Class 12 Political Science Important Chapter 9 বিশ্বায়ন Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Political Science Important Chapter 9 বিশ্বায়ন Solutions and select need one. Class 12 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 12 Political Science Important Solutions Bengali Medium.
Class 12 Political Science Important Chapter 9 বিশ্বায়ন
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Political Science Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Political Science Important Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
বিশ্বায়ন
Chapter: 9
| Part – 1: সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতি |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। বিশ্বায়ন বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ বিশ্বায়ন হলো একটি বহুমাত্রিক প্রক্রিয়া যার মূল কথা হলো বিশ্বজুড়ে ধারণা (ideas), মূলধন (capital), পণ্য (commodities) এবং মানবসম্পদের (people) এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অবাধ প্রবাহ ও পারস্পরিক আন্তঃসংযোগ।
২। বিশ্বায়নের বিস্তারে প্রযুক্তির ভূমিকা কী?
উত্তরঃ বিশ্বায়নের পেছনে প্রধান অনুঘটক হলো প্রযুক্তি। টেলিফোন, ইন্টারনেটের উদ্ভাবন এবং মাইক্রোচিপ ও উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার প্রসারের ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষের মধ্যে তথ্য ও ধারণার দ্রুত লেনদেন সম্ভব হয়েছে।
৩। বিশ্বায়নের ফলে রাষ্ট্রের ক্ষমতার ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন এসেছে?
উত্তরঃ বিশ্বায়নের প্রভাবে প্রথাগত কল্যাণকামী রাষ্ট্রের পরিবর্তে ‘ন্যূনতম হস্তক্ষেপকারী রাষ্ট্র’ (Minimalist state)-এর ধারণা জোরদার হয়েছে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে নিজস্ব সার্বভৌম প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতেও পেরেছে।
৪। ‘সামাজিক সুরক্ষা জাল’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ বিশ্বায়নের ফলে সৃষ্ট বাজার ব্যবস্থার নেতিবাচক প্রভাব থেকে সমাজের দরিদ্র, দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষদের রক্ষা করার জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক গৃহীত নীতি ও সামাজিক নিরাপত্তামূলক বেষ্টনীকে ‘সামাজিক সুরক্ষা জাল’ বলা হয়।
৫। ‘ম্যাকডোনাল্ডাইজেশন’ বা সাংস্কৃতিক সমরূপায়ন কী?
উত্তরঃ বিশ্বায়নের প্রভাবে পশ্চিমের (বিশেষ করে আমেরিকার) শক্তিশালী সংস্কৃতি, পোশাক ও খাদ্যাভ্যাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় সংস্কৃতিকে বিলুপ্ত করে একঘেয়ে বা সমরূপ সংস্কৃতিতে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে সমালোচকরা ‘ম্যাকডোনাল্ডাইজেশন’ বলেন।
৬। ‘সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যয়ন’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ বাইরের সংস্কৃতি স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিলীন না হয়ে বরং এক নতুন ও অনন্য সংকর রূপ লাভ করে। এর ফলে সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও পছন্দ বৃদ্ধি পায়, যাকে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যয়ন বা অ-সমরূপায়ন বলা হয়।
৭। ডব্লিউএসএফ বা ‘বিশ্ব সামাজিক মঞ্চ’ কী?
উত্তরঃ নব-উদারবাদী বিশ্বায়নের ক্ষতিকর প্রভাবের বিরোধিতা করতে মানবাধিকাকর্মী, পরিবেশবিদ, শ্রমিক সংগঠন ও যুবসমাজকে নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিবাদী প্ল্যাটফর্ম হলো ‘বিশ্ব সামাজিক মঞ্চ’ (WSF)।
৮। বিশ্ব সামাজিক মঞ্চের (WSF) প্রথম ও ভারতে অনুষ্ঠিত সম্মেলন কত সালে হয়?
উত্তরঃ WSF-এর প্রথম সম্মেলন ২০০১ সালে ব্রাজিলের পোর্তো আলেগ্রেতে (Porto Alegre) এবং চতুর্থ সম্মেলন ২০০৪ সালে ভারতের মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
৯। ১৯৯৯ সালে ডব্লিউটিও (WTO)-এর সিয়াটল (Seattle) বৈঠকে কেন প্রতিবাদ হয়েছিল?
উত্তরঃ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) ১৯৯৯ সালের সিয়াটল বৈঠকে বিশ্বায়নের নামে উন্নত দেশগুলোর বৈষম্যমূলক ও অন্যায্য অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক গণবিক্ষোভ হয়েছিল।
১০। ভারত কত সালে অর্থনৈতিক উদারীকরণ ও বিশ্বায়নের নীতি গ্রহণ করে?
উত্তরঃ ১৯৯১ সালে তীব্র আর্থিক সংকট মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ভারত সরকার উদারীকরণ, বেসরকারীকরণ ও বিশ্বায়নের (LPG) নীতি গ্রহণ করে।
দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর
১১। বিশ্বায়নের রাজনৈতিক ফলাফল বা প্রভাব আলোচনা করো।
উত্তরঃ বিশ্বায়নের রাজনৈতিক ফলাফলের প্রধান দিকগুলো হলো:
রাষ্ট্রের ক্ষমতা হ্রাস: প্রথাগত রাষ্ট্রীয় কল্যাণকামী কার্যকারিতা সংকুচিত হয়েছে এবং রাষ্ট্র কেবল আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সীমাবদ্ধ হয়ে ‘ন্যূনতম হস্তক্ষেপে’ নেমে এসেছে।
বাজার শক্তি ও বহুজাতিক সংস্থার প্রাধান্য: নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে জাতীয় সরকারের চেয়ে বাজার শক্তি (Market Forces) ও বহুজাতিক সংস্থাগুলির (MNCs) প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রযুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের সংহতকরণ: এর ইতিবাচক দিক হলো, অত্যাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের শাসন ও পর্যবেক্ষণের জন্য বিপুল তথ্য সংগ্রহ করতে পারছে, যা ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে।
১২। বিশ্বায়নের অর্থনৈতিক পরিণাম সংক্ষেপে মূল্যায়ন করো।
উত্তরঃ বিশ্বায়নের অর্থনৈতিক প্রভাবকে দুটি কোণ থেকে দেখা যায়:
ইতিবাচক দিক: আন্তঃরাষ্ট্রীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বাণিজ্য বাধা হ্রাস পেয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধি পেয়েছে এবং প্রতিযোগিতার ফলে বাজারভেদে কম মূল্যে উন্নতমানের পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে।
নেতিবাচক দিক: বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সংস্কারের সুফল বিশ্বের সব রাষ্ট্রে এবং সমাজের সব স্তরে সমানভাবে পৌঁছায়নি। রাষ্ট্র সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্র থেকে সরে আসায় উন্নয়নশীল দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগণ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে।
১৩। বিশ্বায়নের সাংস্কৃতিক ফলাফলের একটি বিস্তারিত বিবরণ দাও।
উত্তরঃ সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের দুটি ভিন্ন ধারা দেখা যায়:
সাংস্কৃতিক সমরূপায়ন (Cultural Homogenisation): আন্তর্জাতিক স্তরে প্রভাবশালী পশ্চিমা জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি স্থানীয় সমাজগুলোকে প্রভাবিত করছে, যার ফলে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সাংস্কৃতিক সংকরায়ন বা বৈচিত্র্যয়ন (Cultural Heterogenisation): বহিঃস্থ সংস্কৃতি স্থানীয় সংস্কৃতির সাথে মিশে পুরোপুরি একাত্ম না হয়ে একটি নতুন মিশ্র শৈলী তৈরি করে (যেমন- কুর্তার সাথে জিন্স পরিধান বা স্থানীয় মসলা দিয়ে তৈরি ‘ম্যাকঅ্যারেবিয়া’ খাবার)। এটি সংস্কৃতিকে ধ্বংস না করে বরং তাকে আরও বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ করে তোলে।
১৪। বিশ্বায়নের বিরুদ্ধে ভারত ও বিশ্বজুড়ে কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে?
উত্তরঃ বিশ্বায়নের বিশ্বব্যাপী ও ভারতীয় প্রতিরোধ আন্দোলন নিম্নলিখিতভাবে রূপ নিয়েছে:
বিশ্বজুড়ে বিরোধিতা: WSF (World Social Forum) এবং ১৯৯৯ সালের সিয়াটল আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবেশবিদ, শ্রমিক ও মানবাধিকাকর্মীরা সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বায়নের বিরোধিতা করে আসছে।
ভারতে বামপন্থী প্রতিরোধ: ভারতের বামপন্থী দল ও সংগঠনগুলো বহুজাতিক সংস্থার আগমন, স্বাবলম্বন হ্রাস এবং কৃষকদের জমি বা অধিকার হারানোর প্রতিবাদে অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের বিরোধিতা করে।
ভারতে সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক বিরোধিতা: দক্ষিণপন্থী বা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীগুলো পশ্চিমী পোশাক, উৎসব ও গণমাধ্যমের প্রভাবে দেশীয় মূল্যবোধ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় বিরোধিতা করে। পাশাপাশি পেটেন্ট আইন, বহুসংস্কৃতির বীজ ও কর্পোরেট চাষের বিরুদ্ধে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কৃষকরা আন্দোলন গড়ে তোলে।

