Class 11 Political Science Important Chapter 5 আইনসভা বা বিধানমণ্ডলী

Class 11 Political Science Important Chapter 5 আইনসভা বা বিধানমণ্ডলী Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 5 আইনসভা বা বিধানমণ্ডলী Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.

Class 11 Political Science Important Chapter 5 আইনসভা বা বিধানমণ্ডলী

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভাৰতীয় সংবিধান
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘সংসদ’ বা পার্লামেন্ট শব্দটির দ্বারা কী বোঝায়? 

উত্তরঃ ‘সংসদ’ শব্দটির দ্বারা ভারতের কেন্দ্রীয় আইনসভা বা বিধানমণ্ডলীকে বোঝায়।

২। ভারতের সংসদের দুটি সদন বা কক্ষের নাম কী কী? 

উত্তরঃ ভারতের সংসদের দুটি সদন হল উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা এবং নিম্নকক্ষ লোকসভা।

৩। রাজ্যসভা কার প্রতিনিধিত্ব করে? 

উত্তরঃ রাজ্যসভা মূলত ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব করে।

৪। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট বিধানসভা সম্পন্ন ভারতের কয়েকটি রাজ্যের নাম লেখো। 

উত্তরঃ ভারতের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট বিধানসভা সম্পন্ন রাজ্যগুলি হল বিহার, জম্মু-কাশ্মীর,কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ।

৫। লোকসভার সাধারণ মেয়াদ বা কার্যকাল সর্বোচ্চ কত বছর? 

উত্তরঃ লোকসভার সাধারণ মেয়াদ বা কার্যকাল হল সর্বোচ্চ পাঁচ বছর।

৬। রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ কত বছর? 

উত্তরঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ হল ছয় বছর।

৭। রাজ্যসভাকে কেন সংসদের ‘স্থায়ী সদন’ বলা হয়? 

উত্তরঃ রাজ্যসভা কখনো সম্পূর্ণভাবে ভঙ্গ হয় না এবং প্রতি দুই বছর অন্তর এর এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের কার্যকাল শেষ হয় বলে একে স্থায়ী সদন বলা হয়।

৮। ভারতের লোকসভার বর্তমান নির্বাচিত আসন সংখ্যা বা নির্বাচনী কেন্দ্রের সংখ্যা কত? 

উত্তরঃ বর্তমানে লোকসভার মোট নির্বাচিত আসন সংখ্যা হল ৫৪৩টি।

৯। রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভায় কতজন সদস্যকে মনোনীত করতে পারেন? 

উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি সাহিত্য,সমাজসেবা,বিজ্ঞান,ক্রীড়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে পারদর্শী ব্যক্তিদের মধ্য থেকে ১২ জন সদস্যকে রাজ্যসভায় মনোনীত করতে পারেন।

১০। লোকসভার সদস্যদের কীভাবে নির্বাচন করা হয়? 

উত্তরঃ লোকসভার সদস্যদের সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে দেশের জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচন করা হয়।

১১। অর্থবিল সংসদের কোন সদনে উত্থাপন করা যায় না? 

উত্তরঃ অর্থবিল সংসদের উচ্চকক্ষ অর্থাৎ রাজ্যসভায় উত্থাপন করা যায় না।

১২। রাজ্যসভা কোনো অর্থবিলকে সর্বোচ্চ কতদিন নিজের কাছে আটকে রাখতে পারে? 

উত্তরঃ রাজ্যসভা কোনো অর্থবিলকে অনুমোদন বা সুপারিশের জন্য সর্বোচ্চ ১৪ দিন পর্যন্ত আটকে রাখতে পারে।

১৩। ভারতের সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে দলত্যাগ বিরোধী আইন পাস হয়? 

উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে সংবিধানের ৫২তম সংশোধনীর মাধ্যমে ভারতে প্রথম দলত্যাগ বিরোধী আইন পাস হয়।

১৪। সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বের পর সদস্যরা যে সময়টিতে গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো বিষয় উত্থাপন করতে পারেন তাকে কী বলে? 

উত্তরঃ সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বের পর সদস্যরা যে সময়টিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করতে পারেন তাকে শূন্যকাল বলা হয়।

১৫। শাসন বিভাগ বা মন্ত্রীপরিষদ যৌথভাবে সংসদের কোন কক্ষের কাছে দায়বদ্ধ থাকে? 

উত্তরঃ শাসন বিভাগ বা মন্ত্রীপরিষদ যৌথভাবে সংসদের নিম্নকক্ষ অর্থাৎ লোকসভার কাছেই দায়বদ্ধ থাকে।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর। 

১। প্ভারতের সংসদের প্রধান কার্যাবলী বা ক্ষমতাগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ভারতের সংসদ বা কেন্দ্রীয় আইনসভার প্রধান ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করা হল:

(i) আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্য: সংসদ সমগ্র দেশের জন্য আইন প্রণয়ন করে। যদিও বিলের খসড়া সাধারণত বিভাগীয় মন্ত্রীর অধীনে আমলারাই প্রস্তুত করেন, কিন্তু তা আইনসভায় পাস হতে হয়।

(ii) শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ: আইনসভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল কার্যনির্বাহী বিভাগ বা শাসন বিভাগকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখা। বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে সংসদ মন্ত্রীদের কাজ পর্যালোচনা করে।

(iii) অর্থনৈতিক কার্য: দেশের বাজেট পেশ, কর সংগ্রহ এবং সরকারি ব্যয়ের উপর সংসদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। লোকসভার অনুমোদন ছাড়া সরকার কোনো নতুন কর আদায় বা অর্থ ব্যয় করতে পারে না।

(iv) বিতর্ক সভা হিসেবে কার্য: সংসদ হল দেশের সর্বোচ্চ বিতর্ক মঞ্চ। এখানে সদস্যরা কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই জনস্বার্থ ও জাতীয় সমস্যা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করতে পারেন।

(v) সংবিধান সংশোধন: সংবিধানের যেকোনো অংশ সংশোধন বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা সংসদের রয়েছে। এর জন্য উভয় সদনে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন হয়।

(vi) বিচার বিভাগীয় কাজ: রাষ্ট্রপতি, উপ-রাষ্ট্রপতি এবং সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের অভিশংসন বা অপসারণের প্রস্তাব বিবেচনা করা সংসদের বিচার বিভাগীয় কাজের অন্তর্গত।

২। লোকসভা ও রাজ্যসভার মধ্যে ক্ষমতার পার্থক্য বা তুলনা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ভারতের সংসদের দুটি সদন লোকসভা ও রাজ্যসভার মধ্যে ক্ষমতার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য লক্ষ করা যায়:

(i) সাধারণ বিল পাসের ক্ষেত্রে: সাধারণ বিল পাসের ক্ষেত্রে উভয় কক্ষের সমান ক্ষমতা থাকলেও,দুই কক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে যৌথ অধিবেশন ডাকা হয়। যৌথ অধিবেশনে লোকসভার সদস্য সংখ্যা বেশি হওয়ায় লোকসভার সিদ্ধান্তই সাধারণত জয়ী হয়।

(ii) অর্থবিল সংক্রান্ত ক্ষমতা: অর্থবিল কেবল লোকসভায় উত্থাপন করা যায়, রাজ্যসভায় নয়। রাজ্যসভা অর্থবিল বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না, কেবল ১৪ দিনের জন্য আটকে রেখে সুপারিশ পাঠাতে পারে। লোকসভা সেই সুপারিশ গ্রহণ করতেও পারে আবার নাও করতে পারে।

(iii) শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ: শাসন বিভাগ বা মন্ত্রীপরিষদ কেবলমাত্র লোকসভার কাছেই দায়বদ্ধ থাকে,রাজ্যসভার কাছে নয়। লোকসভা অনাস্থা প্রস্তাব পাস করে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে, কিন্তু রাজ্যসভার এই ক্ষমতা নেই।

(iv) বিশেষ ক্ষমতা: রাজ্যসভার কিছু বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে যা লোকসভার নেই, যেমন রাজ্যসভার সম্মতিতে সংসদ রাজ্য তালিকাভুক্ত কোনো বিষয়ে আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতা পায়।

৩। ভারতের মতো শাসনব্যবস্থায় দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার বা দুটি সদনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ ভারতের কেন্দ্রীয় আইনসভা বা সংসদে দুটি সদনের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। এর প্রধান কারণগুলি হল:

(i) বৈচিত্র্য ও ব্যাপক প্রতিনিধিত্ব: ভারতের মতো বিশাল আয়তন এবং বিপুল সামাজিক ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্যময় দেশে সমস্ত শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দুটি সদন থাকার ফলে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের কণ্ঠস্বর সংসদে পৌঁছাতে পারে।

(ii) চিন্তাশীল ও পুনর্বিবেচনার সুযোগ: যেকোনো বিল আইন সভায় পাস হতে গেলে তাকে দুটি সদনেই আলাদাভাবে পাস হতে হয়। এর ফলে কোনো একটি সদন যদি তাড়াহুড়ো করে কোনো ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, তবে অন্য সদনে তা বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ থাকে।

(iii) যুক্তরাষ্ট্রীয় ভারসাম্য রক্ষা: রাজ্যসভা ভারতের রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব করে। এর ফলে রাজ্যগুলির অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে এবং ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের ভারসাম্য বজায় থাকে।

(iv) জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা: লোকসভা যদি কোনো কারণে নির্দিষ্ট মেয়াদের আগে ভেঙে যায়, তবে রাজ্যসভা স্থায়ী সদন হওয়ায় জরুরি সময়ে রাজ্যসভার অধিবেশন ডেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।

৪। ভারতের সংসদ কোন কোন উপায়ে বা যন্ত্রের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী বা শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে? 

উত্তরঃ সংসদীয় গণতন্ত্রে কার্যনির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণের জন্য সংসদ প্রধানত চারটি উপায় অবলম্বন করে:

(i) পর্যালোচনা ও আলোচনা: সংসদের অধিবেশন চলাকালীন প্রতিদিনের শুরুতে ‘প্রশ্নোত্তর পর্ব’ থাকে,যেখানে সদস্যরা মন্ত্রীদের প্রশ্ন করে সরকারি কাজ ও ব্যর্থতা তুলে ধরেন। এছাড়াও রয়েছে ‘শূন্যকাল’ যেখানে অত্যন্ত জরুরি বিষয়ে আলোচনা হয়,এবং সভা মুলতুবি প্রস্তাবের মতো পদ্ধতি যার মাধ্যমে মন্ত্রীদের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

(ii) আইনের অনুমোদন বা নাকচ: যেকোনো খসড়া বিলকে আইনে পরিণত করতে গেলে সংসদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। সংসদ চাইলে কোনো বিলকে নাকচ করে দিতে পারে বা সংশোধনীর পরামর্শ দিয়ে সরকারি নীতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

(iii) আর্থিক নিয়ন্ত্রণ: সরকারের সমস্ত আর্থিক সংস্থান ও ব্যয়ের হিসাব বাজেটের মাধ্যমে সংসদের পেশ করতে হয়। সংসদের আর্থিক মঞ্জুরি ছাড়া সরকার এক পয়সাও খরচ করতে পারে না।

(iv) অনাস্থা প্রস্তাব: এটি সংসদের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক অস্ত্র। লোকসভায় যদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হয়, তবে প্রধানমন্ত্রীসহ সমগ্র মন্ত্রীপরিষদকে পদত্যাগ করতে হয়।

৫। দলত্যাগ বিরোধী আইন বলতে কী বোঝায়? এর প্রধান বিধানগুলি আলোচনা করো। 

উত্তরঃ কোনো রাজনৈতিক দলের টিকিটে নির্বাচিত সদস্য যদি স্বেচ্ছায় সেই দল ত্যাগ করেন অথবা সংসদে দলের হুইপ বা নির্দেশ অমান্য করে ভোট দেন বা ভোটদান থেকে বিরত থাকেন,তবে তাকে ‘দলত্যাগ’ বলা হয়।

এর প্রধান বিধানগুলি আলোচনা করা হল:

(i) আইন প্রণয়নের পটভূমি: ভারতের রাজনীতিতে অনৈতিক দলবদল রুখতে ১৯৮৫ সালে সংবিধানের ৫২তম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম দলত্যাগ বিরোধী আইন পাস করা হয়। পরবর্তীতে ৯১তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এই আইনকে আরও কঠোর করা হয়।

(ii) সদস্যপদ বাতিল ও অধ্যক্ষের ক্ষমতা: দলত্যাগের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদ বা বিধায়কের আইনসভার সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়। এই আইনানুযায়ী দলত্যাগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সর্বময় ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট কক্ষের অধ্যক্ষ বা স্পিকারের হাতে ন্যস্ত থাকে।

(iii) মন্ত্রীপদে অযোগ্যতা: দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় দলত্যাগী কোনো সদস্য পুনরায় নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রীত্ব বা অন্য কোনো লাভজনক সরকারি পদের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হন।

(iv) আইনের গুরুত্ব: এই আইন রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে অনৈতিক ভাঙন প্রতিরোধ করে এবং দলীয় শৃঙ্খলা ও নির্বাচিত সরকারের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top