Class 12 Bengali MIL Important Chapter 15 গণেশ জননী Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 15 গণেশ জননী Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 15 গণেশ জননী
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
গণেশ জননী
Chapter: 15
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘গণেশ জননী’ ছোটগল্পটির লেখক কে এবং তাঁর প্রকৃত নাম কী?
উত্তরঃ ‘গণেশ জননী’ ছোটগল্পটির লেখক বনফুল এবং তাঁর প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
২। বনফুলের জন্ম কবে এবং কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৮৯৯ সালের ১৯ জুলাই বিহারে বনফুলের জন্ম হয়েছিল।
৩। ‘গণেশ জননী’ গল্পে কথকের মূল পেশা কী ছিল?
উত্তরঃ গল্পে কথকের মূল পেশা ছিল তিনি সরকারি পশু-চিকিৎসা বিভাগে পশু-চিকিৎসক বা ভেটেরেনারি সার্জন হিসেবে চাকরি করতেন।
৪। কথক জরুরি তার বা টেলিগ্রামে কী বার্তা পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ কথক জরুরি তারে বার্তা পেয়েছিলেন যে হস্তী অসুস্থ এবং তাঁকে অবিলম্বে যেতে বলা হয়েছে।
৫। হাতির চিকিৎসার জন্য কথকের কত টাকা ‘ফি’ ঠিক হয়েছিল?
উত্তরঃ হাতির চিকিৎসার জন্য কথকের ২০০ টাকা ‘ফি’ ঠিক হয়েছিল।
৬। কথক কেন রেলের সেকেন্ড ক্লাসের টিকিট কেটেছিলেন?
উত্তরঃ কথক নিজের খাতির বা স্টাইল জাহির করার জন্য রেলের সেকেন্ড ক্লাসের টিকিট কেটেছিলেন।
৭। স্টেশন থেকে কথককে নিয়ে যাওয়ার জন্য কে এসেছিলেন?
উত্তরঃ স্টেশন থেকে কথককে নিয়ে যাওয়ার জন্য জমিদারের গোমস্তার মতো চেহারার এক ভদ্রলোক এসেছিলেন।
৮। ভদ্রলোক কথককে স্টেশনের বাইরে থেকে কিসে করে নিয়ে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ ভদ্রলোক কথককে একটি ছ্যাকড়া গাড়িতে তুলে দিয়ে নিজে সাইকেল চড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।
৯। কথকের মতে ভদ্রলোকের ঘরের সাজসজ্জা কেমন ছিল?
উত্তরঃ কথকের মতে ভদ্রলোকের ঘরে একটি চৌকি, একটি দড়ির ছিঁড়া খাটিয়া, একটি নড়বড়ে টেবিল এবং দেওয়ালে গোটা দুই ক্যালেন্ডারের ছবি ছিল।
১০। অসুস্থ রোগীটি প্রকৃতপক্ষে কে ছিল?
উত্তরঃ অসুস্থ রোগীটি ছিল গৃহস্থ ভদ্রলোকের পোষা হাতি, যার নাম গণেশ।
১১। গণেশের প্রতিপালক ভদ্রলোকের কত বিঘা জমি ছিল?
উত্তরঃ গণেশের প্রতিপালক ভদ্রলোকের ১০০ বিঘা জমি ছিল।
১২। গণেশের জন্য গিন্নি রূপোর কী গড়িয়ে দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ গণেশের জন্য গিন্নি রূপোর একটি ঘণ্টা গড়িয়ে দিয়েছিলেন।
১৩। গিন্নি নাইতে যাওয়ার সময় গণেশ কী করত?
উত্তরঃ গিন্নি নাইতে যাওয়ার সময় গণেশ বালতি ও গামছা শুঁড়ে করে নিয়ে দুলতে দুলতে তাঁর পিছু পিছু যেত।
১৪। গণেশ কেন খাওয়া-দাওয়া ও জল স্পর্শ করা বন্ধ করে দিয়েছিল?
উত্তরঃ গিন্নি রাগ করে রাক্ষস বলে গণেশকে একটি চড় মারায় অভিমানে গণেশ খাওয়া-দাওয়া ও জল স্পর্শ করা বন্ধ করে দিয়েছিল।
১৫। গণেশ একাই বাগানের কোন ফল সব খেয়ে ফেলেছিল?
উত্তরঃ গণেশ একাই বাগানের এক আটি ল্যাংড়া আম সব খেয়ে ফেলেছিল।
দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।
১। ‘গণেশ জননী’ গল্পে গণেশের প্রতিপালক ভদ্রলোকের চেহারার ও তাঁর ঘরের সাজসজ্জার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
উত্তরঃ স্টেশন থেকে কথককে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে ভদ্রলোক এসেছিলেন, তাঁর চেহারা ছিল জমিদারের গোমস্তার মতো। তাঁর পায়ে মলিন ক্যানভাস জুতো, গায়ে মলিন জামাকাপড় এবং মুখে খোঁচা খোঁচা কাঁচা-পাকা গোঁফ-দাড়ি ছিল, যা পাঁচ-সাত দিন কামানো হয়নি। কথককে তিনি যে ঘরে বসিয়েছিলেন, সেটি ছিল এক অতি সাধারণ মধ্যবিত্ত গৃহস্থের ঘর। সেই ঘরের সাজসজ্জা হিসেবে ছিল একটি চৌকি, একটি দড়ির ছিঁড়া খাটিয়া, একটি নড়বড়ে টেবিল এবং দেওয়ালে গোটা দুই ক্যালেন্ডারের ছবি।
২। গণেশ তার পালক-গিন্নির বিভিন্ন কাজে কীভাবে সাহায্য করত এবং তাঁদের সম্পর্ক কেমন ছিল?
উত্তরঃ গণেশ তার পালক-গিন্নির অত্যন্ত প্রিয় পোষ্য ছিল এবং সংসারের নানা কাজে সাহায্য করত। গিন্নি যখন স্নান করতে যেতেন, তখন গণেশ বালতি ও গামছা শুঁড়ে করে নিয়ে দুলতে দুলতে তাঁর পিছু পিছু যেত। আবার গরমের দিনে গিন্নি যখন রান্নাঘরে রান্না করতেন, তখন গণেশ রান্নাঘরে বসে শুঁড় দিয়ে পাখা ধরে তাঁকে হাওয়া করত। তাঁদের মধ্যে মানুষ ও পশুর প্রভেদ ভুলে এক গভীর মাতৃত্ব ও আত্মিক ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।
৩। গণেশ কেন খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করেছিল এবং তার মান ভাঙাতে গিন্নি কী করেছিলেন?
উত্তরঃ বাগান থেকে মালি এক আটি ল্যাংড়া আম দিয়ে যাওয়ার পর গৃহস্থ ও গিন্নি পাড়ায় গিয়েছিলেন। এসে দেখেন গণেশ সবকটি আম খেয়ে ফেলেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গিন্নি গণেশকে ‘রাক্ষস’ বলে একটি চড় মারেন। এই অপমানে ও অভিমানে গণেশ খাওয়া-দাওয়া এবং জল স্পর্শ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। পরে গণেশের মান ভাঙাতে ও তাকে সুস্থ করতে গৃহস্থ ও গিন্নি অত্যন্ত ব্যাকুল হয়ে পশু-চিকিৎসককে ডাকেন এবং গিন্নি গণেশের সুচিকিৎসার জন্য নিজের স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখতেও প্রস্তুত ছিলেন।
৪। “আরে মশাই আমাদের ঘর কি আর মানুষের ঘর আছে, হাতির ঘর হয়ে গেছে”— উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ উক্তিটি গণেশের প্রতিপালক ভদ্রলোকের। গৃহস্থের বাড়িতে গণেশের অবাধ বিচরণ ও তার প্রতি পরিবারের ভালোবাসার কথা বোঝাতে গিয়ে তিনি এই কথাটি বলেছেন। ছোট ঘরটি ছাড়াও বাড়িতে দুটি মাত্র ঘর ছিল— একটি রান্না ভাণ্ডার ও অপরটি শোবার ঘর, যা গণেশের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য একটি বিরাট ‘হল’ ঘরে পরিণত করা হয়েছিল। এমনকি বাইরের ঘরের দরজাও কেটে বড় করা হয়েছিল যাতে গণেশ সহজে যাতায়াত করতে পারে। এভাবে পুরো বাড়িটিই মানুষের থাকার চেয়ে হাতির উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিল।
৫। ‘গণেশ জননী’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ বনফুলের ‘গণেশ জননী’ গল্পটি মানুষ ও জীবজন্তুর মধ্যকার গভীর আত্মিক সম্পর্ক এবং বাৎসল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র গণেশ নামের একটি পোষা হাতি। সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের গৃহিনী গণেশকে কোনো পশু হিসেবে না দেখে নিজের সন্তানের মতো স্নেহ-ভালোবাসায় আগলে রেখেছেন। গণেশের খাদ্যের সংস্থান, রূপোর ঘণ্টা গড়িয়ে দেওয়া, এমনকি গণেশের অভিমানে খাওয়া বন্ধ করলে তার চিকিৎসার জন্য নিজের সোনার গয়না বন্ধক রাখতেও গিন্নি দ্বিধা করেননি। একজন প্রকৃত মা যেভাবে সন্তানের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকেন, গল্পের গৃহিনীও গণেশের প্রতি সেই মাতৃত্ব ও বাৎসল্য প্রকাশ করেছেন। তাই গল্পের নাম ‘গণেশ জননী’ অত্যন্ত যথাযথ ও সার্থক হয়েছে।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

