Class 12 Bengali MIL Important Chapter 18 কৈশোর কাল ও তার উপযোগী শিক্ষা

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 18 কৈশোর কাল ও তার উপযোগী শিক্ষা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 18 কৈশোর কাল ও তার উপযোগী শিক্ষা Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 18 কৈশোর কাল ও তার উপযোগী শিক্ষা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 18

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘কৈশোর কাল ও তার উপযোগী শিক্ষা’ পাঠ্যটিতে কোন্‌ বয়সের বা স্তরের বিকাশের কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ পাঠ্যটিতে কৈশোর কালের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশের কথা বলা হয়েছে।

২। ফ্রেয়েডের মতে বয়ঃসন্ধির মূল প্রেরণা কী?

উত্তরঃ ফ্রেয়েডের মতে যৌন চেতনা বয়ঃসন্ধির মূল প্রেরণা।

৩। কৈশোর কালে মস্তিষ্কের গঠন পূর্ণতা পাওয়ার ফলে কোন্‌ চিন্তার বৃদ্ধি ঘটে?

উত্তরঃ কৈশোর কালে মস্তিষ্কের গঠন পূর্ণতা পাওয়ার ফলে বিমূর্ত চিন্তার বৃদ্ধি ঘটে।

৪। কৈশোরের উপসংস্কৃতি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তরঃ সমবয়সীদের সাথে চলাফেরা, পোশাক-পরিচ্ছদ, বাকভঙ্গি ও ধ্যান-ধারণা থেকে গড়ে ওঠা সংস্কৃতিকে কৈশোরের উপসংস্কৃতি বলা হয়েছে।

৫। বীর পূজার প্রবৃত্তি বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ যাকে ভালো লাগে তাকে জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার প্রবণতাকে বীর পূজার প্রবৃত্তি বলা হয়।

৬। কত সালে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পর্কে তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৯৫২-৫৩ সালে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পর্কে তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।

৭। ভারত সরকার ঘোষিত জাতীয় শিক্ষানীতি কত সালে মাধ্যমিক শিক্ষাকে নতুন করে সাজাবার সুপারিশ করেছিল?

উত্তরঃ ভারত সরকার ঘোষিত জাতীয় শিক্ষানীতি ১৯৮৬ সালে মাধ্যমিক শিক্ষাকে নতুন করে সাজাবার সুপারিশ করেছিল।

৮। আন্তরাষ্ট্রীয় শিক্ষা কমিশন কত সালে মাধ্যমিক শিক্ষাকে ‘জীবনের সন্ধিক্ষণ’ বলে অভিহিত করেছিল?

উত্তরঃ ১৯৯৬ সালে আন্তরাষ্ট্রীয় শিক্ষা কমিশন মাধ্যমিক শিক্ষাকে ‘জীবনের সন্ধিক্ষণ’ বলে অভিহিত করেছিল।

৯। ‘জীবনের সন্ধিক্ষণ’ বা ‘crossroad of life’ কথাটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘জীবনের সন্ধিক্ষণ’ কথাটির অর্থ হলো এক কালের অবসান ও অন্য কালের আরম্ভের সংযোগ কাল।

১০। কত সালের জাতীয় পাঠক্রমের ধারায় বর্ণিত পরামর্শাবলি মেনে চলার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ ২০০৫ সালের জাতীয় পাঠক্রমের ধারায় বর্ণিত পরামর্শাবলি মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

১১। ‘বিমূর্ত’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘বিমূর্ত’ শব্দটির অর্থ হলো মূর্তিহীন বা ভাবমূলক।

১২। ‘পরানুভূতি’ কথাটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘পরানুভূতি’ কথাটির অর্থ হলো অন্যের জন্য অনুভব করা বা আত্মত্যাগ করা।

১৩। ‘মনোবিজ্ঞান’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

উত্তরঃ ‘মনোবিজ্ঞান’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Psychology।

১৪। মাধ্যমিক শিক্ষান্তের সাধারণ শিক্ষা পাঠক্রমে কোনো বিশেষীকরণ পাঠক্রম আছে কি?

উত্তরঃ না, মাধ্যমিক শিক্ষান্তের সাধারণ শিক্ষা পাঠক্রমে কোনো ধরনের বিশেষীকরণ পাঠক্রম নেই।

১৫। কৈশোর কালে কল্পনার মোহজালে আবদ্ধ হয়ে ছেলে-মেয়েরা কোথায় ভেসে বেড়ায়?

উত্তরঃ কৈশোর কালে কল্পনার মোহজালে আবদ্ধ হয়ে ছেলে-মেয়েরা অবাস্তবের জগতে ভেসে বেড়ায়।

দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।

১। কৈশোর কালে কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও বৌদ্ধিক বিকাশের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

উত্তরঃ কৈশোর কালে শরীরের আকার, ওজন, দৈর্ঘ্যবৃদ্ধি এবং গলার স্বরের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রজনন ক্ষমতার প্রাপ্তি ঘটে, যা ফ্রেয়েডের মতে যৌন চেতনার মূল প্রেরণা। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসরণের ফলে দেহের মধ্যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার পরিবর্তন দেখা দেয়। অন্যদিকে, মস্তিষ্কের গঠন পূর্ণতা পাওয়ায় বিমূর্ত চিন্তা বৃদ্ধি পায় এবং বিশ্লেষণাত্মক ও সংশ্লেষণাত্মক শক্তির পূর্ণ বিকাশ ঘটে, যার ফলে তারা স্বাধীন ও মৌলিক চিন্তাধারার শক্তি অর্জন করে।

২। কৈশোর কালের সামাজিক ও আবেগিক বিকাশের বৈচিত্র্য ও জটিলতাগুলি ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ দেহের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে কিশোর-কিশোরীদের মনোজগতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়, যার ফলে তারা অতি আশাবাদী, নিরাশাবাদী বা একাকীত্বে ভুগতে পারে এবং উপযুক্ত শিক্ষা না পেলে অপরাধ প্রবণতা দেখা দিতে পারে। সামাজিক ক্ষেত্রে সমবয়সীদের সঙ্গে সহমর্মিতা, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার পাশাপাশি প্রতিযোগিতার জন্ম হয়, যা থেকে কৈশোর সংস্কৃতির সৃষ্টি হয়। সঠিকভাবে পরিচালিত না হলে তারা অপসংস্কৃতির দিকে ধাবিত হতে পারে।

৩। কৈশোর কালে আত্মনির্ভরশীলতা, আত্মসম্মানবোধ ও নিজস্বতার সংঘাত কীভাবে দেখা দেয়?

উত্তরঃ কৈশোর বয়সে ছেলে-মেয়েরা অন্যের উপর নির্ভর না করে নিজের শক্তি-সামর্থ্যে আস্থা রেখে কাজ করতে পছন্দ করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠে। তবে তীব্র আত্মসম্মানবোধের কারণে তারা কটু সমালোচনা সহ্য করতে পারে না এবং বাধা পেলে বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। এছাড়া, আদর্শবাদের সঙ্গে বাস্তবতার সংঘাত ঘটে বলে তাদের মনে নিজস্বতার সংঘাত সৃষ্টি হয়, যা তাদের মনে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে নতুন সমাজ গঠনে সাহায্য করে।

৪। কৈশোর কালের উপযোগী শিক্ষা সম্পর্কে ১৯৫২-৫৩ সাল এবং ১৯৮৬ সালের শিক্ষানীতির প্রধান সুপারিশগুলি কী ছিল?

উত্তরঃ ১৯৫২-৫৩ সালের সুপারিশে দেশের সমসাময়িক সামাজিক-অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণের শিক্ষা, ধর্মনিরপেক্ষ দেশের সুনাগরিক গড়ে তোলা এবং জাতীয় সংহতি সাধনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১৯৮৬ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে মাধ্যমিক শিক্ষাকে নতুন করে সাজাতে একটি উপযুক্ত স্তর গঠনের কথা বলা হয়, যেখানে কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগের উপযোগিতা সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া হবে এবং ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় সংহতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা হবে।

৫। ১৯৯৬ সালের আন্তরাষ্ট্রীয় শিক্ষা কমিশন কেন মাধ্যমিক শিক্ষাকে ‘জীবনের সন্ধিক্ষণ’ বলেছে এবং শিক্ষকের ভূমিকা কী হওয়া উচিত?

উত্তরঃ ১৯৯৬ সালে আন্তরাষ্ট্রীয় শিক্ষা কমিশন মাধ্যমিক শিক্ষাকে ‘জীবনের সন্ধিক্ষণ’ বলে অভিহিত করেছে, কারণ এই স্তরেই শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও কৌশল আয়ত্ত করে নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী অগ্রসর হয়। এই স্তরে শিক্ষকদের পুথিগত জ্ঞানের পরিধি ছাড়িয়ে বাইরের জগতের বাস্তব জীবনের প্রয়োজনীয় জ্ঞানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সুসংহত জ্ঞান ও ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করতে হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top