Class 11 Bengali MIL Important Chapter 3 বর্ষায় লোকের অবস্থা

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 3 বর্ষায় লোকের অবস্থা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 3 বর্ষায় লোকের অবস্থা Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 3 বর্ষায় লোকের অবস্থা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 3

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘বর্ষায় লোকের অবস্থা’ কবিতাটি কার লেখা?

উত্তরঃ কবিতাটি কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের লেখা।

২। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কত বঙ্গাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫ ফাল্গুন জন্মগ্রহণ করেন।

৩। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জন্ম কোথায় হয়েছিল?

উত্তরঃ কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জন্ম কাঁচরাপাড়ার বিখ্যাত বৈদ্য বংশে হয়েছিল।

৪। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পিতার নাম কী?

উত্তরঃ কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পিতার নাম হরিনারায়ণ।

৫। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের মাতার নাম কী?

উত্তরঃ কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের মাতার নাম শ্রীমতী দেবী।

৬। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছোটবেলায় কোথায় থাকতেন?

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছোটবেলায় কলকাতার জোড়াসাঁকোয় অবস্থিত মামাবাড়িতে থাকতেন।

৭। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কবিতা রচনায় কী ধরনের পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন?

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মুখে মুখে কবিতা রচনায় পারদর্শী ছিলেন এবং ব্যঙ্গাত্মক কবিতা রচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন।

৮। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পর্কে কী বলেছিলেন?

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, “যাহা আছে, ঈশ্বর গুপ্ত তাহার কবি। তিনি এই বাঙ্গালা সমাজের কবি”।

৯। ‘বর্ষায় লোকের অবস্থা’ কবিতায় ধনী ব্যক্তিদের দিন কীভাবে কাটে?

উত্তরঃ ধনী ব্যক্তিদের ভালো গাড়ি, ভালো বাড়ি এবং মনোরম আহার-বিহারে সুখে দিন কাটে।

১০। বর্ষায় দীন বা দরিদ্র মানুষের মুখে কী জোটে না?

উত্তরঃ বর্ষায় দীন মানুষের সামান্য মুড়িও জোটে না, কেবল জলপান করে থাকতে হয়।

১১। রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় দরিদ্র মানুষকে কে চোখ রাঙায়?

উত্তরঃ বহু রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় চৌকীদার তাদের চোখ রাঙিয়ে ধরে।

১২। কবিতায় বৃষ্টির ছুতো পেয়ে কোনটি একেবারে মাথায় উঠে বসেছিল?

উত্তরঃ বহুকালের পুরোনো ছেঁড়া জুতো বৃষ্টির ছুতো পেয়ে একেবারে মাথায় উঠে বসেছিল।

১৩। বর্ষার কারণে টোলে কতদিন পাঠ বন্ধ থাকে?

উত্তরঃ বর্ষার কারণে টোলে তিন মাস পাঠ বন্ধ থাকে।

১৪। ‘টোল’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘টোল’ শব্দটির অর্থ হলো গ্রামের পাঠশালা।

১৫। ‘হতবুদ্ধি’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘হতবুদ্ধি’ শব্দটির অর্থ হলো চিন্তা করার ক্ষমতা লোপ পাওয়া।

দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর।

। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তরঃ কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫ ফাল্গুন কাঁচরাপাড়ার বিখ্যাত বৈদ্য বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হরিনারায়ণ এবং মাতা শ্রীমতী দেবী। তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকোয় মামাবাড়িতে লালিত-পালিত হন এবং পাঠশালায় বিশেষ পড়াশোনা না করলেও মুখে মুখে কবিতা রচনায় পারদর্শী ছিলেন। চারপাশের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে তিনি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা রচনায় সিদ্ধহস্ত হয়ে ওঠেন।

২। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পর্কে কী মন্তব্য করেছিলেন এবং কেন?

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পর্কে বলেছিলেন, “যাহা আছে, ঈশ্বর গুপ্ত তাহার কবি। তিনি এই বাঙ্গালা সমাজের কবি। তিনি কলকাতা শহরের কবি। তিনি বাঙ্গালার গ্রামদেশের কবি”। কারণ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় উনিশ শতকের বাংলা সমাজ, বাস্তব ঘটনা এবং সাধারণ মানুষের জীবনের বাস্তব ছবি ফুটে উঠত। তিনি কৃত্রিমতার বদলে খাঁটি জিনিস পছন্দ করতেন এবং বাস্তবকে কবিতার মূল বিষয় করতেন।

৩। ‘বর্ষায় লোকের অবস্থা’ কবিতায় ধনী ও দরিদ্র মানুষের জীবনের বৈপরীত্য কীভাবে ফুটে উঠেছে?

উত্তরঃ কবিতায় দেখা যায় ধনী ব্যক্তিরা ভালো গাড়ি, ভালো বাড়িতে বাস করে এবং মনোরম আহার-বিহারে সুখে দিন কাটায়। অন্যদিকে, দরিদ্র বা দীন মানুষেরা চরম অর্থাভাবে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে এবং তাদের পেটে সামান্য মুড়িও জোটে না। কাজ শেষে রাতে বাড়ি ফেরার সময় চৌকীদার তাদের ভয় দেখায় এবং বর্ষায় তাদের কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়। এভাবে কবি ধনী ও দরিদ্রের জীবনের সুস্পষ্ট বৈপরীত্য ফুটিয়ে তুলেছেন।

৪। বর্ষাকালে খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট ও দৈন্যদশার কী বিবরণ কবিতায় পাওয়া যায়?

উত্তরঃ কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ‘বর্ষায় লোকের অবস্থা’ কবিতায় খেটে খাওয়া দীন ও সাধারণ মানুষের চরম সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৈন্যদশার নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে। বর্ষাকালে বিত্তশালীরা যখন ভালো বাড়ি ও মনোরম আহার-বিহারে সুখে দিন কাটায়, তখন খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষেরা পেটের অন্ন তো দূরের কথা, মুখে সামান্য মুড়িটুকুও পান না; কেবল জলপান করে তাঁদের দিন কাটাতে হয়। অর্থের অভাবে অভাবগ্রস্ত মানুষরা ‘হতবুদ্ধি’ বা উপায়হীন হয়ে পড়ে এবং জীবনধারণের জন্য বাধ্য হয়ে অন্যের জমিতে ঢুকে ঘাস কেটে বা ধান বুনে উপার্জনের চেষ্টা করে।

বর্ষায় তাঁদের শারীরিক কষ্টও চরম আকার ধারণ করে। সারা শরীরে কাদা মেখে এবং জলে মাথার পাগড়ি ভিজিয়ে খেটে খাওয়া বিলসাধা বা সাধারণ মানুষকে দিনপাত করতে হয়। সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পর বহু রাতে ছুটি পেয়ে যখন তারা কুটিরে ফেরার চেষ্টা করে, তখন চৌকীদার চোখ রাঙিয়ে তাদের ভয় দেখায় ও শাসায়। এছাড়া, চরম অভাবের কারণে নতুন জুতো কেনার সামর্থ্য না থাকায় তাঁদের বহুকালের পুরোনো ছেঁড়া জুতো বর্ষার জলের ছুতো পেয়ে একেবারে নষ্ট হয়ে মাথায় উঠে বসে। 

৫। বর্ষার প্রভাবে টোলের ছাত্র ও শিক্ষাব্যবস্থার কী পরিস্থিতি হয় আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘বর্ষায় লোকের অবস্থা’ কবিতায় কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বর্ষাকালের প্রভাবে প্রথাগত টোল বা গ্রাম্য পাঠশালার পঠনপাঠন এবং ছাত্রদের জীবনের এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। টোলের ছাত্ররা কোনো সামাজিক পাত্রাপাত্র বা ভেদাভেদ না বিচার করে কেবল বিদ্যাচর্চা ও পাঠ গ্রহণ করাকেই একমাত্র ধর্ম বলে মনে করে। ধনী বাবুদের চাটুকারিতা বা গুণগান না করায় অভাব-অনটনের মাঝে ভট্টাচার্য বা শিক্ষকদের দিন কাটাতে হয়।

বর্ষাকালের একটানা প্রবল বৃষ্টিপাত ও বাদলায় টোলের মধ্যে জল ঢুকে যায় এবং ছাত্র ও অধ্যাপকদের পড়াশোনার মূল সম্বল পুঁথিপত্র (বইপত্র) জলে ভেসে যাওয়ার উপক্রম হয়। প্রকৃতির এই প্রতিকূলতার কারণে টানা তিন মাস টোলে পঠনপাঠন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে, যাকে কবিতায় ‘রুদ্ধপাঠ’ বলা হয়েছে। তবে দীর্ঘ তিন মাস পড়াশোনা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ছাত্ররা হতাশ বা বিষণ্ণ হয় না। তারা পাঠ বন্ধ থাকার এই সময়টিতে অনাবিল আনন্দে গ্রামবাংলার জলমগ্ন হাট, ঘাট ও মাঠ ঘুরে বেড়ায় এবং বর্ষার নানা বিচিত্র পরিস্থিতি দেখে হেসে হেসে সময় কাটায়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top