কঠিন বাস্তববাদী চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। কবির কাছে আকাশের রুপোলি চাঁদ আজ আর প্রেমের প্রতীক নয়,বরং তা ক্ষুধার্ত মানুষের শ্রমের হাতিয়ার ‘কাস্তে’র মতো মনে হয়েছে। কবি বলতে চেয়েছেন, এই কঠিন যুগে পুরনো সৌন্দর্যবোধের চেয়ে শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম এবং বিপ্লব বেশি জরুরি। ইস্পাতে কামানো দুনিয়ায় যেখানে যুদ্ধের দামামা বাজে, সেখানে চাঁদকে কবি কাস্তে হিসেবেই দেখতে চান,যা নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

২। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সমাজ-সংস্কারক ও সাহিত্যিক পরিচয় সংক্ষেপে লেখো। 

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন একাধারে সমাজ-সংস্কারক এবং বাংলা গদ্যের জনক। তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস করিয়ে ভারতীয় সমাজে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন। সাহিত্যিক হিসেবে তিনি বাংলা গদ্যকে একটি সুশৃঙ্খল রূপ দান করেন। ‘বর্ণপরিচয়’, ‘বোধোদয়’, ‘কথামালা’, ‘শকুন্তলা’ এবং ‘সীতোর বনবাস’ প্রভৃতি গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি বাংলা ভাষার ভিত মজবুত করেছেন। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলি আজও বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

৩। ‘রাজধর্ম’ গদ্যাংশ অবলম্বনে রামচন্দ্রের রাজত্বকালের বর্ণনা দাও। 

উত্তরঃ মহারাজ রামচন্দ্র যখন রাজপদে অধিষ্ঠিত ছিলেন,তখন তাঁর শাসনব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ ও প্রজাহিতৈষী। তাঁর সময়ে সমগ্র কোশলরাজ্য সর্বপ্রকার সুখ-সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। কোনো কালেই কোনো রাজার শাসনামলে প্রজারা এমন উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি এবং সন্তোষ লাভ করেনি। রামচন্দ্র প্রতিদিন প্রাতঃকালে অমাত্যবর্গের সাথে রাজকার্য পরিচালনা করতেন এবং অবশিষ্ট সময় ভ্রাতৃবর্গ ও পরিবারের সাথে অতিবাহিত করতেন। 

৪। ‘কাস্তে’ কবিতায় কবি কেন চাঁদকে কাস্তে হতে বলেছেন? এর তাৎপর্য কী?

উত্তরঃ কবি দিনেশ দাস দেখেছেন যে,আধুনিক বিশ্ব ক্রমশ জটিল ও যান্ত্রিক হয়ে উঠছে। কবি মনে করেন, চাঁদকে নিয়ে স্বপ্ন দেখার দিন শেষ হয়েছে, কারণ আজকের পৃথিবী রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও যুদ্ধের মুখোমুখি। ‘ইস্পাতে কামানো’ এই দুনিয়ায় সৌন্দর্যবোধের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কবি রূপকের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, আজকের যুগে আকাশের চাঁদটিও যেন শ্রমিকের হাতিয়ার কাস্তের মতো ধারালো হয়ে ওঠে,যা সামাজিক শোষণ ও অবিচারের অবসান ঘটাতে সাহায্য করবে।

৫। ‘রাজধর্ম’ পাঠ্যাংশ অনুসারে দুর্মুখের ভূমিকা এবং রামচন্দ্রের প্রজাহিতৈষী মনোভাব আলোচনা করো। 

উত্তরঃ মহারাজ রামচন্দ্র প্রজাদের মনের কথা এবং তাঁর শাসন নিয়ে তাদের মতামত জানার জন্য ‘দুর্মুখ’ নামক এক বিশ্বস্ত চরকে নিযুক্ত করেছিলেন। এটি প্রমাণ করে যে রামচন্দ্র একজন গণতান্ত্রিক ও প্রজাহিতৈষী রাজা ছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রজাদের সন্তোষই রাজার পরম ধর্ম। দুর্মুখের মাধ্যমে প্রজাদের অভিপ্রায় অবগত হয়ে তিনি তাঁর শাসনব্যবস্থাকে আরও ত্রুটিমুক্ত করার চেষ্টা করতেন। রাজার প্রতি প্রজাদের অগাধ বিশ্বাস এবং রাজার প্রজা-বাৎসল্যই এই পাঠ্যাংশের মূল উপজীব্য।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top