Class 11 Political Science Important Chapter 9 জীবন্ত দলিলরূপে সংবিধান

Class 11 Political Science Important Chapter 9 জীবন্ত দলিলরূপে সংবিধান Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 9 জীবন্ত দলিলরূপে সংবিধান Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.

Class 11 Political Science Important Chapter 9 জীবন্ত দলিলরূপে সংবিধান

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 9

Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভাতীয় সংবিধান
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। কেন ভারতীয় সংবিধানকে একটি ‘জীবন্ত দলিল’ বলা হয়?

উত্তরঃ সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এবং সমাজের পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংবিধানকে সংশোধন ও ব্যাখ্যা করা সম্ভব বলেই একে ‘জীবন্ত দলিল’ বলা হয়।

২। ভারতীয় সংবিধানের মূল কাঠামো কী? 

উত্তরঃ সংবিধানের এমন কিছু মৌলিক বৈশিষ্ট্য যা সংসদ চাইলেও পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারে না,তাকে মূল কাঠামো বলে।

৩। কেশবানন্দ ভারতী মামলা কত সালে হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৯৭৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট এই ঐতিহাসিক মামলার রায় দিয়েছিল।

৪। সংবিধানের কত নম্বর ধারায় সংশোধনী পদ্ধতির উল্লেখ আছে?

উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানের ৩৬৮ নম্বর ধারায় সংশোধনী পদ্ধতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

৫। ‘বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা’ বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ সংসদে উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ এবং মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেকের বেশি সমর্থনকে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বলে।

৬। সংবিধানে কি কেবল সংসদই পরিবর্তন আনতে পারে? 

উত্তরঃ সংসদ আইনগতভাবে সংশোধন করতে পারে, তবে বিচার বিভাগ তার ব্যাখ্যার মাধ্যমে সংবিধানের বিকাশে সাহায্য করে।

৭। ভারতীয় সংবিধান কি অনমনীয়। 

উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধান পুরোপুরি অনমনীয় নয়; এটি নমনীয়তা ও অনমনীয়তার একটি সুষম মিশ্রণ।

৮। বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষমতা কার হাতে থাকে? 

উত্তরঃ সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের হাতে এই ক্ষমতা থাকে যাতে তারা কোনো আইন অসাংবিধানিক হলে তা বাতিল করতে পারে।

৯। সম্পত্তির অধিকারকে কোন সংশোধনীর মাধ্যমে মৌলিক অধিকার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে? 

উত্তরঃ ১৯৭৮ সালের ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এটি বাদ দেওয়া হয়েছে।

১০। সংবিধানের নমনীয়তা কেন প্রয়োজন? 

উত্তরঃ যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা যায়।

১১। বিচার বিভাগ কীভাবে সংবিধানকে রক্ষা করে? 

উত্তরঃ সংবিধানের ব্যাখ্যাকর্তা এবং অভিভাবক হিসেবে বিচার বিভাগ মৌলিক অধিকার ও সাংবিধানিক বিধান রক্ষা করে।

১২। সংবিধান সংশোধনের কয়টি পদ্ধতি আছে? 

উত্তরঃ সংশোধনের মূলত তিনটি পদ্ধতি রয়েছে— সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা, বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে অর্ধেক রাজ্যের সমর্থন।

১৩। ৪২তম সংশোধনীকে অনেক সময় কী বলা হয়? 

উত্তরঃ ৪২তম সংশোধনীকে অনেক সময় ‘ক্ষুদ্র সংবিধান’ বলা হয়।

১৪। সংসদ কি মৌলিক অধিকার সংকোচন করতে পারে? 

উত্তরঃ কেশবানন্দ ভারতী মামলার রায় অনুযায়ী, সংসদ মূল কাঠামো পরিবর্তন না করে মৌলিক অধিকার সংশোধন করতে পারে।

১৫। সংবিধান প্রণেতারা কেন সংবিধানকে জীবন্ত রাখতে চেয়েছিলেন? 

উত্তরঃ যাতে সংবিধান একটি স্থির নথিতে পরিণত না হয়ে সমাজের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।

দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।

১। ভারতীয় সংবিধানকে কেন একটি ‘জীবন্ত দলিল’ হিসেবে গণ্য করা হয়? আলোচনা করো। 

উত্তর: ভারতীয় সংবিধান কোনো অপরিবর্তনীয় পাথর নয়। সমাজ, রাজনীতি এবং অর্থনীতির পরিবর্তনের সাথে সাথে সংবিধানও নিজেকে মানিয়ে নেয়। 

প্রথমত, ৩৬৮ নম্বর ধারার মাধ্যমে সংসদ প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করতে পারে।

দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন সময়ে সংবিধানের বিভিন্ন ধারার নতুন নতুন ব্যাখ্যা দিয়ে এর ব্যাপ্তি বাড়িয়েছে। 

তৃতীয়ত, সংবিধান প্রণেতারা ইচ্ছা করেই কিছু বিষয় নমনীয় রেখেছেন যাতে ভবিষ্যতে তা জনস্বার্থে পরিবর্তন করা যায়। এই নমনীয়তা এবং বিচার বিভাগীয় সক্রিয়তার কারণেই এটি আজও প্রাসঙ্গিক এবং জীবন্ত রয়েছে।

২। সংবিধানের সংশোধনী পদ্ধতিগুলো সংক্ষেপে বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানের ৩৬৮ নম্বর ধারায় তিনটি সংশোধনী পদ্ধতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। 

(ক) সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ভারতের সীমানা পরিবর্তন বা নতুন রাজ্য গঠনের মতো কিছু বিষয় সাধারণ সংসদীয় পদ্ধতিতেই পরিবর্তন করা যায়। 

(খ) বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা: মৌলিক অধিকার বা নির্দেশমূলক নীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হয়। 

(গ) বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও রাজ্যের সমর্থন: যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর সাথে যুক্ত কোনো বিষয় পরিবর্তন করতে হলে সংসদের বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পাশাপাশি অন্তত অর্ধেক রাজ্য বিধানমণ্ডলীর সম্মতির প্রয়োজন হয়।

৩। সংবিধানের ‘মূল কাঠামো’ তত্ত্বে বিচার বিভাগের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ সংবিধানের ‘মূল কাঠামো’ তত্ত্বে বিচার বিভাগের ভূমিকাআলোচনা করা হলো:   

(i) তত্ত্বের উদ্ভব ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ভারতীয় সংবিধানের ইতিহাসে ১৯৭৩ সালের কেশবানন্দ ভারতী মামলা একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। এই মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে ঘোষণা করে যে, সংবিধানের একটি ‘মূল কাঠামো’ আছে এবং সংসদসহ কেউই তা লঙ্ঘন বা পরিবর্তন করতে পারবে না। 

(ii) সংসদের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ: সংবিধানের ৩৬৮ নং ধারা অনুযায়ী সংসদের সংবিধান সংশোধন করার ক্ষমতা থাকলেও বিচার বিভাগ স্পষ্ট করে দেয় যে, এই ক্ষমতা অসীম নয়। বিচার বিভাগের মতে, সংসদ সংবিধানের এমন কোনো পরিবর্তন করতে পারবে না যা সংবিধানের মূল দর্শন বা কাঠামোর ভিত্তি নষ্ট করে দেয়।

(iii) সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে ভূমিকা: বিচার বিভাগ সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে কাজ করে। ‘মূল কাঠামো’ কী কী বিষয় নিয়ে গঠিত হবে, তার কোনো নির্দিষ্ট তালিকা সংবিধানে নেই। 

(iv) আইনি সমীক্ষা বা জুডিশিয়াল রিভিউ: মূল কাঠামো তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই বিচার বিভাগ তার ‘আইনি সমীক্ষা’ ক্ষমতা প্রয়োগ করে। সংসদ যদি এমন কোনো আইন প্রণয়ন করে যা সংবিধানের মূল কাঠামোর পরিপন্থী, তবে সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট সেই আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করে দিতে পারে। 

৪। সংবিধানের ব্যাখ্যায় বিচার বিভাগের গুরুত্ব আলোচনা করো। 

উত্তরঃ সংবিধানের ব্যাখ্যায় বিচার বিভাগের গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

(i) সংবিধানের অভিভাবক ও চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকর্তা: ভারতীয় শাসনব্যবস্থায় বিচার বিভাগ বা ন্যায়পালিকা সংবিধানের অভিভাবক এবং চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে কাজ করে। সংবিধান প্রণেতারা অনেক ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত বা জটিল ভাষা ব্যবহার করেছেন, যার সঠিক অর্থ এবং প্রকৃত উদ্দেশ্য বিচার বিভাগই বিভিন্ন মামলার প্রেক্ষিতে পরিষ্কার করে তোলে।

(ii) মৌলিক অধিকারের পরিধি বিস্তার: বিচার বিভাগ তার সৃজনশীল ব্যাখ্যার মাধ্যমে সংবিধানকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ বা ‘জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার’। সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে এই অধিকারটির পরিধি কেবল ‘জীবিত থাকা’র মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি।

(iii) আইনি সমীক্ষা ও সংবিধান রক্ষা: সংবিধানের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বিভাগের হাতে ‘আইনি সমীক্ষা’ বা জুডিশিয়াল রিভিউ-র ক্ষমতা রয়েছে। এর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট পরীক্ষা করে দেখে যে, সংসদ বা বিধানমণ্ডলী প্রণীত কোনো আইন সংবিধানের কোনো বিধান বা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার খর্ব করছে কি না। 

(iv) ‘মূল কাঠামো’ তত্ত্বের বিবর্তন: সংবিধানের ব্যাখ্যায় বিচার বিভাগের সবচেয়ে যুগান্তকারী অবদান হলো ১৯৭৩ সালের কেশবানন্দ ভারতী মামলার রায়। এই রায়ের মাধ্যমে বিচার বিভাগ ঘোষণা করে যে, সংসদের সংবিধান সংশোধন করার ক্ষমতা থাকলেও তারা সংবিধানের ‘মূল কাঠামো’ বা মৌলিক দর্শন পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারবে না। 

(v) বিচার বিভাগীয় সক্রিয়তা ও ‘জীবন্ত দলিল’ হিসেবে সংবিধান: সাম্প্রতিককালে ‘বিচার বিভাগীয় সক্রিয়তা’ এবং ‘জনস্বার্থ মামলা’-র মাধ্যমে বিচার বিভাগ সংবিধানকে সাধারণ ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষার হাতিয়ারে পরিণত করেছে। 

৫।  সংবিধান প্রণেতাদের প্রজ্ঞা কীভাবে সংবিধানকে একটি শক্তিশালী দলিলে পরিণত করেছে? 

উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধান প্রণেতাদের দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞা কীভাবে এই সংবিধানকে একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী দলিলে পরিণত করেছে, তার বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া হলো:

(i) নমনীয়তা ও অনমনীয়তার সুষম ভারসাম্য: সংবিধান প্রণেতারা জানতেন যে সমাজ সর্বদা পরিবর্তনশীল। তাই তাঁরা সংবিধানকে একটি অনড় পাথরের মতো তৈরি না করে ‘জীবন্ত দলিল’ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। 

(ii) ক্ষমতার সুষম বিভাজন ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো: সংবিধানের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রণেতারা প্রতিষ্ঠানের ভারসাম্যমূলক নকশা তৈরি করেছিলেন। তাঁরা ক্ষমতাকে কেবল একটি অঙ্গের হাতে সীমাবদ্ধ না রেখে শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে এমনভাবে ভাগ করেছেন যাতে কোনো বিভাগই স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে। 

(iii) সুবিবেচনার নীতি ও জাতীয় ঐকমত্য: ভারতীয় সংবিধান কেবল কয়েকজনের ইচ্ছার প্রতিফলন নয়, বরং এটি ছিল দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ও যুক্তিতর্কের ফসল। গণপরিষদের সদস্যরা নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সমগ্র জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন।

(iv) বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা ও ভারতীয় প্রেক্ষাপটে অভিযোজন: সংবিধান প্রণেতারা অন্যান্য দেশের সংবিধান থেকে শিক্ষা নিতে দ্বিধা করেননি। তাঁরা ব্রিটিশ, আমেরিকান, ফরাসি, আইরিশ এবং কানাডিয়ান সংবিধানের শ্রেষ্ঠ বৈশিষ্ট্যগুলো সংগ্রহ করেছিলেন এবং সেগুলোকে ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলেছিলেন। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top