Class 12 Advance Bengali Important Chapter 10 রামায়ণ Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 10 রামায়ণ Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.
Class 12 Advance Bengali Important Chapter 10 রামায়ণ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
রামায়ণ
Chapter: 10
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘রামায়ণ’ প্রবন্ধটি কার লেখা?
উত্তরঃ প্রবন্ধটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘কবি কাহিনী’।
৪। কত সালে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তরঃ ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৫। রবীন্দ্রনাথের লেখা কোন গান দুটি ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত?
উত্তরঃ ‘জনগণমন’ এবং ‘আমার সোনার বাংলা’ গান দুটি ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত।
৬। কাব্যকে মোটামুটি কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ কাব্যকে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
৭। রামায়ণ ও মহাভারত কোন জাতীয় কাব্য?
উত্তরঃ রামায়ণ ও মহাভারত হলো মহাকাব্য যা সমগ্র জাতির হৃদয়ের কথা প্রকাশ করে।
৮। রামায়ণে প্রধানত কোন রস প্রাধান্য লাভ করিয়াছে?
উত্তরঃ রামায়ণে বীররস প্রাধান্য লাভ করিয়াছে।
৯। রামায়ণের মহিমা কীসের ওপর নির্ভর করে না?
উত্তরঃ রামায়ণের মহিমা রাম-রাবণের যুদ্ধের ওপর নির্ভর করে না।
১০। আদি কাব্যের প্রথম সর্গে বাল্মীকি কাকে প্রশ্ন করেছিলেন?
উত্তরঃ আদি কাব্যের প্রথম সর্গে বাল্মীকি নারদকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
১১। রামায়ণের প্রধান বিশেষত্ব কী?
উত্তরঃ রামায়ণের প্রধান বিশেষত্ব হলো এটি ঘরের কথাকে অত্যন্ত বৃহৎ করে দেখিয়েছে।
১২। রামায়ণে রামচন্দ্রকে কী হিসেবে দেখা হয়েছে?
উত্তরঃ রামায়ণে রামচন্দ্রকে আদর্শ মানব বা নরচন্দ্রমা হিসেবে দেখা হয়েছে।
১৩। রবীন্দ্রনাথের মতে ভারতবর্ষের চিরকালের ইতিহাস কোনটি?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথের মতে রামায়ণ ও মহাভারত হলো ভারতবর্ষের চিরকালের ইতিহাস।
১৪। রামায়ণ কোন ধর্মকে মহিমান্বিত করেছে?
উত্তরঃ রামায়ণ ভারতের সনাতন গৃহধর্মকে মহিমান্বিত করেছে।
১৫। রামায়ণ পাঠ করে ভারতীয়রা কী লাভ করে?
উত্তরঃ রামায়ণ পাঠ করে ভারতীয়রা ভক্তি ও প্রীতির আস্বাদ লাভ করে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও এবং তাঁর সাহিত্যকীর্তি সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, দার্শনিক,শিক্ষাবিদ, সুরকার, নাট্যপ্রযোজক এবং দেশপ্রেমিক। তাঁর কাব্য-সাধনার ক্ষেত্রে প্রথম জীবনে অগ্রজ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ এবং তাঁর পত্নী কাদম্বরী দেবীর বিশেষ প্রভাব ছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘বনফুল’,’ভানুসিংহের পদাবলী’, ‘শৈশব সংগীত’, ‘রুদ্রচণ্ড’ ইত্যাদি। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এশিয়দের মধ্যে প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। কেবল সাহিত্য নয়, চিত্রকলা এবং বিজ্ঞান বিষয়েও তাঁর প্রবল আগ্রহ ছিল। তাঁর রচিত গান ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
২। রবীন্দ্রনাথের মতে মহাকাব্য এবং সাধারণ কাব্যের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথের মতে রবীন্দ্রনাথ কাব্যের দুটি প্রধান ভাগ করেছেন। একটি হলো একক কবির কথা, যেখানে কবির নিজের সুখ-দুঃখ এবং কল্পনা বিশ্বমানবের চিরন্তন হৃদয়াবেগ ও জীবন অভিজ্ঞতার সাথে মিশে যায়। অন্যটি হলো মহাকাব্য, যেখানে কবি সমগ্র জাতির সুরকে নিজের কন্ঠে প্রকাশ করেন। এই দ্বিতীয় শ্রেণির কবিরা কোনো দেশ বা জাতির সরস্বতীকে আশ্রয় করে কবিতা রচনা করেন। এখানে কবির ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অপেক্ষা দেশের ভূতল ও জঠর থেকে উদ্ভূত জাতির মর্মকথা ফুটে ওঠে। রামায়ণ ও মহাভারত এই দ্বিতীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির রচনা বলে মনে হয় না,বরং এটি ভারতবর্ষের আপামর জনগণের নিজস্ব বাণী হিসেবে স্বীকৃত।
৩। রামায়ণকে কেন ভারতবর্ষের ‘চিরকালের ইতিহাস’ বলা হয়েছে?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথের মতে,রামায়ণ কেবল একটি কাব্য নয়,এটি ভারতবর্ষের সমাজ ও সংস্কৃতির ইতিহাস। সাধারণ ইতিহাস সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়,কিন্তু রামায়ণে বর্ণিত আদর্শ ও সাধনা অপরিবর্তিত থাকে। এতে ভারতবর্ষ যা সাধনা করতে চেয়েছে, যা আরাধনা করতে চেয়েছে,তারই প্রতিফলন ঘটেছে। যুগ যুগ ধরে ভারতের গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে রামায়ণের বাণী পঠিত হচ্ছে। এটি ভারতীয় জনগণের চিত্তভূমিকে উর্বরা করে রেখেছে। রামায়ণের চরিত্রগুলোর আদর্শ ও আচরণ আজও ভারতীয় জনমানসে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক, তাই এটি কোনো সুদূর কালখন্ডের কাহিনী নয়, বরং ভারতের শাশ্বত ইতিহাস।
৪। রামায়ণের বীরত্বের চেয়েও গৃহধর্ম কেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ? আলোচনা করো।
উত্তরঃ রামায়ণে যুদ্ধের বীররস থাকলেও এর প্রধান বিশেষত্ব হলো গৃহধর্মের বর্ণনা। রাম-রাবণের যুদ্ধ কেবল একটি উপলক্ষ মাত্র, কিন্তু রামায়ণের আসল মহিমা নিহিত আছে পিতা-পুত্রের ভক্তি, ভ্রাতৃপ্রেম এবং পতি-পত্নীর আত্মত্যাগের আদর্শের মধ্যে। সাধারণত মহাকাব্যগুলোতে রাজাদের বীরত্ব বা রাজ্য জয়ের কাহিনী থাকে, কিন্তু রামায়ণে রাজধর্মের চেয়েও গৃহধর্মের দৃঢ়তাকে বড় করে দেখানো হয়েছে। কৈকেয়ীর চক্রান্তে অযোধ্যার রাজপ্রাসাদ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলেও, পারিবারিক সম্পর্কের যে দৃঢ়তা রামায়ণ দেখিয়েছে, তাই একে মহান করেছে। গৃহাশ্রম যে ভারতীয় সমাজের ভিত্তি,রামায়ণ সেই সত্যকেই চিরকালের জন্য প্রতিষ্ঠিত করেছে।
৫। রামায়ণে বর্ণিত রামচন্দ্রের মানবিক গুণাবলি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের অভিমত কী?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথের মতে,রামায়ণে দেবতাকে দেবত্ব দিয়ে নয় বরং মনুষ্যত্ব দিয়ে বড় করে দেখা হয়েছে। রামচন্দ্র যে নরচন্দ্রমা বা আদর্শ মানুষ,এটাই তাঁর শ্রেষ্ঠ পরিচয়। বাল্মীকি যখন নারদকে আদর্শ নায়কের কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন নারদ এমন একজনের কথা বলেন যাঁর মধ্যে দেবদুলর্ভ গুণাবলি থাকলেও তিনি একজন মানুষ। রামায়ণে দেবতা নিজেকে খর্ব করে মানুষ করেছেন এবং মানুষই নিজের গুণের দ্বারা দেবতা হয়ে উঠেছেন। এই ‘আদর্শ-চরিত’ বর্ণনাই ভারতবর্ষের মানুষকে যুগে যুগে অনুপ্রাণিত করে আসছে। রামচন্দ্রের ধৈর্য, সত্যপরায়ণতা এবং পিতৃভক্তি কেবল অলৌকিক গল্প নয়, বরং প্রতিটি ভারতীয়র হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

