Class 12 Bengali MIL Important Chapter 16 ভাত Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 16 ভাত Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.
Class 12 Bengali MIL Important Chapter 16 ভাত
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
ভাত
Chapter: 16
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘ভাত’ ছোটগল্পটির লেখিকা কে এবং তাঁর প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃ ‘ভাত’ ছোটগল্পটির লেখিকা মহাশ্বেতা দেবী এবং তাঁর প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ ‘ঝাঁসীর রানী’।
২। মহাশ্বেতা দেবীর জন্ম কবে ও কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ মহাশ্বেতা দেবীর জন্ম ১৯২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় হয়েছিল।
৩। বড় বাড়ির বুড়ো কর্তার বয়স কত ছিল এবং তিনি কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ বড় বাড়ির বুড়ো কর্তার বয়স ছিল বিরাশি বছর এবং তিনি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
৪। বড় বাড়ির ছেলেরা কটার আগে ঘুম থেকে উঠত না এবং কেন তারা চাকরি করেনি?
উত্তরঃ বড় বাড়ির ছেলেরা বেলা এগারোটার আগে ঘুম থেকে উঠত না এবং আঠারোখানা দেবত্র বাড়ি ও বাদা অঞ্চলে প্রচুর জমি থাকার কারণে তারা চাকরি করেনি।
৫। বাসিনী উৎসবকে কেন বড় বাড়িতে কাজ দিতে এনেছিল?
উত্তরঃ বাদা অঞ্চল থেকে চাল আসার কারণে এবং দুর্যোগে সর্বস্বান্ত উৎসবের ভাতের সংস্থান করতে বাসিনী তাকে বড় বাড়িতে কাজ দিতে এনেছিল।
৬। উৎসবের পূর্ণ নাম কী এবং তার বাবার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ উৎসবের পূর্ণ নাম উৎসব নাইয়া এবং তার বাবার নাম হরিচরণ নাইয়া।
৭। উৎসবের সংসার কিসের তোড়ে ভেসে গিয়েছিল?
উত্তরঃ মাতলা নদীর জল ও বাতাসের তাণ্ডবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে উৎসবের সংসার ভেসে গিয়েছিল।
৮। উৎসব কার কাছ থেকে টিনের কৌটোটি চেয়ে এনেছিল?
উত্তরঃ উৎসব সতীশবাবুর নাতির কাছ থেকে ফুটবলের টিনের কৌটোটি চেয়ে এনেছিল।
৯। উৎসব ভাতের আশায় কত পরিমাণ ও কেমন কাঠ কেটেছিল?
উত্তরঃ উৎসব ভাতের আশায় দেড় হাত লম্বা করে মোট আড়াই মণ কাঠ কেটেছিল।
১০। তান্ত্রিক মহাশয় রোগ তাড়াতে কোন মন্ত্র উচ্চারণ করেছিলেন?
উত্তরঃ তান্ত্রিক মহাশয় রোগ তাড়াতে “ওঁ হ্রীং ঠং ঠং ভো ভো রোগ শৃণু শৃণু” মন্ত্র উচ্চারণ করেছিলেন।
১১। বড় বাড়ির বুড়ো কর্তাকে কোন খাটে করে শেষযাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল?
উত্তরঃ বড় বাড়ির বুড়ো কর্তাকে বোম্বাই খাটে শুইয়ে শেষযাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
১২। বুড়ো কর্তার মৃত্যুর পর রান্না করা ভাতের কী ব্যবস্থা করা হয়েছিল?
উত্তরঃ বুড়ো কর্তার মৃত্যুর পর ঘরদোর মুক্ত করতে ও অশুচ পরিস্থিতির কারণে রান্না করা সমস্ত ভাত পথে ঢেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
১৩। উৎসব রান্না করা ভাতের ডেকচি নিয়ে কোথায় গিয়েছিল?
উত্তরঃ উৎসব রান্না করা মোটা চালের ভাতের বড় ডেকচিটি নিয়ে এক নিশ্বাসে রেলওয়ে স্টেশনে চলে গিয়েছিল।
১৪। স্টেশনে বসে ভাত খাওয়ার সময় উৎসবের কেমন অনুভূতি হয়েছিল?
উত্তরঃ স্টেশনে বসে ভাত খাওয়ার সময় ভাতের স্পর্শে উৎসবের স্বর্গীয় সুখের অনুভূতি হয়েছিল।
১৫। মহাশ্বেতা দেবী সাহিত্য অকাডেমি পুরস্কার কত সালে লাভ করেছিলেন?
উত্তরঃ মহাশ্বেতা দেবী ১৯৭৯ সালে সাহিত্য অকাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।
১। ‘ভাত’ গল্পে উৎসব নাইয়ার চরিত্রটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ মহাশ্বেতা দেবীর ‘ভাত’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো উৎসব নাইয়া। মাতলা নদীর ভয়াবহ বন্যায় সর্বস্বান্ত হয়ে উৎসব তার স্ত্রী ও সন্তানদের হারিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়। অনাহারে জর্জরিত উৎসব একমুঠো ভাতের আশায় বাসিনীর সাহায্যে বড় বাড়িতে এসে কঠোর পরিশ্রম করে আড়াই মণ কাঠ কাটে। ফুটন্ত ভাতের গন্ধ তাকে ব্যাকুল করে তোলে। কিন্তু বুড়ো কর্তার মৃত্যুর পর যখন সমস্ত রান্না করা ভাত ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, তখন উৎসব সেই ভাতের ডেকচি নিয়ে পালিয়ে স্টেশনে গিয়ে পরম তৃপ্তিতে ভাত খায়। উৎসবের এই ক্ষুধা ও ভাতের প্রতি আকুলতা সামন্ততান্ত্রিক সমাজের নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে এক জীবন্ত আলেখ্য উপস্থাপন করে।
২। ‘ভাত’ গল্পে বড় বাড়ির পরিবেশ এবং সেখানকার অধিবাসীদের জীবনযাত্রার পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘ভাত’ গল্পে বর্ণিত বড় বাড়িটি এক প্রাচুর্যময় অথচ সুবিধাবাদী সামন্ততান্ত্রিক পরিবারের প্রতীক। বাড়িতে পিসিমা, বউমা ও ছেলেরা বাস করেন এবং তাঁদের আঠারোখানা দেবত্র বাড়ি ও বাদা অঞ্চলে প্রচুর জমি রয়েছে। বড় বাড়ির ছেলেরা বেলা এগারোটার আগে ঘুম থেকে ওঠে না এবং তারা কোনো চাকরি করে না। বুড়ো কর্তার লিভার ক্যান্সার হলে তাঁকে বাঁচানোর জন্য একদিকে নার্স রাখা হয় এবং অন্যদিকে তান্ত্রিক ডেকে হোম-যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। অথচ অনাহারী উৎসবকে ভাতের আশায় রেখে কঠোর পরিশ্রম করানো হয় এবং শেষে কর্তার মৃত্যুর পর রান্না করা সমস্ত ভাত রাস্তায় ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, যা তাঁদের চরম অমানবিকতার পরিচয় দেয়।
৩। “ভাতের হতাশেই সে আড়াই মণ কাঠ কাটল”— উৎসবের এই ব্যাকুলতার কারণ বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ উৎসব নাইয়া ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগে সর্বস্বান্ত এক দুর্ভাগা মানুষ, যে বহুদিন ধরে সম্পূর্ণ অনাহারে ছিল। বাসিনী তাকে বড় বাড়িতে কাজের বিনিময়ে ভাতের আশ্বাস দিলে সে সেখানে আসে। হাঁড়িতে ফুটন্ত ভাতের গন্ধ উৎসবের ক্ষুধার্ত শরীরে অসীম শক্তির সঞ্চার করে। সে জানত যে হোম শেষ হলে তবেই সে ভাত খেতে পাবে, তাই ভাতের তীব্র প্রত্যাশায় সে দেড় হাত লম্বা করে আড়াই মণ কাঠ কাটে। ভাতের প্রতি এই ব্যাকুলতা এবং তীব্র ক্ষুধাই তাকে এই শ্রমসাধ্য কাজ সম্পন্ন করতে চালিত করেছিল।
৪। বুড়ো কর্তার রোগমুক্তির জন্য বড় বাড়িতে কী কী আয়োজন করা হয়েছিল এবং তার চূড়ান্ত পরিণতি কী হয়েছিল?
উত্তরঃ বিরাশি বছর বয়সী বুড়ো কর্তার লিভার ক্যান্সার দূর করতে বড় বাড়িতে ডাক্তার ও নার্সের পাশাপাশি তান্ত্রিক ডেকে হোম-যজ্ঞের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। হোমের জন্য কালো বেড়ালের লোম, দেড় হাত লম্বা আড়াই মণ কাঠ এবং তান্ত্রিকের বিশেষ মন্ত্রোচ্চারণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে রাত একটার পর বুড়ো কর্তা মারা যান। কর্তার মৃত্যুর পর শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার আয়োজন হয় এবং অশুচ পরিস্থিতির অজুহাতে ঘরের সমস্ত রান্না করা ভাত রাস্তায় ঢেলে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
৫। ‘ভাত’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।
উত্তরঃ মহাশ্বেতা দেবীর ‘ভাত’ গল্পে ‘ভাত’ শব্দটি কেবল একটি সাধারণ খাদ্যবস্তু নয়, বরং এটি বঞ্চিত ও প্রান্তিক মানুষ উৎসব নাইয়ার জীবনসংগ্রাম, অস্তিত্ব ও স্বপ্নের প্রতীক। মাতলার বন্যায় পরিবার হারিয়ে অনাহারী উৎসবের সমস্ত আকুলতা কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে একমুঠো ভাতের প্রত্যাশাকে ঘিরে। অন্যদিকে বড় বাড়ির ধনী মানুষদের কাছে ভাতের প্রাচুর্য থাকলেও অভাবগ্রস্ত উৎসবকে ভাতের বদলে কাজে খাটানো হয় এবং পরে তা রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। পরিশেষে উৎসব ভাতের ডেকচি নিয়ে স্টেশনে গিয়ে পরম তৃপ্তিতে ভাতের আস্বাদন লাভ করে। গল্পের মূল ঘটনা ও সামাজিক বৈষম্য ‘ভাত’-কে কেন্দ্র করেই রূপ লাভ করায় গল্পটির ‘ভাত’ নামকরণ অত্যন্ত সার্থক হয়েছে।

