Class 12 Bengali MIL Important Chapter 14 দিবসের শেষে

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 14 দিবসের শেষে Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 14 দিবসের শেষে Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 14 দিবসের শেষে

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 14

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘দিবসের শেষে’ ছোটগল্পটির লেখক কে?

উত্তরঃ ‘দিবসের শেষে’ ছোটগল্পটির লেখক মনোজ বসু।

২। রতি নাপিতের বাড়ির পূর্ব দিকে কোন নদী প্রবাহিত?

উত্তরঃ রতি নাপিতের বাড়ির পূর্ব দিকে কামদা নদী প্রবাহিত।

৩। রতি নাপিতের স্ত্রীর নাম কী?

উত্তরঃ রতি নাপিতের স্ত্রীর নাম নারানী।

৪। রতি ও নারানীর ছেলের নাম কী এবং তার বয়স কত?

উত্তরঃ রতি ও নারানীর ছেলের নাম পাঁচু এবং তার বয়স পাঁচ বছর।

৫। রতির বাড়ির পশ্চিম দিকের বাগানের মালিক কে ছিলেন?

উত্তরঃ রতির বাড়ির পশ্চিম দিকের বাগানের মালিক ছিলেন যাদব দাস।

৬। রতির বাড়ি থেকে রামচন্দ্রপুরের হাটের দূরত্ব কত ছিল?

উত্তরঃ রতির বাড়ি থেকে রামচন্দ্রপুরের হাটের দূরত্ব ছিল দু- ক্রোশ।

৭। নারানী কার মাদুলি ধারণ করার পর পাঁচুর জন্ম হয়েছিল?

উত্তরঃ নারানী পঞ্চগোপালের মাদুলি ধারণ করার পর পাঁচুর জন্ম হয়েছিল।

৮। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পাঁচু তার মাকে কী কথা বলেছিল?

উত্তরঃ পাঁচু তার মাকে বলেছিল, “মা, আজ আমায় কুমির নেবে।”

৯। নৌকাযাত্রার আগের দিন সন্ধ্যায় নিজের ছায়া দেখে কে আতঙ্কিত হয়েছিলেন?

উত্তরঃ নৌকাযাত্রার আগের দিন সন্ধ্যায় নিজের ছায়া দেখে অধর বকশি আতঙ্কিত হয়েছিলেন।

১০। গ্রামে অমঙ্গল বা মৃত্যুর লক্ষণ হিসেবে পাঁচু ঘরের চালে কাকে অট্টহাস্য করতে দেখেছিল বলে জানিয়েছিল?

উত্তরঃ পাঁচু ঘরের চালে একটি পেঁচককে অট্টহাস্য করতে দেখেছিল বলে জানিয়েছিল।

১১। গ্রামের কোন ধনী ব্যক্তির সম্মুখে বসে রতি পাঁচুর আশঙ্কার কথা বিবৃত করেছিল?

উত্তরঃ গ্রামের চৌধুরী মহাশয়ের সম্মুখে বসে রতি পাঁচুর আশঙ্কার কথা বিবৃত করেছিল।

১২। রতিকে ‘অজ্ঞ’ বলে কে ব্যঙ্গ করেছিলেন?

উত্তরঃ হলধর রাজবংশী রতিকে ‘অজ্ঞ’ বলে ব্যঙ্গ করেছিলেন।

১৩। কামদা নদীতে স্নান করতে গিয়ে পাঁচু কিসের ভয়ে চিৎকার করে রতিকে জড়িয়ে ধরেছিল?

উত্তরঃ কামদা নদীতে জলে ভেসে ওঠা একটি শুশুক দেখে পাঁচু ভয়ে চিৎকার করে রতিকে জড়িয়ে ধরেছিল।

১৪। নদীর জলে নেমে রতি পাঁচুর ভয় ভাঙাতে কী করেছিল?

উত্তরঃ রতি একহাতে ডানা ধরে অন্যহাতে পাঁচুর গা মাজিয়ে তাকে ডুব দেওয়াইয়াছিল।

১৫। স্নান করানোর পর রতি পাঁচুকে কী করে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল?

উত্তরঃ স্নান করানোর পর গামছা দিয়ে গা-মাথা মুছে দিয়ে রতি পাঁচুকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল।

দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।

১। “মা, আজ আমায় কুমির নেবে”—পাঁচুর এই উক্তিটিকে কেন্দ্র করে নারানী ও রতি নাপিতের মানসিক প্রতিক্রিয়া বর্ণনা করো।

উত্তরঃ মনোজ বসুর ‘দিবসের শেষে’ গল্পে পাঁচ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান পাঁচুর এই অশুভ উক্তি নারানী ও রতি নাপিতের মনে গভীর আশঙ্কার সৃষ্টি করেছিল। পাঁচুর আগে নারানীর তিনটি সন্তান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছিল। বহুল আরাধনা ও পঞ্চগোপালের মাদুলি ধারণের পর জন্ম নেওয়া পাঁচুকে ঘিরে নারানীর উৎকণ্ঠার শেষ ছিল না। তাই পাঁচুর মুখে কুমিরে নেওয়ার কথা শুনে নারানী প্রথমে ভীষণ চমকে ওঠে, যদিও পরে সন্তানের পাগলামি ভেবে মনকে শান্ত করার চেষ্টা করে।

অন্যদিকে, রতি স্ত্রীর মুখে এই কথা শুনে পাঁচুকে ধমকালেও মনে মনে ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। গ্রামের মৃত অধর বকশির মৃত্যুর পূর্বে ছায়া দেখে ভয় পাওয়ার স্মৃতি রতির মনে ভেসে ওঠে। অপচ্ছায়া ও মৃত্যুর অশুভ লক্ষণ ভেবে রতি সিদ্ধান্ত নেয় যে পাঁচুর মনের ভুল ভাঙাতে এবং অমঙ্গল কাটাতে তাকে কামদা নদীতে নিয়ে গিয়ে স্নান করাতেই হবে। সন্তানের সম্ভাব্য বিপদ কাটাতে দুজনের মনেই চরম মাঙ্গলিক আকুলতা ফুটে উঠেছিল।

২। পাঠ্যাংশে কামদা নদীর প্রাকৃতিক রূপ এবং রতির মনে নদী সম্পর্কিত যে অনুভূতির পরিবর্তন ঘটেছিল তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘দিবসের শেষে’ গল্পে কামদা নদীটি কেবল একটি প্রবাহমান জলধারা নয়, বরং গল্পের প্রেক্ষাপটের এক জীবন্ত চরিত্র। আষাঢ়ের প্রথম ভাগে বৃষ্টিতে নদী কানায় কানায় ভরে উঠলেও তার স্বচ্ছ শান্ত জল পঙ্কিল ও খরগতি হয়ে উঠেছিল। রতিদের কাছে কামদা নদী নরঘাতিনী রাক্ষসী নয়, বরং তা ছিল স্তন্যদায়িনী জননীর মতো মমতাময়ী, যা চিরদিন সুপেয় শীতল জল সরবরাহ করে এসেছে। কিন্তু পাঁচুর অশুভ আশঙ্কার পর স্নান করাতে এসে রতির চোখে কামদা নদীর রূপ সম্পূর্ণ বদলে যায়। রতির মনে হতে থাকে, এক নিদারুণ ও নির্মম শক্তি নদীর নিঃশব্দ গতির পেছনে লুকিয়ে আছে। নদীর অতল গর্ভে যেন এক হিংস্র পৈশাচিকতা লুকিয়ে রয়েছে। যে নদী ছিল প্রাণের উৎস, পাঁচুর অমঙ্গলের আশঙ্কায় সেই নদীকেই রতির কাছে অত্যন্ত ভয়াবহ ও রূপহীন বলে মনে হয়েছিল।

৩। চৌধুরী মহাশয়ের সম্মুখে রতি নাপিতের কথোপকথন এবং গ্রামবাসীদের উপহাসের বিবরণ দাও।

উত্তরঃ ছেলে পাঁচুর অলৌকিক আশঙ্কার কথা শুনে ব্যাকুল রতি নাপিত গ্রামের চৌধুরী মহাশয়ের কাছে গিয়ে সমস্ত বিষয় বিবৃত করে। সেখানে বসে চামড়ায় ক্ষুর ঘষতে ঘষতে রতি যখন জানায় যে পাঁচুকে নাকি কামদার কুমিরে নেবে, তখন চৌধুরী মহাশয় তা শুনে হাসিসংবরণ করতে পারেননি। তিনি তামাশা করে বলেন যে কুমিরে নিলে রতিকেই নেবে, পাঁচুকে নয়।

উপস্থিত অন্য গ্রামবাসীরাও রতিকে নিয়ে উপহাস করতে ছাড়েনি। রসিক পোদ্দার রসিকতা করে বলে যে বাটের খোররা বাবুর আশ্রয়ে থেকেও অজ্ঞ থেকে গেল। হলধর রাজবংশী রতির এই অন্ধবিশ্বাস ও ভয় দেখে তাকে ‘অজ্ঞ নাপিত’ বলে কটাক্ষ করে। গ্রামের মাতব্বর ও মাতব্বরের অনুগামীরা রতির পিতৃহৃদয়ের তীব্র আকুলতা ও ভয়কে না বুঝে কেবল কৌতুক ও বিদ্রূপের বস্তু বানিয়ে তুলেছিল।

৪। “নিয়তি অমোঘ, তার কাছে মানুষ অসহায়”—’দিবসের শেষে’ গল্পে প্রচ্ছন্ন এই জীবনসত্য কীভাবে ফুটে উঠেছে?

উত্তরঃ মনোজ বসুর ‘দিবসের শেষে’ গল্পটিতে মানুষের নিয়তি ও ভবিষ্যৎ আশঙ্কার এক অলৌকিক মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটে উঠেছে। রতি ও নারানীর তিন-তিনটি সন্তান আগে মারা যাওয়ার পর পঞ্চগোপালের মাদুলি ও বহু আরাধনার ফলে পাঁচুর জন্ম হয়। ফলে পাঁচুকে ঘিরে দম্পতির মনে সর্বদা এক অহেতুক বিয়োগ-ভীতি কাজ করত।

পাঁচু যখন হঠাৎ বলে ওঠে যে তাকে কুমিরে নেবে, তখন রতি তা লোকসমক্ষে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও অন্তরে কেঁপে ওঠে। গ্রামের অধর বকশির মৃত্যুর পূর্বে অশুভ ছায়া দেখার ঘটনার সাথে সে মিল খুঁজে পায়। নিয়তির অমোঘ নির্দেশ বা মৃত্যুর বার্তা কোনো না কোনোভাবে মানুষের অন্তরে ছায়া ফেলে। গল্পে সাধারণ মানুষের সংস্কার, ভীতি এবং ভাগ্যের চরম অনিশ্চয়তার সামনে মানুষের যে অসহায় আত্মসমর্পণ, তা অত্যন্ত নিপুণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

৫। ‘দিবসের শেষে’ গল্পটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।

উত্তরঃ সাহিত্যে নামকরণের মাধ্যমে গল্পের অন্তর্নিহিত ভাববস্তু বা মূল চেতনাটি আত্মপ্রকাশ করে। মনোজ বসুর ‘দিবসের শেষে’ গল্পটির নামকরণও অত্যন্ত ভাবগর্ভ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

গল্পের বাহ্যিক পটভূমিতে একদিনের সকাল থেকে দুপুরের স্নানপর্বের ঘটনা বর্ণিত হলেও, এর গভীরে রয়েছে এক পরিবারের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও অন্ধবিশ্বাসের গল্প। ‘দিবসের শেষে’ কথাটি একদিকে যেমন দিনের সমাপ্তিকে বোঝায়, অন্যদিকে জীবনের বা কোনো প্রিয় সম্পর্কের অন্তিম বা শেষ পর্যায়কেও নির্দেশ করে। রতি ও নারানী তাদের জীবনের সমস্ত আনন্দ পাঁচুর মধ্যেই সঞ্চিত রেখেছিল। কিন্তু পাঁচুর অশুভ উক্তি ও নদীর ভয়াবহ রূপ তাদের মনে জীবনের আলো নিভে যাওয়ার বা বিপর্যয় নেমে আসার এক চরম ইঙ্গিত দেয়। জীবন-সায়াহ্নের সেই ভয় ও অনিশ্চয়তাকে গল্পে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাই বিষয়বস্তুর গভীরতা ও মনস্তাত্ত্বিক দিকের বিচারে ‘দিবসের শেষে’ নামকরণটি সার্থক হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top