Class 11 Political Science Important Chapter 6 বিচার বিভাগ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 6 বিচার বিভাগ Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.
Class 11 Political Science Important Chapter 6 বিচার বিভাগ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
বিচার বিভাগ
Chapter: 6
| Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভারতীয় সংবিধান |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রধান দায়িত্ব কী?
উত্তরঃ স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রধান দায়িত্ব হল আইনের শাসন সংরক্ষণ করা এবং আইনের সর্বোচ্চতা নিশ্চিত করা।
২। ভারতীয় শাসন ব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অর্থ কী?
উত্তরঃ বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অর্থ হল সরকারের অন্যান্য অঙ্গ যেমন কার্যনির্বাহী ও আইনসভার হস্তক্ষেপ ছাড়া আদালতের নিরপেক্ষভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করা।
৩। বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন্ বিষয়গুলিকে কোনো স্থান দেওয়া হয়নি?
উত্তরঃ বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনা,দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক মতামতকে কোনো স্থান দেওয়া হয়নি।
৪। বিচার বিভাগকে আর্থিক দিক থেকে কীভাবে আইনসভার নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা হয়েছে?
উত্তরঃ বিচারপতিদের বেতন ও অন্যান্য ভাতা আইনসভার অনুমোদন বা ভোটের ওপর নির্ভরশীল নয়।
৫। সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের প্রক্রিয়া কেমন?
উত্তরঃ বিচারপতিদের অপসারণের প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন ও জটিল।
৬। বিচারপতিদের অপসারণের জন্য সংসদের কেমন সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমর্থন প্রয়োজন?
উত্তরঃ বিচারপতিদের অপসারণের জন্য সংসদের উভয় সদনে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমর্থন প্রয়োজন।
৭। সুপ্রিম কোর্টের কোন বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রথম অপসারণের প্রস্তাব আনা হয়েছিল?
উত্তরঃ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ভি.রামস্বামীর বিরুদ্ধে প্রথম অপসারণের প্রস্তাব আনা হয়েছিল।
৮। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের এক্তিয়ার বা ক্ষমতা প্রধানত কয়টি ভাগে বিভক্ত?
উত্তরঃ ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের এক্তিয়ার বা ক্ষমতা প্রধানত চারটি ভাগে বিভক্ত,যথা: মৌলিক, আপিল,পরামর্শমূলক এবং লেখ জারি করার ক্ষমতা।
৯। সুপ্রিম কোর্টের ‘মৌলিক এক্তিয়ার’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ মৌলিক এক্তিয়ার বলতে বোঝায় যে সুপ্রিম কোর্ট কিছু কিছু মামলার সরাসরি শুনানির ও মীমাংসার দায়িত্ব পায়, যা অন্য কোনো নিম্ন আদালতে করা যায় না।
১০। সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ আদেশ বা ‘লেখ’ জারি করতে পারে?
উত্তরঃ সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের অধিকার রক্ষার্থে বিশেষ আদেশ বা ‘লেখ’ জারি করতে পারে।
১১। সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় কী কী ধরনের লেখ জারি করতে পারে?
উত্তরঃ সুপ্রিম কোর্ট বন্দি প্রত্যক্ষীকরণ,পরমাদেশ,নিষেধাজ্ঞা,কৈফিয়ত তলব ইত্যাদি আদেশ বা লেখ জারি করতে পারে।
১২। সুপ্রিম কোর্টের ‘পরামর্শদান এক্তিয়ার’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ পরামর্শদান এক্তিয়ার বলতে বোঝায় যে রাষ্ট্রপতি জনস্বার্থ সম্পর্কিত কোনো আইন বা বিষয় সুপ্রিম কোর্টের কাছে পাঠালে সুপ্রিম কোর্ট সেই বিষয়ে পরামর্শ দেয়।
১৩। সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া পরামর্শ বা রায় গ্রহণ করা কি রাষ্ট্রপতির জন্য বাধ্যতামূলক?
উত্তরঃ সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া পরামর্শ মেনে চলতে রাষ্ট্রপতি বাধ্য নন।
১৪। ‘জনস্বার্থ সম্পর্কিত মামলা’ বা PIL বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ যখন কোনো দরিদ্র বা অধিকারবঞ্চিত মানুষের হয়ে অন্য কোনো ব্যক্তি বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আদালতে মামলা দায়ের করে, তাকেই জনস্বার্থ মামলা বলে।
১৫। সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট নিজের দেওয়া কোনো পূর্ববর্তী রায় পুনর্বিবেচনা করতে পারে?
উত্তরঃ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট নিজের দেওয়া কোনো পূর্ববর্তী রায় বা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়? ভারতীয় সংবিধানে এই স্বাধীনতা কীভাবে সুরক্ষিত বা নিশ্চিত করা হয়েছে?
উত্তরঃ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে বোঝায় যে সরকারের অন্য দুটি অঙ্গ (আইনসভা ও শাসন বিভাগ) বিচার বিভাগের কাজে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টি করবে না। এর ফলে বিচারপতিগণ কোনো ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই নিরপেক্ষভাবে ন্যায় প্রদান করতে পারেন।
সুরক্ষার উপায়সমূহ ভারতীয় সংবিধানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলি গ্রহণ করা হয়েছে:
(i) নিয়োগ প্রক্রিয়া: বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় রাজনীতি, রাজনৈতিক আনুগত্য বা ব্যক্তিগত মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কেবল অভিজ্ঞ আইনবিদ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদেরই নিয়োগ করা হয়।
(ii) কার্যকালের নিরাপত্তা: বিচারপতিদের এক নির্দিষ্ট কার্যকাল থাকে। অবসরের বয়স পর্যন্ত তাঁরা পদে বহাল থাকেন এবং অত্যন্ত জটিল অভিশংসন বা অপসারণ পদ্ধতি ছাড়া তাঁদের পদ থেকে সরানো যায় না।
(iii) আর্থিক স্বাধীনতা: বিচারপতিদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আইনসভার অনুমোদন বা ভোটের ওপর নির্ভরশীল নয়, যা তাঁদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
(iv) সমালোচনা থেকে সুরক্ষা: বিচারপতিদের আচরণ বা তাঁদের দেওয়া রায় নিয়ে সংসদের বা আইনসভার অভ্যন্তরে কোনো আলোচনা করা যায় না।
২। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান এক্তিয়ার বা ক্ষমতাগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ সংবিধান অনুযায়ী এর এক্তিয়ার ও ক্ষমতাকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়:
(i) মৌলিক বা আদি এক্তিয়ার: কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে কোনো বিবাদ অথবা একাধিক রাজ্যের পারস্পরিক বিবাদের সরাসরি নিষ্পত্তি সুপ্রিম কোর্ট করে থাকে। এই মামলাগুলি অন্য কোনো নিম্ন আদালতে করা যায় না।
(ii) লেখ জারি করার ক্ষমতা: নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বন্দি প্রত্যক্ষীকরণ,পরমাদেশ,নিষেধাজ্ঞা, কৈফিয়ত তলব ইত্যাদি লেখ বা আদেশ জারি করতে পারে।
(iii) আপিল এক্তিয়ার: সুপ্রিম কোর্ট হল দেশের সর্বোচ্চ আপিল আদালত। সাংবিধানিক, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা যায়।
(iv) পরামর্শদান এক্তিয়ার: সংবিধানের ১৪৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো আইন বা জনস্বার্থের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে পরামর্শ চাইলে সুপ্রিম কোর্ট তা দিতে পারে। তবে রাষ্ট্রপতি সেই পরামর্শ মানতে বাধ্য নন।
(v) বিশেষ ক্ষমতা: সুপ্রিম কোর্ট ভারতের যেকোনো আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার বিশেষ অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
৩। প্জনস্বার্থ মামলা বলতে কী বোঝায়? ভারতীয় বিচার ব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় সক্রিয়তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব আলোচনা করো।
উত্তরঃ জনস্বার্থ মামলা প্রথাগত নিয়মে কেবল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারতেন। কিন্তু ১৯৭৯-১৯৮০ সালের পর সুপ্রিম কোর্ট এই নিয়ম শিথিল করে। এখন যেকোনো সমাজসেবী ব্যক্তি বা সংস্থা দরিদ্র, অধিকারবঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষায় বা পরিবেশের মতো জনস্বার্থ রক্ষায় সরাসরি আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে।
ইতিবাচক প্রভাব:
(i) মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ, বন্দিদের অধিকার রক্ষা, নারী নিরাপত্তা বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে আদালত সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারকে কঠোরভাবে সুরক্ষিত করছে।
(ii) এটি বিচার ব্যবস্থাকে অনেক বেশি গণতান্ত্রিক ও সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নিয়ে গেছে।
(iii) বন্দি ও দুর্বল শ্রেণীর অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে এবং পরিবেশ দূষণ রোধ ও সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে আদালত কার্যকর ভূমিকা নিতে পেরেছে।
(iv) ভোটারদের তথ্যের অধিকার এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছে।
নেতিবাচক প্রভাব:
(i) শাসনতান্ত্রিক জটিলতা সরকারের প্রতিটি অঙ্গ যদি অপরের অধিকারক্ষেত্রকে শ্রদ্ধা না করে এবং একটি অঙ্গ অন্য অঙ্গের কাজে অতি-সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়ে,তবে শাসন ব্যবস্থায় জটিলতা ও অচল অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।
(ii) আদালতের কাজের বোঝা অত্যধিক বাড়িয়ে দিয়েছে,যার ফলে বহু মামলার নিষ্পত্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
(iii) এটি অনেক সময় শাসন বিভাগ ও আইনসভার কাজে হস্তক্ষেপ সৃষ্টি করে,যা সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের পারস্পরিক ভারসাম্য বা ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতিকে ব্যাহত করে।
৪। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘কলেজিয়াম ব্যবস্থা’ এবং বিচারপতিদের অপসারণের জটিল পদ্ধতিটি সংক্ষেপে বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ কলেজিয়াম ব্যবস্থা: ১৯৮২ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং চারজন প্রবীণতম বিচারপতির একটি প্যানেল বা ‘কলেজিয়াম’ গঠিত হয়। এই কলেজিয়ামই সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতি নিয়োগ ও বদলির বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করে,যা কার্যনির্বাহী বিভাগের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ রোধ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখে।
বিচারপতিদের অপসারণ পদ্ধতি: সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া।
(i) সংবিধানে কেবল ‘প্রমাণিত অসদাচরণ’ এবং ‘অক্ষমতা’-র ভিত্তিতেই অপসারণের কথা বলা হয়েছে।
(ii) অপসারণের প্রস্তাবটি সংসদের উভয় কক্ষে আলাদাভাবে উত্থাপিত ও পাস হতে হয়।
(iii) এই প্রস্তাবটি পাসের জন্য প্রতিটি সদনের মোট সদস্য সংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমর্থন প্রয়োজন।
(iv) এই কঠিন পদ্ধতির কারণে আজ পর্যন্ত ভারতের কোনো বিচারপতিকে সংসদ দ্বারা সফলভাবে অপসারিত করা যায়নি।
৫। আইনসভা এবং বিচার বিভাগের মধ্যে দ্বন্দ্বের মূল ক্ষেত্রগুলি কী কী? ‘কেশবানন্দ ভারতী’ মামলাটি কীভাবে এই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটায়?
উত্তরঃ দ্বন্দ্বের মূল ক্ষেত্রগুলি মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল:
(ক) সম্পত্তির অধিকার ও ভূমি সংস্কার: স্বাধীনতার পর ভারতের সরকার গ্রামীণ গরিব ও ভূমিহীন কৃষকদের সাহায্য করার জন্য বড়লোকদের অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ করে তা বণ্টন করার জন্য ‘ভূমি সংস্কার আইন’ তৈরি করতে চেয়েছিল।
(খ) সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতার পরিধি: আদালতের রায়ে বাধা পেয়ে সংসদ সংবিধান সংশোধন করার উদ্যোগ নেয়,যাতে সম্পত্তির অধিকারকে সংকুচিত করা যায়। কিন্তু বিচার বিভাগ আবার ঘোষণা করে যে, সংসদ সংবিধান সংশোধন করার ক্ষমতা পেলেও সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে বা সংকুচিত করতে পারে না।
(গ) নির্দেশাত্মক নীতি বনাম মৌলিক অধিকার: সরকার যখন সংবিধানের ‘নির্দেশাত্মক নীতি’ (কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার নির্দেশ) বাস্তবায়ন করতে আইন বানাত, তখন প্রায়ই তা নাগরিকদের ‘মৌলিক অধিকার’-এর সাথে সংঘর্ষে জড়াত।
‘কেশবানন্দ ভারতী’ মামলাটি এই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটায়:
(i) ১৯৭৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের ১৩ জন বিচারপতির একটি ঐতিহাসিক বেঞ্চ ‘কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরল রাজ্য’ মামলায় এক যুগান্তকারী রায় দেয়। এই রায়ের মাধ্যমে আদালত এমন একটি চমৎকার মধ্যপন্থা বের করে, যা আইনসভা ও বিচার বিভাগ উভয়ের ক্ষমতা ও সম্মান রক্ষা করে।
(ii) আদালত এখানে একটি নতুন ধারণার জন্ম দেয়, যাকে বলা হয় সংবিধানের ‘মূল কাঠামো’ বা ‘বুনিয়াদি কাঠামো’।
এই রায়ের প্রধান সিদ্ধান্তগুলি ছিল:
সংসদ সব সংশোধন করতে পারে: সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করে নেয় যে, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদের সংবিধানের যেকোনো অংশ (এমনকি মৌলিক অধিকারও) সংশোধন বা পরিবর্তন করার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে।


