Class 12 Bengali MIL Important Chapter 12 মন্ত্রের সাধন Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 12 মন্ত্রের সাধন Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 12 মন্ত্রের সাধন
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
মন্ত্রের সাধন
Chapter: 12
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘মন্ত্রের সাধন’ প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ ‘মন্ত্রের সাধন’ প্রবন্ধটির রচয়িতা বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু।
২। জগদীশচন্দ্র বসু কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ তিনি ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বরে বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। জগদীশচন্দ্র বসুর পিতা ও বিশিষ্ট বন্ধুর নাম কী ছিল?
উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম ভগবানচন্দ্র বসু এবং বিশিষ্ট বন্ধুর নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৪। জগদীশচন্দ্র বসুর বাংলায় রচিত প্রবন্ধগুলি কোন গ্রন্থে সংগৃহীত হয়েছে?
উত্তরঃ তাঁর বাংলায় রচিত প্রবন্ধগুলি ‘অব্যক্ত’ নামক সংকলনে সংগৃহীত হয়েছে।
৫। বিজ্ঞান সাধনার জন্য জগদীশচন্দ্র বসু কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন?
উত্তরঃ তিনি দেশে বিজ্ঞান সাধনার জন্য ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
৬। প্রশান্ত মহাসাগরের ক্ষুদ্র দ্বীপগুলি কীভাবে নির্মিত হয়েছে?
উত্তরঃ দ্বীপগুলি অগণ্য ক্ষুদ্র প্রবাল-কীটের দেহপঞ্জরে নির্মিত হয়েছে।
৭। ইতালি দেশের কোন অধ্যাপককে ‘ব্যাং নাচানো অধ্যাপক’ বলা হতো?
উত্তরঃ ইতালি দেশের অধ্যাপক গ্যালভানিকে ‘ব্যাং নাচানো অধ্যাপক’ বলা হতো।
৮। অধ্যাপক গ্যালভানি লোহা ও তামার তার দিয়ে কী স্পর্শ করেছিলেন?
উত্তরঃ তিনি লোহা ও তামার তার দিয়ে একটি মরা ব্যাঙ স্পর্শ করেছিলেন।
৯। গ্যালভানির মরা ব্যাঙ নাড়ানোর ঘটনা থেকে বিজ্ঞানের কোন বিষয় সম্পর্কিত নতুন তথ্য জানা যায়?
উত্তরঃ এই ঘটনা থেকে বিদ্যুতের বিবিধ গুণ সম্পর্কে নতুন নতুন তথ্য ও আবিষ্কার আরম্ভ হয়।
১০। ধাতুর বেলুন তৈরির অভিপ্রায় প্রথম কে প্রকাশ করেছিলেন?
উত্তরঃ ধাতুর বেলুন তৈরির অভিপ্রায় প্রথম সোয়ার্জ প্রকাশ করেছিলেন।
১১। সোয়ার্জের আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে বোমান যান কে তৈরি করেছিলেন?
উত্তরঃ জেপেলিন সোয়ার্জের আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে বোমান যান তৈরি করেছিলেন।
১২। জার্মানির কোন বিজ্ঞানী পাখির মতো আকাশে ওড়ার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন?
উত্তরঃ জার্মানির বিজ্ঞানী লিলিযেনথাল পাখির মতো আকাশে ওড়ার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন।
১৩। লিলিযেনথাল কত বছর অতি সাবধানে উড্ডয়ন পরীক্ষা করেছিলেন?
উত্তরঃ তিনি ত্রিশ বৎসর পর্যন্ত অতি সাবধানে উড্ডয়ন পরীক্ষা করেছিলেন।
১৪। মার্কিন দেশের কোন অধ্যাপক পাখাসংযুক্ত ওড়ার কল তৈরি করেছিলেন?
উত্তরঃ মার্কিন দেশের অধ্যাপক ল্যাংলি পাখাসংযুক্ত ওড়ার কল তৈরি করেছিলেন।
১৫। ল্যাংলির পর কে পুনরায় ওড়ার কল নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে আকাশে কৃতিত্ব অর্জন করেন?
উত্তরঃ ল্যাংলির পর উইলবার রাইট পুনরায় ওড়ার কল নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে সফলতা অর্জন করেন।
দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘মন্ত্রের সাধন’ প্রবন্ধে প্রবাল-কীট এবং মনুষ্য সভ্যতার অগ্রগতির মধ্যে কী মেলবন্ধন দেখানো হয়েছে?
উত্তরঃ জগদীশচন্দ্র বসু ‘মন্ত্রের সাধন’ প্রবন্ধে ক্ষুদ্র প্রবাল-কীট এবং মানব সভ্যতার উন্নতির মধ্যে সুন্দর তুলনা টেনেছেন। প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে গড়ে ওঠা বিশাল দ্বীপগুলি একদিনে তৈরি হয়নি। কোটি কোটি অতি ক্ষুদ্র প্রবাল-কীট বহুকাল ধরে নিজের দেহপঞ্জর বিসর্জন দিয়ে ধীরে ধীরে এই দ্বীপগুলি নির্মাণ করেছে। ঠিক একইভাবে মানব সভ্যতার বর্তমান উন্নতি ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি কোনো একজন মানুষের একদিনের চেষ্টায় সম্ভব হয়নি। সভ্যতার আদিকাল থেকে বহু মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা, অমানুষিক কষ্ট, সহিষ্ণুতা এবং তিল তিল ত্যাগের ফলেই আজ মানুষ প্রকৃতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। বিজ্ঞান ও সভ্যতার এই ক্রমবিকাশে প্রবাল-কীটের মতো সাধারণ মানুষের অগণিত ব্যর্থ ও সফল চেষ্টার অবদান অপরিসীম।
২। অধ্যাপক গ্যালভানির আবিষ্কারের বিবরণ দাও এবং কীভাবে লোকে তাঁকে উপহাস করেছিল তা লেখো।
উত্তরঃ ইতালি দেশের অধ্যাপক গ্যালভানি লোহা ও তামার তার দিয়ে একটি মরা ব্যাঙ স্পর্শ করে দেখেন যে ব্যাঙটি নড়ে উঠেছে। এই সামান্য ঘটনাটির আসল কারণ অনুসন্ধান করতে তিনি বছরের পর বছর গবেষণা চালিয়ে যান। গ্যালভানিকে সামান্য মরা ব্যাঙ নিয়ে এত সময় অপব্যয় করতে দেখে সাধারণ মানুষ ও তাঁর বন্ধুরা তাঁকে উপহাস করতেন। সকলে তাঁকে ব্যঙ্গ করে ‘ব্যাং নাচানো অধ্যাপক’ বলে ডাকতেন এবং জিজ্ঞেস করতেন যে মরা ব্যাঙ নাড়িয়ে কী লাভ হবে। কিন্তু গ্যালভানি মানুষের উপহাসে দমে না গিয়ে নিজের সত্যানুসন্ধান চালিয়ে যান। তাঁর এই সাধারণ আবিষ্কার থেকেই পরবর্তীতে বিদ্যুতের বিবিধ গুণাবলী ও বৈজ্ঞানিক সত্য আবিষ্কৃত হতে শুরু করে।
৩। আকাশে ওড়ার স্বপ্নে জার্মানির লিলিযেনথালের প্রচেষ্টা এবং করুণ পরিণতির বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ জার্মানির লিলিযেনথাল মানুষের আকাশে ওড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে সাবধানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন। তিনি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন যে পাখিরা প্রথমে ডানা নেড়ে আকাশে ওঠে এবং পরে ডানা বিস্তার করে চক্রাকারে ঘোরে। তিনি কৃত্রিম পাখা তৈরি করে পাহাড় থেকে লাফ দিয়ে ওড়ার চেষ্টা করতেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শেষ বয়সে তিনি তাড়াহুড়ো করে একটি অসম্পূর্ণ কল বানিয়ে উড়তে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাতাসের তীব্র ঝাপটায় ওড়ার যন্ত্রের একটি পাখা ভেঙে যায়। পাহাড় থেকে নিচে পড়ে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান। নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েও তিনি ওড়ার যে তত্ত্ব আবিষ্কার করে গেছেন, তা পরবর্তী যুগের আকাশযান নির্মাণের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
৪। অধ্যাপক ল্যাংলি এবং উইলবার রাইটের ওড়ার কল তৈরির প্রচেষ্টা ও সাফল্যের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ মার্কিন দেশের অধ্যাপক ল্যাংলি একটি হালকা ইঞ্জিনযুক্ত পাখাসংযুক্ত ওড়ার কল তৈরি করেছিলেন। কিন্তু কর্মকারের সামান্য ত্রুটির কারণে একটি স্ক্রু ঢিলে থাকায় পরীক্ষার দিনে ওড়ার পরপরই কলটি নদীগর্ভে পড়ে ভেঙে যায়। এই বিফলতার দুঃখে ল্যাংলি ভগ্নহৃদয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হন। ল্যাংলির মৃত্যুর পর বীর পুরুষ উইলবার রাইট দমে না গিয়ে পুনরায় ওড়ার কল নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। ওড়ার সময় একবার কল থেমে পাখা ভেঙে
গেলেও তিনি ভয় পাননি। তিনি পুনরায় পরীক্ষা চালিয়ে যান এবং অবশেষে সফল হয়ে আকাশপথে মানুষের সাম্রাজ্য বিস্তার করতে সমর্থ হন।
৫। ‘মন্ত্রের সাধন’ প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য ও নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।
উত্তরঃ জগদীশচন্দ্র বসু রচিত ‘মন্ত্রের সাধন’ প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য হলো বিফলতাকে অতিক্রম করে নিরলস চেষ্টার মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করা। প্রাবন্ধিক দেখিয়েছেন যে পৃথিবীর কোনো বড় কাজই প্রথম চেষ্টায় বা সহজে সফল হয় না। প্রবাল-কীটের দ্বীপ নির্মাণ, বিদ্যুৎ আবিষ্কার বা আকাশে উড্ডয়ন—সবক্ষেত্রেই বহু মানুষের ব্যর্থতা, ত্যাগ ও মৃত্যুকে পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সাফল্য এসেছে। “মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন”—এই প্রতিজ্ঞায় যারা অবিচল থাকে, তারাই শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়। নামকাওয়াস্তে বীরেরা বিফলতায় ভয় পেলেও প্রকৃত বীরেরা মৃত্যুকে জয় করে সত্য প্রতিষ্ঠা করেন। প্রবন্ধটিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই সাধনা ও অধ্যবসায়ের মহিমা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তাই ‘মন্ত্রের সাধন’ নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।

