Class 12 Bengali MIL Important Chapter 11 আমার জীবনস্মৃতি

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 11 আমার জীবনস্মৃতি Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 11 আমার জীবনস্মৃতি Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 11 আমার জীবনস্মৃতি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 11

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠ্য অংশটির লেখক কে?

উত্তরঃ ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠ্য অংশটির লেখক লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া।

২। লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া ১৮৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার পিতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম ছিল দীননাথ বেজবরুয়া।

৪। লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া কোন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন?

উত্তরঃ তিনি কলকাতার জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

৫। ছাত্রাবস্থায় দুই সতীর্থের সঙ্গে বেজবরুয়া কোন সভা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

উত্তরঃ তিনি ‘অসমীয়া ভাষার উন্নতি সাধিনী সভা’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

৬। লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া সম্পাদিত একটি বিখ্যাত পত্রিকার নাম লেখো।

উত্তরঃ তাঁর সম্পাদিত একটি বিখ্যাত পত্রিকা হলো ‘জোনাকী’।

৭। শিবসাগরে অনুষ্ঠিত অসম সাহিত্যসভার ত্রয়োদশ অধিবেশনে বেজবরুয়াকে কোন উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

উত্তরঃ তাঁকে ‘রসরাজ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

৮। লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটকের নাম লেখো।

উত্তরঃ তাঁর লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক হলো ‘জয়মতী কুৱরী’।

৯। ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠ্য অংশটি মূল কোন গ্রন্থ থেকে অনূদিত হয়েছে?

উত্তরঃ এটি তাঁর ‘মোর জীবন সোঁৱরণ’ গ্রন্থ থেকে অনূদিত হয়েছে।

১০। ‘মোর জীবন সোঁৱরণ’ গ্রন্থটি কে বাংলায় অনুবাদ করেছেন?

উত্তরঃ গ্রন্থটি আরতি ঠাকুর বাংলায় অনুবাদ করেছেন।

১১। তখনকার দিনে আসামের রাজধানী কোথায় ছিল?

উত্তরঃ তখনকার দিনে আসামের রাজধানী ছিল রংপুর বা শিবসাগর।

১২। গুয়াহাটিতে লুইত নদীর বুকের উপর অবস্থিত দুটি দ্বীপের নাম লেখো।

উত্তরঃ দুটি দ্বীপ হলো উমানন্দ আর উর্বশী।

১৩। শিবসাগরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত দুটি নদীর নাম কী?

উত্তরঃ দুটি ছোট নদী হলো দিঘৌ এবং দিচাং।

১৪। বরপেটার বিখ্যাত কোন ব্যক্তি যাত্রা-গানের দল নিয়ে উজনি আসামে এসেছিলেন?

উত্তরঃ বরপেটার বিখ্যাত তিথিরাম বায়ন যাত্রা-গানের দল নিয়ে এসেছিলেন।

১৫। তিথিরাম বায়নের দলের গাওয়া ‘মানভঞ্জনের পালা’-র একটি গানের কলি লেখো।

উত্তরঃ গানের কলিটি হলো— “ও রাই! আগে প্রেম করিলি হেসে হেসে। এখন কান্দ কেন নির্জনে বসে।।”

দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠ্যাংশ অনুসরণে গুয়াহাটি এবং শিবসাগরের প্রাকৃতিক রূপের তুলনা করো।

উত্তরঃ ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠ্যাংশে লেখক লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া গুয়াহাটি ও শিবসাগরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক বৈপরীত্যময় বর্ণনা দিয়েছেন। গুয়াহাটির প্রাকৃতিক রূপ ছিল অপরূপ ও মনোরম। লুইত নদীর সৌন্দর্য, চারপাশের পর্বতমালাকে দেখে মনে হতো যেন গলায় পর্বতের সাতনরী হার পরিহিত, মাথায় ভুবনেশ্বরীর ধবল মুকুট এবং বুকের উপর উমানন্দ ও উর্বশী বিরাজমান। অন্যদিকে, শিবসাগর ছিল সমতল, পর্বতশূন্য ও নিরাভরণা। কেবল দিঘৌ এবং দিচাং নামের দুটি ছোট নদী একে কিছুটা উজ্জ্বল করে তুলেছিল। নামনি আসামের লোকেরা শিবসাগরকে ঠাট্টা করে ‘মাছধরা জায়গা’ বলত। গুয়াহাটির নদী-পর্বতের সৌন্দর্যের তুলনায় শিবসাগরের এই পর্বতহীন রূপ লেখকের মনে শুরুতে বীতরাগের সৃষ্টি করেছিল।

২। বালক বয়সে লেখক কীভাবে ‘কবিতা-যুদ্ধ’- এ মেতে উঠেছিলেন এবং তার পরিণতি কী হয়েছিল?

উত্তরঃ ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠে লেখক লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার শৈশবের এক মজার ‘কবিতা-যুদ্ধ’-এর বিবরণ পাওয়া যায়। লেখক যখন লখীমহপুর ও গুয়াহাটিতে ছিলেন, তখন দুজন ছেলে প্রচণ্ড শব্দে একটি বাংলা কবিতা আবৃত্তি করত। লেখকের বাংলা ভাষার বিদ্যা কম থাকায় মনে হতো যেন শান্ত জলে পর্বতের সমান ঢেউ আছড়ে পড়ছে। নিজের বিদ্যাহীনতায় পীড়িত হয়ে লেখক প্রতিজ্ঞা করেন যে তাদের কাছ থেকে বাংলা শিখে তাদেরই পরাস্ত করবেন। সংকল্প অনুযায়ী লেখক ওদের কাছ থেকে বাংলা কবিতার বই নিয়ে মুখস্থ করে ফেলেন। এরপর তারা আবৃত্তি শুরু করলে লেখকও মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সমানে কবিতা আবৃত্তি করতে থাকেন। ফলে তাদের কবিতা-যুদ্ধ বন্ধ হয়ে শান্তি স্থাপিত হয়।

৩। পাঠ্যাংশ অনুসরণে তৎকালীন আসামে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রভাব এবং যাত্রা-গানের বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠ্যাংশে তৎকালীন আসামে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ব্যাপক প্রভাবের ছবি ফুটে উঠেছে। লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী, তৎকালীন আসামে বাংলা গান, বাংলা ভাষা, বাঙালীর মতো চুল কাটা বা ধুতি-চাদর পরা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছিল। অসমীয়া অঙ্কীয়া ভাওনার পরিবর্তে সর্বত্র বাঙালী যাত্রা-গান দেখার প্রচলন ঘটেছিল। এমনকি সত্রের মহন্তরা অশুদ্ধ বাংলায় নাটক রচনা করে নিজেদের গৌরবান্বিত মনে করতেন। এই প্রেক্ষাপটে বরপেটার বিখ্যাত তিথিরাম বায়ন তাঁর যাত্রা-গানের দল নিয়ে উজনি আসামে এসেছিলেন। তাঁর দলের গাওয়া ‘মানভঞ্জনের পালা’-র গান পুরো আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তুলেছিল।

৪। অসমীয়া সাহিত্যে লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার অবদান ও সাহিত্যকীর্তির পরিচয় দাও।

উত্তরঃ অসমীয়া সাহিত্যে লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার অবদান অত্যন্ত গভীর ও সুদূরপ্রসারী।

লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া ছিলেন আধুনিক অসমীয়া সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কর্ণধার। তিনি ছাত্রাবস্থায় ‘অসমীয়া ভাষার উন্নতি সাধিনী সভা’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিখ্যাত ‘জোনাকী’ ও ‘বাঁহী’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। তিনি অসমীয়া সাহিত্যে প্রথম ছোটগল্পের প্রবর্তন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পসংকলন হলো ‘সুরভি’, ‘সাধুকথার কুকি’ ও ‘জোনবিড়ি’। শিশুদের জন্য তিনি রচনা করেছেন ‘বুড়ী আইর সাধু’, ‘জুনুকা’ ও ‘ককাদেউতা আরু নাতি লরা’। এছাড়া তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘কদমকলি’, উপন্যাস ‘পদুমকুৱরী’ এবং ঐতিহাসিক নাটক ‘জয়মতী কুৱরী’ ও ‘চক্রধ্বজ’ অত্যন্ত বিখ্যাত। সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ‘রসরাজ’, ‘সাহিত্যরথী’ ও ‘সাহিত্যসম্রাট’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

৫। “কিন্তু যখন রংপুর পৌঁছলাম তখন একটা অনির্বচনীয় বীতরাগ আমার মনের সেই আনন্দকে শুকিয়ে দিল”— লেখকের মনে কেন এমন প্রতিক্রিয়া হয়েছিল তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশটি লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়ার ‘আমার জীবনস্মৃতি’ পাঠ থেকে গৃহীত হয়েছে।

লেখক যখন গুয়াহাটি থেকে নৌকায় করে ব্রহ্মপুত্রের পথ ধরে রংপুর (শিবসাগর) শহরে প্রবেশ করছিলেন, তখন তাঁর মনে নিজের পুরোনো বাড়িতে যাওয়ার এক অপার আনন্দ জেগেছিল। কিন্তু রংপুরে পৌঁছানোর পর এক অনির্বচনীয় বীতরাগ তাঁর মনের সেই আনন্দকে শুকিয়ে দেয়। কারণ গুয়াহাটি ছিল নদী, পর্বত ও প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভরপুর এক মনোরম শহর। কিন্তু শিবসাগর ছিল সম্পূর্ণ সমতল, পর্বতহীন ও নিরাভরণা। গুয়াহাটির অপূর্ব রূপের সঙ্গে শিবসাগরের এই রূপহীনতার তুলনাতেই লেখকের মনের আনন্দ ম্লান হয়ে গিয়েছিল। অবশ্য কিছুদিন পরেই শিবসাগরের প্রতি লেখকের অনুরাগের জন্ম হয়েছিল।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top