Class 11 Bengali MIL Important Chapter 4 বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 4 বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.
Class 11 Bengali MIL Important Chapter 4 বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তরঃ কবিতাটি কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা।
২। এই কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তরঃ কবিতাটি কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ এর অন্তর্গত।
৩। জীবনানন্দ দাশের জন্ম কত সালে এবং কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বরিশাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
৪। জীবনানন্দ দাশের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম ছিল সত্যানন্দ দাশগুপ্ত, যিনি বরিশাল ব্রাহ্মসমাজের সম্পাদক ছিলেন।
৫। কবির মাতার নাম কী ছিল এবং তিনি কি করতেন?
উত্তরঃ কবির মাতার নাম ছিল কুসুমকুমারী দাশ এবং তিনি কবিতা লিখতেন।
৬। কবির প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কী?
উত্তরঃ ১৯১৯ সালে ‘ব্রহ্মবাদী’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘বর্ষা আবাহন’ ছিল কবির প্রথম কবিতা।
৭। জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম হলো ‘ঝরা পালক’।
৮। কবিকে কী নামে বা আখ্যয়তায় অভিহিত করা হয়েছে?
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশকে বাংলা ভাষার ‘শুদ্ধতম কবি’ হিসেবে আখ্যয়িত করা হয়েছে।
৯। ডুমুর গাছের নিচে কোন পাখিকে বসে থাকতে দেখা যায়?
উত্তরঃ ডুমুর গাছের বড় পাতার নিচে ভোরের দোয়েল পাখি বসে থাকে।
১০। কবিতায় উল্লিখিত অন্তত তিনটি গাছের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবিতায় উল্লিখিত তিনটি গাছ হলো— জাম,বট ও কাঁঠাল।
১১। চাঁদ সওদাগর তাঁর মধুকর ডিঙা নিয়ে কোথায় গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ চাঁদ সওদাগর তাঁর মধুকর ডিঙা নিয়ে চম্পা নগরের কাছে গিয়েছিলেন।
১২। বেহুলা কোন নদীতে তাঁর ভেলা নিয়ে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ বেহুলা গাঙ্গুড় নদীর জলে তাঁর ভেলা নিয়ে গিয়েছিলেন।
১৩। ইন্দ্রের সভায় বেহুলা কার মতো নেচেছিলেন?
উত্তরঃ ইন্দ্রের সভায় বেহুলা ছিন্ন খঞ্জনার মতো নেচেছিলেন।
১৪। জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু কবে এবং কীভাবে হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর এক ট্রাম দুর্ঘটনায় কবির মৃত্যু হয়।
১৫। কবি কেন পৃথিবীর রূপ আর খুঁজতে চান না?
উত্তরঃ কবি বাংলার মুখ দেখেছেন বলে পৃথিবীর রূপ আর অন্য কোথাও খুঁজতে চান না।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’ কবিতায় কবির প্রকৃতিপ্রীতির যে পরিচয় পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশের ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’ কবিতাটি কবির গভীর দেশপ্রেম ও প্রকৃতিপ্রীতির এক অনন্য নিদর্শন। কবি মনে করেন বাংলার গ্রাম্য প্রকৃতি এতটাই সুন্দর ও বৈচিত্র্যময় যে,এই রূপ দেখার পর পৃথিবীর অন্য কোনো রূপ দেখার প্রয়োজন থাকে না। তিনি ভোরের অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুর গাছের পাতার নিচে দোয়েল পাখিকে বসে থাকতে দেখেন। তাঁর বর্ণনায় জাম,বট, কাঁঠাল, হিজল ও অশ্বত্থ গাছের রূপ নিবিড়ভাবে ফুটে উঠেছে। এমনকি তিনি বাংলার লৌকিক উপকথা ও পুরাণের মাধ্যমেও বাংলার প্রকৃতিকে উপলব্ধি করেছেন। কবির কাছে বাংলার নদী,মাঠ এবং ভাটফুল যেন তাঁর হৃদয়ের অনুভূতির সঙ্গে মিশে আছে, যা তাঁকে বাংলার মাটির প্রতি এক চিরন্তন আত্মিক টানে আবদ্ধ করে রাখে।
২। কবিতায় উল্লিখিত বেহুলার উপাখ্যানটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ কবিতায় কবি বাংলার প্রকৃতির অবিনশ্বরতাকে বেহুলার কাহিনীর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। একদিন বেহুলা মৃত স্বামী লখিন্দরকে নিয়ে গাঙ্গুড় নদীর জলে ভেলা ভাসিয়ে যাত্রা করেছিলেন। সেই যাত্রাপথে তিনি নদীর চড়ায় কৃষ্ণা দ্বাদশীর জোছনা মরতে দেখেছিলেন এবং ধানক্ষেতের পাশে অসংখ্য অশ্বত্থ ও বট গাছ দেখেছিলেন। তিনি হিজল-বট-তমালেল নীল ছায়া লক্ষ্য করেছিলেন। শেষে বেহুলা দেবলোকে বা ইন্দ্রের সভায় গিয়ে ছিন্ন খঞ্জনার মতো নেচে দেবতাদের সন্তুষ্ট করেন এবং মৃত স্বামীকে ফিরিয়ে আনেন। কবি দেখিয়েছেন যে, সেই অতি প্রাচীনকালেও বাংলার প্রকৃতি ঠিক এইরকমই মায়াময় ছিল, যা বেহুলাকেও মুগ্ধ করেছিল।
৩। জীবনানন্দ দাশের শিক্ষা ও সাহিত্য জীবনের সূচনা সম্পর্কে যা জানো লেখো।
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশের বাল্যশিক্ষা শুরু হয় তাঁর মায়ের কাছে বাড়িতেই। তিনি ১৯১৫ সালে ব্রজমোহন বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯১৭ সালে ব্রজমোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। এরপর কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বি.এ. এবং ১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এম.এ. পাশ করেন। সাহিত্য জীবনের শুরুতে ১৯১৯ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘বর্ষা আবাহন’ প্রকাশিত হয়। ধীরে ধীরে ‘কল্লোল’, ‘কালি ও কলম’, ‘প্রগতি’ প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর লেখা ছাপা হতে থাকে। ১৯২৭ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরা পালক’ প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি তাঁর পারিবারিক উপাধি ‘দাশগুপ্ত’ বদলে কেবল ‘দাশ’ লিখতে শুরু করেন। রবীন্দ্র-পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে তিনি অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে স্বীকৃত হন।
৪। চাঁদ সওদাগর ও তাঁর ‘মধুকর ডিঙা’র অনুষঙ্গটি কবিতায় কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তরঃ কবিতায় কবি চাঁদ সওদাগরের অনুষঙ্গ এনে বাংলার প্রকৃতির শাশ্বত রূপকে তুলে ধরেছেন। মনসামঙ্গল কাব্যের নায়ক চাঁদ সওদাগর যখন তাঁর ‘মধুকর ডিঙা’ নিয়ে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন, তখন তিনিও বাংলার এই অপরূপ রূপ দেখেছিলেন। তিনি দেখেছিলেন হিজল, বট ও তমাল গাছের নীল ছায়া যা আজও বাংলায় বর্তমান। কবি বলতে চেয়েছেন যে, মধ্যযুগের সেই বণিক যে নদী ও বনের রূপ দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন,সেই একই প্রকৃতি আজও কবির চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে আছে। এইভাবে কবি বর্তমানের সঙ্গে অতীতের এক সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন এবং দেখিয়েছেন যে বাংলার রূপ অপরিবর্তনীয়।
৫। “বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর”— এই চরণের মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ এই চরণের মাধ্যমে কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলার প্রকৃতির প্রতি তাঁর চরম মুগ্ধতা ও আত্মতৃপ্তি প্রকাশ করেছেন। কবির মতে, বাংলার গাছপালা (জাম,বট,কাঁঠাল,হিজল),পাখি (দোয়েল, শ্যামা, খঞ্জনা) এবং নদী-মাঠের যে রূপরাশি তাঁর চারপাশে ছড়িয়ে আছে, তা জগতের আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। বাংলার রূপ-রস-গন্ধের যে সমষ্টিগত মহিমা, কবি তাকেই ‘বাংলার মুখ’ বলে অভিহিত করেছেন। এই রূপ আস্বাদন করার পর তাঁর মনে পৃথিবীর অন্য কোনো প্রান্তের সৌন্দর্য দেখার আর কোনো আকাঙ্ক্ষা অবশিষ্ট নেই। বাংলার এই প্রাকৃতিক মায়ার মধ্যেই কবি পরম শান্তি ও পূর্ণতা খুঁজে পেয়েছেন, যা তাঁকে চিরদিনের জন্য বাংলার মাটির সঙ্গে বেঁধে রেখেছে।

