Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়?

Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? and select needs one.

Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়?

Join Telegram channel

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়? for All Subject, You can practice these here..

জীবের প্রজনন কিভাবে হয়?

               Chapter – 8

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। প্রজননে DNA কপিং পদ্ধতির কি প্রয়ােজনীয়তা আছে ?

উত্তরঃ কোষের নিউক্লিয়াসের ক্রোমসােমের DNA দ্বারা মাতা-পিতার থেকে বৈশিষ্ট্য নতুন প্রজন্মের জীবের শরীরে প্রবেশ করে। কোষের নিউক্লিয়াসের DNA প্রােটিন সৃষ্টি করার তথ্যের উৎস। প্রজননের মূল কাজই হল এক ধরনের DNA সৃষ্টি করা। নতুন প্রজন্মের কোষে DNA র দুইটি প্রতিচিত্র সৃষ্টি হয় এবং একটি থেকে অন্যটিতে আলাদা হয়। DNA প্রতিচিত্র জানানাের সাথে সাথে অন্যান্য কোষীয় গঠনেরও প্রয়ােজন এবং তখনই নতুন DNA গঠনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে নতুন কোষে যায় অর্থাৎ একটি কোষ থেকে দুইটি সম্পূর্ণ অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়।

২। প্রজাতির জন্য প্রকারণ প্রয়ােজন কিন্তু কোনও নির্দিষ্ট জীরের জন্য নয় কেন ?

উত্তরঃ প্রজননের সময় DNA-র ঘনত্বের প্রতিকৃতি দেহের গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর দ্বারাই জীব নির্দিষ্ট অঞ্চল বা নাইকি ব্যবহার করতে পারে। অতএব কোনও জীবের প্রজাতির জনসংখ্যার স্থিরতার সঙ্গে প্রজননের সম্পর্ক আছে। জীবের বাসস্থানে জনসংখ্যার আয়তন জীবের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কারণের উপর নির্ভর করে। কোনাে বাসস্থানে জীবের প্রজনন উপযুক্ত হলে প্রজনন শুরু হওয়ার পর যদি হঠাৎ বাসস্থানের জলবায়ুতে পরিবর্তন আসে, জনসংখ্যা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু যদি কোনও কোনও প্রজাতির ভিতরে প্রকারণ হয় তবে তারা বেঁচে যেতে পারে। কোনও জলাশয়ে থাকা ব্যাক্টেরিয়ার ক্ষেত্রে হঠাৎ জলাশয়ের তাপ বেড়ে যায় তবে বেশির ভাগ ব্যাক্টেরিয়ার মৃত্যু হবে। যদি কোনাে কোনাে ব্যাক্টেরিয়ার প্রকার তাপ সহ্য করার ক্ষমতা অর্জন করতে পারে তবে তারা বেঁচে থাকবে এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। তাই প্রজাতির বেশিদিন ধরে টিকে থাকার জন্য প্রকারণ গুরুত্বপূর্ণ।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

১। দ্বি-বিভাজন বহু বিভাজন থেকে কিভাবে আলাদা ?

উত্তরঃ এককোষী জীবের কোষ বিভাজন দ্বারা নতুন অপত্য জীবের সৃষ্টি হয়। এই বিভাজন দুই প্রকার—দ্বি-বিভাজন এবং বহু-বিভাজন।

অনেক ব্যাক্টেরিয়া এবং প্রােটজোয়ার ক্ষেত্রে কোষ বিভাজনের সময় সহজ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এরা দ্বি-বিভাজন। যেমন এমিবার কোষ বিভাজন। কিছু এককোষী জীব তাদের দেহে কিছু কিছু সংগঠন দেখায় যেমন কালাজ্বর-এর অণুজীব লেসফানিয়াতে চাবুকের মতাে এক গঠন কোষের এক প্রান্তে দেখা যায়। এই ধরনের জীবে এই গঠনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোষ বিভাজন হয়। অন্যান্য এককোষী জীব, যেমন- প্লাসমেডিয়াম ম্যালেরিয়ার অণুজীব বহু বিভাজন দ্বারা অনেক অপত্য কোষের সৃষ্টি করে।

২। রেণু গঠন দিয়ে প্রজনন হলে জীব কিভাবে উপকৃত হয় ?

উত্তরঃ সরল বহুকোষী জীবে নির্দিষ্ট প্রজনন অঙ্গ হিসাবে রেণুস্থলী চিহ্নিত করা হয়। এরা ছােট ছােট কাঠির মাথায় গােল গােল গঠন প্রজননে জড়িত। এইগুলির মধ্যে রেণু থাকে এবং এই রেণু রাইজোপাসে পরিণত হয়। এই রেণুগুলি মােটা আবরণে আবৃত থাকে এবং এই আবরণ রেণুগুলিকে সুরক্ষিত করে রাখে যতদিন না পর্যন্ত রেণুগুলি আবার কোনাে ভেজা জায়গার স্পর্শ পায় এবং রেণুগুলি থেকে নতুন উদ্ভিদ জন্মায়। রেণু সুরক্ষিত থাকার ফলে জীব উপকৃত হয়।

৩। বেশি জটিল জীব পুনরােৎপত্তি পদ্ধতিতে নতুন জীবের জন্ম দিতে পারে না তার কারণ কি ?

উত্তরঃ অনেক বহুকোষী জীবের দেহ থেকে নতুন জীবের সৃষ্টি করার ক্ষমতা আছে। যেমন- হাইড্রা এবং প্ল্যানেরিয়ার মতাে নিম্নশ্রেণির জীবের অনেকগুলি অংশ কাটা যেতে পারে এবং প্রত্যেকটি অংশ নতুন জীবের সৃষ্টি করতে পারে। একেই পুনরােৎপত্তি বলে। এই পদ্ধতিতে বেশি জটিল জীব জন্ম দিতে পারে না কারণ সব জীব প্রজনন করার জন্য নিজেদের শরীর খণ্ডিত হওয়ার উপর নির্ভরশীল নয়।

৪। অঙ্গজ জনন পদ্ধতি শুধুমাত্র কয়েকটি উদ্ভিদের প্রজননের জন্য ব্যবহার হয় কেন ?

উত্তরঃ অঙ্গজ জনন পদ্ধতি শুধুমাত্র কয়েকটি উদ্ভিদের প্রজননের জন্য ব্যবহার করা হয় কারণ কিছু উদ্ভিদ যেমন- কলা, কমলা, গােলাপ, যুঁইফুল ইত্যাদি বীজ ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং তখন অঙ্গজ জনন পদ্ধতিতে এই উদ্ভিদ প্রজনন করে।

৫। DNA কপিং পদ্ধতি প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

উত্তরঃ DNA (Deoxyribonucleic Acid) দ্বারা পিতা-মাতার থেকে বৈশিষ্ট্য নতুন প্রজন্মের জীবের শরীরে প্রবেশ করে। কোষের নিউক্লিয়াসে প্রােটিন সৃষ্টি করে DNA। যদি তথ্য পরিবর্তিত হয় তবে ভিন্ন ভিন্ন প্রােটিন সৃষ্টি হয়। প্রােটিনের ভিন্নতার ফলেই জীবের পরিবর্তিত আকৃতি সৃষ্টি হয়। সেইজন্যই DNA কপিং পদ্ধতি প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। পরাগযােগ পদ্ধতি নিযেচন থেকে কিভাবে পৃথক বলে মনে হয় ?

উত্তরঃ ফুলের গর্ভাশয় বা ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু (Ovules) থাকে এবং প্রত্যেক ডিম্বাণুতে একটি করে জনন কোষ থাকে। পরাগরেণু থেকে উৎপন্ন হওয়া পুরুষ জনন কোষ ডিম্বাণুর স্ত্রী-জননকোষের সঙ্গে মিলিত হয়। এই পুরুষ ও স্ত্রী-জনন কোষের মিলনে নিষেচন হয় ফলে যােজন কোষ (Zygote) উৎপন্ন হয় এবং এই যােজন কোষ হতেই নতুন উদ্ভিদ জন্মায়। পুংকেশর থেকে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তর একই ফুলে হলে তাকে স্বপরাগযােগ বলে এবং অন্য ফুলে হলে ইতর পরাগযােগ বলে।

২। শুক্ৰাধার (Seminal vesicle) এবং প্রষ্টেট গ্রন্থি (Prostate gland) এর ভূমিকা কি ?

উত্তরঃ শুক্রাশয়ে জননকোষ বা শুক্রাণু উৎপন্ন হয়। এই শুক্রাণু শুক্ৰবাহী নালী দ্বারা বাহিত হয়। শুক্রবাহী নালী মূত্রাশয় থেকে আগত একটি নলীর সঙ্গে মিলিত হয়। শুক্রাণু এবং মূত্র বহন করে মূত্রনালী। শুক্ৰবাহী নালীর পাশাপাশি প্রষ্টেট গ্রন্থি (Prostate gland) এবং শুক্ৰাধার (Seminal vesicle) থাকে এবং এই গ্রন্থিগুলি হরমােন বা রস নিঃসরণ করে যার ফলে শুক্রাণুর গতি সুবিধাজনক বা সহজ হয় এবং পুষ্টিও পায়। শুক্রাণু ক্ষুদ্র আকারের হয় এবং এর ভিতরে জিনগত সাহায্যে স্ত্রীজমনকোষের নিকটে যেতে পারে।

৩। পিউবারটি বা যৌবনারম্ভের সময়ে মেয়েদের শরীরে কি কি পরিবর্তন দেখা যায় ?

উত্তরঃ একটি মেয়ে শিশু যখন জন্মায় তখন তার ডিম্বাশয়ে হাজার হাজার ডিম্বাণু থাকে এবং সেই ডিম্বাণুগুলি অপরিণত অবস্থায় থাকে। যৌবনারম্ভে এরা কিছু কিছু পরিণত হতে আরম্ভ করে। একটি ডিম্বাশয়ে প্রত্যেক মাসে একটি করে ডিম্বাণু পরিণত হয়। ডিম্বাণুটি ডিম্বাশয় থেকে একটি সরু ডিম্ববাহী নালী (Oviduct) বা ফ্যালােপিয়ান নালী দ্বারা গর্ভাশয়ে বাহিত হয়। দুইটি ডিম্ববাহী নালী একটি পেশীবহুল স্থিতিস্থাপক ব্যাগের ন্যায় গঠনে মিলিত হয় যাকে জরায়ু বলে। জরায়ু নালীর মাধ্যমে যােনির সাথে যুক্ত হয়। এই সময় স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়, মাসিক চক্র (Menstruation) শুরু হয় এবং এই চক্র ২ থেকে ৪ দিন পর্যন্ত চলে।

৪। মায়ের শরীরের ভিতরে থাকা অবস্থায় ভ্রণ কি উপায়ে পুষ্টি ধারণ করে ?

উত্তরঃ জ্বণ মায়ের শরীরে প্ল্যাসেন্টা নামক বিশেষ কলার সাহায্যে প্রয়ােজনীয় পুষ্টি পায়।

৫। যদি কোনও মহিলা কপার-টি (Copper-T) ব্যবহার করে তবে সে কি যৌন সংস্পর্শে হওয়া রােগ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে ?

উত্তরঃ কপারটি (Copper-T) হল একপ্রকার গর্ভনিরােধক। ইহা জরায়ুতে লাগানাে লুপ। এর দ্বারা জরায়ুতে প্রদাহ জনিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ কপারটি ব্যবহার করেও যৌন সংস্পর্শে আসা মহিলারা সুরক্ষিত নহে।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

১। মুকুলােম পদ্ধতিতে অযৌন প্রজনন নিম্নলিখিত কোন জীবে হয় ?

(ক) এ্যামিবা।

(খ) ইষ্ট।

(গ) প্লাসমােডিয়াম।

(ঘ) লেসমানিয়া।

উত্তরঃ (খ) ইষ্ট।

২। মানুষের দেহে নীচের কোনটি স্ত্রীজনন অঙ্গ নয় ?

(ক) ডিম্বাশয়।

(খ) জরায়ু।

(গ) শুক্ৰবাহী নালী।

(ঘ) ফ্যালােপিয়ান নালী।

উত্তরঃ (গ) শুক্ৰবাহী নালী।

৩। পরাগ কোষে থাকে-

(ক) বৃতি।

(খ) ডিম্বাণু।

(গ) ডিম্বক।

(ঘ) পরাগরেণু।

উত্তরঃ (ঘ) পরাগরেণু।

৪। অযৌন প্রজনন থেকে যৌন প্রজননে কি কি সুবিধা বেশি ?

উত্তরঃ DNA এবং অঙ্গানুর কপিং থেকে দুইটি নতুন কোষের সৃষ্টি হয়। জীবের প্রজনন যৌন পদ্ধতিতে হয় তবে নতুন প্রজন্মে অনেক প্রকরণ থাকে। যৌন প্রজনন এমন একটি পদ্ধতি যে পদ্ধতিতে দুইটি জীবের কোষের DNA মিলিত হয় এবং নতুন জীবের সৃষ্টি হয়।

পরাগযােগ, অঙ্গজ প্রজনন ইত্যাদি অযৌন প্রজনন। অধিক মাত্রায় প্রকারণ হওয়ার জন্য যৌন প্রজনন হওয়া প্রয়ােজন।

৫। মানুষের দেহে অণ্ডকোষ (Tests) কি কি কাজ করে ?

উত্তরঃ অণ্ডকোষ হল পুরুষের প্রজনন অঙ্গ যা শুক্রাণু উৎপন্ন করে। শুক্ৰবাহক নলী, শুক্ৰাধার, প্রষ্টেট গ্রন্থি, মূত্রনালী এবং লিঙ্গ ইত্যাদি এর অঙ্গ।

৬। মাসিক ঋতুচক্র কেন হয় ?

উত্তরঃ ডিম্বাশয় প্রত্যেক মাসে একটি করে ডিম্বানু ছাড়ে, জরায়ু প্রত্যেক মাসে একটি নিষেচিত ডিম্বাণু পাওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে রাখে, এর ভিতরের স্তর মােটা ও স্পঞ্জি হয়। যদি ডিম্বানু নিষেচিত হয় তবে জ্বণ-এর প্রয়ােজন হয়। যদি ডিম্বাণু নিষেচিত হয়ে প্রাণের জন্ম না হয় তবে জরায়ুর এই স্তরের আর প্রয়ােজন হয় না। এই স্তরটি ধীরে ধীরে ভেঙ্গে যায় এবং যােনিপথ দিয়ে রক্ত এবং মিউকাস হিসাবে বের হয়ে যায়। এই চক্র প্রত্যেক মাসে হয় এবং এই চক্রকে মাসিক চক্র বলে। এই চক্র সাধারণত ২ থেকে ৪ দিন পর্যন্ত চলে।

৭। একটি ফুলের লম্বা ব্যবচ্ছেদের চিত্র এঁকে বিভিন্ন অংশ চিহিত করাে।

৮। গর্ভনিরােধ করার বিভিন্ন পদ্ধতি আলােচনা কর।

উত্তরঃ গর্ভনিরােধ করতে অবলম্বন করা বিভিন্ন পদ্ধতিগুলি হল- কনডােম, মৌখিক বড়ি, কপারটি ইত্যাদি। এই সকল ছাড়াও আজকাল অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে গর্ভনিরােধ করা হয়।

৯। এককোষী এবং বহুকোষী জীবের প্রজননের উপায়ের কি কি কি পার্থক্য আছে ?

উত্তরঃ এককোষী জীবের ক্ষেত্রে কোষ বিভাজন বা বিভাজন দ্বারা নতুন অপত্য জীবের সৃষ্টি হয়।

কিছু এককোষী জীর যেমন এমিবা দ্বি-বিভাজন দ্বারা বিভাজিত হয়। আবার কিছু এককোষী জীব যেমন প্লাসমােডিয়াম (ম্যালেরিয়ার অণুজীব) বহু-বিভাজন দ্বারা অপত্য কোষের সৃষ্টি করে।

সরল দেহধারী বহুকোষী জীবের সরল প্রজনন পদ্ধতি কার্যকর হয়। যেমন স্পাইরােগাইরা উপযুক্ত সময়ে সহজভাবে কয়েকটি ছােট ছােট অংশে বিভক্ত হয়। একে খণ্ডন (Fragmentation) বলে। অনেক বহুকোষী জীবের দেহ থেকে নতুন জীবের সৃষ্টি করার ক্ষমতা আছে। যদি জীবটির দেহের কোনাে অংশ কাটা হয় তবে ছােট ছােট অনেক অংশে বিভাজিত হয়। এই অংশগুলি এক-একটি জীবের সৃষ্টি করতে পারে। যেমন হাইড্রা, প্লেনেরিয়া ইত্যাদি। একে পুনরােৎপত্তি (Regeneration) বলে।

এছাড়া মুকুলােদগােম (Budding), অঙ্গজ জনন (Vegetative propagation), রেণু গঠন এবং যৌন প্রজনন হয়ে থাকে।

১০। কোনও জীবের প্রজাতির জনসংখ্যার স্থিরতা সঠিক রাখার জন্য প্রজনন কিভাবে সাহায্য করে ?

উত্তরঃ প্রজনন পদ্ধতি আছে বলেই আমরা বিভিন্ন জীব দেখতে পাই। যদি কোনাে নির্দিষ্ট প্রজাতির প্রজনন না হত তবে সেই জীবের কোনও অস্তিত্ব থাকত না। কোনাে জীবের প্রজনন হয় বলেই অনেক সংখ্যায় সেই জীবের প্রজাতি আমাদের চোখে পড়ে। দুইটি ভিন্ন দেখতে জীব একই প্রজাতির অন্তর্গত হলে সাধারণত একই ধরনের আকৃতি এবং গঠন হয়। তাই জীবের প্রজনন হয় বলেই অনেকটা এক রকমের দেখতে নতুন জীবের সৃষ্টি হয়। প্রজননে, যেমন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় তেমনি মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে জনসংখ্যা হ্রাস পায়। অর্থাৎ এইভাবে প্রজনন জনসংখ্যার স্থিরতা বজায় রাখে।

১১। গর্ভনিরােধক ব্যবস্থা গ্রহণ করার কি কি কারণ থাকতে পারে ?

উত্তরঃ যেহেতু যৌন সংসর্গ দুইটি দেহের পারস্পরিক সংস্পর্শে হয় তাই আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যে যৌন সংসর্গের ফলেই অধিক রােগ সংক্রামিত হয়। এই সব রােগের মধ্যে গনােরিয়া বা সিফিলিস্ জাতীয় ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ এবং নানা ধরনের ভাইরাল সংক্রমণ যেমন—আঁচিল বা আর (wart) এবং HIV-AIDS. যৌন সংসর্গের সময়ে এই রােগ সংক্রমণ থেকে কিছুটা প্রতিরক্ষা সম্ভব হয় যদি কনডােম নামক একটি আবরণী ব্যবহার করে পুরুষের লিঙ্গ আবৃত করে নেওয়া হয়। অন্য ধরনের গর্ভনিরােধক আছে যেমন জরায়ুতে লাগানাে লুপ বা কপারটি (Copper-T) এর দ্বারা জরায়ুতে প্রদাহ জনিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This will close in 0 seconds

This will close in 0 seconds

error: Content is protected !!
Scroll to Top