Class 12 Bengali MIL Important Chapter 10 স্বাদেশিকতা

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 10 স্বাদেশিকতা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Bengali MIL Important Chapter 10 স্বাদেশিকতা Solutions and select need one. Class 12 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Bengali MIL Important Notes.

Class 12 Bengali MIL Important Chapter 10 স্বাদেশিকতা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Bengali MIL Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Bengali MIL Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 10

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠটি কার লেখা?

উত্তরঃ ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।

২। ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত হয়েছে?

উত্তরঃ ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবনস্মৃতি’ নামক আত্মজীবনী গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত হয়েছে।

৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা ও মাতার নাম কী?

উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম সারদা দেবী।

৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে এবং কোন গ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তরঃ তিনি ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

৬। জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত গুপ্ত সভাটির নাম কী ছিল?

উত্তরঃ জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত গুপ্ত সভাটির নাম ছিল ‘সঞ্জীবনী সভা’।

৭। ‘সঞ্জীবনী সভা’-র সাংকেতিক ভাষা কী ছিল?

উত্তরঃ ‘সঞ্জীবনী সভা’-র সাংকেতিক ভাষা ছিল ‘হামচুপামুহাফ’।

৮। বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রীতির জন্য কোন উৎসব পালন করেছিলেন?

উত্তরঃ বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রীতির জন্য ‘রাখি উৎসব’ পালন করেছিলেন।

৯। জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ শাসকের দেওয়া কোন উপাধি ত্যাগ করেন?

উত্তরঃ জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি ব্রিটিশ শাসকের দেওয়া ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ করেন।

১০। ব্রজবাবু কোন কলেজের সুপারিনটেনডেন্ট ছিলেন?

উত্তরঃ ব্রজবাবু মেট্রোপলিটন কলেজের সুপারিনটেনডেন্ট ছিলেন।

১১। রবীন্দ্রনাথের ‘গল্পগুচ্ছ’ কটি খণ্ডে সংকলিত এবং এতে প্রায় কতগুলি ছোটগল্প রয়েছে?

উত্তরঃ ‘গল্পগুচ্ছ’ চারটি খণ্ডে সংকলিত এবং এতে প্রায় আশিটি ছোটগল্প রয়েছে।

১২। রাজ নারায়ন বসুর একটি বিখ্যাত রচনার নাম লেখো।

উত্তরঃ রাজ নারায়ন বসুর একটি বিখ্যাত রচনা হলো ‘সেকাল আর একাল’।

১৩। স্বদেশিকতার সভায় কার উদ্যোগে সর্বজনীন পরিচ্ছদের নমুনা উপস্থিত করা হয়েছিল?

উত্তরঃ স্বদেশিকতার সভায় জ্যোতিরিদাদা অর্থাৎ জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে সর্বজনীন পরিচ্ছদের নমুনা উপস্থিত করা হয়েছিল।

১৪। ‘এক সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন’— গানটি কার রচিত?

উত্তরঃ এই দেশপ্রেমমূলক গানটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত।

১৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে দেহত্যাগ করেন?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট দেহত্যাগ করেন।

দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠে বর্ণিত ‘সঞ্জীবনী সভা’-র কার্যাবলী ও উদ্দীপনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবনস্মৃতি’ গ্রন্থের ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠে জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত গুপ্ত সভা ‘সঞ্জীবনী সভা’-র বিবরণ দেওয়া হয়েছে। দেশের তরুণদের মধ্যে স্বদেশপ্রেমের উন্মাদনা ও স্বাবলম্বনের চেতনা জাগিয়ে তোলাই ছিল এই সভার মূল উদ্দেশ্য। এই সভার কাজকর্ম অত্যন্ত গোপনে পরিচালিত হতো। সভার দ্বিমুখী কবাট রুদ্ধ করে, অন্ধকারে ঋঙ্মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে সভা শুরু হতো এবং সভার কথোপকথন হতো অত্যন্ত চুপিচুপি। সভার কাজের সুবিধার্থে জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুর ‘হামচুপামুহাফ’ নামে একটি সাংকেতিক ভাষাও উদ্ভাবন করেছিলেন। সভার সদস্যরা দেশের তৈরি দিশি দেশলাই এবং সুতি কাপড়ের কল তৈরির মতো বিভিন্ন স্বদেশী শিল্প স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের কৈশোরকালে এই সভার কর্মকাণ্ড তাঁর মনে গভীর স্বদেশপ্রেমের সঞ্চার করেছিল।

২। ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠে ব্রজবাবু এবং স্বদেশী দেশলাই ও কাপড়ের কল তৈরির প্রচেষ্টা কীভাবে বর্ণিত হয়েছে?

উত্তরঃ ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠে রবীন্দ্রকৈশোরের স্বদেশী শিল্প উদ্যোগের এক কৌতুকাবহ অথচ আবেগপূর্ণ বিবরণ পাওয়া যায়। সভার সদস্যরা নিজেদের আয়ের দশমাংশ দান করে স্বদেশী দেশলাই তৈরির কারখানা স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন। অনেক পরীক্ষার পর দেশলাই তৈরি হলেও তা জ্বালানো অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং খরচও বেশি পড়ত। অন্যদিকে, দেশীয় কাপড়ের কল তৈরির চেষ্টায় এক অল্পবয়স্ক ছাত্রকে সহায়তার জন্য টাকা শোধ করা হয়। একদিন মেট্রোপলিটন কলেজের সুপারিনটেনডেন্ট ব্রজবাবু মাথায় একখানা গামছা বেঁধে জোড়াসাঁকোর বাড়িতে এসে উৎসাহের সাথে জানান যে তাঁদের কলে এই গামছা তৈরি হয়েছে। দেশলাই ও কাপড়ের কলের এই প্রচেষ্টাগুলো ব্যবসায়িক দিক থেকে সফল না হলেও, এর পেছনে ভারতসন্তানদের যে তীব্র স্বদেশানুরাগ ও উদ্দীপনা ছিল,তা অত্যন্ত মূল্যবান।

৩। ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠাবলম্বনে রাজনারায়ণ বসুর চরিত্র ও স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠে রাজনারায়ণ বসুর এক অনন্য ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠেছে। রাজনারায়ণ বসু ছিলেন একজন প্রবীণ ও বিদগ্ধ সাহিত্যিক, যিনি বাল্যকালে রিচার্ডসনের প্রিয় ছাত্র ছিলেন। বাহ্যিক বয়সের প্রবীণতা তাঁর অন্তরের নবীনতাকে নষ্ট করতে পারেনি। কিশোর রবীন্দ্রনাথদের দলে যুক্ত হয়ে তিনি তাঁদেরই মতো সহাস্য ও সহজ মানুষে পরিণত হতেন। তিনি গঙ্গার ঘাটে দাঁড়িয়ে উচ্চকণ্ঠে দেশাত্মবোধক গান গাইতেন এবং ঝড়ের হাওয়ায় তাঁর ব্যাকুল দাড়ি ও মাথার চুল উড়ত। একদিকে তিনি নিজের জীবন ও সংসারকে ঈশ্বরের কাছে নিবেদন করেছিলেন, অন্যদিকে দেশের উন্নতির জন্য নিত্যনতুন সাধ্য ও অসাধ্য পরিকল্পনা করতেন। তাঁর এই তীব্র দেশপ্রেম ও পবিত্র নবীনতা তৎকালীন তরুণদের মনে গভীর অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।

৪। “দ্বার আমাদের রুদ্ধ, ঘর আমাদের অন্ধকার, দীক্ষা আমাদের ঋঙ্মন্ত্রে, কথা আমাদের চুপিচুপি— ইহাতেই সকলের রোমহর্ষণ হইত”— পংক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।

উত্তরঃ উদ্ধৃত পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবনস্মৃতি’ গ্রন্থের অন্তর্গত ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠ থেকে সংগৃহীত হয়েছে। এখানে জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত গোপন ‘সঞ্জীবনী সভা’-র রহস্যময় পরিবেশ ও তরুণদের উত্তেজনার কথা বলা হয়েছে। ব্রিটিশ পরাধীনতার যুগে কিশোর ও তরুণদের মনে দেশপ্রেমের আগুন জ্বালাতে এই গুপ্ত সভাটি গঠিত হয়েছিল। সভার গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য ঘরের দরজা বন্ধ রাখা হতো এবং অন্ধকারে ঋঙ্মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হতো। সভার সবকিছু এত চুপিচুপি হতো যে তরুণ সদস্যদের মনে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতির সৃষ্টি হতো। বাহ্যিকভাবে বিষয়টি কিছুটা নাটকীয় মনে হলেও এর মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজদণ্ডের ভয় উপেক্ষা করে তরুণদের মনে বীরত্ব ও স্বদেশপ্রেমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জাগিয়ে তোলা।

৫। ‘স্বাদেশিকতা’ পাঠের মূল বক্তব্য ও নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনীমূলক পাঠ ‘স্বাদেশিকতা’-র মূল বক্তব্য হলো জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির স্বদেশপ্রেমের উন্মাদনা এবং কিশোর রবীন্দ্রনাথের মনে স্বদেশপ্রীতির সঞ্চার। পাঠটিতে দেখা যায়, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে পাশ্চাত্য প্রথার কিছু প্রভাব থাকলেও অন্তরে সর্বদা তীব্র স্বদেশাভিমান বিরাজ করত। জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুরের ‘সঞ্জীবনী সভা’, স্বদেশী দেশলাই ও কাপড়ের কল তৈরির চেষ্টা, সর্বজনীন পোশাক উদ্ভাবন এবং রাজনারায়ণ বসুর অকৃত্রিম স্বদেশপ্রেমের মাধ্যমে তৎকালীন যুগের স্বদেশী আন্দোলনের আবেগ প্রকাশ পেয়েছে।

‘স্বাদেশিকতা’ শব্দের অর্থ স্বদেশের প্রতি অনুরাগ বা স্বদেশপ্রেম। সমগ্র পাঠ জুড়ে কীভাবে পরিবারের পরিবেশ, সভার কর্মকাণ্ড এবং প্রবীণ-নবীনদের যৌথ প্রচেষ্টায় স্বদেশপ্রেমের চেতনা বিকশিত হয়েছিল, তারই বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। তাই বিষয়বস্তুর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পাঠটির ‘স্বাদেশিকতা’ নামকরণ সম্পূর্ণ সার্থক ও অর্থপূর্ণ হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top