Class 12 Political Science Important Chapter 8 পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Political Science Important Chapter 8 পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ Solutions and select need one. Class 12 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 12 Political Science Important Solutions Bengali Medium.
Class 12 Political Science Important Chapter 8 পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Political Science Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Political Science Important Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ
Chapter: 8
| Part – 1: সমসাময়িক বিশ্ব রাজনীতি |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘দ্য ক্লাব অব রোম’ কত সালে এবং কোন বিখ্যাত পুস্তক প্রকাশ করে বিশ্ব পরিবেশগত সংকটের কথা তুলে ধরেছিল?
উত্তরঃ ১৯৭২ সালে ‘দ্য ক্লাব অব রোম’ ‘লিমিটস টু গ্রোথ’ নামক পুস্তক প্রকাশ করে দ্রুত গতিতে নিঃশেষিত হতে চলা পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছিল।
২। কত সালে এবং কোথায় ঐতিহাসিক ‘পৃথিবী শিখর সম্মেলন’ বা ‘আর্থ সামিট’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৯২ সালের জুন মাসে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরো শহরে রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে ‘পৃথিবী শিখর সম্মেলন’ বা ‘আর্থ সামিট’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
৩। ১৯৮৭ সালের ‘ব্রুন্ডটল্যান্ড রিপোর্ট’ কোন নামে প্রকাশিত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৮৭ সালের ব্রুন্ডটল্যান্ড রিপোর্টটি ‘আওয়ার কমন ফিউচার’ বা ‘আমাদের মিলিত ভবিষ্যৎ’ নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪। ‘এজেন্ডা ২১’ কী এবং এটি কোন সম্মেলনে গৃহীত হয়?
উত্তরঃ এজেন্ডা ২১ হলো পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গৃহীত ২১টি সুনির্দিষ্ট নীতিসূচির একটি তালিকা, যা ১৯৯২ সালের রিও পৃথিবী শিখর সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছিল।
৫। বিশ্বজনীন সম্পদ বা ‘গ্লোবাল কমন্স’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ যেসকল ভৌগোলিক বা প্রাকৃতিক এলাকা কোনো একক রাষ্ট্রের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণে আসে না, বরং সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ পরিচালনায় থাকে, সেগুলিকে বিশ্বজনীন সম্পদ বা ‘গ্লোবাল কমন্স’ বলে।
৬। বিশ্বজনীন সম্পদ বা ‘গ্লোবাল কমন্স’-এর চারটি প্রধান উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল, অ্যান্টার্কটিকা বা দক্ষিণ মেরু, সমুদ্রের তলদেশ এবং গভীর মহাশূন্য।
৭। ‘সার্বজনীন অথচ প্রভেদক দায়িত্ব’ নীতির মূল কথা কী?
উত্তরঃ পরিবেশের অবনমন রোধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সার্বিক দায়িত্ব থাকলেও, ঐতিহাসিকভাবে বিশ্ব পরিবেশ দূষণের জন্য উন্নত দেশগুলিই বেশি দায়ী হওয়ায় পরিবেশ সুরক্ষার মূল আর্থিক ও কৌশলগত দায়িত্ব উন্নত রাষ্ট্রগুলির ওপরই বর্তায়।
৮। ‘কিয়োটো প্রোটোকল’ কত সালে এবং কোথায় গৃহীত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কিয়োটো প্রোটোকল গৃহীত হয়েছিল।
৯। কিয়োটো প্রোটোকল চুক্তির মূল লক্ষ্য বা কাজ কী ছিল?
উত্তরঃ কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, হাইড্রোফ্লুরো কার্বনের মতো বিষাক্ত গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন নির্দিষ্ট মাত্রা অনুযায়ী হ্রাস করে বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণ করা।
১০। ভারত কত সালে ‘কিয়োটো প্রোটোকল’ চুক্তি স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছিল?
উত্তরঃ ভারত ২০০২ সালে কিয়োটো প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর ও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করে।
১১। ভারতের পরিবেশ সুরক্ষায় গ্রামীণ ‘পবিত্র বৃক্ষপুঞ্জ’ প্রথার গুরুত্ব কী?
উত্তরঃ গভীর ধর্মীয় শ্রদ্ধা ও প্রাচীন সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে স্থানীয় গ্রামীণ ও আদিবাসী সম্প্রদায় বনরাজির নির্দিষ্ট অংশ বা গাছপালাকে দেবতা জ্ঞান করে রক্ষা করে, যা জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখে।
১২। ভারত সরকার জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ২০০১ ও ২০০৩ সালে কোন দুটি প্রধান আইন পাস করেছিল?
উত্তরঃ ২০০১ সালে ‘শক্তি সংবর্ধন আইন’এবং ২০০৩ সালে ‘বিদ্যুৎ আইন’ পাস করেছিল।
১৩। বিশ্বের মোট সঞ্চিত খনিজ তেলের কত শতাংশ মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান এবং তেলের এক-চতুর্থাংশ সঞ্চয় কোন একক দেশের রয়েছে?
উত্তরঃ বিশ্বের সঞ্চিত তেলের প্রায় ৬৪ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এবং মোট সঞ্চিত তেলের এক-চতুর্থাংশ (২৫%) রয়েছে সৌদি আরবের কাছে।
১৪। একবিংশ শতাব্দীতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘জল যুদ্ধ’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাপী অলবণাক্ত পানীয় জলের সংকট দেখা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক নদীনালার জলবণ্টন ও দখল কেন্দ্র করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির মধ্যে যে সশস্ত্র বা সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, তাকে ‘জল যুদ্ধ’ বলা হয়।
১৫। ‘ওয়ার্ল্ড কাউন্সিল অব ইন্ডিজেনাস পিপল’ কত সালে গঠিত হয়?
উত্তরঃ বিশ্বজুড়ে আদিবাসীদের অধিকার ও পরিচয় রক্ষায় ১৯৭৫ সালে ‘ওয়ার্ল্ড কাউন্সিল অব ইন্ডিজেনাস পিপল’ গঠিত হয়।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। বিশ্ব রাজনীতিতে পরিবেশ সংক্রান্ত উদ্বেগের উদ্ভব কীভাবে ঘটেছিল?
উত্তরঃ বিশ্ব রাজনীতিতে পরিবেশগত উদ্বেগের উদ্বেগের উদ্ভব ও প্রসারের প্রধান ধাপগুলি আলোচনা করা হলো:
(i) ‘দ্য ক্লাব অব রোম’ ও ‘লিমিটস টু গ্রোথ’: ১৯৭২ সালে গবেষক ও বৈশ্বিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত ‘দ্য ক্লাব অব রোম’ নামক সংস্থাটি ‘লিমিটস টু গ্রোথ’ শীর্ষক একটি বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করে। এই পুস্তকে দ্রুত বর্ধনশীল বিশ্ব জনসংখ্যা এবং শিল্পায়নের প্রেক্ষাপটে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত নিঃশেষিত হওয়ার ভয়াবহ পরিণতি নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়।
(ii) আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ও জাতিসংঘের ভূমিকা: বিশ্বজুড়ে কৃষিজমির উর্বরতা হ্রাস, অতি-পশুচারণ ও অতিরিক্ত মৎস্য শিকার, স্বাদু জলের সংকট ও দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, এবং বায়ুমণ্ডলে ওজন স্তরের অবক্ষয় বিশ্ববাসীর জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দেয়।
(iii) ব্রুন্ডটল্যান্ড কমিশন রিপোর্ট: ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত ব্রুন্ডটল্যান্ড রিপোর্ট (Brundtland Report), যা ‘আওয়ার কমন ফিউচার’ বা ‘আমাদের মিলিত ভবিষ্যৎ’ নামে পরিচিত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক করে দেয় যে প্রচলিত অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ধারা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। বিশেষ করে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলির জন্য নতুন পরিবেশবান্ধব পথ খোঁজার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে।
২। ‘বিশ্বজনীন সম্পদ’ বা ‘গ্লোবাল কমন্স’ বলতে কী বোঝায়? বিশ্বজনীন সম্পদ সুরক্ষার ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘বিশ্বজনীন সম্পদ’ বা ‘গ্লোবাল কমন্স: আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও পরিবেশবিদ্যায় ‘কমন্স’ বা এজমালি সম্পদ বলতে এমন কিছু সম্পদকে বোঝায়, যার ওপর কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একচ্ছত্র মালিকানা থাকে না বরং কোনো জনসম্প্রদায় তা যৌথভাবে ব্যবহার করতে পারে।
একইভাবে, পৃথিবীতে এমন কিছু ভৌগোলিক এলাকা বা প্রাকৃতিক পরিবেশগত ক্ষেত্র রয়েছে, যা কোনো একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের সার্বভৌম বা আইনি এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। ফলে এগুলির সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ শাসন বা পরিচালনার প্রয়োজন হয়। ল্যাটিন ভাষায় একে’ বা সহজ কথায় ‘গ্লোবাল কমন্স’ ‘বিশ্বজনীন সম্পদ’ বা ‘বিশ্বব্যাপী এজমালি সম্পদ’ বলা হয়।
এর সুরক্ষার ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যাগুলি আলোচনা করা হলো:
(i) বৈজ্ঞানিক তথ্যের অস্পষ্টতা ও আমূল ঐকমত্যের অভাব: বিশ্বজনীন সম্পদ সুরক্ষায় নির্দিষ্ট সময়সীমা ও পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক ঐকমত্য অর্জন করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৮০-র দশকের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ মেরুর ওপরে বায়ুমণ্ডলে ওজন স্তরের ছিদ্র আবিষ্কৃত হলে আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ তৈরি হলেও এর সুরক্ষার নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়ে দেশগুলির মধ্যে মত পার্থক্য দেখা দেয়।
(ii) উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের বৈষম্য: মহাশূন্য, সমুদ্রের তলদেশ বা বায়ুমণ্ডলের মতো বিশ্বজনীন সম্পদের পরিচালনা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে গভীর বৈষম্য বিদ্যমান। বিশ্বজনীন সম্পদ সুরক্ষার নিয়মকানুন তৈরিতে উন্নত ধনী দেশগুলি তাদের প্রযুক্তিগত ও আর্থিক শক্তির বলে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে।
(iii) অ্যান্টার্কটিকা ও আঞ্চলিক মালিকানার দাবি কেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব: অ্যান্টার্কটিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বজনীন সম্পদ হলেও ব্রিটেন, আর্জেন্টিনা, চিলি, নরওয়ে, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো কয়েকটি রাষ্ট্র এই মহাদেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর নিজেদের সার্বভৌম অধিকার দাবি করেছে। যদিও অধিকাংশ রাষ্ট্র এটিকে ‘গ্লোবাল কমন্স’ বা যৌথ সম্পদ হিসেবে গণ্য করে যেকোনো একক দেশের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে।
৩। ‘সার্বজনীন অথচ প্রভেদক দায়িত্বসমূহ’ নীতিটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ ‘সার্বজনীন অথচ প্রভেদক দায়িত্বসমূহ নীতি:
(i) ভূমিকা ও মূল ধারণা: বিশ্ব পরিবেশ সংরক্ষণ ও বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধের উদ্দেশ্যে ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ‘পৃথিবী শিখর সম্মেলনে’ গৃহীত অন্যতম প্রধান এবং সর্বজনগ্রাহ্য আন্তর্জাতিক নীতি হলো ‘সার্বজনীন অথচ প্রভেদক দায়িত্ব’।
এই নীতির মূল বক্তব্য হলো—পৃথিবীর জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষা করা বিশ্বের সমস্ত রাষ্ট্রের যৌথ বা সার্বিক দায়িত্ব। তবে বিশ্বজুড়ে পরিবেশের অবক্ষয় ও বিশ্ব উষ্ণায়নের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সামর্থ্যের পার্থক্যের কারণে প্রতিটি দেশের দায়িত্ব সমান হতে পারে না এটি রাষ্ট্রভেদে ভিন্ন বা প্রভেদক হওয়া সংগত।
(ii) উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের দৃষ্টিভঙ্গির ফারাক: পরিবেশ সংক্রান্ত বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তর গোলার্ধের সুসংগঠিত শিল্পোন্নত ধনী দেশগুলি এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বিকাশমুখী উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে দৃষ্টিভঙ্গির মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।
শিল্পোন্নত দেশগুলির অবস্থান: বিশ্ব উষ্ণায়ন ও ওজন স্তরের অবক্ষয় রোধে বর্তমান পরিস্থিতিতে পৃথিবীর সমস্ত রাষ্ট্রকে সমপরিমাণ দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা মেনে নিতে হবে বলে উন্নত দেশগুলি মত প্রকাশ করে।
(iii) ‘রিও ঘোষণা’ ও জলবায়ু চুক্তিতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ১৯৯২ সালের রিও সম্মেলনে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাঠামো চুক্তিতে এই নীতিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
রিও ঘোষণার বক্তব্য: রিও ঘোষণায় স্পষ্ট বলা হয় যে, পৃথিবীর পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রতিটি রাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে। তবে বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণে ভিন্ন ভিন্ন অবদানের ভিত্তিতে রাষ্ট্রগুলির দায়িত্বেও প্রভেদ থাকবে।
(iv) কিয়োটো প্রোটোকলে নীতিটির বাস্তব প্রয়োগ: ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটো শহরে গৃহীত আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি ‘কিয়োটো প্রোটোকল’-এ ‘সার্বজনীন অথচ প্রভেদক দায়িত্ব’ নীতিটি প্রত্যক্ষভাবে প্রয়োগ করা হয়।
উন্নত দেশের জন্য বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা: কিয়োটো প্রোটোকলে কেবল শিল্পোন্নত দেশগুলির জন্য নির্দিষ্ট মাত্রা অনুযায়ী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা বাধ্যতামূলক করা হয়।

