Class 11 Bengali MIL Important Chapter 9 জুবিন গাৰ্গ: এক কিংবদন্তি

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 9 জুবিন গাৰ্গ: এক কিংবদন্তি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 9 জুবিন গাৰ্গ: এক কিংবদন্তি Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 9 জুবিন গাৰ্গ: এক কিংবদন্তি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 9

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘জুবিন গর্গ: এক কিংবদন্তি’ পাঠটি অনুসারে বিখ্যাত শিল্পী জুবিন গর্গ কবে এবং কোথায় প্রয়াত হন?

উত্তরঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে (১৪৩২ ভাস্করাব্দের ২ আশ্বিন, শুক্রবার) জুবিন গর্গ সুদূর সিঙ্গাপুরে প্রয়াত হন।

২। জুবিন গর্গের পিতা কার নামানুসারে তাঁর নামকরণ করেছিলেন?

উত্তরঃ জুবিন গর্গের পিতা প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক জুবিন মেহতার নামানুসারে তাঁর নাম ‘জুবিন বোরঠাকুর’ রেখেছিলেন।

৩। জুবিন বোরঠাকুর কীভাবে ‘জুবিন গর্গ’ নামটি গ্রহণ করেন?

উত্তরঃ পরবর্তীতে তিনি ‘বোরঠাকুর’ উপাধি ত্যাগ করে নিজের গোত্র ‘গর্গ’-কে নামের পরবর্তী অংশ হিসেবে ব্যবহার করে ‘জুবিন গর্গ’ নাম গ্রহণ করেন।

৪। জুবিন গর্গের প্রথম সংগীত অ্যালবাম কোনটি এবং এটি কবে প্রকাশিত হয়?

উত্তরঃ জুবিন গর্গের প্রথম সংগীত অ্যালবাম ছিল ‘অনামিকা’, যা ১৯৯২ সালে সহশিল্পী কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গে প্রকাশিত হয়।

৫। কত সালে এবং কোন অ্যালবামের মাধ্যমে জুবিন গর্গ প্রথম বিহু গানে কণ্ঠ দান করেন?

উত্তরঃ ১৯৯৫ সালে ‘উজান পিরীতি’ নামের অ্যালবামের মাধ্যমে জুবিন গর্গ প্রথম বিহু গানে কণ্ঠ দান করেন।

৬। জুবিন গর্গের গাওয়া সর্বাধিক জনপ্রিয় হিন্দি গান কোনটি এবং এটি কোন চলচ্চিত্রের গান?

উত্তরঃ জুবিন গর্গের গাওয়া সর্বাধিক জনপ্রিয় হিন্দি গান হলো ২০০৬ সালের ‘গ্যাংস্টার’ চলচ্চিত্রের ‘য়া আলী’ গানটি।

৭। ‘য়া আলী’ গানের জন্য জুবিন গর্গ কোন কোন সম্মানজনক পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তরঃ ‘য়া আলী’ গানের জন্য ২০০৬ সালে তিনি নেপথ্য গায়ক হিসেবে ‘Global Indian Film Award’ (GIFA) এবং ‘Stardust’ পুরস্কার লাভ করেন।

৮। জুবিন গর্গ কতগুলি ভাষায় গান গেয়েছেন এবং সংগীত জীবনে তাঁর মোট গানের সংখ্যা আনুমানিক কত?

উত্তরঃ জুবিন গর্গ প্রায় চল্লিশটিরও বেশি ভাষা ও উপভাষায় গান গেয়েছেন এবং ৩৩ বছরের সংগীত জীবনে প্রায় ৩৮ হাজারের বেশি গান উপহার দিয়েছেন।

৯। জুবিন গর্গের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কোথায় সম্পন্ন হয়েছিল?

উত্তরঃ জুবিন গর্গের শিক্ষা জীবন শুরু হয় জোরহাটের কারমেল স্কুলে, তিনি তামুলপুর উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক এবং জে.বি. মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চতর মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

১০। জুবিন গর্গের শৈশবে প্রথম সংগীত গুরু কে ছিলেন?

উত্তরঃ শৈশবে জুবিন গর্গের প্রথম সংগীত গুরু ছিলেন তাঁর মা।

১১। কার কাছ থেকে জুবিন গর্গ তবলা শিক্ষা লাভ করেছিলেন?

উত্তরঃ পণ্ডিত রবিন ব্যানার্জির কাছ থেকে জুবিন গর্গ তবলা শিক্ষা লাভ করেছিলেন।

১২। জুবিন গর্গ কত সালে বাংলা সংগীত জগতে প্রবেশ করেন?

উত্তরঃ ২০০৩ সালে জুবিন গর্গ বাংলা সংগীত জগতে প্রবেশ করেন।

১৩। কোন নন-ফিচার চলচ্চিত্রের জন্য জুবিন গর্গ শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালকের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন?

উত্তরঃ ২০০৯ সালে ‘ইকোজ অফ সাইলেন্স’ নামের নন-ফিচার চলচ্চিত্রের জন্য তিনি ৫৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালকের সম্মান অর্জন করেন।

১৪। জুবিন গর্গ কত সালে এবং কাকে বিবাহ করেন?

উত্তরঃ ২০০২ সালে জুবিন গর্গ ফ্যাশন ডিজাইনার গরিমা শইকীয়াকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

১৫। জুবিন গর্গ প্রযোজিত ও পরিকল্পিত শেষ চলচ্চিত্রের নাম কী এবং এটি কবে মুক্তি পায়?

উত্তরঃ জুবিন গর্গের প্রযোজনা ও পরিকল্পনায় তৈরি শেষ চলচ্চিত্রটির নাম ‘রৈ রৈ বিনালে’, যা তাঁর মৃত্যুর পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে মুক্তি পায়।

দীর্ঘ প্রশ্নউত্তর

১। সংগীত জগতে জুবিন গর্গের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ সংগীত জগতে জুবিন গর্গের অবদান অতুলনীয়। ৩৩ বছরের দীর্ঘ সংগীত জীবনে (১৯৯২-২০২৫) তিনি ৩৮ হাজারের বেশি গান উপহার দিয়েছেন। ১৯৯২ সালে ‘অনামিকা’ অ্যালবামের মাধ্যমে তাঁর সংগীত যাত্রা শুরু হয় এবং ১৯৯৫ সালে ‘উজান পিরীতি’ অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি বিহু গানে কণ্ঠ দেন। তিনি মূলত অসমীয়া, বাঙালি ও হিন্দি ভাষায় কাজ করলেও প্রায় ৪০টিরও বেশি ভাষা ও উপভাষায় গান গেয়েছেন। ২০০৬ সালে হিন্দি চলচ্চিত্র ‘গ্যাংস্টার’-এর ‘য়া আলী’ গানটি গেয়ে তিনি দেশব্যাপী বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন এবং GIFA ও Stardust পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া ‘ফিযা’, ‘কাঁটে’, ‘কৃশ ৩’ ইত্যাদি নানা চলচ্চিত্রে তিনি সুর দিয়েছেন ও গান গেয়েছেন। ২০০৯ সালে ‘ইকোজ অফ সাইলেন্স’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনি একাধারে কণ্ঠশিল্পী, সুরকার, গীতিকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন এবং বারোটি বাদ্যযন্ত্র অনায়াসে বাজাতে পারতেন।

২। অসমীয়া চলচ্চিত্র জগতে জুবিন গর্গের ভূমিকা ও অবদান উল্লেখ করো।

উত্তরঃ অসমীয়া সিনেমার দুরবস্থা দেখে জুবিন গর্গ অসমীয়া চলচ্চিত্রকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আমৃত্যু প্রচেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। অভিনয় শিল্পেও তাঁর অসাধারণ বুৎপত্তি ছিল। ২০০০ সালে ‘তুমি মোর মাথোঁ মোর’ চলচ্চিত্রের প্রযোজনা, পরিচালনা, অভিনয় ও সংগীত পরিচালনা তিনি নিজেই করেছিলেন। এর পরবর্তীকালেও তিনি বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় ও সংগীত পরিচালনা করে অসমীয়া চলচ্চিত্রকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। তাঁর স্বপ্নের সৃষ্টি এবং প্রযোজিত শেষ চলচ্চিত্র ‘রৈ রৈ বিনালে’, যা তাঁর মৃত্যুর পর নির্ধারিত ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এবং অসমীয়া চলচ্চিত্রের সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গকারী ও অত্যন্ত সমাদৃত চলচ্চিত্র হিসেবে পরিগণিত হয়।

৩। মানবতাবাদী ও সমাজসেবক হিসেবে জুবিন গর্গের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ জুবিন গর্গ কেবল একজন মহান শিল্পীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন অত্যন্ত মানবপ্রেমী এবং প্রকৃত অর্থে একজন সমাজসেবক। তিনি নিজেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’ বলে পরিচয় দিতেন। প্রতিদিন তিনি বহু গরিব-দুঃখী মানুষকে চিকিৎসা, পড়াশোনা এবং আর্থিক অনটনের ক্ষেত্রে কোনো ভেদাভেদ না করে অকাতরে নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে সাহায্য করতেন। মঞ্চে গান পরিবেশনের ফাঁকে ফাঁকে তিনি জীবনদর্শন, আসামের সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতি বিষয়ে মানুষকে ইতিবাচক বার্তা দিতেন। বিপদে-আপদে যেকোনো শিল্পী, কলাকৌশলী বা সমাজকর্মী তাঁর শরণাপন্ন হলে তিনি তাঁদের সাহস ও প্রেরণার উৎস হয়ে পাশে দাঁড়াতেন।

৪। জুবিন গর্গের শিক্ষা, সংগীত সাধনা এবং বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দাও।

উত্তরঃ জোরহাটের কারমেল স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে জুবিন গর্গ তামুলপুর উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক এবং জে.বি. মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চতর মাধ্যমিক পাস করেন। গুয়াহাটির বি. বোরুয়া মহাবিদ্যালয়ে বিজ্ঞানে স্নাতক স্তরে ভর্তি হলেও সংগীত সাধনার টানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সেখানেই সমাপ্ত করেন। শৈশবে তিন বছর বয়সে মায়ের কাছ থেকে সংগীতের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় এবং কিশোর বয়সে রাতে নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে হারমোনিয়াম বাজিয়ে তিনি দীর্ঘ রিয়াজ করতেন। পণ্ডিত রবিন ব্যানার্জির কাছে তিনি তবলা শেখেন এবং পরবর্তীতে আনন্দ লহরী, ঢোল, দোতারা, গিটার, ম্যানডোলিন, কি-বোর্ড সহ প্রায় বারোটি বাদ্যযন্ত্র বাজানোয় পারদর্শী হন। কণ্ঠশিল্পী ছাড়াও তিনি গীতিকার, সুরকার, পরিচালক, অভিনেতা, প্রযোজক, কবি ও সমাজসেবক হিসেবে নিজের বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় রেখে গেছেন।

৫। জুবিন গর্গের প্রয়াণ এবং তাঁর অন্তিম যাত্রায় জনগণের আবেগ ও জনসমুদ্রের বিবরণ দাও।

উত্তরঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে সিঙ্গাপুর থেকে জুবিন গর্গের আকস্মিক প্রয়াণের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সমগ্র আসাম, ভারত তথা বিদেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর মৃত্যুতে আসামের স্বতঃস্ফূর্তভাবে দোকানপাট, উৎসবের আয়োজন বন্ধ হয়ে যায় এবং অগণিত মানুষ গুয়াহাটির রাজপথে নেমে আসেন। আসামীয়দের অতি প্রিয়জন বা “হিয়ার আমঠুর” জুবিন গর্গের অন্তিম যাত্রায় যে বিপুল জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়েছিল, তা মাইকেল জ্যাকসন, পোপ ফ্রান্সিস এবং রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের পর বিশ্বের চতুর্থ সর্ববৃহৎ অন্তিম যাত্রা হিসেবে রেকর্ড গড়ে তোলে। মৃত্যুর পরেও তিনি এক ঐক্যবদ্ধ আসাম সমাজ এবং শিল্পীর প্রতি জনগণের ভালোবাসার চরম নিদর্শন রেখে গেছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top