Class 11 Bengali MIL Important Chapter 8 কেউ কথা রাখেনি

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 8 কেউ কথা রাখেনি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 8 কেউ কথা রাখেনি Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 8 কেউ কথা রাখেনি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 8

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতাটি কার লেখা?

উত্তরঃ কবিতাটি কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা।

২। কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তরঃ কবিতাটি ‘বন্দী জেগে আছো’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

৪। ‘বন্দী জেগে আছো’ কাব্যগ্রন্থটি কত সনে প্রকাশিত হয়?

উত্তরঃ কাব্যগ্রন্থটি ১৩৭৫ সনের ফাল্গুন মাসে প্রকাশিত হয়।

৫। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদনা করতেন এমন একটি বিখ্যাত কবিতাপত্রের নাম কী?

উত্তরঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ‘কৃত্তিবাস’ নামক কবিতাপত্রের সম্পাদক ছিলেন।

৬। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম উপন্যাসের নাম কী?

উত্তরঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম উপন্যাসের নাম হলো ‘আত্মপ্রকাশ’।

৭। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কোন দুটি উপন্যাস প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্রায়িত করেন?

উত্তরঃ তাঁর ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ এবং ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ উপন্যাস দুটি সত্যজিৎ রায় কর্তৃক চলচ্চিত্রায়িত হয়।

৮। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা একটি উল্লেখযোগ্য কিশোর সাহিত্যের নাম লেখো।

উত্তরঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা একটি উল্লেখযোগ্য কিশোর সাহিত্য হলো ‘সবুজ দ্বীপের রাজা’।

৯। কবি জয় গোস্বামী সুনীলের প্রয়াণে কোন কবিতাটি লিখেছিলেন?

উত্তরঃ কবি জয় গোস্বামী সুনীলের প্রয়াণে “২৫ অক্টোবর, ২০১২” শিরোনামে একটি কবিতা লিখেছিলেন।

১০। ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতায় কত বছর কেটে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ কবিতায় তেত্রিশ বছর কেটে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

১১। ভালোবাসলে বুকের মধ্যে কিসের গন্ধ হবে বলে বরুণা জানিয়েছিল?

উত্তরঃ সত্যিকারের ভালোবাসলে বুকের মধ্যে আতরের গন্ধ হবে বলে বরুণা জানিয়েছিল।

১২। ভালোবাসার জন্য কবি বিশ্বসংসার খুঁজে কতগুলি নীলপদ্ম এনেছিলেন?

উত্তরঃ ভালোবাসার জন্য কবি বিশ্বসংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে ১০৮টি নীলপদ্ম এনেছিলেন।

১৩। ‘বোষ্টমী’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘বোষ্টমী’ শব্দের অর্থ হলো বৈষ্ণব সম্প্রদায়ভুক্ত মহিলা।

১৪। ‘সুবর্ণ কঙ্কণ’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘সুবর্ণ কঙ্কণ’ শব্দটির অর্থ হলো সোনার চুড়ি।

১৫। ‘চন্দ্রভুক অমাবস্যা’ শব্দবন্ধটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তরঃ ‘চন্দ্রভুক’ বলতে বোঝায় যে চাঁদকে ভক্ষণ করে এবং অমাবস্যায় চাঁদের চিহ্ন না থাকায় কবি এই শব্দবন্ধটি নির্মাণ করেছেন।

দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর। 

১। ‘কেউ কথা রাখেনি’ পাঠ্যাংশের অনুসরণে কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যকীর্তি ও লেখক-পরিচিতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

উত্তরঃ কবি ও কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত কবিতাকে আশ্রয় করে সাহিত্যজগতে আসেন এবং বিখ্যাত ‘কৃত্তিবাস’ কবিতাপত্রের সম্পাদক ছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘একা এবং কয়েকজন’, ‘আমার স্বপ্ন’, ‘বন্দী জেগে আছো’, ‘এসেছি দৈব পিকনিকে’ প্রভৃতি। গদ্য রচয়িতা হিসেবেও তিনি বিপুল খ্যাতি লাভ করেন; তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘আত্মপ্রকাশ’ এবং সত্যজিৎ রায় কর্তৃক চলচ্চিত্রায়িত ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ ও ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া ‘সবুজ দ্বীপের রাজা’-র মতো বিখ্যাত কিশোর সাহিত্য রচনাতেও তিনি অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ২০১২ সালে প্রয়াত হন।

২। ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতার উৎস, মূল বিষয়বস্তু এবং পাঠ নির্বাচনের উদ্দেশ্য আলোচনা করো।

উত্তরঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বহুল পঠিত ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতাটি তাঁর ‘বন্দী জেগে আছো’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত, যা ১৩৭৫ সনের ফাল্গুন মাসে প্রকাশিত হয়। কবিতাটিতে ব্যক্তিসত্তার গভীর অনুভূতি, স্মৃতি ও না-পাওয়ার বেদনা ফুটে উঠেছে। জীবনের তেত্রিশটি বছর পার করার পর কবি উপলব্ধি করেছেন যে মানুষের প্রতিশ্রুতি না-রাখার যে ব্যক্তিগত যন্ত্রণা, তা আসলে সর্বজনীন। পার করে আসা অসময়ের স্মৃতির মধ্যে নস্টালজিয়া ও আবেগ জড়িয়ে থাকে। অত্যন্ত সরল ভাষা ও সাবলীল প্রকাশভঙ্গির মাধ্যমে পাঠকদের কবি সুনীলের কাব্যশৈলীর সঙ্গে পরিচয় করানোই এই পাঠ নির্বাচনের প্রধান উদ্দেশ্য।

৩। “ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়েছি”— কবিতায় ভালোবাসার জন্য কবি কী কী দুঃসাহসিক কাজ করেছিলেন এবং তার পরিণতি কী হয়েছিল?

উত্তরঃ কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতায় কবি বরুণার ভালোবাসার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখেছিলেন। তিনি দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল কাপড় বেঁধেছেন এবং বিশ্বসংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে ১০৮টি নীলপদ্ম জোগাড় করে এনেছিলেন। বরুণা কবিকে বলেছিল যে যেদিন কবি তাকে সত্যিকারের ভালোবাসবেন, সেদিন বরুণার বুকেও আতরের সুবাস হবে। কিন্তু এত ত্যাগ ও দুঃসাহসিক কাজের পরও বরুণা কবিকে দেওয়া কথা রাখেনি। অবশেষে কবি আক্ষেপ করে দেখেছেন যে বরুণার বুকে শুধুই মাংসের গন্ধ রয়ে গেছে এবং সে অন্য সাধারণ নারীর মতোই রয়ে গেছে।

৪। ‘কেউ কথা রাখেনি’ কবিতার পাঠ বিশ্লেষণ অনুসারে নস্টালজিয়া, স্মৃতি এবং “কেউ কথা রাখে না” সিদ্ধান্তের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ ‘কেউ কথা রাখেনি’ পাঠ বিশ্লেষণের আলোচনায় দেখা যায় যে মানুষ স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে থাকতে চায় এবং পার করে আসা জীবনের অসময়ের রোন্থনে নস্টালজিয়ার এক গভীর আনন্দ লুকিয়ে থাকে। কবিতাটির শেষে কবি যখন “কেউ কথা রাখে না” এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন, তখন তিনি কেবল নিজের ব্যক্তিগত জীবনের ব্যর্থতাকে প্রকাশ করেন না; বরং ব্যক্তি থেকে সমষ্টির সার্বিক অভিজ্ঞতায় পৌঁছান। নিজের ব্যক্তিগত না-পাওয়াগুলিকে জীবনের সহজ সত্য হিসেবে মেনে নেওয়ার মধ্যেই এই কবিতাটির মূল শক্তি ও সৌন্দর্য নিহিত।

৫। কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রয়াণে কবি জয় গোস্বামী যে কবিতাটি লিখেছিলেন, সেটির সারমর্ম লেখো।

উত্তরঃ ২০১২ সালের শরৎকালে কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রয়াণে প্রখ্যাত কবি জয় গোস্বামী “২৫ অক্টোবর, ২০১২” শিরোনামে একটি শোককবিতা রচনা করেন। সেই কবিতার উপসংহারে কবি জয় গোস্বামী প্রকাশ করেন যে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় শারীরিকভাবে না থাকলেও মানুষের মুখে মুখে তাঁর বিষণ্ন স্মৃতি চিরকাল রয়ে যাবে। কবি সুনীল যে স্নেহের ডালা তুলে দিয়েছিলেন, তা অহং-এর জ্বরে ভেসে গেলেও তাঁর বিপুল খ্যাতির পাশে অন্য সবার নাম ধূলিকণার মতো বিলীন হয়ে যায় এবং শোকের সুযোগ না পেয়ে অনুশোচনায় পুড়ে মরে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top