Class 11 Political Science Important Chapter 12 স্বাধীনতা

Class 11 Political Science Important Chapter 12 স্বাধীনতা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 12 স্বাধীনতা Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.

Class 11 Political Science Important Chapter 12 স্বাধীনতা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 12

Part – 2: রাজনৈতিক তত্ত্ব
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। স্বাধীনতা অধ্যায়ে ‘স্বাধীনতা’ বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে স্বাধীনতা বলতে বোঝায় ব্যক্তির ওপর বাহ্যিক কোনো নিয়ন্ত্রণ বা বাধা-বিপত্তির অনুপস্থিতি।

২। ‘Long Walk to Freedom’ গ্রন্থটি কার আত্মজীবনী? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে ‘Long Walk to Freedom’ গ্রন্থটি নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী।

৩। দক্ষিণ আফ্রিকায় কোন সরকারের বিরুদ্ধে নেলসন ম্যান্ডেলা লড়াই করেছিলেন? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবিদ্বেষী শ্বেতাঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে নেলসন ম্যান্ডেলা লড়াই করেছিলেন।

৪। জন স্টুয়ার্ট মিল স্বাধীনতার কোন গুরুত্বপূর্ণ নীতিটি প্রবর্তন করেছিলেন? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে জন স্টুয়ার্ট মিল ‘অনিষ্টকর নীতি’ বা ‘Harm Principle’ প্রবর্তন করেছিলেন।

৫। ‘On Liberty’ গ্রন্থটির লেখক কে? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে ‘On Liberty’ গ্রন্থটির লেখক হলেন জন স্টুয়ার্ট মিল।

৬। ‘স্বরাজ’ শব্দটি কোন দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে ‘স্বরাজ’ শব্দটি ‘স্ব’ (নিজ) এবং ‘রাজ’ (শাসন)—এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।

৭। “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার এবং আমাকে তা পেতেই হবে”—উক্তিটি কার? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার এবং আমাকে তা পেতেই হবে” উক্তিটি বাল গঙ্গাধর তিলকের।

৮। ‘হিন্দ স্বরাজ’ বইটি কে লিখেছিলেন? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে ‘হিন্দ স্বরাজ’ বইটি মহাত্মা গান্ধী লিখেছিলেন।

৯। ‘Freedom From Fear’ গ্রন্থটি কার লেখা? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে ‘Freedom From Fear’ গ্রন্থটি আং সান সু কি-র লেখা।

১০। নেলসন ম্যান্ডেলা কারারুদ্ধ অবস্থায় কত বছর কাটিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে নেলসন ম্যান্ডেলা কারারুদ্ধ অবস্থায় আটাশ বছর কাটিয়েছিলেন।

১১। ইতিবাচক স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে ইতিবাচক স্বাধীনতা বলতে ব্যক্তির সামর্থ্য ও সৃজনশীল শক্তি বিকাশের সুযোগের বিস্তৃতিকে বোঝায়।

১২। নেতিবাচক স্বাধীনতা বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে নেতিবাচক স্বাধীনতা বলতে এমন একটি ক্ষেত্রকে বোঝায় যেখানে কোনো বাহ্যিক কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

১৩। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মতে স্বাধীনতা কী?

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মতে স্বাধীনতা হলো সার্বিক স্বাধীনতা,যা ধনী-দরিদ্র,নারী-পুরুষ এবং সকল শ্রেণীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে।

১৪। স্বরাজ শব্দের মূল অর্থ কী? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে স্বরাজ শব্দের মূল অর্থ হলো ‘নিজের শাসন’ এবং ‘নিজের ওপর শাসন’।

১৫। জন স্টুয়ার্ট মিলের মতে ‘নিজ সম্পর্কিত’ কার্যকলাপের ফলাফল কার ওপর বর্তায়? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে জন স্টুয়ার্ট মিলের মতে ‘নিজ সম্পর্কিত’ কার্যকলাপের ফলাফল শুধুমাত্র সেই ব্যক্তির ওপরই বর্তায়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। নেলসন ম্যান্ডেলার স্বাধীনতার সংগ্রামের আদর্শ ও ত্যাগ সম্পর্কে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ সংগ্রামের আদর্শ: ম্যান্ডেলার সংগ্রামের মূল আদর্শ ছিল নিজের জীবন এবং ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার অর্জন করা। তাঁর কাছে স্বাধীনতার অর্থ কেবল রাজনৈতিক মুক্তি ছিল না,বরং এটি ছিল জনগণের ইচ্ছা এবং তাদের পছন্দ অনুযায়ী কার্যকলাপ স্বাধীনভাবে প্রকাশ করার সুযোগ পাওয়া। ম্যান্ডেলার এই সংগ্রাম কেবল কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য ছিল না,বরং এটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার সকল মানুষের স্বাধীনতার পথে বাধাগুলি সরিয়ে ফেলার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।

ম্যান্ডেলার আত্মত্যাগ: এই মহান আদর্শের জন্য ম্যান্ডেলাকে ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত উচ্চমূল্য দিতে হয়েছিল। তিনি তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় অর্থাৎ টানা আটাশ বছর জেলের নির্জন কক্ষে বন্দি অবস্থায় কাটিয়েছিলেন। তাঁর এই ত্যাগের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে উৎসটিতে বলা হয়েছে যে, একটি আদর্শের জন্য নিজের যৌবন বিসর্জন দেওয়া কোনো সাধারণ কথা নয়।

ম্যান্ডেলা তাঁর সংগ্রামের জন্য যে বিষয়গুলো স্বেচ্ছায় বিসর্জন দিয়েছিলেন:

(i) ব্যক্তিগত শখ: তিনি মুষ্টিযুদ্ধ ভালোবাসতেন,যা তিনি কারারুদ্ধ জীবনে উপভোগ করতে পারেননি।

(ii) সামাজিক আনন্দ: বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার আনন্দ,প্রিয় সংগীত শোনা বা জীবনের বিভিন্ন উৎসবের আনন্দ থেকে তিনি নিজেকে বঞ্চিত রেখেছিলেন।

(iii) পছন্দের পোশাক: এমনকি নিজের প্রিয় পোশাক পরার মতো সাধারণ অধিকারও তিনি ত্যাগ করেছিলেন।

২। জন স্টুয়ার্ট মিলের ‘অনিষ্টকর নীতি’ বা ‘Harm Principle’ ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ জন স্টুয়ার্ট মিলের ‘অনিষ্টকর নীতি’:

ভূমিকা: উনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত ব্রিটিশ রাজনৈতিক চিন্তাবিদ জন স্টুয়ার্ট মিল তাঁর অমর গ্রন্থ ‘On Liberty’-তে স্বাধীনতার সীমানা নিয়ে এক অত্যন্ত সুন্দর এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনা করেছেন। তাঁর এই মতবাদটিই রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ‘অনিষ্টকর নীতি’ বা ‘Harm Principle’ নামে পরিচিত।

অনিষ্টকর নীতির মূল কথা: মিলের মতে, কোনো সভ্য সমাজের সদস্যের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁর ওপর শক্তির প্রয়োগ তখনই বৈধ হতে পারে, যখন তার একমাত্র উদ্দেশ্য হয় অন্য কাউকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করা। অর্থাৎ,একজন ব্যক্তির কাজ যতক্ষণ পর্যন্ত অন্যের কোনো ক্ষতির কারণ না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সমাজ বা রাষ্ট্রের তাঁর ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই।

কার্যকলাপের শ্রেণিবিভাগ মিল মানুষের কাজ বা কার্যকলাপকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করেছেন:

(i) নিজ সম্পর্কিত কাজ: যে সমস্ত কার্যকলাপের ফলাফল শুধুমাত্র সেই ব্যক্তির ওপরই বর্তায় এবং অন্য কারো ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ে না,সেগুলোকে ‘নিজ সম্পর্কিত’ কাজ বলা হয়। মিলের মতে,এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে ব্যক্তি সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং রাষ্ট্র বা কোনো বাহ্যিক কর্তৃপক্ষ সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। সহজ ভাষায়,”এটা আমার কাজ, আমার যা ইচ্ছে তাই করব” — এই মনোভাব এখানে প্রযোজ্য।

(ii) অন্য সম্পর্কিত কাজ: যে সমস্ত কাজের ফলাফল অন্য ব্যক্তিদের ওপর বর্তায় এবং তাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, সেগুলোকে ‘অন্য সম্পর্কিত’ কাজ বলা হয়। যদি কোনো ব্যক্তির কাজ অন্যের ক্ষতির কারণ হয়, তবে সেখানে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ যুক্তিযুক্ত হতে পারে,যাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে রক্ষা করা যায়।

৩। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সার্বিক স্বাধীনতার ধারণাটি বিশ্লেষণ করো। 

উত্তরঃ ১৯২৯ সালে লাহোরে ছাত্র সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু সার্বিক স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। তাঁর মতে,স্বাধীনতার অর্থ কেবল ব্রিটিশদের রাজনৈতিক বন্ধন থেকে মুক্তি নয়,বরং এটি হলো সমাজের সকল স্তরের মানুষের সমান অধিকার। তিনি এমন এক স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিলেন যেখানে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য থাকবে না,নারী ও পুরুষ সমান মর্যাদা পাবে এবং জাতিভেদ প্রথা বা সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান থাকবে না। তাঁর কাছে স্বাধীনতা ছিল সম্পদের সমান বিতরণ এবং সকল প্রকার সামাজিক অসাম্য দূর করার একটি বৈপ্লবিক আদর্শ।

৪। ভারতীয় রাজনৈতিক চিন্তাধারায় ‘স্বরাজ’-এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ ভারতীয় রাজনৈতিক চিন্তাধারায় ‘স্বরাজ’-এর গুরুত্ব:

(i) ভূমিকা: ভারতীয় রাজনৈতিক চিন্তাধারায় স্বাধীনতার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং অনুরূপ ধারণা হলো ‘স্বরাজ’। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক শব্দ নয়,বরং এটি ভারতীয়দের আত্মপরিচয় এবং মুক্তির এক গভীর দর্শন।

(ii) স্বরাজ শব্দের ব্যুৎপত্তি ও অর্থ: ‘স্বরাজ’ শব্দটি মূলত দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত— ‘স্ব’ যার অর্থ ‘নিজ’ এবং ‘রাজ’ যার অর্থ ‘শাসন’। সুতরাং, স্বরাজ শব্দের মূল অর্থ হলো ‘নিজের শাসন’ এবং ‘নিজের ওপর শাসন’। এই দ্বৈত অর্থ স্বরাজকে কেবল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের ঊর্ধ্বে নিয়ে এক অনন্য উচ্চতা দান করেছে।

(iii) বাল গঙ্গাধর তিলক ও স্বরাজ: ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে স্বরাজ ধারণাকে জনপ্রিয় করে তোলার পেছনে বাল গঙ্গাধর তিলকের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি স্বরাজকে প্রতিটি মানুষের এক অলঙ্ঘনীয় অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তাঁর সেই কালজয়ী উক্তি আজও স্মরণীয়— “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার এবং আমাকে তা পেতেই হবে।”তাঁর কাছে স্বরাজ ছিল ব্রিটিশদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক দাসত্ব থেকে মুক্তি।

(iv) মহাত্মা গান্ধীর চিন্তাধারায় স্বরাজ: মহাত্মা গান্ধী ১৯০৯ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হিন্দ স্বরাজ’-এ স্বরাজের এক গভীর ও আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। 

গান্ধীজির দর্শনে স্বরাজের গুরুত্ব নিম্নরূপ:

নিজেকে শাসন করার শিক্ষা: গান্ধীজির মতে, স্বরাজ মানে কেবল ব্রিটিশদের বিদায় করা নয়, বরং এটি হলো নিজেকে শাসন করার শিক্ষা লাভ করা।

আত্মসম্মান ও দায়িত্ববোধ: স্বরাজ হলো ব্যক্তির আত্মসম্মানের মুক্তি, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধের জাগরণ এবং মনুষ্যত্বহীনতার প্রতিষ্ঠান থেকে নিজেকে রক্ষা করে প্রকৃত নিজেকে চেনার ক্ষমতা।

৫। একটি স্বাধীন সমাজে কেন কিছু বিধি-নিষেধ বা অবরোধের প্রয়োজন আছে? 

উত্তরঃ স্বাধীনতা অধ্যায়ে বলা হয়েছে যে মানুষের জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষার জন্যই সমাজে কিছু বিধি-নিষেধ বা অবরোধ প্রয়োজন। মানুষ সামাজিক জীব হওয়ায় তাদের মধ্যে মতের পার্থক্য বা সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিযোগিতা হতে পারে, যা অনেক সময় দ্বন্দ্বে রূপ নেয়। এই দ্বন্দ্ব থেকে সমাজকে বিশৃঙ্খলা ও হিংসা থেকে মুক্ত রাখতে এবং প্রত্যেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কিছু সাধারণ নিয়ম ও আইনি বাধ্যবাধকতা প্রয়োজন। তবে মনে রাখতে হবে, এই অবরোধগুলো যেন যুক্তিগ্রাহ্য ও ন্যূনতম হয়। একটি আদর্শ স্বাধীন সমাজ হবে সেটিই, যেখানে সর্বনিম্ন সামাজিক বাধার মধ্য দিয়ে ব্যক্তি তার অন্তর্নিহিত শক্তির সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top