Class 11 Logic and Philosophy Chapter 7 জ্ঞানতত্ব : বুদ্ধিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ

Class 11 Logic and Philosophy Chapter 7 জ্ঞানতত্ব : বুদ্ধিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ Question Answer to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Assam Board Bengali Medium Class 11 Logic and Philosophy Chapter 7 জ্ঞানতত্ব : বুদ্ধিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ and select needs one.

Class 11 Logic and Philosophy Chapter 7 জ্ঞানতত্ব : বুদ্ধিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ

Join Telegram channel

Also, you can read the AHSEC book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per AHSEC (CBSE) Book guidelines. These solutions are part of AHSEC All Subject Solutions. Here we have given Assam Board Class 11 Logic and Philosophy Chapter 7 জ্ঞানতত্ব : বুদ্ধিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ Bengali Medium Solutions for All Subject, You can practice these here.

জ্ঞানতত্ব : বুদ্ধিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ

পাঠ:

দ্বিতীয় খণ্ড

 অতি- সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। “বুদ্ধিতে এমন কোনো জিনিস বা উপাদান নেই, যাকে ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে আগে লাভ করা যায় না।” (There is nothing in the intellect which was not previously in the senses.) উক্তিটি কার? 

উত্তরঃ জন লক্ (John Locke )।

প্রশ্ন ২। “বুদ্ধিতে এমন কোনো জিনিস বা উপাদান নেই, যাকে ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে আগে লাভ করা যায় না, শুধুমাত্র বুদ্ধি ছাড়া।” (There is nothing in the intellect which was not previously in the senses, except the intellect itself.) উক্তিটি কার? 

উত্তরঃ লাইবনিজ বা লিবনিৎজ (Leibnitz)।  

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

প্রশ্ন ৩। দুজন বুদ্ধিবাদী গ্রিক দার্শনিকের নাম লেখো। 

উত্তরঃ সক্রেটিস এবং প্লেটো।

প্রশ্ন ৪। তিনজন বুদ্ধিবাদী আধুনিক দার্শনিকের নাম লেখো। 

উত্তরঃ ডেকার্ত, স্পিনোজা এবং লাইবনিজ।

প্রশ্ন ৫। আধুনিক পাশ্চাত্য দার্শনিকের নাম কী? 

উত্তরঃ রেনে ডেকার্ত (Rene Descartes)।

প্রশ্ন ৬। তিনজন অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিকের নাম লেখো। 

উত্তরঃ লক্, বার্কলে, হিউম।

প্রশ্ন ৭। বুদ্ধিবাদীদের মতে যথার্থ জ্ঞানের উৎস কী?

উত্তরঃ বুদ্ধি।

প্রশ্ন ৮। অভিজ্ঞতাবাদীদের মতে যথার্থ জ্ঞানের উৎস কী?

উত্তরঃ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অভিজ্ঞতা।

প্রশ্ন ৯। “ইন্দ্রিয়তে যা থাকে না, বুদ্ধিতে তা থাকে না।” উক্তিটি কার?

উত্তরঃ জন লক্।

প্রশ্ন ১০। “ইন্দ্রিয়তে যা থাকে না, বুদ্ধিতে তা থাকে না, একমাত্র বুদ্ধি ছাড়া।” উক্তিটি কার?

উত্তরঃ লাইবনিজ।

প্রশ্ন ১১। “জন্মের সময় মানুষের মন থাকে অলিখিত সাদা কাগজের মতো”। উক্তিটি কার?

উত্তরঃ জন লক্।

প্রশ্ন ১২। “জন্মের সময় ঈশ্বর মানুষের মনে কিছু ধারণা মুদ্রিত করে দেন—এগুলোকে বলে অন্তর্জাত ধারণা।” উক্তিটি কার?

উত্তরঃ রেনে ডেকার্ত।

প্রশ্ন ১৩। ডেকার্তের মতে, মানুষের মনে কয় প্রকারের ধারণা থাকে এবং সেগুলি কী কী?

উত্তরঃ তিন প্রকারের—আগন্তুক ধারণা, কাল্পনিক ধারণা এবং অন্তর্জাত বা সহজাত ধারণা।

প্রশ্ন ১৪। অভিজ্ঞতাবাদ মতটি সর্বপ্রথম কে প্রবর্তন করেছিলেন?

উত্তরঃ গ্রিক পরমাণুবাদী সফিস্টরা।

 প্রশ্ন ১৫। হিউমকে কেন সংশয়বাদী দার্শনিক বলা হয়?

উত্তরঃ হিউম-এর মতে, সকল জ্ঞানই সম্ভাব্য, এজন্য হিউমকে সংশয়বাদী দার্শনিক বলা হয়।

প্রশ্ন ১৬। কে প্রথম সন্দেহবাদকে দর্শনে প্রয়োগ করেছিলেন?

উত্তরঃ রেনে ডেকার্ত।

প্রশ্ন ১৭। কে ‘মোনাড়’ শব্দটি তাঁর দর্শনে ব্যবহার করেছিলেন?

উত্তরঃ লাইবনিজ।

প্রশ্ন ১৮। ‘মোনাড়’ কী?

উত্তরঃ আধ্যাত্মিক সত্তা বা আত্মা বা মন।

প্রশ্ন ১৯। মোনাডের সংখ্যা কত?

উত্তরঃ অগণিত বা অসংখ্য।

প্রশ্ন ২০। ডেকার্ড কি একজন গণিতজ্ঞ দার্শনিক?

উত্তরঃ হ্যাঁ।

প্রশ্ন ২১। ডেকার্ত দর্শনে কোন্ পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন? 

উত্তরঃ গাণিতিক পদ্ধতি।

প্রশ্ন ২২। কে অভিজ্ঞতাবাদকে প্রণালীবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন? 

উত্তরঃ দার্শনিক বেকন্।

প্রশ্ন ২৩। লকে্র মতে দুই প্রকার অভিজ্ঞতা কী কী?

উত্তরঃ সংবেদন এবং অন্তর্দর্শন।

প্রশ্ন ২৪। কে বা কারা স্বীকার করেছিলেন, মানুষের মনের কিছু কিছু ধারণা অন্তর্জাত?

উত্তরঃ ডেকার্ত এবং স্পিনোজা।

প্রশ্ন ২৫। কার মতে মানুষের মনের সকল ধারণা অন্তর্জাত?

উত্তরঃ লাইবনিজ।

প্রশ্ন ২৬। অভিজ্ঞতা কয় প্রকারের হয় এবং কী কী?

উত্তরঃ দুই প্রকারের—সংবেদন এবং অন্তর্দর্শন।

প্রশ্ন ২৭। ‘Essay Concerning Human Understanding’ (মানবীয় বুদ্ধি-বিষয়ক প্রবন্ধ) গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তরঃ জন লক্।

প্রশ্ন ২৮। সংবেদন কী?

উত্তরঃ সংবেদন আমাদের বাইরের জগতের বস্তুসমূহের অর্থাৎ বর্ণ, গন্ধ ইত্যাদির জ্ঞান দেয়।

প্রশ্ন ২৯। অন্তদর্শন কী?

উত্তরঃ অন্তদর্শন আমাদের নিজের অন্তরের সুখ, দুঃখ, ভয়, আনন্দ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান দেয়। 

প্রশ্ন ৩০। লাইবনিজের মতে সত্তা কী?

উত্তরঃ সত্তা হল শাশ্বত অস্তিত্বশীল এবং অবিভাজ্য।

প্রশ্ন ৩১। অবিভাজ্য সত্তাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লাইবনিজ কোন্ মতবাদের সাহায্য নিয়েছেন?

উত্তরঃ গ্রিক পরমাণুবাদীদের। 

প্রশ্ন ৩২। গ্রিক পরমাণুবাদীদের মতে পরমাণু কী?

উত্তরঃ অবিভাজ্য ভৌতিক কণা। 

প্রশ্ন ৩৩। লাইবনিজের মতে, আদর্শ পরমাণুর নাম কী?

উত্তরঃ চিৎ পরমাণু বা ‘মোনাড’। 

প্রশ্ন ৩৪। লাইবনিজের মতে, সর্বশ্রেষ্ঠ চিৎ পরমাণু বা সর্বশ্রেষ্ঠ মোনাড কী?

উত্তরঃ ঈশ্বর। ঈশ্বরকে ‘মোনাডদের মোনাড়’ বলা হয়। 

প্রশ্ন ৩৫। কে মন বা আত্মাকে ‘মোনাড়’ বলেছেন?

উত্তরঃ লাইবনিজ।

প্রশ্ন ৩৬। লাইবনিজের মতে, “মোনাড় পরিবর্তনশীল এবং সংখ্যায় অগণিত”।—উদ্ভি কি সত্য?

উত্তরঃ হ্যাঁ।

প্রশ্ন ৩৭। লক্ ছাড়া আর কোন্ কোন্ দার্শনিক মুখ্য গুণ ও গৌণ গুণের পৃথকীক স্বীকার করেন?

উত্তরঃ ডেকার্ত, হবস্, স্পিনোজা।

প্রশ্ন ৩৮। “আত্মা সতত সক্রিয় এবং বুদ্ধি তার সহজাত ক্ষমতা।” উক্তিটি কার?

উত্তরঃ গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর। 

প্রশ্ন ৩৯। কোন্ মতবাদ বিশ্বাস করে যে, জ্ঞান পূর্বতঃ সিদ্ধ (a priori)।

উত্তরঃ বুদ্ধিবাদ।

প্রশ্ন ৪০ বুদ্ধিবাদীরা যে দুই ধরনের বচন স্বীকার করেন, সেগুলো কী কী? 

উত্তরঃ (ক) পূর্বতঃ সিদ্ধ বিশ্লেষক বচন। এবং 

(খ) পূর্বতঃ সিদ্ধ সংশ্লেষক বচন।

শুদ্ধ উত্তর দাও:

১। বুদ্ধিবাদ মতে, বুদ্ধি/অভিজ্ঞতা জ্ঞানের উৎস।

উত্তরঃ বুদ্ধি।

২। অভিজ্ঞতাবাদ মতে, বুদ্ধি/অভিজ্ঞতা জ্ঞানের উৎস। 

উত্তরঃ অভিজ্ঞতা।

৩। ডেকার্ত একজন বুদ্ধিবাদী/অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক।

উত্তরঃ বুদ্ধিবাদী। 

৪। স্পিনোজা একজন বুদ্ধিবাদী/অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক।

উত্তরঃ বুদ্ধিবাদী।

৫। লাইনিজ একজন বুদ্ধিবাদী/অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক। 

উত্তরঃ বুদ্ধিবাদী।

৬। লক্ একজন বুদ্ধিবাদী/অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক। 

উত্তরঃ অভিজ্ঞতাবাদী।

৭। বার্কলে একজন বুদ্ধিবাদী/অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক। 

উত্তরঃ অভিজ্ঞতাবাদী।

৮। হিউম একজন বুদ্ধিবাদী/অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক। 

উত্তরঃ অভিজ্ঞতাবাদী।

৯। বুদ্ধিবাদের মতে স্বতঃসিদ্ধ অন্তর্জাত ধারণা থেকে বুদ্ধি/অভিজ্ঞতা জ্ঞান গঠন করে।

উত্তরঃ বুদ্ধি। 

১০। অভিজ্ঞতাবাদের শেষ পরিণতি বুদ্ধিবাদ/সংশয়বাদ।

উত্তরঃ সংশয়বাদ।

১১। “বুদ্ধিতে এমন কোনো জিনিস বা উপাদান নেই, যাকে ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে আগে লাভ করা যায় না।” উক্তিটি লকের/লাইবনিজের। 

উত্তরঃ লকের।

১২। “বুদ্ধিতে এমন কোনো জিনিস বা উপাদান নেই, যাকে ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে আগে লাভ করা যায় না, একমাত্র বুদ্ধি ছাড়া।” উক্তিটি লকের/লাইবনিজের।

উত্তরঃ লাইনিজের। 

১৩। বুদ্ধিবাদের মতে, জ্ঞান প্রত্যক্ষপূর্ব/প্রত্যক্ষোত্তর।

উত্তরঃ প্রত্যক্ষপূর্ব।

১৪। “জন্মের সময় মানুষের মন একটি পরিষ্কার স্লেট বা টেবুলা রাশার মতো থাকে।” উক্তিটি ডেকার্তের/লকের/হিউমের। 

উত্তরঃ লকের।

১৫। ডেকার্তের/লকের মতে, মানুষ জন্ম থেকেই কতকগুলি সহজাত ধারণা নিয়ে জন্মায়। 

উত্তরঃ ডেকার্তের।

১৬। অভিজ্ঞতাবাদের মতে, সকল জ্ঞানই পরতঃসাধ্য/পূর্বতঃ সিদ্ধ।

উত্তরঃ পরতঃসাধ্য।

শূন্যস্থান পূর্ণ করো:

১। বুদ্ধিবাদ মতে ______ হল জ্ঞানের উৎস।

উত্তরঃ বুদ্ধি।

২। অভিজ্ঞতাবাদ মতে ______ হল জ্ঞানের উৎস।

উত্তরঃ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অভিজ্ঞতা। 

৩। ডেকার্ত একজন ______ দার্শনিক ছিলেন।

উত্তরঃ বুদ্ধিবাদী।

৪। লকের মতে জন্মের সময় মানুষের মন থাকে ______ মতো।

উত্তরঃ একটি সাদা কাগজের।

৫। অভিজ্ঞতাবাদের শেষ পরিণতি ______।

উত্তরঃ সংশয়বাদ।

৬। অভিজ্ঞতাবাদের মতে মন সংবেদনের ______ গ্রহীতা।

উত্তরঃ নিষ্ক্রিয়। 

৭। স্পিনোজা একজন ______ দার্শনিক।

উত্তরঃ বুদ্ধিবাদী। 

৮। লাইবনিজ একজন ______ দার্শনিক।

উত্তরঃ বুদ্ধিবাদী।

৯। বার্কলে একজন ______ দার্শনিক।

উত্তরঃ অভিজ্ঞতাবাদী।

১০। হিউম একজন ______ দার্শনিক।

উত্তরঃ অভিজ্ঞতাবাদী।

উদাহরণ দাওঃ

১। সহজাত বা অন্তর্জাত ধারণাঃ

উত্তরঃ কার্য-কারণ ধারণা, অসীমতার ধারণা, ঈশ্বরের ধারণা, পরমসত্তার ধারণা, পূর্ণতা ধারণা ইত্যাদি।

২। পূর্বতঃসিদ্ধ বচনঃ

উত্তরঃ ৭ + ৫ = ১২ 

৩। মুখ্য গুণঃ

উত্তরঃ বস্তুর আকার, আকৃতি, ওজন, বিস্তৃতি। 

৪। গৌণ গুণঃ

উত্তরঃ বর্ণ, স্বাদ, গন্ধ, উষ্ণতা, শীতলতা।

৫। ইন্দ্রিয় প্রত্যক্ষ দ্বারা অর্জিত ভ্রান্ত জ্ঞান। 

উত্তরঃ জলে ডোবানো লাঠিকে বাঁকা দেখা।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। বুদ্ধিবাদ কী?

উত্তরঃ যে মতবাদ বুদ্ধিই যথার্থ জ্ঞানের উৎস বলে স্বীকার করে, তাকে বুদ্ধিবাদ বলে।

প্রশ্ন ২। অভিজ্ঞতাবাদ বা আগন্তুকবাদ কী? 

উত্তরঃ যে মতবাদ ‘ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অভিজ্ঞতা’-ই যথার্থ জ্ঞানের একমাত্র উৎস বলে স্বীকার করে, তাকে অভিজ্ঞতাবাদ বলে। যেমন—গাছের ধারণা।

প্রশ্ন ৩। অন্তর্জাত ধারণা কী?  

উত্তরঃ যে সমস্ত ধারণা মানুষের মনের মধ্যে জন্মগতভাবে থাকে, তাকে অন্তর্জাত বা সহজাত ধারণা বলে।

প্রশ্ন ৪। সংবেদন কী?

উত্তরঃ সংবেদন আমাদের বাইরের জগতের বস্তুসমূহের গুণ অর্থাৎ রূপ, বর্ণ, গন্ধ, স্বাদ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান দেয়।

প্রশ্ন ৫। অন্তর্দর্শন কী?

উত্তরঃ অন্তর্দর্শন আমাদের নিজের অন্তরের সুখ, দুঃখ, ভয়, আনন্দ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান দেয়।

প্রশ্ন ৬। মুখ্য গুণ কাকে বলে?

উত্তরঃ মুখ্য গুণ বা মৌলিক গুণ হল বস্তুর সেইসব গুণ, যা বস্তুর মধ্যে থাকে এবং যা প্রত্যক্ষ নির্ভর নয়।

প্রশ্ন ৭। গৌণ গুণ কাকে বলে?

উত্তরঃ গৌণ গুণ হল বস্তুর সেইসব গুণ, যা বস্তুর মধ্যে থাকে না, এই গুণগুলি ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা জ্ঞানের উপর নির্ভরশীল।

প্রশ্ন ৮। ডেকার্তের মতে ধারণা কয় প্রকার ও কী কী?

উত্তরঃ উৎপত্তি অনুসারে ডেকার্ত ধারণাকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করেছেন। যেমন—

(ক) ইন্দ্রিয়জাত ধারণা বা আগন্তুক ধারণা (Adventitious ideas)। 

(খ) কৃত্রিম ধারণা বা কাল্পনিক ধারণা (Fictitious ideas)। এবং

(গ) অন্তর্জাত বা সহজাত ধারণা (Innate ideas )। 

প্রশ্ন ৯। ইন্দ্ৰিয়জাত ধারণা বা আগন্তুক ধারণা কাকে বলে?

উত্তরঃ যেসব ধারণা ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে বাহ্যজগৎ থেকে অর্জন করা হয়, সেসব ধারণাকে ইন্দ্ৰিয়জাত বা আগন্তুক ধারণা বলে; যেমন—পাহাড়, নদী, আকাশ, গাছপালা, ফুল ইত্যাদির ধারণা আগন্তুক ধারণা। আগন্তুক ধারণা স্পষ্ট এবং স্বচ্ছ নয়।

প্রশ্ন ১০। কৃত্রিম বা কাল্পনিক ধারণা কাকে বলে?

উত্তরঃ দুই বা ততোধিক ধারণার সংযোগে কল্পনার মাধ্যমে মনে যেসব ধারণার সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে কৃত্রিম ধারণা বলে; যেমন— ‘সোনার পাহাড়’, ‘ক্ষীর সাগর’, ‘ডানাযুক্ত ঘোড়া’ ইত্যাদি। কল্পনাপ্রসূত বলে এই ধারণাগুলো স্পষ্ট ও স্বচ্ছ নয়। 

প্রশ্ন ১১। অন্তর্জাত বা সহজাত ধারণা বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ জন্মের সময় ঈশ্বর মানুষের মনে কিছু ধারণা মুদ্রিত করে দেন। এইসব ধারণাকে অন্তর্জাত বা সহজাত ধারণা বলে। বুদ্ধিবাদী দার্শনিক ডেকার্তের (Descartes) মতে, মানুষ জন্ম থেকেই কতকগুলি সহজাত (innate ideas) ধারণা নিয়ে জন্মায়। এই সহজাত ধারণাগুলি সুনিশ্চিত জ্ঞানের উৎস; যেমন কার্যকারণের ধারণা, অসীমতার ধারণা, পূর্ণতার ধারণা, ঈশ্বরের বা পরমসত্তার ধারণা, নৈতিকতা ইত্যাদি। এই সহজাত ধারণা মনের অভ্যন্তরে সুপ্ত বা প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে। বুদ্ধি এইসব প্রচ্ছন্ন ধারণাকে প্রকাশ করে। এই ধারণাগুলোর বৈশিষ্ট্য হল, এরা স্বচ্ছ, সুস্পষ্ট, সংশয়াতীত এবং স্বতঃসিদ্ধ।

প্রশ্ন ১২। জ্ঞানতত্ত্ব কী?

উত্তরঃ মানুষের মৌলিক গুণ বুদ্ধিবৃত্তি মানুষকে জ্ঞানলাভ করতে প্ররোচিত করে। তাই মানুষ জানতে চায়, জ্ঞানের প্রকৃতি কী, জ্ঞানের উৎস কী, জ্ঞানের সীমাই-বা কী, বৈধ জ্ঞান কীভাবে লাভ করা যায় ইত্যাদি। দর্শনশাস্ত্রের একটি প্রধান অঙ্গ জ্ঞানতত্ত্ব বা জ্ঞানবিজ্ঞান। জ্ঞানতত্ত্বের মুখ্য আলোচ্য বিষয় হল জ্ঞানের প্রকৃতি, জ্ঞানের উৎপত্তি, জ্ঞানের সীমা, জ্ঞানের বৈধতা, জ্ঞানের শর্ত ইত্যাদি। 

প্রশ্ন ১৩। জ্ঞানের উৎস বা উৎপত্তি বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ দর্শনশাস্ত্রের একটি প্রধান অঙ্গ জ্ঞানতত্ত্ব বা জ্ঞান-বিজ্ঞান। জ্ঞানতত্ত্বের মুখ্য আলোচ্য বিষয় হল জ্ঞানের প্রকৃতি, জ্ঞানের উৎপত্তি, জ্ঞানের সীমা, জ্ঞানের বৈধতা, জ্ঞানের শর্ত ইত্যাদি।

জ্ঞানের উৎপত্তি সম্বন্ধে বিভিন্ন মতবাদ পাওয়া যায়। যার মধ্যে চারটি মতবাদ— 

(ক) বুদ্ধিবাদ বা Rationalism. 

(খ) অভিজ্ঞতাবাদ বা Empiricism.

(গ) বিচারবাদ বা Criticism. এবং 

(ঘ) স্বজ্ঞাবাদ বা Intuitionism উল্লেখযোগ্য।

প্রশ্ন ১৪। ‘ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অভিজ্ঞতা থেকে আমরা যে জ্ঞানলাভ করি, তা অসম্পূর্ণ এবং অসঙ্গতিপূর্ণ’—উদাহরণ দাও। 

উত্তরঃ এরোপ্লেনের কাছে যে মানুষটি থাকে, তার কাছে এরোপ্লেন বিরাট। কিন্তু ওই একই এরোপ্লেন যখন উঁচু আকাশ দিয়ে উড়ে যেতে যে দেখে, তার কাছে এরোপ্লেন অতি ক্ষুদ্র। 

প্রশ্ন ১৫। বুদ্ধিবাদের অন্যতম গুণ কী?

উত্তরঃ এই মতবাদ অনুযায়ী সার্বিক এবং অনিবার্য জ্ঞান অর্জন সম্ভব। ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে আমরা যে জ্ঞান অর্জন করি, বুদ্ধি তাকে ব্যাখ্যা করে, যোগসূত্র স্থাপন করে, সুবিন্যস্ত এবং সুসংহত করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This will close in 0 seconds

This will close in 0 seconds

error: Content is protected !!
Scroll to Top