Class 11 Bengali MIL Important Chapter 5 বছিরদ্দি মাছ ধরিতে যায় Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 5 বছিরদ্দি মাছ ধরিতে যায় Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.
Class 11 Bengali MIL Important Chapter 5 বছিরদ্দি মাছ ধরিতে যায়
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
বছিরদ্দি মাছ ধরিতে যায়
Chapter: 5
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘বছিরদ্দি মাছ ধরিতে যায়’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তরঃ কবিতাটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন- এর লেখা।
২। জসীমউদ্দীন কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ কবি ১৯০৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। কবির পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কবির পিতার নাম ছিল মৌলভী আনসারউদ্দীন মোল্লা।
৪। জসীমউদ্দীন কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ তিনি ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেয়েছিলেন।
৫। ‘নকশী কাঁথার মাঠ’-এর ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
উত্তরঃ এর ইংরেজি অনুবাদের নাম হলো ‘The Field of the Embroidered Quilt’।
৬। কবি জসীমউদ্দীন কত সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা পাস করেন?
উত্তরঃ তিনি ১৯২১ সালে হিতৈষী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা পাস করেন।
৭। কবি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ.পাস করেন?
উত্তরঃ কবি ১৯৩৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম.এ. পাস করেন।
৮। কবির লেখা একটি বিখ্যাত কবিতার নাম লেখো যা তিনি দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় লিখেছিলেন?
উত্তরঃ সেই বিখ্যাত কবিতাটির নাম হলো ‘কবর’।
৯। ‘বছিরদ্দি মাছ ধরিতে যায়’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ কবিতাটি কবির ‘হাসু’ নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
১০। বছিরদ্দি মাছ ধরার জন্য হাতে কী নিয়েছিল?
উত্তরঃ বছিরদ্দি এক হাতে তীক্ষ্ণ টেঁটা এবং অন্য হাতে মশাল নিয়েছিল।
১১। বিলে মাছেরা কীভাবে খেলা করছিল?
উত্তরঃ বিলের জলে রুই ও কাতল মাছেরা লাফালাফি করছিল এবং কৈ ও মাগুর মাছের দল আঁকাবাঁকা হয়ে সাঁতার কাটছিল।
১২। বছিরদ্দি চলাফেরা কবি কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ বছিরদ্দি একা জোর দাপটে বীরের মতো পথ চলে,যা দেখে যমদূতও ভয় পায় বলে কবি উল্লেখ করেছেন।
১৩। শ্যাওড়া বনে এবং তাল-তলায় কারা থাকে বলে কবিতায় উল্লেখ আছে?
উত্তরঃ শ্যাওড়া বনে পেত্নী নাচে এবং তাল-তলায় তাঁতির বউয়ের প্রেতাত্মা থাকে বলে উল্লেখ আছে।
১৪। ঝড়ের সময় তুফান কীভাবে ছোটে?
উত্তরঃ তুফান ক্ষিপ্ত ঘোড়ার মতো জোর দাপটে ছোটে।
১৫। কবি জসীমউদ্দীন কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ বিশিষ্ট এই কবি ১৯৭৬ সালের ১৪ই মার্চ দেহরক্ষা করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘বছিরদ্দি মাছ ধরিতে যায়’ কবিতায় মাছ ধরার সময়কার প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ কবি জসীমউদ্দীন কবিতায় বর্ষাকালের এক উত্তাল মধ্যরাতের বর্ণনা দিয়েছেন। রাত দুপুরে আকাশে মেঘের গুরুগুর শব্দ হয় এবং বিদ্যুৎ চমকিয়ে সারা পৃথিবী আলোকিত করে তোলে। প্রবল বৃষ্টি ঝরতে থাকে এবং ঝড়ো হাওয়া বা তুফান ক্ষিপ্ত ঘোড়ার মতো ছুটতে থাকে। এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বিলের জল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে,যেখানে রুই,কাতল, কৈ এবং মাগুর মাছের দল দাপিয়ে বেড়ায়। চারিদিকের অন্ধকার এবং প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও বশিরুদ্দিন মাছ ধরার নেশায় ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ে।
২। কবি জসীমউদ্দীনের শিক্ষাজীবন এবং কর্মজীবন সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ জসীমউদ্দীনের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফরিদপুরের অম্বিকা মাতার পাঠশালায় এবং পরে তিনি হিতৈষী স্কুল থেকে ১৯২১ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯২৯ সালে তিনি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে বি.এ. এবং ১৯৩৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম.এ. পাস করেন। তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে রামতনু লাহিড়ী সহকারী গবেষক হিসেবে। সেখানে তিনি দীনেশচন্দ্র সেন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উৎসাহে পল্লীগীতি সংগ্রহ করতে শুরু করেন। পরবর্তীকালে ১৯৩৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং ১৯৬১ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
৩। বছিরদ্দিনের সাহসিকতা কবিতায় কীভাবে ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ বছিরদ্দি একজন অত্যন্ত সাহসী ও বলবান যুবক। গভীর রাতে যখন আকাশ ভেঙে বৃষ্টি পড়ে এবং চারিদিকে বজ্রপাত হয়, তখন সাধারণ মানুষ ভয়ে ঘরে থাকে,কিন্তু বশিরুদ্দিন সেই দুর্যোগেই মাছ ধরতে বের হয়। পথে শ্যাওড়া বনের পেত্নী, তাল-তলার প্রেতাত্মা বা শ্মশানঘাটের পিশাচ কাউকেই সে ভয় পায় না। তাঁর দুই চোখে আগুনের মতো তেজ এবং শরীরে মহিষের মতো জোর রয়েছে। হাতে তীক্ষ্ণ টেঁটা এবং মশাল নিয়ে সে একা বীরের দাপটে বিলের পথে এগিয়ে যায়,যা তাঁর অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেয়।
৪। কবিতায় উল্লিখিত অলৌকিক বা অতিপ্রাকৃত উপাদানগুলির বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ কবি জসীমউদ্দীন পল্লী বাংলার লোকবিশ্বাসকে এই কবিতায় তুলে ধরেছেন। গভীর রাতে বিলের ধারে এবং নির্জন স্থানে নানা রকম ভূতের আনাগোনা দেখা যায়। যেমন— তাল-তলায় গলায় দড়ি দিয়ে মরা তাঁতির বউয়ের আত্মা, শ্যাওড়া বনে পেত্নীর নাচ,
হাজারাতলায় পিশাচের শিস দেওয়া এবং বিলের ধারে আগুনের মশাল নিয়ে ভূতেদের ঘুরে বেড়ানো। এছাড়া শ্মশানঘাটে পেত্নী নাচে এবং বটের শাখায় পিশাচেরা দোল খায় বলেও কবিতায় বর্ণনা করা হয়েছে। বশিরুদ্দিন এই সমস্ত অতিপ্রাকৃত ভয়কে উপেক্ষা করে নিজের গন্তব্যে এগিয়ে যায়।
৫। জসীমউদ্দীনকে কেন ‘পল্লীকবি’ বলা হয় এবং তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকীর্তিগুলি কী কী?
উত্তরঃ জসীমউদ্দীন বাংলার গ্রাম্য প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবন এবং পল্লী গাঁয়ের সুখ-দুঃখকে অত্যন্ত নিপুণভাবে তাঁর কবিতায় তুলে ধরেছেন,তাই তাঁকে ‘পল্লীকবি’ বলা হয়। তাঁর সাহিত্যকীর্তিগুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘নকশী কাঁথার মাঠ’, যা তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছিল। এছাড়া তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলি হলো ‘রাখালী’, ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘মাটির কান্না’ এবং শিশুদের জন্য লেখা ‘হাসু’। তাঁর কবিতায় গ্রাম বাংলার বর্ষার রূপ এবং সাধারণ মানুষের সাহসিকতা ও জীবনসংগ্রাম স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

