Class 11 Political Science Important Chapter 11 রাজনৈতিক তত্ত্ব: এক ভূমিকা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Political Science Important Chapter 11 রাজনৈতিক তত্ত্ব: এক ভূমিকা Solutions and select need one. Class 11 Political Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Political Science Important Notes Bengali Medium.
Class 11 Political Science Important Chapter 11 রাজনৈতিক তত্ত্ব: এক ভূমিকা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Political Science Important Solutions in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Political Science Additional Notes in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
রাজনৈতিক তত্ত্ব: এক ভূমিকা
Chapter: 11
| Part – 2: রাজনৈতিক তত্ত্ব |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। মানুষ অন্য সব প্রাণী থেকে কোন দুটি বিষয়ে অদ্বিতীয়?
উত্তরঃ মানুষ অন্য সব প্রাণীদের থেকে অদ্বিতীয় কারণ তারা বিচারশক্তির অধিকারী এবং তারা ভাষা ব্যবহার করে নিজেদের মনের চিন্তা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারে।
২। মহাত্মা গান্ধী রাজনীতি সম্পর্কে কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন যে রাজনীতি আমাদের সাপের কুণ্ডলীর মতো জড়িয়ে আছে এবং লড়াই করে এর থেকে বেরিয়ে আসা ছাড়া আমাদের আর কোনো গতি নেই।
৩। রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রধান কাজ কী?
উত্তরঃ রাজনৈতিক তত্ত্ব স্বাধীনতা, সমতা এবং ন্যায়পরায়ণতার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলোর অর্থ এবং আমাদের জীবনে এগুলোর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে।
৪। আধুনিক যুগে কে প্রথম মানুষের স্বাধীনতাকে নৈতিক অধিকার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন?
উত্তরঃ আধুনিক যুগে ফরাসি দার্শনিক রুশো প্রথম মানুষের স্বাধীনতাকে একটি নৈতিক অধিকার বলে বর্ণনা করেছিলেন।
৫। ‘হিন্দ স্বরাজ’ বইটি কার লেখা?
উত্তরঃ ‘হিন্দ স্বরাজ’ নামক বিখ্যাত বইটি মহাত্মা গান্ধীর লেখা।
৬। সমতা সম্পর্কে কার্ল মার্ক্স কী যুক্তি দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ কার্ল মার্ক্স যুক্তি দিয়েছিলেন যে মানুষের জন্য সমতা স্বাধীনতার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
৭। ডঃ বি আর আম্বেদকর ভারতীয় সংবিধানে কোন বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ ডঃ আম্বেদকর অনুসূচীত জাতিদের সংখ্যালঘু হিসেবে গণ্য করে তাদের জন্য বিশেষ সুরক্ষার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন যা সংবিধানে স্থান পেয়েছে।
৮। প্লেটোর বিখ্যাত বইটির নাম কী?
উত্তরঃ গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর বিখ্যাত বইটির নাম হলো ‘রিপাবলিক’।
৯। রাজনৈতিক তত্ত্ব পড়ার একটি অন্যতম উদ্দেশ্য কী?
উত্তরঃ রাজনৈতিক তত্ত্বের প্রধান উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের রাজনৈতিক বিভিন্ন প্রশ্ন সম্বন্ধে যুক্তিগতভাবে চিন্তা করার অনুশীলন দেওয়া।
১০। রাজনীতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ধারণাটি কী?
উত্তরঃ অনেক মানুষ রাজনীতিকে একটি ‘নোংরা খেলা’ বা ব্যক্তিস্বার্থ সিদ্ধির অসাধু পন্থা হিসেবে মনে করে এর থেকে দূরে থাকতে চান।
১১। আমাদের সমাজে কেন সরকারের প্রয়োজন হয়?
উত্তরঃ একটি সমাজকে স্থায়ীভাবে এবং সুশৃঙ্খলভাবে চালানোর জন্য এবং সদস্যদের নানা চাহিদা ও স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রয়োজন হয়।
১২। ‘নেটিজেন’ কাদের বলা হয়?
উত্তরঃ যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং অনলাইনে নিয়মিত সক্রিয় থাকেন, তাদের ‘নেটিজেন’ বলা হয়।
১৩। সক্রেটিসের ন্যায়ের সংজ্ঞা সম্পর্কিত বিতর্কে তাঁর বন্ধুর নাম কী ছিল?
উত্তরঃ রাজনৈতিক তত্ত্ব: একটি ভূমিকা,প্লেটোর বর্ণনায় সক্রেটিসের ন্যায়ের সংজ্ঞা সম্পর্কিত আলোচনায় তাঁর বন্ধুর নাম ছিল ছোপালাস।
১৪। রাজনৈতিক তত্ত্ব কি কেবল রাজনীতিবিদদের জন্য প্রয়োজনীয়?
উত্তরঃ না,রাজনৈতিক তত্ত্ব কেবল রাজনীতিবিদদের জন্য নয়,বরং ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে সকল ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
১৫। ন্যায়ের ধারণা কেন একটি জটিল বিষয়?
উত্তরঃ ন্যায়ের ধারণা জটিল কারণ সমতা বা স্বাধীনতার সংজ্ঞা পরিস্থিতি সময় এবং মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা আলাদা হতে পারে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। রাজনীতি বলতে কী বোঝায়? রাজনীতি কি কেবল রাজনীতিবিদদের কাজ? আলোচনা করো।
উত্তরঃ রাজনীতি একটি অত্যন্ত ব্যাপক বিষয় এবং এটি নিয়ে মানুষের মনে বিভিন্ন ধারণা রয়েছে। রাজনীতিবিদ বা যারা ভোটে দাঁড়ান, তারা বলেন রাজনীতি হলো জনগণের সেবা। কিন্তু সাধারণ মানুষ অনেক সময় রাজনীতিকে ব্যক্তিস্বার্থ সিদ্ধির জন্য করা একটি ‘নোংরা খেলা’ হিসেবে দেখে।
মহাত্মা গান্ধীর মতে,রাজনীতি সমাজকে সাপের কুণ্ডলীর মতো জড়িয়ে রেখেছে, যা থেকে মুক্তি পাওয়া অসম্ভব। প্রকৃতপক্ষে, রাজনীতি কেবল রাজনীতিবিদদের কাজ নয়। একটি সমাজকে স্থায়ীভাবে চালানোর জন্য এটি একটি অপরিহার্য অঙ্গ। সরকারের বিভিন্ন নীতিযেমন—শিক্ষা,
অর্থনীতি বা বিদেশের সাথে সম্পর্ক—সরাসরি আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে। যখন সাধারণ মানুষ সরকারের কোনো ভুল নীতির প্রতিবাদ করে, দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করে বা সভা-সমিতি করে,তখন তারাও রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। তাই রাজনীতি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মানুষ সমষ্টিগতভাবে নিজেদের এবং সমাজের মঙ্গলের জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
২। রাজনৈতিক তত্ত্ব পড়ার প্রয়োজনীয়তা বা প্রাসঙ্গিকতা সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ রাজনৈতিক তত্ত্ব পাঠের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা অপরিসীম। এর প্রধান কারণগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
প্রথমত, সচেতন নাগরিক ও ভোটার হিসেবে ভূমিকা: আমরা সবাই ভবিষ্যতে ভারতের পূর্ণবয়স্ক নাগরিক হব এবং ভোটাধিকার লাভ করব। দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমাদের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকবে। তাই রাজনৈতিক ধারণা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো সম্বন্ধে সঠিক জ্ঞান থাকা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি যাতে আমরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আমাদের মতামত প্রতিফলিত করতে পারি।
দ্বিতীয়ত, আধুনিক ও সমসাময়িক সমস্যার ব্যাখ্যা: বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং অনলাইন স্বাধীনতার সীমা কতটুকু হওয়া উচিত—এসব জটিল প্রশ্ন আমাদের রাজনৈতিক তত্ত্বে খুঁজে পাওয়া যায়।
তৃতীয়ত,সামাজিক বৈষম্য ও কুসংস্কার দূরীকরণ: আমরা আমাদের পরিবার,স্কুল বা বাজারঘাটে প্রায়ই জাতি,ধর্ম,লিঙ্গ বা অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে বৈষম্যের শিকার হই। রাজনৈতিক তত্ত্ব আমাদের শেখায় যে সমতা,স্বাধীনতা বা ন্যায়পরায়ণতা আসলে কী এবং কীভাবে এই সামাজিক বাধাগুলো অতিক্রম করে একটি সুন্দর ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করা সম্ভব।
চতুর্থত,যুক্তিগত চিন্তা ও পরমতসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি: রাজনৈতিক তত্ত্ব কেবল তথ্য মুখস্থ করা নয়,বরং এটি আমাদের যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে শেখায়। কোনো একটি বিষয়ে আমাদের নিজস্ব মতামত থাকলেও তা কতটা যুক্তিসঙ্গত,তা আমরা বুঝতে পারি যখন অন্যের সাথে বিতর্ক বা আলোচনা করি।
পঞ্চমত,গণতন্ত্রের গুণগত মান উন্নয়ন: একটি গানের জলসায় যেমন শ্রোতারা শিক্ষিত ও সমঝদার হলে গায়কের প্রতিভা আরও ভালোভাবে প্রকাশিত হয়, ঠিক তেমনি সচেতন ও রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত নাগরিকরাই রাজনীতি ও প্রশাসনের মান উন্নত করতে পারে। যখন সাধারণ মানুষ যুক্তিনির্ভর এবং সতর্ক হয়,তখন রাজনীতিবিদরাও স্বার্থপর বা অসাধু পথ অবলম্বন করার সুযোগ কম পান।
৩। সক্রেটিস ন্যায়ের ধারণাটি কীভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন? প্লেটোর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহরের বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিস ন্যায়পরায়ণতার আসল অর্থ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন। প্লেটোর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে সক্রেটিস এবং তাঁর বন্ধু ছোপালাসের মধ্যে একটি বিতর্কের বর্ণনা পাওয়া যায়। ছোপালাস মনে করতেন যে সবসময় সত্য কথা বলা এবং অন্যের ঋণ পরিশোধ করাই হলো ন্যায়। কিন্তু সক্রেটিস একটি উদাহরণের মাধ্যমে এটি খণ্ডন করেন।
তিনি বলেন, যদি কোনো বন্ধু সুস্থ অবস্থায় আপনার কাছে একটি অস্ত্র গচ্ছিত রাখে এবং পরে বিকৃত মস্তিষ্কে সেটি ফেরত চায়,তবে তা ফেরত দেওয়া কি ন্যায়সঙ্গত হবে? ছোপালাস স্বীকার করেন যে তা ন্যায়সঙ্গত হবে না। এরপর আলোচনায় উঠে আসে যে বন্ধুর ভালো করা এবং শত্রুর অনিষ্ট করাই কি ন্যায়? সক্রেটিস যুক্তি দিয়ে দেখান যে, কাউকে আঘাত করা বা ক্ষতি করা কোনো ন্যায়পরায়ণ মানুষের কাজ হতে পারে না। তিনি প্রমাণ করেন যে ন্যায় হলো একটি মানবিক গুণ বা ধর্ম, যা মানুষের উন্নতি সাধন করে। এভাবে সক্রেটিস ন্যায়ের একটি গভীর নৈতিক অর্থ প্রতিষ্ঠা করেন যা কেবল আইন পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
৪। সমতা বা সাম্যের ধারণাটি কেন জটিল? বাস্তব জীবনের উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ সমতা বা সাম্যের ধারণাটি অত্যন্ত জটিল কারণ এর অর্থ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে বদলে যায়। আমরা যখন কোনো লাইনে দাঁড়াই, তখন আমরা আশা করি যে সবাই সমান সুযোগ পাবে অর্থাৎ ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ নিয়ম মেনে চলা হবে। কিন্তু যদি আমরা দেখি কোনো বৃদ্ধ বা শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য আলাদা লাইন বা বিশেষ ব্যবস্থার করা হয়েছে,তবে আমরা তাকেও ন্যায়সঙ্গত মনে করি। এর কারণ হলো বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। আবার বাস্তব জীবনের উদাহরণ দিলে দেখা যায়, অনেক গরিব শিশু বা দিনমজুরের সন্তান অর্থের অভাবে স্কুলে যেতে পারে না। সংবিধানে ‘শিক্ষার সমান অধিকার’ থাকলেও তাদের জন্য তা মূল্যহীন হয়ে পড়ে কারণ তাদের পেট চালানোর জন্য কাজ করতে হয়। এক্ষেত্রে কেবল ‘সমান সুযোগ’ যথেষ্ট নয়; সরকারের উচিত তাদের জন্য সম্পদ ও সুযোগের সুষম বণ্টন করা, যেমন—বিনামূল্যে খাবার বা চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সুতরাং, সমতার অর্থ কেবল সবার জন্য এক নিয়ম নয়,বরং সবার ন্যূনতম চাহিদা পূরণ এবং পরিস্থিতির ভিত্তিতে সুযোগ সৃষ্টি করা।
৫। রাজনৈতিক তত্ত্বে বির্তকের গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ রাজনৈতিক তত্ত্বে বিতর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা ছাত্র হিসেবে অনেক সময় বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের নিজস্ব মতামত পোষণ করি, কিন্তু সেই মতামতগুলো কতটা যুক্তিসঙ্গত তা আমরা সবসময় জানি না। একমাত্র যখন আমরা অন্যের সাথে কোনো বিষয় নিয়ে তর্ক বা বিতর্ক করি, তখনই আমরা আমাদের নিজস্ব চিন্তাধারাকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় যুক্তি ও প্রমাণ খুঁজে পাওয়ার তাগিদ অনুভব করি। রাজনৈতিক তত্ত্ব ন্যায় বা সাম্য সম্পর্কে প্রচলিত বিভিন্ন সুবিন্যস্ত চিন্তাধারাকে বিশ্লেষণ করে আমাদের সাহায্য করে, যাতে আমরা আমাদের মতামতকে আরও জোরালোভাবে এবং যৌক্তিকভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারি। এই বিতর্কের মাধ্যমেই আমরা অন্যের মতের প্রতি সহনশীল হতে শিখি এবং বিশ্বব্যাপী তথ্যের আদান-প্রদানে নিজেদের দক্ষ করে তুলি।


