Class 12 Bengali MIL Important Chapter 13 মাষ্টার মহাশয় Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 13 মাষ্টার মহাশয় Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 13 মাষ্টার মহাশয়
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
মাষ্টার মহাশয়
Chapter: 13
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘মাষ্টার মহাশয়’ গল্পটির লেখক কে?
উত্তরঃ ‘মাষ্টার মহাশয়’ গল্পটির লেখক প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়।
২। লেখক প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের জন্ম কত সালে এবং কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ তাঁর জন্ম ১৮৭৩ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারি হুগলি জেলার গুড়াপে হয়েছিল।
৩। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় কোন ছদ্মনামে লিখে কুন্তলীন পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তরঃ তিনি ‘শ্রীমতী রাধারানী দেবী’ ছদ্মনামে লিখে কুন্তলীন পুরস্কার লাভ করেন।
৪। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের নাম কী?
উত্তরঃ তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের নাম ‘রত্নদীপ’।
৫। ‘মাষ্টার মহাশয়’ গল্পে উল্লিখিত গ্রাম দুটির নাম কী কী?
উত্তরঃ গ্রাম দুটির নাম হলো নন্দীপুর এবং গোঁসাইগঞ্জ।
৬। নন্দীপুরের স্কুলে শিক্ষক হিসেবে কাকে নিয়ে আসা হয়েছিল?
উত্তরঃ নন্দীপুরের স্কুলে বর্ধমান থেকে হারান চক্রবর্তীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল।
৭। হারান মাস্টারের মাইনে কত টাকা স্থির করা হয়েছিল?
উত্তরঃ হারান মাস্টারের মাইনে পনেরো টাকা স্থির করা হয়েছিল।
৮। গোঁসাইগঞ্জের হীরু দত্ত কত টাকা মাইনে দিয়ে কলকাতা থেকে ব্রজ মাস্টারকে নিয়ে আসেন?
উত্তরঃ তিনি পঁচিশ টাকা মাইনে দিয়ে কলকাতা থেকে ব্রজ মাস্টারকে নিয়ে আসেন।
৯। ব্রজ মাস্টারের পুরো নাম কী ছিল?
উত্তরঃ ব্রজ মাস্টারের পুরো নাম ছিল ব্রজগোপাল মিত্র।
১০। দুই গ্রামের মাস্টারের মধ্যে ইংরেজি জ্ঞানের বিচারসভা কোথায় এবং কবে বসেছিল?
উত্তরঃ বিচারসভাটি বৈশাখী পূর্ণিমার দিন দুই গ্রামের সীমানার বটবৃক্ষতলে বসেছিল।
১১। বিচারসভায় প্রথমে প্রশ্ন করার অধিকার কে পেয়েছিল এবং কীভাবে?
উত্তরঃ হীরু দত্তের ছড়ি নন্দীপুরের দিকে হেলে পড়ায় নন্দীপুরের হারান মাস্টার প্রথমে প্রশ্ন করার অধিকার পেয়েছিল।
১২। হারান মাস্টার ব্রজ মাস্টারকে ইংরেজিতে কী প্রশ্ন করেছিলেন?
উত্তরঃ হারান মাস্টার ব্রজ মাস্টারকে “Horns of a dilemma” এর অর্থ জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
১৩। “Horns of a dilemma”- র অর্থ ব্রজ মাস্টার কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ ব্রজ মাস্টার এর অর্থ বলেছিলেন “উভয়সংকট”।
১৪। ব্রজ মাস্টার হারান মাস্টারকে ইংরেজিতে কী প্রশ্ন করেছিলেন?
উত্তরঃ ব্রজ মাস্টার হারান মাস্টারকে “I dont know” এর মানে জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
১৫। “I dont know”-র উত্তরে হারান মাস্টার কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ “I dont know”-র উত্তরে হারান মাস্টার বলেছিলেন “আমি জানি না।”
দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘মাষ্টার মহাশয়’ গল্পের প্রেক্ষাপট এবং নন্দীপুর ও গোঁসাইগঞ্জের প্রতিযোগিতার বিবরণ দাও।
উত্তরঃ প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘মাষ্টার মহাশয়’ গল্পটি দুই প্রতিবেশী গ্রাম নন্দীপুর ও গোঁসাইগঞ্জের সামাজিক প্রতিযোগিতা ও অহংবোধকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। দুই গ্রামের মাঝে বারোয়ারি অন্নপূর্ণা পূজা ও চপসংগীত আনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। এই অবস্থায় নন্দীপুরের লোকেরা বর্ধমান থেকে হারান চক্রবর্তী নামে এক মাস্টার এনে পনেরো টাকা মাইনেতে একটি ইংরেজি পড়ার পাঠশালা বা স্কুল খোলে। এই খবর পেয়ে গোঁসাইগঞ্জের হীরু দত্ত নিজের গ্রামের পরাজয় সহ্য করতে না পেরে কলকাতায় যান। তিনি পঁচিশ টাকা মাইনে দিয়ে ইংরেজি জানা ব্রজগোপাল মিত্র (ব্রজ মাস্টার) নামে একজনকে নিয়ে এসে নিজেদের চণ্ডীমণ্ডপে আরও বড় স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এভাবে দুই গ্রামের অহংকার ও প্রতিযোগিতার হাত ধরে গল্পটি এগিয়ে চলে।
২। ব্রজ মাস্টারের চরিত্র ও তাঁর মিথ্যা আড়ম্বরের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ গল্পে ব্রজ মাস্টার বা ব্রজগোপাল মিত্র ছিলেন একজন মিথ্যাবাদী, চালবাজ ও চতুর ব্যক্তি। তিনি গ্রামের অজ্ঞ মানুষদের সামনে নিজেকে মস্ত বড় ইংরেজি জানা পণ্ডিত হিসেবে জাহির করতেন। তিনি গল্প ফাঁপিয়ে বলতেন যে কলকাতায় এক সাহেবের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলায় লাট সাহেব নাকি তাঁকে ডেপুটি কালেক্টরি চাকরি দিতে চেয়েছিলেন, যা তিনি বাপের বেটা বলে প্রত্যাখ্যান করেন। কথোপকথনে ইংরেজি শব্দ ভুলভালভাবে প্রয়োগ করে তিনি সহজ-সরল গ্রামবাসীদের মোহিত করতেন। পরবর্তীতে নন্দীপুরের হারান মাস্টার তাঁর আসল সত্য (স্কুল পালানো ও কম পড়াশোনার কথা) ফাঁস করে দিলে ব্রজ মাস্টার পরম চতুরতার সাথে মিথ্যা বলে তা ধামাচাপা দেন। অবশেষে একটি ট্রিক কোশ্চেন বা ফাঁদ প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে তিনি হারান মাস্টারকে হারিয়ে নিজের চতুরতার জয় নিশ্চিত করেন।
৩। দুই গ্রামের মাস্টারের ইংরেজি জ্ঞানের বিচারসভার প্রস্তুতি ও নিয়মাবলী আলোচনা করো।
উত্তরঃ দুই মাস্টারের পরস্পরকে কটূক্তি ও অপবাদ দেওয়ার ফলে গ্রামবাসীদের মনে সংশয় জাগে এবং তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে প্রকাশ্য স্থানে একটি বিচারসভা বসানো হবে। বৈশাখী পূর্ণিমার দিন সূর্যাস্তের পূর্বে দুই গ্রামের সীমানার বটবৃক্ষতলে এই সভা বসে। দুই গ্রামের মানুষই ইংরেজিতে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকায় একটি সরল বিচার প্রণালী স্থির করা হয়। নিয়ম করা হয় যে—একজন মাস্টার অপরজনকে একটি ইংরেজি কথার মানে জিজ্ঞাসা করবেন এবং অপরকে তার সঠিক মানে বলতে হবে। যে সঠিক উত্তর দিতে পারবে বা অপরকে আটকে দিতে পারবে, তিনিই জয়পত্র পাবেন। কার প্রথম প্রশ্ন করার অধিকার থাকবে তা ঠিক করার জন্য হীরু দত্ত আকাশে একটি ছড়ি ছুঁড়ে দেন এবং ছড়িটির মাথা নন্দীপুরের দিকে পড়ায় নন্দীপুরের হারান মাস্টার প্রথম প্রশ্ন করার সুযোগ পান।
৪। বিচারসভায় কীভাবে হারান মাস্টার পরাজিত হলেন— তা সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
উত্তরঃ বিচারসভায় প্রথমে নন্দীপুরের হারান মাস্টার ব্রজ মাস্টারকে কূটাচ্ছন্ন প্রশ্ন করেন— “Horns of a dilemma”-র মানে কী? ভাগ্যক্রমে ব্রজ মাস্টার উত্তরটি জানতেন এবং বলেন “উভয়সংকট”, যা শুনে গোঁসাইগঞ্জের লোকেরা উল্লাস করে ওঠে। এরপর ব্রজ মাস্টারের প্রশ্ন করার পালা আসে। তিনি অত্যন্ত ধূর্ততার সাথে হারান মাস্টারকে অতি সহজ একটি কথা জিজ্ঞাসা করেন— “I dont know”-র মানে কী? সরল বিশ্বাসে হারান মাস্টার এর সঠিক বাংলা অনুবাদ করে উচ্চস্বরে বলেন— “আমি জানি না।” উত্তরটি শোনামাত্রই ইংরেজিতে অজ্ঞ নন্দীপুর ও গোঁসাইগঞ্জের গ্রামবাসীরা মনে করে যে হারান মাস্টার উত্তরটি জানেন না এবং নিজের অজ্ঞতা স্বীকার করে নিচ্ছেন। ফলে চারিদিকে হট্টগোল পড়ে যায়, হারান মাস্টারের কোনো ব্যাখ্যাই বাদ্যযন্ত্রের কোলাহলে শোনা যায়নি। এভাবেই চরম বিভ্রান্তি ও মূর্খতার কারণে হারান মাস্টার পরাজিত হন।
৫। ‘মাষ্টার মহাশয়’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা ও কৌতুকরস আলোচনা করো।
উত্তরঃ প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘মাষ্টার মহাশয়’ গল্পটি তৎকালীন গ্রামবাংলার মানুষের অজ্ঞতা এবং তথাকথিত মাস্টারদের ভণ্ডামির ওপর নির্মিত একটি চমৎকার কৌতুকরসাত্মক গল্প। গল্পে ‘মাষ্টার’ পদটি কেবল একটি শিক্ষকতার পেশা নয়, বরং গ্রাম্য অহংকার ও মর্যাদার প্রতীক। ব্রজ মাস্টার ও হারান মাস্টার—উভয়েই নিজেদের পাণ্ডিত্য প্রমাণের জন্য যেভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন এবং “I dont know” বাক্যের ভুল ব্যাখ্যার কারণে যেভাবে বিচারসভার ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে, তা এক চূড়ান্ত কৌতুকরসের সৃষ্টি করে। গল্পটিতে মূল উপজীব্য বিষয় হলো এই দুই মাস্টারের কর্মকাণ্ড, তাঁদের মিথ্যার লড়াই এবং গ্রাম্য মানুষদের সরলতা। তাই সমগ্র ঘটনাপ্রবাহ ও মূল ভাববস্তুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গল্পটির ‘মাষ্টার মহাশয়’ নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।

