Class 11 Political Science Important Chapter 19 শান্তি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 19 শান্তি Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.
Class 11 Political Science Important Chapter 19 শান্তি
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
শান্তি
Chapter: 19
| Part – 2: রাজনৈতিক তত্ত্ব |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। শান্তি শব্দটির সাধারণ অর্থ কী?
উত্তরঃ শান্তি শব্দের সাধারণ অর্থ হলো যুদ্ধের অনুপস্থিতি।
২। উনবিংশ শতকের কোন জার্মান দার্শনিক যুদ্ধের মহিমা প্রচার করেছিলেন?
উত্তরঃ উনবিংশ শতকের জার্মান দার্শনিক ফ্রেডরিক নিটসে যুদ্ধের মহিমা প্রচার করেছিলেন।
৩। ভিলফ্রেডো পেরিটো শাসক শ্রেণিকে কী বলে অভিহিত করেছেন?
উত্তরঃ ভিলফ্রেডো পেরিটো শাসক শ্রেণিকে ‘সিংহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
৪। গঠনমূলক বা কাঠামোগত হিংসার একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ জাতিভেদ প্রথা হলো গঠনমূলক বা কাঠামোগত হিংসার একটি অন্যতম উদাহরণ।
৫। ‘দি ফ্লাওয়ার্স অফ হিরোসিমা’ গ্রন্থটি কার লেখা?
উত্তরঃ ‘দি ফ্লাওয়ার্স অফ হিরোসিমা’ গ্রন্থটি এদিতা মরিস লিখেছিলেন।
৬। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি লন্ডনে কোন ধরনের বোমা ব্যবহার করেছিল?
উত্তরঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি লন্ডনে ‘কার্পেট বোমা’ ব্যবহার করেছিল।
৭। জাপানের কোন দুটি শহরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল?
উত্তরঃ জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকি শহর দুটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল।
৮। কিউবার মিসাইল সংকট কত সালে দেখা দিয়েছিল?
উত্তরঃ কিউবার মিসাইল সংকট ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে দেখা দিয়েছিল।
৯। শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আধুনিক যুগে কার নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য?
উত্তরঃ শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আধুনিক যুগে মহাত্মা গান্ধীর নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।
১০। পিতৃতান্ত্রিকতা সমাজ ব্যবস্থায় কাদের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করে?
উত্তরঃ পিতৃতান্ত্রিকতা সমাজ ব্যবস্থায় মহিলাদের প্রতি অধীনতা ও বৈষম্য সৃষ্টি করে।
১১। ১৯৪৫ সালের পরমাণু বোমা নিক্ষেপে জাপানে আনুমানিক কত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল?
উত্তরঃ ১৯৪৫ সালের পরমাণু বোমা নিক্ষেপে জাপানে আনুমানিক ১,২০,০০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।
১২। শান্তিবাদের মূল বিশ্বাস কী?
উত্তরঃ শান্তিবাদ যুদ্ধ অথবা হিংসাকে বিরোধ মীমাংসার পদ্ধতি হিসেবে নৈতিকভাবে ভুল বলে মনে করে।
১৩। ১৯৯৪ সালে কোন দেশে হুটাসদের দ্বারা টুটসিদের গণহত্যার ঘটনা ঘটেছিল?
উত্তরঃ ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় হুটাসদের দ্বারা টুটসিদের গণহত্যার ঘটনা ঘটেছিল।
১৪। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র কয়টি?
উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো পাঁচটি।
১৫। গান্ধীজির মতে অহিংসার একটি ইতিবাচক দিক লেখো।
উত্তরঃ গান্ধীজির মতে অহিংসার ইতিবাচক অর্থ হলো সচেতন সমবেদনা এবং কারও ক্ষতি করার চিন্তা পরিত্যাগ করা।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। হিংসার বিভিন্ন কাঠামোগত রূপ বা প্রকারগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ হিংসার বিভিন্ন কাঠামোগত রূপ বা প্রকারগুলি আলোচনা করা হলো:
(i) জাতিভেদ প্রথা ও অস্পৃশ্যতা: প্রাচীন বর্ণভেদ বা জাতিভেদ প্রথা সমাজের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মানুষকে ‘অস্পৃশ্য’ হিসেবে গণ্য করে। যদিও আধুনিক সংবিধানে অস্পৃশ্যতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবুও আজও সমাজের একটি বড় অংশ এর ফলে নানা সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে।
(ii) পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা: পিতৃতান্ত্রিকতা মহিলাদের প্রতি অধীনতা ও চরম বৈষম্য সৃষ্টি করে।এর বহিঃপ্রকাশ ঘটে স্ত্রী ভ্রূণ হত্যা,কন্যা সন্তানকে পুষ্টিকর খাদ্য ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখা,বাল্যবিবাহ, বধূ নির্যাতন, এমনকি কর্মস্থলে যৌন নিগ্রহ ও ধর্ষণের মতো জঘন্য ঘটনার মাধ্যমে।
(iii) ঔপনিবেশিক শাসন: ঔপনিবেশিকতা হলো দীর্ঘকাল ধরে কোনো দেশকে বৈদেশিক অধীনে রেখে শোষণ করা। যদিও বর্তমানে সরাসরি ঔপনিবেশিক শাসন বিরল, তবুও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্যালেস্তাইনদের সংগ্রাম প্রমাণ করে যে এই শোষণ পুরোপুরি শেষ হয়নি। এছাড়া অনেক দেশ রাজনৈতিকভাবে স্বাধীন হলেও আজও তাদের ওপর ঔপনিবেশিক শাসনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক শোষণের প্রভাব রয়ে গেছে।
(iv) বর্ণবিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িকতা: জাতি এবং সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে অসঙ্গত হলেও,এটি হিংসার এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত নিগ্রোদের দাসত্ব প্রথা, হিটলারের শাসনাধীন জার্মানিতে ইহুদি হত্যা এবং ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবিদ্বেষী শাসন কাঠামোগত হিংসার চরম নিদর্শন।
২। শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহাত্মা গান্ধীর অহিংসা নীতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ মহাত্মা গান্ধী আধুনিক যুগের শান্তি আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি অহিংসাকে কেবল একটি ব্যক্তিগত আদর্শ হিসেবে নয়,বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।
(i) অহিংসার নতুন ও ইতিবাচক সংজ্ঞা: গান্ধীজির আগে অহিংসা বলতে সাধারণত কেবল দৈহিক আঘাত না করা বা হত্যা না করাকে বোঝানো হতো। গান্ধীজি এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান। তাঁর মতে,অহিংসার ইতিবাচক অর্থ হলো সচেতন সমবেদনা এবং কারো ক্ষতি করার সামান্যতম চিন্তাও মনে স্থান না দেওয়া।
(ii) সবলদের অস্ত্র হিসেবে অহিংসা: গান্ধীজি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা খণ্ডন করেন যে, অহিংসা হলো দুর্বলদের একটি পথ। তাঁর মতে,অহিংসা পালনের জন্য প্রচণ্ড মানসিক শক্তি ও সাহসের প্রয়োজন, যা কেবল শক্তিশালী মানুষের পক্ষেই সম্ভব। তিনি “মজবুরি কা নাম মহাত্মা গান্ধী” প্রবাদের পরিবর্তে “মজবুতী কা নাম মহাত্মা গান্ধী” ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন।
(iii) সত্যাগ্রহ ও নৈতিক চাপ: শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গান্ধীজি সত্যাগ্রহ ও আইন অমান্য আন্দোলনের মতো নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। সত্যাগ্রহ ছিল সত্য ও ন্যায়ের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত এক শান্তিপূর্ণ সংগ্রাম। তিনি সরাসরি ব্রিটিশ শাসকদের ওপর দৈহিক আক্রমণ না করে তাদের ওপর নৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছিলেন।
৩। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার প্রধান তিনটি পদ্ধতি বা কৌশল আলোচনা করো।
উত্তরঃ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার প্রধান তিনটি পদ্ধতি বা কৌশল:
(i) রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও শক্তির সমতা: প্রথম পদ্ধতিটি রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সত্তাকে স্বীকার করে এবং তার সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করে। এই কৌশলে রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে প্রতিযোগিতাকে জীবনের এক অনিবার্য বাস্তবতা হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে শান্তির মূল চাবিকাঠি হলো আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে যথাযথভাবে পরিচালনা করা। এর প্রধান উপায় হলো ‘শক্তির সমতা’ বজায় রাখা।
(ii) সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা: দ্বিতীয় পদ্ধতিটিও রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্বীকার করে, কিন্তু এটি সংঘাতের পরিবর্তে রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়। এই মতবাদের প্রবক্তাগণ মনে করেন যে, রাষ্ট্রগুলো যদি ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়,তবে তাদের মধ্যে শত্রুতা ও বৈরিতা কমে আসবে।
(iii) সম্মিলিত আন্তর্জাতিক সংগঠন ও বিশ্ব গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা: তৃতীয় পদ্ধতিটি বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে মানব ইতিহাসের এক অতীত অধ্যায় বলে মনে করে। এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো একটি শক্তিশালী সম্মিলিত আন্তর্জাতিক সংগঠন বা একটি ‘বিশ্ব গোষ্ঠী’ গড়ে তোলা। এই পদ্ধতির প্রবক্তাদের মতে, বিশ্বায়নের ফলে রাষ্ট্রগুলোর একাধিপত্য ও সার্বভৌমত্ব ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে,যা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে। তারা মনে করেন, বিভিন্ন জাতির মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করে একটি বৈশ্বিক সমাজ গঠন করাই শান্তি প্রতিষ্ঠার শ্রেষ্ঠ উপায়।
৪। হিরোসিমা ও নাগাসাকির পরমাণু বোমা নিক্ষেপের ভয়াবহ পরিণাম বর্ণনা করো।
উত্তরঃ হিরোসিমা ও নাগাসাকির পরমাণু বোমা নিক্ষেপের ভয়াবহ পরিণাম বর্ণনা করা হলো:
(i) তাৎক্ষণিক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ: পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের ফলে হিরোসিমা ও নাগাসাকি শহর দুটি মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ১,২০,০০০ মানুষের মৃত্যু ঘটে। এই প্রাণহানির মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুনের গোল্লা ও প্রচণ্ড তাপে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছিল।
(ii) নিরীহ সাধারণ মানুষের মৃত্যু: উৎস অনুসারে,এই পৈশাচিক হামলায় যারা মারা গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই ছিলেন নিরীহ সাধারণ মানুষ, যাদের যুদ্ধের সঙ্গে কোনো সরাসরি যোগসূত্র ছিল না।
(iii) তেজস্ক্রিয়তার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব: পরমাণু বোমার ভয়াবহতা কেবল বিস্ফোরণের মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায়নি। পরবর্তীকালে পরমাণু তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে আরও বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে। তেজস্ক্রিয়তার ফলে ক্যান্সারসহ নানা মারণব্যাধি এবং জিনগত সমস্যা দেখা দেয়,যা পরবর্তী প্রজন্মের পর প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে পঙ্গু করে দিয়েছিলে।
(iv) মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা: এদিতা মরিসের লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দি ফ্লাওয়ার্স অফ হিরোসিমা’-তে এই পরমাণু বোমার দীর্ঘমেয়াদী ভয়াবহতার চিত্র ফুটে উঠেছে। তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে এই বোমার প্রভাব মানুষকে বছরের পর বছর ধরে অসহ্য শারীরিক যন্ত্রণা এবং মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। বেঁচে যাওয়া মানুষদের জীবন হয়ে উঠেছিল এক জীবন্ত নরক।
৫। সমসাময়িক বিশ্বে শান্তি রক্ষার ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো কী কী?
উত্তরঃ সমসাময়িক বিশ্বের শান্তি রক্ষার প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(i) প্রভাবশালী রাষ্ট্রসমূহের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই: বর্তমান বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রসমূহ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপনের জন্য সর্বদা তৎপর থাকে। তারা প্রায়শই নিজেদের স্বার্থে বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক শক্তি কাঠামো তৈরির চেষ্টা করে, যা শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই রাষ্ট্রগুলো নিজেদের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য অনেক সময় ক্ষুদ্রতর দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ করে।
(ii) বৈদেশিক সামরিক হস্তক্ষেপ: সমসাময়িক কালে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর দ্বারা অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সামরিক হস্তক্ষেপ শান্তির পরিবেশকে চরমভাবে বিঘ্নিত করেছে। উৎস অনুসারে, আফগানিস্তান ও ইরাকে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ এবং সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে চলা যুদ্ধ এর অন্যতম উদাহরণ।
(iii) সন্ত্রাসবাদ ও আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার: বর্তমান বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য সবথেকে বড় হুমকি হলো সন্ত্রাসবাদ। অনেক সময় আক্রমণকারী রাষ্ট্রসমূহের ক্রিয়াকলাপের জবাব স্বরূপ বা উগ্র মতাদর্শের কারণে সন্ত্রাসবাদের উদ্ভব হয়। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অত্যাধুনিক মারণাস্ত্রের সহজলভ্যতা সন্ত্রাসবাদকে আরও ভয়াবহ ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে গেছে।
(iv) গণহত্যা ও জাতিগত সংঘাত: বর্তমানে যুদ্ধ কেবল দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই,বরং অনেক দেশের অভ্যন্তরেই ভয়াবহ জাতিগত দাঙ্গা ও গণহত্যার ঘটনা ঘটছে। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় হুটাসদের দ্বারা প্রায় ৫ লক্ষ টুটসিদের হত্যার ঘটনাটি ছিল মানব সভ্যতার এক কলঙ্কিত অধ্যায়।


