Class 11 Political Science Important Chapter 8 স্থানীয় সরকার Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 8 স্থানীয় সরকার Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.
Class 11 Political Science Important Chapter 8 স্থানীয় সরকার
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
স্থানীয় সরকার
Chapter: 8
| Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভারতীয় সংবিধান |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘স্থানীয় সরকার’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ স্থানীয় সরকার হলো এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থাৎ গ্রাম বা শহর স্তরের স্থানীয় সমস্যাগুলি এবং দৈনন্দিন বিষয়গুলি দেখাশোনা করে।
২। ১৮৮২ সালে ভারতের কোন ভাইসরয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বা স্থানীয় পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন?
উত্তরঃ ১৮৮২ সালে ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন এই স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।
৩। স্বাধীনতার পূর্বে ভারতের গ্রাম পঞ্চায়েত ব্যবস্থা নিয়ে মহাত্মা গান্ধীর মূল ভাবনা কী ছিল?
উত্তরঃ মহাত্মা গান্ধী বিশ্বাস করতেন যে ভারতের স্বাধীনতার অর্থ হতে হবে প্রতিটি গ্রামের আত্মনির্ভরশীলতা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ,যেখানে প্রতিটি গ্রাম একটি করে স্বাধীন প্রজান্ত্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
৪। সংবিধান সভায় ডঃ বি.আর.আম্বেদকর কেন গ্রামীণ স্তরে স্থানীয় সরকার গঠনের বিরোধিতা করেছিলেন?
উত্তরঃ ডঃ বি.আর.আম্বেদকর মনে করতেন যে ভারতীয় গ্রামীণ সমাজে তীব্র জাতিভেদ এবং সাম্প্রদায়িকতা বিদ্যমান থাকায় সেখানে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন দিলে তা নিচু তলার অনুন্নত মানুষের কোনো কল্যাণ সাধন করবে না।
৫। স্বাধীন ভারতে কত সালে গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য ‘সমাজ উন্নয়ন কর্মসূচি’ চালু করা হয়েছিল?
উত্তরঃ স্বাধীন ভারতে ১৯৫২ সালে গ্রামীণ এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সমাজ উন্নয়ন কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল।
৬। কত সালে পি. কে. থুঙ্গন কমিটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংস্থাগুলিকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সুপারিশ করেছিল?
উত্তরঃ ১৯৮৯ সালে গঠিত পি. কে. থুঙ্গন কমিটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংস্থা বা স্থানীয় সরকারগুলিকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রদানের সুপারিশ করেছিল।
৭। সংবিধানের ৭৩ ও ৭৪তম সংশোধনী বিল দুটি কত সালে ভারতীয় সংসদে পাস হয়েছিল এবং এগুলি কবে থেকে কার্যকর হয়?
উত্তরঃ সংশোধনী বিল দুটি ১৯৯২ সালে সংসদে পাস হয়েছিল এবং এগুলি ১৯৯৩ সালে কার্যকর করা হয়।
৮। সংবিধানের ৭৩তম সংশোধনী প্রধানত কোন এলাকার স্থানীয় সরকারের সাথে সম্পর্কিত?
উত্তরঃ সংবিধানের ৭৩তম সংশোধনী মূলত গ্রামীণ এলাকার স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অর্থাৎ পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত।
৯। সংবিধানের ৭৪তম সংশোধনী দ্বারা কোন এলাকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে?
উত্তরঃ সংবিধানের ৭৪তম সংশোধনী দ্বারা শহরাঞ্চলের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অর্থাৎ পৌরসভা বা নগর পালিকার শাসন ব্যবস্থার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।
১০। পঞ্চায়েতি রাজের ত্রি-স্তরীয কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তরে কোন প্রতিষ্ঠানটি অবস্থান করে?
উত্তরঃ ত্রি-স্তরীয পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত অবস্থান করে, যা সাধারণত একটি বা একাধিক গ্রামের মানুষের প্রত্যক্ষ ভোটে গঠিত হয়।
১১। সংবিধানের ৭৩তম সংশোধনী অনুযায়ী পঞ্চায়েতের তিনটি স্তরেই নারীদের জন্য কত অংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে?
উত্তরঃ সংবিধানের ৭৩তম সংশোধনী অনুযায়ী পঞ্চায়েতের সব স্তরেই নারীদের জন্য ন্যূনতম এক-তৃতীয়াংশ (১/৩ অংশ) আসন সংরক্ষিত রাখার বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা করা হয়েছে।
১২। সংবিধানের একাদশ তফসিলে পঞ্চায়েতের জন্য কয়টি বিষয় বা কার্যক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে?
উত্তরঃ সংবিধানের একাদশ তফসিলে পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার ক্ষমতা ও দায়িত্বের অধীনে মোট ২৯টি বিষয় বা কার্যক্ষেত্র তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
১৩। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কার দ্বারা নিযুক্ত হন এবং তাঁর মূল কাজ কী?
উত্তরঃ রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজ্যপাল দ্বারা নিযুক্ত হন এবং তাঁর প্রধান কাজ হলো রাজ্যের পঞ্চায়েত ও পৌরসভার নির্বাচনগুলি অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করা।
১৪। পৌরসভা গঠনের ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭৪তম সংশোধনী অনুযায়ী একটি নগর বা শহর এলাকার ন্যূনতম জনসংখ্যা কত হতে হবে?
উত্তরঃ ৭৪তম সংশোধনী অনুযায়ী একটি নগর বা শহরাঞ্চল হতে গেলে সেখানে ন্যূনতম জনসংখ্যা পাঁচ হাজার (৫,০০০) হতে হবে।
১৫। বর্তমানে ভারতে পঞ্চায়েত ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট কতজন নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছেন?
উত্তরঃ বর্তমানে ভারতে পঞ্চায়েত ও পৌরসভা মিলিয়ে সর্বমোট প্রায় ৩২ লক্ষেরও বেশি নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ১০ লক্ষ হলেন নারী প্রতিনিধি।
দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।
১। স্থানীয় সরকার বলতে কী বোঝায়? এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ স্থানীয় সরকার হলো জনগণের সবচেয়ে কাছের এবং তাঁদের নিজস্ব এলাকা বা অঞ্চলের প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা ও স্থানীয় প্রয়োজনগুলি দূর করতে এই ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।
এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
(i) জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ: সাধারণ মানুষ দূরবর্তী জাতীয় বা রাজ্য সরকারের তুলনায় স্থানীয় পঞ্চায়েত বা পৌরসভার কাজে খুব সহজে সরাসরি অংশ নিতে পারেন। এর ফলে গণতন্ত্র কেবল ভোটদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তৃণমূল স্তরেও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
(ii) স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান: স্থানীয় মানুষজন তাঁদের এলাকার রাস্তাঘাট, জল সরবরাহ, স্বাস্থ্য বা শিক্ষার সমস্যাগুলি সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তাই স্থানীয় সরকার থাকার ফলে এই সমস্ত সমস্যাগুলি খুব দ্রুত এবং কম খরচে সমাধান করা সম্ভব হয়।
(iii) নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি: স্থানীয় স্তরে রাজনৈতিক আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে গণতান্ত্রিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
(iv) উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি: সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি যেমন— সমাজকল্যাণ, পরিচ্ছন্নতা বা পানীয় জলের ব্যবস্থা করার কাজগুলি স্থানীয় সরকার অত্যন্ত সুচারুভাবে তদারকি করতে পারে।
২। ভারতের পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার বিবর্তন বা ঐতিহাসিক পটভূমি আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভারতের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার একটি সুদীর্ঘ এবং সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে,যা প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে আধুনিক সংবিধান সংশোধনীর মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে:
(i) প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় প্রেক্ষাপট: প্রাচীন ভারতে পঞ্চায়েত বা স্ব-শাসিত গ্রামীণ সংস্থাগুলি ‘সভা’ নামে সক্রিয় ছিল, যা গ্রামীণ বিবাদ ও শাসনকার্য পরিচালনা করত। তবে ব্রিটিশদের আগমনে এই ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় ব্যবস্থাগুলির গুরুত্ব অনেকটাই হ্রাস পায়।
(ii) লর্ড রিপনের অবদান (১৮৮২): ব্রিটিশ আমলে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভাইসরয় লর্ড রিপন। তিনি ১৮৮২ সালে জেলা ও গ্রামীণ স্তরে ‘লোকাল বোর্ড’ বা স্থানীয় পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নেন।
(iii) মহাত্মা গান্ধীর চিন্তাধারা: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় মহাত্মা গান্ধী ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে তীব্র সওয়াল করেছিলেন। তিনি মনে করতেন প্রতিটি গ্রামকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে ‘গ্রাম স্বরাজ’ গড়ে তুলতে হবে।
(iv) স্বাধীনোত্তর প্রচেষ্টা ও থুঙ্গন কমিটি: স্বাধীনতার পর সংবিধানে স্থানীয় সরকারের বিষয়টি রাজ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৫২ সালে ‘সমাজ উন্নয়ন কর্মসূচি’ গ্রহণের মাধ্যমে গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসনের বিকাশ ঘটানোর চেষ্টা করা হয়।
৩। সংবিধানের ৭৩তম সংশোধনীর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ সংবিধানের ৭৩তম সংশোধনীর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
(i) ত্রি-স্তরীয় কাঠামো: এই সংশোধনী অনুযায়ী ভারতের সব রাজ্যে একই ধরনের ত্রি-স্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত, মধ্যবর্তী স্তরে ব্লক বা তালুক পর্যায়ে মণ্ডল পঞ্চায়েত এবং সর্বোচ্চ স্তরে জেলা পর্যায়ে জেলা পঞ্চায়েত।
(ii) গ্রাম সভা: পঞ্চায়েত এলাকার সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারদের নিয়ে গঠিত হয় ‘গ্রাম সভা’। গ্রামীণ স্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং উন্নয়নের পরিকল্পনায় গ্রাম সভার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
(iii) প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও কার্যকাল: পঞ্চায়েতের সব স্তরের প্রতিনিধিরা জনগণের দ্বারা সরাসরি পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন। কোনো পঞ্চায়েত নির্ধারিত মেয়াদের আগে ভেঙে দেওয়া হলে, ভেঙে যাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা বাধ্যতামূলক।
(iv) রাজ্য নির্বাচন ও অর্থ কমিশন: নির্বাচনগুলি অবাধ করার জন্য একটি স্বাধীন রাজ্য নির্বাচন কমিশন গঠন এবং পঞ্চায়েতগুলির আর্থিক সংস্থান পর্যালোচনার জন্য প্রতি পাঁচ বছর অন্তর রাজ্য অর্থ কমিশন গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৪। শহরাঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন বা পৌরসভার ক্ষেত্রে ৭৪তম সংশোধনীর মূল দিকগুলি ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ শহরাঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন বা পৌরসভার ক্ষেত্রে ৭৪তম সংশোধনীর মূল দিকগুলি ব্যাখ্যা করা হলো:
(i) নগর বা শহর এলাকার সংজ্ঞা: এই সংশোধনীতে শহরাঞ্চল চিহ্নিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়ম করা হয়েছে। কোনো এলাকা শহর হতে গেলে সেখানে ন্যূনতম ৫,০০০ জনসংখ্যা থাকতে হবে, কর্মরত পুরুষদের অন্তত ৭৫ শতাংশ অকৃষি কাজের সাথে যুক্ত থাকতে হবে এবং প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব হতে হবে অন্তত ৪০০ জন।
(ii) পৌরসভার গঠন ও প্রয়োগ: গ্রামীণ এলাকার ৭৩তম সংশোধনীর প্রায় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান (যেমন— প্রত্যক্ষ নির্বাচন, আসন সংরক্ষণ,রাজ্য নির্বাচন ও অর্থ কমিশনের ভূমিকা ইত্যাদি) শহরাঞ্চলের পৌরসভার ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
(iii) সংবিধানের দ্বাদশ তফশিল: ৭৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের দ্বাদশ তফশিল যুক্ত করা হয়, যেখানে শহরাঞ্চলের স্থানীয় প্রশাসনের কাজের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও ক্ষমতা চিহ্নিত করা হয়েছে।
(iv) শহুরে জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্ব: ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে ভারতের প্রায় ২৮% মানুষ শহরাঞ্চলে বাস করেন। বর্তমানে দেশে ১০০টিরও বেশি পুর নিগম, ১৪০০টিরও বেশি পৌরসভা এবং নগর সমিতি কাজ করছে।
৫। স্বাধীন ভারতে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রধান সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ স্বাধীন ভারতে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রধান সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জগুলি আলোচনা করা হলো:
(i) আর্থিক স্বনির্ভরতার অভাব: স্থানীয় সরকারগুলির অন্যতম প্রধান দুর্বলতা হলো তাদের নিজস্ব রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। তারা ভারতের মোট কর রাজস্বের মাত্র ০.২৪% সংগ্রহ করতে পারে, অথচ তাদের মোট সরকারি ব্যয়ের প্রায় ৪% বহন করতে হয়। এর ফলে তাদের অনুদান ও ঋণের জন্য সর্বদা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর নির্ভর করতে হয়।
(ii) রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাব: অনেক রাজ্য সরকারই তাদের ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক উৎসগুলি সম্পূর্ণভাবে পঞ্চায়েত বা পৌরসভার হাতে ছেড়ে দিতে চায় না,যার ফলে স্থানীয় সরকারগুলি কেবল কাগজে-কলমে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে থেকে যাচ্ছে।
(iii) প্রতীকী প্রতিনিধিত্ব: অনগ্রসর শ্রেণী ও নারীদের জন্য আসন সংরক্ষিত থাকলেও গ্রামীণ ভারতে এখনো পুরুষতান্ত্রিক প্রভাব এবং প্রভাবশালী সামাজিক গোষ্ঠীর দাপট দেখা যায়। অনেক সময় নারী প্রতিনিধিরা প্রধান পদে থাকলেও বাস্তবে তাঁদের স্বামী বা পরিবারের পুরুষ সদস্যরাই শাসন পরিচালনা করেন,যদিও এই প্রবণতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে।
(iv) সীমিত ক্ষমতা প্রয়োগ: স্থানীয় সরকারগুলি আইনগতভাবে ২৯টি বিষয়ের দায়িত্ব পেলেও প্রকৃতপক্ষে তারা খুবই সীমিত ক্ষমতার মধ্যে কাজ পরিচালনা করতে পারছে,যা তাদের কার্যকর কর্মক্ষমতা হ্রাস করছে।


