Class 11 Political Science Important Chapter 1 সংবিধানঃ কেন এবং কিভাবে? Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 1 সংবিধানঃ কেন এবং কিভাবে? Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.
Class 11 Political Science Important Chapter 1 সংবিধানঃ কেন এবং কিভাবে?
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
সংবিধানঃ কেন এবং কিভাবে?
Chapter: 1
| Part – 1: কাৰ্য্যক্ষেত্ৰে ভাৰতীয় সংবিধান |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। সংবিধানের প্রথম কাজ কী?
উত্তরঃ সংবিধানের প্রথম কাজ হচ্ছে সমাজে সকলের মধ্যে ন্যূনতম সহযোগিতা ও সমন্বয় বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু মৌলিক নিয়মকানুন সরবরাহ করা।
২। ভারতীয় গণপরিষদ বা সংবিধান সভার প্রথম অধিবেশন কবে বসেছিল?
উত্তরঃ ১৯৪৬ সালের ৯ই ডিসেম্বর তারিখে ভারতীয় গণপরিষদ বা সংবিধান সভার প্রথম অধিবেশন বসেছিল।
৩। ভারতীয় গণপরিষদের প্রথম সভাপতি হিসেবে কাকে ঘোষণা করা হয়েছিল?
উত্তরঃ ড. রাজেন্দ্র প্রসাদকে গণপরিষদের প্রথম সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
৪। গণপরিষদের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
উত্তরঃ গণপরিষদের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ড.বি আর আম্বেদকর।
৫। ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাব অনুসারে কতজন জনসংখ্যা পিছু গণপরিষদে একটি আসন বরাদ্দ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাব অনুসারে প্রতি ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) জনসংখ্যা পিছু একটি করে আসন বরাদ্দ করা হয়েছিল।
৬। ভারত ভাগের পর ১৯৪৭ সালের ২৬শে নভেম্বর তারিখে কতজন সদস্য উপস্থিত থেকে সংবিধানে স্বাক্ষর করেছিলেন?
উত্তরঃ ভারত ভাগের পর ১৯৪৭ সালের ২৬শে নভেম্বর তারিখে ২৮৪ জন সদস্য উপস্থিত থেকে ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত রূপটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
৭। ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাব অনুসারে ব্রিটিশ শাসিত প্রদেশগুলি থেকে কতজন প্রতিনিধি গণপরিষদে নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল?
উত্তরঃ ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাব অনুসারে ব্রিটিশ শাসিত প্রদেশগুলি থেকে ২৯২ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল।
৮। সংবিধানে সরকারের ক্ষমতার উপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করার প্রয়োজনীয়তা কী?
উত্তরঃ সংবিধানে সরকারের ক্ষমতার উপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করার প্রধান প্রয়োজনীয়তা হলো যাতে সরকার কখনো নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলি লঙ্ঘন করতে না পারে।
৯। ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক অধিকারের তালিকাটি কোন দেশের সংবিধান থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক অধিকারের তালিকা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ধারণাটি আমেরিকার সংবিধান থেকে নেওয়া হয়েছে।
১০। রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশাত্মক নীতিগুলি ভারতীয় সংবিধানে কোন দেশের সংবিধান থেকে গৃহীত হয়েছে?
উত্তরঃ রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশাত্মক নীতিগুলি আয়ারল্যান্ডের সংবিধান থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
১১। ফরাসি সংবিধান থেকে ভারতীয় সংবিধানে কোন কোন আদর্শ বা নীতি নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ ফরাসি সংবিধান থেকে ভারতীয় সংবিধানে স্বাধীনতা, সমতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধের আদর্শ গ্রহণ করা হয়েছে।
১২। ব্রিটিশ সংবিধান থেকে ভারতীয় সংবিধানে গৃহীত হয়েছে এমন দুটি প্রধান বিষয়ের নাম লেখো।
উত্তরঃ ব্রিটিশ সংবিধান থেকে ভারতীয় সংবিধানে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা এবং আইনের শাসন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
১৩। কানাডার সংবিধান থেকে ভারতীয় সংবিধানে কী কী গুরুত্বপূর্ণ ধারণা নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ কানাডার সংবিধান থেকে ভারতীয় সংবিধানে শক্তিশালী কেন্দ্রসহ অর্ধ-যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা এবং অবশিষ্ট ক্ষমতার ধারণা নেওয়া হয়েছে।
১৪। জওহরলাল নেহেরু গণপরিষদে ঐতিহাসিক “উদ্দেশ্যমূলক প্রস্তাব” কবে উত্থাপন করেছিলেন?
উত্তরঃ জওহরলাল নেহেরু ১৯৪৬ সালে গণপরিষদে ঐতিহাসিক “উদ্দেশ্যমূলক প্রস্তাব” উত্থাপন করেছিলেন।
১৫। ভারতের সংবিধানের সার্বভৌম ক্ষমতার মূল উৎস কে?
উত্তরঃ ভারতের সংবিধানের সার্বভৌম ক্ষমতার মূল উৎস হলো ভারতের সাধারণ জনগণ।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ভারতীয় সংবিধানের প্রধান কার্যাবলি বা ভূমিকাগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানের প্রধান চারটি কাজ নিচে আলোচনা করা হলো:
(i) প্রথমত,সংবিধানের প্রথম কাজ হলো সমাজে সকলের মধ্যে ন্যূনতম সহযোগিতা ও সমন্বয় বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু মৌলিক নিয়মকানুন সরবরাহ করা।
(ii) দ্বিতীয়ত,সমাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কার থাকবে এবং সরকার কীভাবে গঠিত হবে তা সুনির্দিষ্ট করা সংবিধানের অন্যতম কাজ।
(iii) তৃতীয়ত,সংবিধানের তৃতীয় কাজ হচ্ছে সরকারের ক্ষমতার উপর কিছু সুনির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা আরোপ করা,যাতে সরকার কখনো নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলি লঙ্ঘন করতে না পারে।
(iv) চতুর্থত, সমাজের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এবং একটি ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠন করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেওয়া ও উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
২। ভারতীয় গণপরিষদ কীভাবে গঠিত হয়েছিল তা সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
উত্তরঃ ভারতীয় গণপরিষদ গঠনের মূল প্রক্রিয়াটি নিচে বর্ণনা করা হলো:
(i) প্রথমত,অবিভক্ত ভারতবর্ষে ১৯৪৬ সালের ক্যাবিনেট মিশনের প্রস্তাব অনুসারে গণপরিষদ গঠিত হয়েছিল।
(ii) দ্বিতীয়ত,জনসংখ্যার অনুপাতে আসন বরাদ্দ করা হয়েছিল,যেখানে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যা পিছু ১টি করে আসন নির্ধারণ করা হয়।
(iii) তৃতীয়ত,এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্রিটিশ শাসিত প্রদেশগুলি থেকে ২৯২ জন এবং দেশীয় রাজ্যগুলি থেকে নূন্যতম ৯৩ জন প্রতিনিধি নেওয়ার কথা ছিল।
(iv) চতুর্থত,প্রদেশগুলির আসনগুলিকে প্রধানত তিনটি সম্প্রদায়—মুসলিম,শিখ ও সাধারণের মধ্যে তাদের জনসংখ্যার অনুপাতে ভাগ করা হয়েছিল।
(v) পঞ্চমত, দেশ ভাগের পর ১৯৪৭ সালের ২৬শে নভেম্বর সংবিধান সভার সদস্য সংখ্যা ২৯৯-এ দাঁড়ায় এবং সেদিন উপস্থিত ২৮৪ জন সদস্যের চূড়ান্ত স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই সংবিধান গৃহীত হয়।
৩। জওহরলাল নেহেরু উত্থাপিত “উদ্দেশ্যমূলক প্রস্তাব” -এর প্রধান প্রধান আদর্শ ও লক্ষ্যগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ ১৯৪৬ সালে জওহরলাল নেহেরু কর্তৃক গণপরিষদে উত্থাপিত “উদ্দেশ্যমূলক প্রস্তাব” এর প্রধান আদর্শ ও লক্ষ্যগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:
(i) এক,ভারত একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
(ii) দুই,সার্বভৌম ও স্বাধীন ভারতের সমস্ত ক্ষমতার মূল উৎস হবে ভারতের সাধারণ জনগণ।
(iii) তিন,ভারতের সব নাগরিকের জন্য সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার, আইনের চোখে সমতা,বাক্-স্বাধীনতা, বিশ্বাস ও মতামত প্রকাশের অধিকার সুনিশ্চিত করা হবে।
(iv) চার,সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, অনগ্রসর ও উপজাতি অঞ্চল এবং তফসিলি জাতির সুরক্ষার জন্য উপযুক্ত বিশেষ রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
(v) পাঁচ,ভারতের ভৌগোলিক সংহতি এবং জল, স্থল ও অন্তরীক্ষের সার্বভৌম অধিকার আইন অনুসারে রক্ষা করা হবে।
৪। ভারতীয় সংবিধানের “ভারসাম্যপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক নকশা” বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধানের দীর্ঘস্থায়ী সফলতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো এর ভারসাম্যপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক নকশা,যা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
(i) প্রথমত, কোনো একক দল বা ছোট গোষ্ঠী যাতে নিজের স্বার্থে সংবিধানের ক্ষমতাকে অবদমিত বা ধ্বংস করতে না পারে, তার জন্য সংবিধানে ক্ষমতার বিচক্ষণ বিভাজন করা হয়েছে।
(ii) দ্বিতীয়ত,সরকারের প্রধান তিনটি অঙ্গ—আইন বিভাগ, शासन বিভাগ ও বিচার বিভাগ এবং অন্যান্য স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যেমন নির্বাচন কমিশনের মধ্যে ক্ষমতা সুষমভাবে বণ্টন করা হয়েছে।
(iii) তৃতীয়ত,এই ব্যবস্থার ফলে যদি কোনো একটি প্রতিষ্ঠান ক্ষমতার অপব্যবহার করতে চায়,তবে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলি তাকে বাধা দিয়ে ভারসাম্য রক্ষা করে।
(iv) চতুর্থত,একটি সফল সংবিধানের জন্য অতি অনমনীয়তা এবং অতি নমনীয়তার মধ্যে সুষম ভারসাম্য থাকা আবশ্যক,যা ভারতীয় সংবিধানে দক্ষতার সাথে বজায় রাখা হয়েছে।
৫। ভারতীয় সংবিধানে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সংবিধান থেকে গৃহীত প্রধান প্রধান বিষয়গুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভারতীয় সংবিধান প্রণেতারা বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গ্রহণ করেছেন,যা নিচে আলোচনা করা হলো:
(i) এক,ব্রিটিশ সংবিধান থেকে সংসদীয় ব্যবস্থা, আইনের শাসন,আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া, নির্বাচনী ব্যবস্থা এবং স্পিকার বা অধ্যক্ষের আসন ও ভূমিকা নেওয়া হয়েছে।
(ii) দুই,আমেরিকার সংবিধান থেকে মৌলিক অধিকারের তালিকা,বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষমতা নেওয়া হয়েছে।
(iii) তিন,আয়ারল্যান্ডের সংবিধান থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশাত্মক নীতিসমূহ গৃহীত হয়েছে।
(iv) চার,ফরাসি সংবিধান থেকে স্বাধীনতা, সমতা এবং ভ্রাতৃত্ববোধের আদর্শ গ্রহণ করা হয়েছে।
(v) পাঁচ,ক্যানাডার সংবিধান থেকে শক্তিশালী কেন্দ্রসহ অর্ধ-যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা এবং অবশিষ্ট ক্ষমতার ধারণা নেওয়া হয়েছে।


