Class 11 Political Science Important Chapter 3 নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্ব Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 3 নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্ব Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.
Class 11 Political Science Important Chapter 3 নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্ব
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্ব
Chapter: 3
| Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভাৰতীয় সংবিধান |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্ব’ অধ্যায়টি আপনার দেওয়া পিডিএফ-এর কত নম্বর অধ্যায়?
উত্তরঃ এই অধ্যায়টি আপনার দেওয়া পিডিএফ-এর তৃতীয় অধ্যায়।
২। ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস দল ৫৪৩টি আসনের মধ্যে কতটি আসনে জয়ী হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস দল ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ৪১৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল।
৩। FPTP-এর পূর্ণ রূপ কী?
উত্তরঃ FPTP-এর পূর্ণ রূপ হলো ‘First Past the Post system.
৪। ভারতে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
উত্তরঃ ভারতে এই সাধারণ নির্বাচনগুলির ক্ষেত্রে FPTP বা সর্বাধিক ভোট প্রাপকের জয় পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
৫। সর্বাধিক ভোট প্রাপকের জয় (FPTP) পদ্ধতিকে অন্য কী নামে ডাকা হয়?
উত্তরঃ এই পদ্ধতিটিকে বহুত্ববাদী পদ্ধতিও বলা হয়।
৬। PR-এর পূর্ণ রূপ কী?
উত্তরঃ PR-এর পূর্ণ রূপ হলো ‘Proportional Representation.
৭। সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি ব্যবহার করে এমন দুটি দেশের নাম লেখো।
উত্তরঃ সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি ব্যবহার করে এমন দুটি দেশ হলো ইজরায়েল এবং নেদারল্যান্ডস।
৮। ভারতীয় লোকসভায় তফসিলি জাতি (SC) ও তফসিলি জনজাতির (ST) জন্য কতটি আসন সংরক্ষিত রয়েছে?
উত্তরঃ লোকসভায় ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ৭৯টি আসন তফসিলি জাতি এবং ৪১টি আসন তফসিলি জনজাতির জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।
৯। ভারতের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির সীমানা নির্ধারণের দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত থাকে?
উত্তরঃ ভারতের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির সীমানা নির্ধারণের দায়িত্ব সীমানির্দেশ কমিশন -এর ওপর ন্যস্ত থাকে।
১০। ভারতের নির্বাচন কমিশন কত সালে প্রথম বহু সদস্যবিশিষ্ট করা হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৮৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের ঠিক আগে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে প্রথম বহু সদস্যবিশিষ্ট করা হয়েছিল।
১১। কত বছর বয়সে একজন ভারতীয় নাগরিক ভোট দেওয়ার অধিকার লাভ করেন?
উত্তরঃ ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হলে একজন ভারতীয় নাগরিক ভোট দেওয়ার অধিকার লাভ করেন।
১২। ভারতীয় সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ (১) নম্বর অনুচ্ছেদে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে।
১৩। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে কে নিযুক্ত করেন?
উত্তরঃ ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিযুক্ত করেন।
১৪। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের কার্যকালের মেয়াদ কত বছর?
উত্তরঃ তাদের কার্যকালের মেয়াদ ৬ বছর অথবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত, যেটি আগে সম্পন্ন হবে।
১৫। ইজরায়েলের আইনসভাকে কী নামে ডাকা হয়?
উত্তরঃ ইজরায়েলের আইনসভাকে ‘নেসেট’ বলা হয়।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। সর্বাধিক ভোট প্রাপকের জয় এবং সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির মধ্যে মূল পার্থক্যগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ সর্বাধিক ভোট প্রাপকের জয় এবং সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির মধ্যে মূল পার্থক্যগুলি:
| সর্বাধিক ভোট প্রাপকের জয় পদ্ধতি | সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি |
| সমগ্র দেশকে ছোট ছোট ভৌগোলিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়, যাকে নির্বাচনী কেন্দ্র বলা হয়। | সমগ্র দেশ বা একটি বৃহৎ ভৌগোলিক অঞ্চল একটিমাত্র নির্বাচনী কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। |
| প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে কেবল একজন প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। | একটি একক নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে একাধিক প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে পারেন। |
| ভোটাররা সরাসরি একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দেন। | ভোটাররা নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীকে নয়, বরং রাজনৈতিক দলকে vote বা ভোট দিয়ে থাকেন। |
| বিজয়ী দল প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হারের চেয়ে বেশি আসন লাভ করতে পারে। | প্রতিটি দল আইনসভায় তাদের প্রাপ্ত ভোটের শতকরা অনুপাত অনুযায়ী হুবহু আসন লাভ করে। |
২। ভারতীয় সংবিধানে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাখার জন্য কী কী গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন,নিরপেক্ষ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য নিম্নলিখিত বিশেষ ব্যবস্থাগুলি গ্রহণ করা হয়েছে:
(i) সাংবিধানিক স্বীকৃতি: সংবিধানের ৩২৪ (১) নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে, যাতে কোনো সরকারি বা দলীয় হস্তক্ষেপ না থাকে।
(ii) চাকরির শর্তাবলি ও পদের নিরাপত্তা: প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া ছাড়া পদচ্যুত করা যায় না। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে যে পদ্ধতিতে অপসারণ করা হয়,ঠিক একইভাবে সংসদের উভয় কক্ষে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে কেবল রাষ্ট্রপতিই তাঁকে অপসারণ করতে পারেন।
(iii) বেতনের নিরাপত্তা: নিয়োগের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের চাকরির শর্তাবলি বা সুযোগ-সুবিধা তাঁর স্বার্থের পরিপন্থী করে পরিবর্তন করা যায় না।
(iv) অন্যান্য কমিশনারদের সুরক্ষা: অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার বা আঞ্চলিক কমিশনারদের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সুপারিশ ছাড়া কোনোভাবেই পদ থেকে সরানো যায় না।
৩। ভারতীয় নির্বাচনী ব্যবস্থায় নির্বাচন কেন্দ্র সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং এর পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ ভারতীয় সমাজে পিছিয়ে পড়া এবং শোষিত সামাজিক গোষ্ঠীগুলির ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কেন্দ্র সংরক্ষণের ব্যবস্থাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল:
(i) প্রয়োজনীয়তা: সাধারণ FPTP পদ্ধতিতে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জনসংখ্যা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলে তারা নির্বাচনে সহজে জয়ী হতে পারে না। ফলে আইনসভায় তাদের কণ্ঠস্বর পৌঁছায় না। এই সামাজিক বৈষম্য দূর করতে ব্রিটিশ আমলের ক্ষতিকারক ‘পৃথক নির্বাচনমণ্ডলী’-র বিকল্প হিসেবে স্বাধীন ভারতে ‘সংরক্ষিত নির্বাচন কেন্দ্র’ প্রথা চালু করা হয়।
(ii) পদ্ধতি ও আসন সংখ্যা: সংরক্ষিত কেন্দ্রে সব ভোটারই ভোট দিতে পারেন,তবে কেবল নির্দিষ্ট সংরক্ষিত শ্রেণীর (SC বা ST) প্রার্থীরাই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। বর্তমানে লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ৭৯টি তফসিলি জাতি (SC) এবং ৪১টি তফসিলি জনজাতির (ST) জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।
(iii) সীমানা নির্ধারণের ভূমিকা: ‘সীমানির্দেশ কমিশন’ প্রতিবার সীমানা নির্ধারণের সময় প্রতিটি রাজ্যে তফসিলি উপজাতির জনসংখ্যা যেসব এলাকায় বেশি, সেগুলি তাদের জন্য সংরক্ষিত করে। তফসিলি জাতির ক্ষেত্রে জনসংখ্যার অনুপাত দেখার পাশাপাশি আসনগুলি রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে আবর্তিত করে বণ্টন করা হয়।
৪। ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান প্রধান দায়িত্ব ও কার্যাবলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে সংবিধানে ব্যাপক ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর প্রধান কার্যাবলি হলো:
(i) ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধন: নির্বাচন কমিশন দেশের ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও নিয়মিত হালনাগাদ করার কাজটি তত্ত্বাবধান করে, যাতে কোনো যোগ্য ভোটারের নাম বাদ না পড়ে এবং কোনো ভুয়ো নাম ভোটার তালিকায় না থাকে।
(ii) নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ: নির্বাচনের সম্পূর্ণ সময়সূচি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া কখন শুরু ও শেষ হবে তা নির্ধারণ করা কমিশনের অন্যতম কাজ। এর মধ্যে রয়েছে মনোনয়নপত্র জমা,যাচাই, প্রত্যাহারের তারিখ এবং ভোটের দিন নির্ধারণ।
(ii) সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা: সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়া যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিত করতে কমিশন প্রয়োজনবোধে যেকোনো ভোটকেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের আদেশ দিতে পারে অথবা সহিংসতা ঘটলে নির্বাচন বাতিলও করতে পারে।
(iii) আচরণবিধি প্রণয়ন ও প্রয়োগ: রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের জন্য আদর্শ আচরণবিধি ঘোষণা করা এবং তা কঠোরভাবে বলবৎ করা কমিশনের প্রধান দায়িত্ব।
(iv) দলীয় স্বীকৃতি ও প্রতীক বণ্টন: রাজনৈতিক দলগুলিকে জাতীয় বা আঞ্চলিক দল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ করার কাজ কমিশনই করে থাকে।
৫। ভারতীয় নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কী কী নির্বাচনী সংস্কারের প্রস্তাব করা হয়েছে?
উত্তরঃ ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন সময় নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল এবং বিশেষজ্ঞদের দ্বারা বেশ কিছু নির্বাচনী সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে,যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
(i) নির্বাচনী পদ্ধতির পরিবর্তন: প্রচলিত FPTP পদ্ধতির পরিবর্তে সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতির কোনো উপযুক্ত রূপ গ্রহণ করা উচিত,যাতে প্রতিটি রাজনৈতিক দল তাদের প্রাপ্ত ভোটের সঠিক অনুপাতে আসন পেতে পারে।
(ii) নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি: আইনসভায় নারীদের প্রতিনিধিত্ব অত্যন্ত কম হওয়ায় লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
(iii) অর্থের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ: নির্বাচনে কালো টাকা ও অর্থের অন্যায় প্রভাব রোধ করতে সরকার কর্তৃক একটি বিশেষ তহবিল বা পুঁজি গঠন করে নির্বাচনী ব্যয়ের একাংশ সরকারি তহবিল থেকে সরাসরি প্রদান করার সুপারিশ করা হয়েছে।
(iv) অপরাধীদের অংশগ্রহণ বন্ধ: ফৌজদারি বা গুরুতর অপরাধমূলক মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত রাখার কঠোর আইন থাকা উচিত।
(v) প্রচারণায় জাতি ও ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ: নির্বাচনী প্রচারের সময় জাতি,ধর্ম বা সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার মতো যেকোনো চেষ্টা পুরোপুরি বন্ধ করা দরকার।


