Class 11 Political Science Important Chapter 4 কার্যনির্বাহী Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 4 কার্যনির্বাহী Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.
Class 11 Political Science Important Chapter 4 কার্যনির্বাহী
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
কার্যনির্বাহী
Chapter: 4
| Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভাৰতীয় সংবিধান |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘কার্যনির্বাহী’ বলতে মূলত কী বোঝায়?
উত্তরঃ কার্যনির্বাহী বলতে সরকারের সেই শাখাকে বোঝায় যা আইনসভা দ্বারা গৃহীত আইন ও নীতিগুলির বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক কাজকর্ম দেখাশোনার দায়িত্বে থাকে।
২। সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় সরকারের প্রধানকে সাধারণত কী বলা হয়?
উত্তরঃ সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় সরকারের প্রধানকে সাধারণত প্রধানমন্ত্রী বলা হয়।
৩। কোন শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান এবং একই সাথে সরকারেরও প্রধান হিসেবে কাজ করেন?
উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একই সাথে রাষ্ট্রের এবং সরকারের প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
৪। অর্ধ-রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থার দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ফ্রান্স এবং শ্রীলঙ্কা হলো অর্ধ-রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থার উদাহরণ।
৫। শ্রীলঙ্কায় কত সালে নির্বাহী রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল?
উত্তরঃ শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৮ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাহী রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।
৬। ভারতীয় সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও পদমর্যাদা সম্পর্কিত প্রধান ধারাটি কী?
উত্তরঃ সংবিধানের ৭৪(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে তাঁর কাজ পরিচালনায় সাহায্য ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রীপরিষদ থাকবে।
৭। ভারতের রাষ্ট্রপতি কত বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
উত্তরঃ ভারতের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের মেয়াদে পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
৮। ভারতের রাষ্ট্রপতিকে পদ থেকে অপসারণ করার প্রক্রিয়াটিকে কী বলা হয়?
উত্তরঃ ভারতের রাষ্ট্রপতিকে পদ থেকে অপসারণ করার প্রক্রিয়াটিকে মহা অভিযোগ বা ইমপিচমেন্ট বলা হয়।
৯। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তরঃ ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।
১০। ভারতের উপরাষ্ট্রপতির কার্যকালের মেয়াদ কত বছর?
উত্তরঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতির কার্যকালের মেয়াদ হলো পাঁচ বছর।
১১। উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকার বলে কোন সভার সভাপতি হিসেবে কাজ করেন?
উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকার বলে রাজ্যসভার সভাপতি হিসেবে কাজ করেন।
১২। মন্ত্রীপরিষদের সদস্য সংখ্যা লোকসভার মোট সদস্য সংখ্যার কত শতাংশের বেশি হতে পারবে না?
উত্তরঃ ৯১তম সংবিধান সংশোধনী আইন অনুযায়ী মন্ত্রীপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা লোকসভার মোট সদস্য সংখ্যার ১৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।
১৩। অসামরিক পরিষেবা বা আমলাতন্ত্রকে সাধারণত কী ধরনের কার্যনির্বাহী বলা হয়?
উত্তরঃ অসামরিক পরিষেবা বা আমলাতন্ত্রকে স্থায়ী কার্যনির্বাহী বলা হয়।
১৪। ভারতের দুটি সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিসের নাম লেখো।
উত্তরঃ দুটি সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিস হলো ভারতীয় প্রশাসনিক সেবা এবং ভারতীয় পুলিশ সেবা।
১৫। ‘পকেট ভেটো’বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ যখন রাষ্ট্রপতি কোনো বিলে সম্মতি বা প্রত্যাখ্যান না জানিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিলটি নিজের কাছে রেখে দেন, তখন তাকে পকেট ভেটো বলা হয়।
দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।
১। শাসন বিভাগের বিভিন্ন প্রকারভেদগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় কার্যনির্বাহী বা শাসন বিভাগকে মূলত তাদের নেতৃত্বের কাঠামোর ভিত্তিতে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:
(i) সংসদীয় ব্যবস্থা: এই ব্যবস্থায় সাধারণত দেশের রাষ্ট্রপতি বা রাজা/রানি নামমাত্র বা আনুষ্ঠানিক প্রধান হন এবং প্রধানমন্ত্রী হন প্রকৃত সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রী আইনসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হন এবং তিনি আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকেন।
উদাহরণ: ভারত, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ইতালি।
(ii) রাষ্ট্রপতি-শাসিত ব্যবস্থা : এখানে রাষ্ট্রপতি একই সাথে রাষ্ট্রের প্রধান এবং সরকার প্রধান হিসেবে কাজ করেন। তিনি জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন এবং আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ নন।
উদাহরণ: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল।
(iii) অর্ধ-রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা: এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একই দলের অথবা ভিন্ন দলের হতে পারেন, তবে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রীপরিষদ আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকে।
উদাহরণ: ফ্রান্স ও শ্রীলঙ্কা।
২। ভারতের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও পদমর্যাদা আলোচনা করো। তিনি কি কেবলই একজন নামসর্বস্ব প্রধান?
উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রধান করা হয়েছে এবং প্রকৃত শাসন ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীপরিষদের ওপর:
(i) সাংবিধানিক অবস্থান: সংবিধানের ৭৪(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রীপরিষদের পরামর্শ মেনে চলতে বাধ্য। তবে ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর পর রাষ্ট্রপতি চাইলে সেই পরামর্শ একবারের জন্য পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন, কিন্তু পুনর্বিবেচিত পরামর্শ তিনি মানতে বাধ্য থাকেন।
(ii) পণ্ডিত নেহরুর দৃষ্টিভঙ্গি: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা সম্পর্কে বলেছিলেন যে, আমরা তাঁকে কোনো প্রকৃত ক্ষমতা দিইনি,কিন্তু আমরা তাঁর অবস্থানকে অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন ও কর্তৃত্বসম্পন্ন করেছি।
(iii) মূল্যায়ন: রাষ্ট্রপতি কেবল একটি ‘রাবার স্ট্যাম্প’ বা নামসর্বস্ব প্রধান নন। তিনি দেশের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক এবং দেশের রাজনৈতিক সংকটের মুহূর্তে (যেমন কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে) তাঁর সাংবিধানিক অভিভাবকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
৩। ভারতের রাষ্ট্রপতির তিনটি বিশেষ বিবেচনাধীন ক্ষমতা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ সাধারণত রাষ্ট্রপতি মন্ত্রীপরিষদের পরামর্শে কাজ করলেও সংবিধান অনুসারে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে তিনি নিজস্ব বিবেচনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন:
(i) পরামর্শ পুনর্বিবেচনা করা: মন্ত্রীপরিষদ কর্তৃক গৃহীত যেকোনো সিদ্ধান্ত বা পরামর্শকে রাষ্ট্রপতি পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন। এর মাধ্যমে তিনি মন্ত্রীপরিষদকে তাদের সিদ্ধান্তের ত্রুটি সংশোধন করার সুযোগ দেন।
(ii) ভেটো ক্ষমতা: সংসদে পাস হওয়া কোনো বিল আইনে পরিণত করার জন্য রাষ্ট্রপতির সম্মতির প্রয়োজন হয়। রাষ্ট্রপতি চাইলে বিলে সম্মতি না দিয়ে বা তা পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠাতে পারেন। সংবিধানে বিলে সম্মতি দেওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় তিনি অনির্দিষ্টকাল বিলটি নিজের কাছে আটকে রাখতে পারেন,যাকে ‘পকেট ভেটো’ বলা হয়।
(iii) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে সিদ্ধান্ত: সাধারণ নির্বাচনে লোকসভায় কোনো দল বা জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন তা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নিজস্ব বিবেচনাধীন ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এমতাবস্থায় তিনি এমন একজন নেতাকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান যিনি লোকসভায় আস্থা প্রমাণ করতে পারবেন।
৪। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা,কার্যাবলি এবং মন্ত্রীপরিষদে তাঁর ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও ভূমিকা:
(i) সরকারের প্রকৃত প্রধান ও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু: ভারতের শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক বা নামমাত্র প্রধান,কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারের প্রকৃত প্রধান।
সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে যেসব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে,বাস্তবে মন্ত্রীপরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীই সেইসব ক্ষমতা প্রয়োগ বা ব্যবহার করে থাকেন।
(ii) মন্ত্রীপরিষদ গঠন ও নিয়ন্ত্রণ: মন্ত্রীদের পছন্দ করা: প্রধানমন্ত্রী নিজে সিদ্ধান্ত নেন যে তাঁর মন্ত্রীপরিষদে কে কে থাকবেন এবং তিনি মন্ত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন দপ্তর (যেমন: স্বরাষ্ট্র,অর্থ,প্রতিরক্ষা ইত্যাদি) বণ্টন করেন।
যোগ্যতার শর্ত: প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীপরিষদের যেকোনো সদস্যকে অবশ্যই সংসদের (লোকসভা বা রাজ্যসভার) সদস্য হতে হবেসংসদের সদস্য না হয়েও কেউ যদি মন্ত্রী হন,তবে তাঁকে ৬ মাসের মধ্যে সংসদের কোনো কক্ষে নির্বাচিত হতে হবে।
(iii) রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মধ্যে প্রধান যোগসূত্র: সরকারের মূল খুঁটি: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু প্রধানমন্ত্রী পদটিকে ‘সরকারের মূল খুঁটি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতিকে অবগত করা: মন্ত্রীপরিষদের সমস্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং আইন প্রণয়নের প্রস্তাবগুলি রাষ্ট্রপতিকে জানানো প্রধানমন্ত্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব।
৫। স্থায়ী কার্যনির্বাহী হিসেবে ভারতীয় আমলাতন্ত্রের গুরুত্ব ও এর শ্রেণীবিভাগ আলোচনা করো।
উত্তরঃ স্থায়ী কার্যনির্বাহী হিসেবে ভারতীয় আমলাতন্ত্রের গুরুত্ব ও এর শ্রেণীবিভাগ:
অসামরিক বা ভারতীয় আমলাতন্ত্রের গুরুত্ব:
(i) নীতি ও সিদ্ধান্ত রূপায়ণ: দেশের রাজনৈতিক কার্যনির্বাহী বা মন্ত্রীরা মূলত নীতি নির্ধারণ করেন, কিন্তু সেই নীতিগুলিকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত স্থায়ী সরকারি কর্মচারীদের মাধ্যমে বাস্তব ক্ষেত্রে রূপায়িত করা হয়।
(ii) প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ও যোগসূত্র রক্ষা: গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকারের পরিবর্তন ঘটে এবং নির্বাচনে এক রাজনৈতিক দলের পরিবর্তে নতুন অন্য দল ক্ষমতায় আসতে পারে। কিন্তু সরকারের এই পরিবর্তনের মধ্যেও আমলাতন্ত্র স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করে দেশের শাসন ব্যবস্থার মূল ধারাবাহিকতা বজায় রাখে এবং যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে কাজ করে।
(iii) রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা: সংসদীয় গণতন্ত্রে আমলাতন্ত্রের নিকট থেকে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা আশা করা হয়। এর অর্থ হলো কোনো দলের শাসন বা আদর্শের প্রতি পক্ষপাতহীন থেকে আমলারা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে সরকারের সিদ্ধান্তসমূহ দেশের কল্যাণে প্রয়োগ করবেন।
উচ্চপদস্থ অসামরিক কর্মী পরিষেবার শ্রেণীবিভাগ:
(ক) সর্বভারতীয় পরিষেবা: এই সেবার কর্মকর্তাদের পরীক্ষা ও নিয়োগের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরিচালনা করে।
এই কর্মকর্তাদের মূলত নির্দিষ্ট কোনো রাজ্যের অধীনে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত বা ডেপুটেশনে পাঠানো হয়।
(খ) কেন্দ্রীয় পরিষেবা: এই পরিষেবার কর্মকর্তারা সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে সরাসরি কাজ করেন এবং দেশের স্বার্থে নিয়োজিত থাকেন।
এর প্রধান উদাহরণসমূহ হলো— আইএফএস বা ভারতীয় বিদেশ পরিষেবা এবং আইআরএস বা ভারতীয় রাজস্ব পরিষেবা।
(গ) রাজ্য পরিষেবা: এই কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট রাজ্যের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনের অধীনে থেকে শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
এই কর্মকর্তাদের বাছাই ও নিয়োগের কাজটি সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্টেট পাবলিক সার্ভিস কমিশন।


