Class 11 Political Science Important Chapter 13 সাম্য

Class 11 Political Science Important Chapter 13 সাম্য Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 13 সাম্য Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.

Class 11 Political Science Important Chapter 13 সাম্য

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 13

Part – 2: রাজনৈতিক তত্ত্ব
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। মার্কসবাদীদের মতে অর্থনৈতিক অসাম্যের মূল কারণ কী? 

উত্তরঃ মার্কসবাদীদের মতে অসাম্যের মূল কারণ হলো সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা। 

২। উদারপন্থীরা সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে কোন নীতিকে সমর্থন করেন? 

উত্তরঃ উদারপন্থীরা সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে সুস্থ প্রতিযোগিতার নীতিকে সমর্থন করেন।

৩। সমাজতন্ত্রবাদের মূল লক্ষ্য কী? 

উত্তরঃ সমাজতন্ত্রবাদের মূল লক্ষ্য হলো সম্পদের সঠিক বণ্টন করা এবং অসাম্য কমিয়ে আনা। 

৪। রামমনোহর লোহিয়া কে ছিলেন? 

উত্তরঃ রামমনোহর লোহিয়া ভারতের একজন বিখ্যাত সমাজতন্ত্রী চিন্তাবিদ ছিলেন। 

৫। লোহিয়া কয় ধরনের অসাম্য চিহ্নিত করেছিলেন? 

উত্তরঃ লোহিয়া পাঁচ ধরনের অসাম্য চিহ্নিত করেছিলেন। 

৬। লোহিয়ার বিপ্লব ধারণার নাম কী? 

উত্তরঃ লোহিয়ার বিপ্লব ধারণার নাম হলো ‘সপ্তক্রান্তি’ বা সাতটি বিপ্লব।

৭। নারীবাদ কী ধরনের মতবাদ? 

উত্তরঃ সাম্য: নারীবাদ হলো পুরুষ এবং নারীর সমানাধিকারের একটি রাজনৈতিক মতবাদ।

৮। নারীবাদীদের মতে নারী-পুরুষের বৈষম্যের প্রধান কারণ কী? 

উত্তরঃ সাম্য: নারীবাদীদের মতে বৈষম্যের প্রধান কারণ হলো পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা। 

৯। পিতৃতন্ত্র শ্রম বিভাজনের ক্ষেত্রে মহিলাদের কী দায়িত্ব দিয়েছে? 

উত্তরঃ পিতৃতন্ত্র শ্রম বিভাজনের মাধ্যমে মহিলাদের শুধুমাত্র গৃহস্থালীর কাজের দায়িত্ব দিয়েছে। 

১০। ১৯ শতকে মহিলারা কোন কোন অধিকারের দাবি জানিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ ১৯ শতকে মহিলারা ভোটদানের অধিকার ও শিক্ষার অধিকারের দাবি জানিয়েছিলেন।

১১। সাম্য প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ কোনটি? 

উত্তরঃ সাম্য: সাম্য প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হলো প্রথাগত বা আনুষ্ঠানিক সাম্যের অভাব দূর করা। 

১২। ভারতীয় সংবিধান সাম্য প্রতিষ্ঠায় কোন প্রথাটি নির্মূল করেছে? 

উত্তরঃ সাম্য: ভারতীয় সংবিধান সাম্য প্রতিষ্ঠায় অস্পৃশ্যতার ব্যবহারকে নির্মূল করেছে। 

১৩। ইতিবাচক প্রক্রিয়া বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ বঞ্চিত শ্রেণীর উন্নতির জন্য গৃহীত বিশেষ ব্যবস্থাকে ইতিবাচক প্রক্রিয়া বলে। 

১৪। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা কেন প্রয়োজন? 

উত্তরঃ প্রতিবন্ধীরা যাতে অন্যদের মতো সমান সুযোগ লাভ করতে পারে, সেই জন্য বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োজন। 

১৫। সাম্যের আদর্শ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য কী?

উত্তরঃ সাম্যের মূল লক্ষ্য হলো একটি ন্যায়পূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করা। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর। 

১। সাম্যের তিনটি মাত্রা—রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সাম্য বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।

উত্তরঃ সাম্যের তিনটি মাত্রা—রাজনৈতিক,সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সাম্য বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) রাজনৈতিক সাম্য: একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সাম্য বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের সকল সদস্যের সমান নাগরিকত্ব এবং সমান অধিকার প্রদান। এর অর্থ হলো ধর্ম,জাতি বা বর্ণের ভিত্তিতে কোনো পার্থক্য না করে প্রতিটি নাগরিককে সমান সুযোগ দেওয়া। রাজনৈতিক সাম্যের অন্তর্ভুক্ত প্রধান অধিকারগুলি হলো—ভোট দেওয়ার অধিকার,স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের অধিকার, চলাফেরার স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী কাজে অংশগ্রহণের অধিকার। এই অধিকারগুলি সাধারণত দেশের সংবিধান এবং আইন দ্বারা স্বীকৃত হয়। 

(ii) সামাজিক সাম্য: রাজনৈতিক বা আইনী সাম্য হলো সাম্য প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ,কিন্তু প্রকৃত সাম্যের জন্য সামাজিক সাম্য অত্যন্ত জরুরি। সামাজিক সাম্য বলতে বোঝায় সমাজে সকল মানুষের জন্য ‘সমান সুযোগ-সুবিধা’ নিশ্চিত করা যাতে প্রত্যেকে নিজের দক্ষতা ও মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে। অনেক সময় আইন মানুষকে সমান অধিকার দিলেও গভীর শিকড়যুক্ত সামাজিক প্রথা বা বৈষম্যের কারণে একশ্রেণীর মানুষ পিছিয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতে অনেক ক্ষেত্রে মেয়েরা সমান উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় বা জাতিগত ভেদাভেদের কারণে অনেকে সঠিক মর্যাদা পায় না। 

(iii) অর্থনৈতিক সাম্য: অর্থনৈতিক সাম্য বলতে এমন একটি সমাজব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার ব্যবধান সর্বনিম্ন থাকে এবং প্রতিটি মানুষের জন্য অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের মতো ন্যূনতম চাহিদাগুলো নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান পৃথিবীতে অর্থনৈতিক বৈষম্য এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের দরিদ্রতম ৪০ কোটি মানুষের আয়ের চেয়ে ধনীতম ৫০ জন ব্যক্তির মোট আয় অনেক বেশি। এছাড়া,বিশ্বের দরিদ্রতম ৪০ শতাংশ মানুষ বিশ্ব আয়ের মাত্র ৫ শতাংশ পায়,যেখানে ধনীতম ১০ শতাংশ মানুষ বিশ্ব আয়ের ৫৪ শতাংশ ভোগ করে। 

২। রামমনোহর লোহিয়া চিহ্নিত পাঁচ ধরনের অসাম্য এবং তাঁর ‘সপ্তক্রান্তি’র ধারণা ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ রামমনোহর লোহিয়া ছিলেন ভারতের একজন বিশিষ্ট সমাজতন্ত্রী চিন্তাবিদ যিনি সামাজিক অসাম্য দূর করার জন্য এক বৈপ্লবিক আদর্শ প্রচার করেছিলেন। তিনি তৎকালীন সমাজব্যবস্থাকে বিশ্লেষণ করে পাঁচটি প্রধান অসাম্য বা বৈষম্য চিহ্নিত করেছিলেন। 

লোহিয়া চিহ্নিত এই পাঁচটি অসাম্য হলো:

(১) নারী ও পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য।

(২) গায়ের চামড়ার রঙের ভিত্তিতে অর্থাৎ সাদা ও কালোর মধ্যে বৈষম্য।

(৩) বংশগত বা জাতিভেদ প্রথার ওপর ভিত্তি করে অসাম্য।

(৪) কিছু শক্তিশালী দেশ কর্তৃক দুর্বল দেশের ওপর ঔপনিবেশিক শাসন।

(৫) অর্থনৈতিক অসাম্য বা শ্রেণিগত বৈষম্য। 

লোহিয়া মনে করতেন যে এই প্রতিটি অসাম্যের প্রকৃতি আলাদা এবং এদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক বিপ্লবের প্রয়োজন। এই পাঁচটি বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিপ্লবের সাথে তিনি আরও দুটি আদর্শ যুক্ত করেন—একটি হলো ব্যক্তিগত জীবনে অনধিকার প্রবেশের বিরুদ্ধে বিপ্লব এবং অন্যটি হলো সশস্ত্র সংগ্রামের বদলে অহিংসার পথে ‘সত্যাগ্রহ’ বা আইন অমান্য আন্দোলন। লোহিয়ার এই সাতটি সুনির্দিষ্ট বিপ্লবের সামগ্রিক ধারণাকেই ‘সপ্তক্রান্তি’ বলা হয়। তাঁর মতে,এই সাতটি ক্ষেত্রে সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই সমাজে প্রকৃত সমাজতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

৩। নারী-পুরুষের বৈষম্য প্রসঙ্গে নারীবাদীদের দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনা করো। 

উত্তরঃ নারীবাদীদের মতে সমাজে নারী ও পুরুষের মধ্যে যে অসাম্য দেখা যায় তা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি নয় বরং সমাজেরই সৃষ্টি। তাঁরা মনে করেন পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থাই এই বৈষম্যের মূল কারণ, যা মহিলাদের দায়িত্বকে শুধুমাত্র ‘ব্যক্তিগত’ ও ‘গৃহস্থালীর’ কাজে সীমাবদ্ধ করে রেখেছে। অন্যদিকে পুরুষের দায়িত্বকে ‘জনসাধারণের’ বা বাইরের ক্ষেত্রের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। নারীবাদীরা এই বিভাজনের বিরোধিতা করেন এবং দাবি করেন যে মহিলাদেরও পুরুষের সমান রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার পাওয়া উচিত। 

৪। সাম্য প্রতিষ্ঠায় ‘ইতিবাচক প্রক্রিয়া’ বা বিশেষ সুযোগ-সুবিধার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো। 

উত্তরঃ সাম্য প্রতিষ্ঠায় ‘ইতিবাচক প্রক্রিয়া’ বা বিশেষ সুযোগ-সুবিধার গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) অতীতের বৈষম্য সংশোধন: ইতিবাচক প্রক্রিয়ার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অতীতে ঘটে যাওয়া কোনো সামাজিক অন্যায় বা বংশপরম্পরায় চলে আসা অসাম্যকে সংশোধন করা। অনেক গোষ্ঠী বা শ্রেণি ঐতিহাসিকভাবে শিক্ষা, সম্পদ এবং সম্মান থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। তাদের সেই পিছিয়ে পড়া অবস্থাকে কাটিয়ে ওঠার জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা অপরিহার্য। 

(ii) প্রকৃত সমান সুযোগ তৈরি করা: অনেক সময় দেখা যায় যে,সামাজিকভাবে সুবিধাভোগী শ্রেণির সন্তানরা যে পরিবেশে বেড়ে ওঠে,বঞ্চিত শ্রেণির সন্তানরা সেই সুযোগ পায় না। উদাহরণস্বরূপ, শহরের একটি নামী স্কুলের ছাত্রের সুযোগ-সুবিধা আর গ্রামের বা বস্তির একটি দরিদ্র ছাত্রের সুযোগ সমান নয়। 

(iii) সক্ষমতা ও মেধার বিকাশ: সমাজের অবহেলিত শ্রেণির মেধা ও দক্ষতা বিকাশের জন্য শৈশব থেকেই বিশেষ সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা দরকার।

(iv) ইতিবাচক: পদক্ষেপের মাধ্যমে যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা চাকরিতে বঞ্চিতদের জন্য স্থান নির্দিষ্ট করা হয়,তখন তারা সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসার এবং নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সক্ষমতা অর্জন করে।

(v) সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্ব: ইতিবাচক প্রক্রিয়াকে সাধারণত একটি স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হয় না,বরং এটি একটি সাময়িক বা সময়সাপেক্ষ প্রকল্প। এর মূল অনুমান হলো যে, একবার যদি পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো এই বিশেষ সহায়তার মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাধাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারে,তবে ভবিষ্যতে তারা কোনো বিশেষ সাহায্য ছাড়াই অন্যদের সাথে সমতার ভিত্তিতে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। 

৫। সাম্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ‘ভিন্ন ধরনের আচরণ’ বা বিশেষ সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজনীয়তা উদাহরণসহ আলোচনা করো। 

উত্তরঃ সাম্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ‘ভিন্ন ধরনের আচরণ’ বা বিশেষ সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজনীয়তা উদাহরণসহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।

(i) সমান সুযোগ নিশ্চিত করা: সাম্য মানে কেবল আইনের চোখে সমান হওয়া নয়,বরং সকলকে নিজের মেধার বিকাশের জন্য ‘সমান সুযোগ’ প্রদান করা। অনেক সময় মানুষের শারীরিক বা সামাজিক অবস্থা এমন থাকে যে, বিশেষ সুবিধা ছাড়া তারা অন্যদের সাথে সমানভাবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে না। তাই তাদের জন্য ভিন্ন ধরনের আচরণ করা হলে তা সাম্যের পরিপন্থী হয় না, বরং প্রকৃত সাম্য প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। 

(ii) শারীরিক প্রতিবন্ধীদের উদাহরণ: শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তারা যাতে অন্যদের মতো সমানভাবে সরকারি ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা পার্কে প্রবেশ করতে পারে, তার জন্য প্রকাশ্য স্থানে র‍্যাম্প বা বিশেষ যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এই বিশেষ সুবিধাগুলো দেওয়া হলে তবেই তারা অন্যদের সাথে সমানভাবে সামাজিক অধিকারগুলো ভোগ করতে পারে।

(iii) কর্মরত মহিলাদের বিশেষ ব্যবস্থা: কর্মরত মহিলাদের পেশাদার জীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য বিশেষ কিছু সুবিধার প্রয়োজন হয়। উদাহরণস্বরূপ,তাদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং কর্মক্ষেত্রে ক্রেশ বা শিশুগৃহের ব্যবস্থা করা জরুরি। এই ধরনের বিশেষ সুবিধা ছাড়া মহিলারা অনেক ক্ষেত্রে পুরুষের সমান অধিকার ভোগ করতে পারে না। তাই সাম্য প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই এখানে ভিন্ন আচরণের প্রয়োজন হয়। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top