Class 11 Political Science Important Chapter 2 ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক অধিকারসমূহ

Class 11 Political Science Important Chapter 2 ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক অধিকারসমূহ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 2 ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক অধিকারসমূহ Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.

Class 11 Political Science Important Chapter 2 ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক অধিকারসমূহ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 2

Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভাৰতীয় সংবিধান
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ভারতীয় সংবিধানের কোন অধ্যায়ে মৌলিক অধিকারগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?

উত্তরঃ সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়ে মৌলিক অধিকারগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২। ‘বিল অব রাইটস’ বা অধিকারের বিধেয়ক বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ সংবিধানের দ্বারা সুরক্ষিত ও উল্লেখিত অধিকারের তালিকাকে ‘বিল অব রাইটস’ বা অধিকারের বিধেয়ক বলা হয়।

৩। ১৯২৮ সালে কোন কমিটি অধিকারের বিধেয়ক বা বিল দাবি করেছিল?

উত্তরঃ ১৯২৮ সালে মতিলাল নেহরু সমিতি অধিকারের বিধেয়ক বা বিল দাবি করেছিল।

৪। ভারতীয় সংবিধানে কয়টি প্রধান মৌলিক অধিকারের শ্রেণী রয়েছে?

উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানে ছয়টি প্রধান মৌলিক অধিকারের শ্রেণী রয়েছে।

৫। সাম্যের অধিকারের অধীনে কোন অসামাজিক প্রথার অবসান ঘটানো হয়েছে?

উত্তরঃ সাম্যের অধিকারের অধীনে অস্পৃশ্যতার অবসান বা বর্জন ঘটানো হয়েছে।

৬। সংবিধানের ১৬ (৪) অনুচ্ছেদে কীসের ব্যবস্থা করা হয়েছে?

উত্তরঃ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র প্রয়োজনে অনুন্নত বা অনগ্রসর শ্রেণীর নাগরিকদের জন্য নিয়োগ বা আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে এবং এতে কোনোভাবে বাধা দেওয়া যায় না।

৭। বন্দি প্রত্যক্ষীকরণ রিট আবেদনের অর্থ কী?

উত্তরঃ এর অর্থ হচ্ছে বন্দিকে আদালতে সশরীরে হাজির করানো।

৮। পরমাদেশ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ পরমাদেশ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ‘আমরা আদেশ দিচ্ছি’।

৯। কত সালে ভারতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়?

উত্তরঃ ২০০০ সালে সরকার ভারতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করেছে।

১০। ভারতের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান কে হন?

উত্তরঃ সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান হন।

১১। ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারের লক্ষ্য কী?

উত্তরঃ ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারের লক্ষ্য হলো প্রত্যেকে যাতে নিজের পছন্দ অনুযায়ী ধর্ম পালন করতে পারে এবং ধর্মীয় বিষয়ে স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করা।

১২। কত বছর বয়সের নিচের শিশুদের বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ করা সংবিধানে নিষিদ্ধ?

উত্তরঃ ১৪ বছর বয়সের নিচের ছেলেমেয়েদের খনি ও কলকারখানার মতো বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ করা সংবিধান নিষিদ্ধ করেছে।

১৩। কোন অধিকারকে ড. আম্বেদকর সংবিধানের ‘হৃদপিণ্ড ও আত্মা’ বলে অভিহিত করেছেন?

উত্তরঃ সাংবিধানিক প্রতিবিধানের অধিকারকে ড. আম্বেদকর সংবিধানের ‘হৃদপিণ্ড ও আত্মা’ বলে অভিহিত করেছেন।

১৪। ১৯৭৬ সালের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে মৌলিক कर्तव्य (মৌলিক কর্তব্য) অন্তর্ভুক্ত করা হয়?

উত্তরঃ ১৯৭৬ সালে সংবিধানের ৪২তম সংশোধনীর মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক কর্তব্যের একটি তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১৫। কোন মৌলিক অধিকারটি ১৯৭৮ সালে মৌলিক অধিকারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়?

উত্তরঃ সম্পত্তির অধিকারটি ১৯৭৮ সালে সংবিধানের ৪৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে মৌলিক অধিকারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একে সাধারণ আইনি অধিকারে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ভারতীয় সংবিধানে প্রদত্ত ‘সাম্যের অধিকার’ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়ে নাগরিকদের জন্য যে মৌলিক অধিকারগুলি ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে সাম্যের অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের প্রস্তাবনায় সামাজিক পদমর্যাদা ও সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে,এই অধিকারের মাধ্যমে তা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করা হয়েছে। 

সাম্যের অধিকারের অধীনে সংবিধানে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি নিশ্চিত করা হয়েছে:

(i) আইনের দৃষ্টিতে সমতা ও সমান সুরক্ষা: দেশের প্রতিটি নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং প্রত্যেকেই আইনের সমান সুরক্ষা লাভ করবে। কোনো নাগরিকেরই আইনের ঊর্ধ্বে বিশেষ কোনো মর্যাদা থাকবে না।

(ii) বৈষম্যহীনতা বা বৈষম্য দূরীকরণ: রাষ্ট্র জাতি, ধর্ম,বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে কোনো নাগরিকের প্রতি কোনো প্রকার বৈষম্য প্রদর্শন করতে পারবে না।

(iii) সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার: এই অধিকারের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে দোকান, হোটেল, আমোদ-প্রমোদের স্থান, কুয়ো, স্নানাগার ও পূজাস্থল বা উপাসনালয় ইত্যাদিতে দেশের সকল নাগরিকের সমান প্রবেশাধিকার থাকবে। 

(iv) কর্মসংস্থান বা নিয়োগের ক্ষেত্রে সুযোগের সমতা: সরকারি চাকরি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে দেশের সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। তবে অনুচ্ছেদ ১৬ (৪) অনুযায়ী অনগ্রসর বা অনুন্নত শ্রেণীর নাগরিকদের জন্য রাষ্ট্র যদি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে, তবে তাকে সমতার অধিকার খর্ব করা বলে গণ্য করা হবে না। 

২। ‘স্বাধীনতার অধিকার’ এর অধীনে নাগরিকদের কী কী অধিকার ও স্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছে?

উত্তরঃ জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সুরক্ষা স্বাধীনতার অধিকারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মৌলিক অংশ হলো জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার।

(i) আইনগত সুরক্ষা: সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে আইন নির্ধারিত পদ্ধতি ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকেই তাঁর জীবন বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

(ii) অধিকারের পরিধি বিস্তার: ভারতের বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন রায়ের মাধ্যমে এই অধিকারের পরিধি অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট করেছে যে ‘জীবনের অধিকার’ মানে কেবল কোনোমতে বেঁচে থাকা নয়; বরং এর মধ্যে শোষণমুক্ত মানবিক মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার, নিরাপদ বাসস্থান এবং সম্মানজনক জীবিকা অর্জনের অধিকারও নিহিত রয়েছে।

৩। ‘সাংবিধানিক প্রতিবিধানের অধিকার’ বলতে কী বোঝায়? সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট এই অধিকার রক্ষার্থে কী কী রিট জারি করতে পারে?

উত্তরঃ সংবিধানে মৌলিক অধিকারের তালিকা লেখাই শুধু যথেষ্ট নয়,সেগুলি যাতে বাস্তবে প্রতিফলিত করা যায় এবং যেকোনো ধরণের আক্রমণ থেকে অধিকারগুলিকে সুরক্ষিত রাখা যায়, তার জন্য একটি শক্তিশালী উপায় বা পথ থাকা প্রয়োজন। সংবিধানে অধিকার সুরক্ষার সেই বিশেষ ব্যবস্থাকেই সাংবিধানিক প্রতিবিধানের অধিকার বলা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট ভারতের বিচার বিভাগ অধিকার রক্ষার্থে ৫টি বিশেষ রিট জারি করতে পারে:

(i) বন্দি প্রত্যক্ষীকরণ: এই রিট আবেদনের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে বন্দিকে আদালতে সশরীরে হাজির করানো। আদালত যদি মনে করে যে কোনো আবেদনকারী বা ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে আটক করে রাখা হয়েছে,তবে আদালত আটক ব্যক্তিকে সশরীরে আদালতে উপস্থিত করার নির্দেশ দেয় এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে।

(ii) পরমাদেশ: ‘পরমাদেশ’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ‘আমরা আদেশ দিচ্ছি’। যখন আদালত দেখে যে কোনো নির্দিষ্ট সরকারি পদাধিকারী বা সংস্থা তাদের নির্ধারিত আইনি দায়িত্ব বা কর্তব্য পালন করছেন না,যার কারণে কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে,তখন আদালত এই রিট জারি করে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে তাদের আইনি কর্তব্য পালনের নির্দেশ দেয়।

(iii) নিষেধাজ্ঞা: এই আদেশটি মূলত ঊর্ধ্বতন আদালত (যেমন সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট) তার অধীনস্থ কোনো নিম্ন আদালতের উদ্দেশ্যে জারি করে থাকে। নিম্ন আদালত যখন নিজের আইনি এক্তিয়ার বা বিচারিক সীমার বাইরে গিয়ে কোনো ঘটনার বিচার বা কাজ করতে যায়,তখন ঊর্ধ্বতন আদালত এই আদেশের মাধ্যমে নিম্ন আদালতকে সেই কাজ থেকে বিরত রাখে।

(iv) অধিকার পৃচ্ছা: ‘অধিকার পৃচ্ছা’ শব্দের অর্থ হলো ‘কোন অধিকারে’। যদি আদালত দেখতে পায় যে কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে বা প্রয়োজনীয় আইনি যোগ্যতা ছাড়াই কোনো একটি সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হয়ে বসে আছেন,তখন আদালত এই আদেশের মাধ্যমে তাঁর সেই পদে বসার অধিকার জানতে চায় এবং তাঁকে ওই পদাধিকারী হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে।

(v) উৎপ্রেষণ: উৎপ্রেষণ শব্দটির বিশেষ অর্থ হলো ‘জ্ঞাত হওয়া’। এই আদেশের অধীনে সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট কোনো নিম্ন আদালতে বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে বিচারাধীন থাকা কোনো মামলাকে পর্যালোচনার জন্য নিজের অধীনে বা কোনো উচ্চ আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়ে থাকে।

৪। ‘রাষ্ট্রের নির্দেশমূলক নীতি’ বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ স্বাধীন ভারতের নাগরিকদের জন্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধান প্রণেতারা সংবিধানে কিছু নীতি-নির্দেশিকা তালিকাভুক্ত করেছেন, যেগুলিকে ‘রাষ্ট্রের নির্দেশমূলক নীতি’ বলা হয়। এর লক্ষ্য হলো জনগণের কল্যাণ সাধন এবং কুটির শিল্পের বিকাশ ও পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো। 

৫। নিবর্তনমূলক আটক ব্যবস্থা কী? এটি কীভাবে ব্যক্তির স্বাধীনতার অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে?

উত্তরঃ সাধারণত কোনো ব্যক্তি বেআইনি বা অপরাধমূলক কাজ করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু নিবর্তনমূলক আটক ব্যবস্থার অধীনে,কোনো ব্যক্তি অপরাধ করার আগেই, কেবল সন্দেহের বা অনুমানের ভিত্তিতে যে তিনি ভবিষ্যতে শান্তি-শৃঙ্খলা বা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারেন,তাকে গ্রেপ্তার করে আটকে রাখা যায়। 

এটি ব্যক্তির স্বাধীনতার অধিকারকে নিম্নলিখিতভাবে প্রভাবিত করতে পারে:

(i) নিবর্তনমূলক আটক ব্যবস্থার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে বিচার ছাড়াই প্রাথমিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত আটকে রাখা যায়।

(ii) তিন মাস পর এই আটকের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য একটি উপদেষ্টা বোর্ডের সামনে মামলাটি উপস্থাপন করতে হয়।

(iii) অনেকের মতে,এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করে সরকার অনেক সময় অন্যায়ভাবে জনগণের প্রতিবাদ বা স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে, যা ব্যক্তির মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার পরিপন্থী।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top