Class 11 Bengali MIL Important Chapter 6 মায়াতরু

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 6 মায়াতরু Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 6 মায়াতরু Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 6 মায়াতরু

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 6

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘মায়াতরু’ কবিতাটি কার লেখা? 

উত্তরঃ কবিতাটি কবি অশোকবিজয় রাহার লেখা।

২। অশোকবিজয় রাহা কত সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন? 

উত্তরঃ কবি অশোকবিজয় রাহা ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

৩। কবি অশোকবিজয় রাহার আদি নিবাস কোথায় ছিল? 

উত্তরঃ কবির আদি নিবাস ছিল ঢাকার দক্ষিণ রাহা-পরিবারে। 

৪। ‘মায়াতরু’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত? 

উত্তরঃ কবিতাটি কবির ‘ভানুমতীর মাঠ’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 

৫। ‘তরু’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘তরু’ শব্দের অর্থ হলো গাছ। 

৬। সন্ধ্যা হলে গাছটি কী করত? 

উত্তরঃ সন্ধ্যা হলেই গাছটি দু-হাত তুলে ভূতের নাচ জুড়ত। 

৭। কখন গাছটি ভালুক হয়ে যেত? 

উত্তরঃ বনের মাথায় যখন ঝিলিক মেরে মেঘ উঠত,তখন গাছটি ভালুক হয়ে যেত। 

৮। বৃষ্টির সময় গাছটির কী অবস্থা হতো? 

উত্তরঃ বৃষ্টি হলে গাছটি কম্প দিয়ে জ্বরের মতো কাঁপত। 

৯। এক পশলা বৃষ্টির শেষে যখন চাঁদ উঠত,তখন গাছটি দেখতে কেমন হতো? 

উত্তরঃ তখন গাছটি দেখতে লক্ষ্য হীরা মাছের মুকুটের মতো মনে হতো। 

১০। কবি অশোকবিজয় রাহা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি বিশ্বভারতীতে শিক্ষকতা করেছিলেন। 

১১। কবির লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো। 

উত্তরঃ কবির লেখা দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রুদ্রবসন্ত’ এবং ‘রক্তসন্ধ্যা’। 

১২। ‘আবছায়া’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘আবছায়া’ শব্দের অর্থ হলো অস্পষ্ট আলো বা আলো-আঁধারি। 

১৩। ভোরবেলা গাছটির নিচে কী পড়ে থাকতে দেখা যেত? 

উত্তরঃ ভোরবেলা গাছটির নিচে ঝিকির-মিকির আলোর রুপোলি এক ঝালর পড়ে থাকতে দেখা যেত। 

১৪। কবি অশোকবিজয় রাহা কত সালে পরলোকগমন করেন? 

উত্তরঃ কবি ১৯৯০ সালের ১৯ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। 

১৫। ‘গড়গড়’ শব্দটি কিসের আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে? 

উত্তরঃ ‘গড়গড়’ শব্দটি গলার গম্ভীর এবং ভীতিজনক আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘মায়াতরু’ নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। 

উত্তরঃ অশোকবিজয় রাহার ‘মায়াতরু’ কবিতায় একটি অদ্ভুত গাছের কথা বলা হয়েছে যা সময়ের সাথে সাথে নিজের রূপ পরিবর্তন করে। দিনের বিভিন্ন সময়ে আলোর পার্থক্যের কারণে গাছটি একেকবার একেক রূপ ধারণ করে। সন্ধ্যায় তাকে মনে হয় ভূতের মতো নাচছে,আবার বৃষ্টি এলে সে ভালুকের মতো ঘাড় ফুলিয়ে গরগর করে। এক পশলা বৃষ্টির পর যখন চাঁদ ওঠে,তখন তাকে লক্ষ্য হীরা মাছের মুকুটের মতো ঝলমলে দেখায়। আবার ভোরের অস্পষ্ট আলোয় তার এই সব রূপ অদৃশ্য হয়ে যায় এবং সেখানে কেবল আলোর এক রুপোলি ঝালর পড়ে থাকতে দেখা যায়। যেহেতু গাছটি জাদুকরের মতো বা মায়াবী ঢঙে ক্ষণে ক্ষণে তার রূপ বদলায়,তাই কবিতাটির নামকরণ ‘মায়াতরু’ অত্যন্ত সার্থক ও যথাযথ হয়েছে। 

২। “মুকুট হয়ে ঝাঁক বেঁধেছে লক্ষ্য হীরার মাছ”— কথাটি নিজের ভাষায় বুঝিয়ে দাও। 

উত্তরঃ এই পংক্তিটি কবি অশোকবিজয় রাহার ‘মায়াতরু’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবি বৃষ্টির পর রাতের প্রকৃতির এক মায়াবী বর্ণনা দিয়েছেন। কবির বর্ণনায়, যখন এক পশলা বৃষ্টি শেষ হয় এবং আকাশে চাঁদ ওঠে, তখন সেই মায়াবী গাছটির রূপ সম্পূর্ণ বদলে যায়। চাঁদের আলো যখন গাছের পাতায় জমা বৃষ্টির ফোঁটার ওপর পড়ে,তখন সেই জলবিন্দুগুলো হীরা বা উজ্জ্বল মণির মতো চকচক করে ওঠে। কবির কল্পনাপ্রবণ চোখে সেই উজ্জ্বল রূপটি দেখে মনে হয় যেন অসংখ্য হীরা মাছ গাছের মাথায় মুকুটের মতো ঝাঁক বেঁধে রয়েছে। আলোর প্রতিফলনে সৃষ্ট এই অদ্ভুত দৃশ্যটি বোঝাতেই কবি এই উপমাটি ব্যবহার করেছেন।

৩। ‘মায়াতরু’ কবিতায় কবি প্রকৃতির যে জীবন্ত চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন তা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ কবি অশোকবিজয় রাহা প্রকৃতিকে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন,যা তাঁর ‘মায়াতরু’ কবিতায় স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। তিনি গাছকে কেবল একটি জড় বস্তু হিসেবে না দেখে তাকে একটি জীবন্ত সত্তা হিসেবে কল্পনা করেছেন যা পরিবেশের সাথে সাথে বদলে যায়। কবির বর্ণনায় সন্ধ্যা, রাত, বৃষ্টি এবং ভোর— প্রতিটি সময়ের প্রকৃতির এক একটি আলাদা ছবি ফুটে উঠেছে। অরণ্য প্রকৃতির এই পরিবর্তনশীল রূপটি কবির কাছে কখনও ভূত, কখনও ভালুক,আবার কখনও রুপোলি ঝালরের মতো মনে হয়েছে। কবির এই অসাধারণ কল্পনাশক্তি এবং শব্দের নিপুণ ব্যবহারের মাধ্যমে একটি সাধারণ গাছ পাঠকদের কাছে এক জীবন্ত ও মায়াবী চরিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। 

৪। ভোরবেলার অস্পষ্ট আলোয় কবি কী কী দেখতে পান এবং কেন তিনি অবাক হন? 

উত্তরঃ ‘মায়াতরু’ কবিতার শেষ অংশে কবি ভোরবেলার এক অস্পষ্ট আলোর বর্ণনা দিয়েছেন। রাতভর যে গাছটি কখনও ভূত হয়ে নাচছিল বা কখনও ভালুক হয়ে কাঁপছিল,ভোর হওয়ার সাথে সাথে তার সেই বিচিত্র রূপগুলি অদৃশ্য হয়ে যায়। ভোরবেলা কবি দেখেন যে সেখানে কোনো মাছও নেই আর সেই গাছটিও আগের মতো নেই। তার বদলে সেখানে কেবল পড়ে আছে ঝিকির-মিকির আলোর এক ‘রুপোলি ঝালর’। রাতের সেই মায়াবী দৃশ্যগুলোর কোনো অস্তিত্ব সকালে না পেয়ে কবি অবাক হন এবং তিনি নিজে ভেবেই পান না যে আসলে কী কাণ্ড ঘটেছিল। আলোর পরিবর্তনের সাথে সাথে গাছটির এই ভোজবাজির মতো রূপবদল কবিকে বিস্মিত করে তোলে।

৫। কবি অশোকবিজয় রাহার সাহিত্যিক পরিচয় দাও। 

উত্তরঃ কবি অশোকবিজয় রাহা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের এক বিশিষ্ট কবি এবং প্রাবন্ধিক। তিনি প্রধানত প্রকৃতি-চেতনার কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর কবিতায় নদী,পাহাড় এবং অরণ্যের রূপ অত্যন্ত সজীব ও বৈচিত্র্যময়ভাবে ফুটে ওঠে। তিনি পেশায় একজন অধ্যাপক ছিলেন এবং দীর্ঘকাল বিশ্বভারতীতে শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘রুদ্রবসন্ত’, ‘ভানুমতীর মাঠ’,‘জলডম্বরু পাহাড়’,উড়ো চিঠির ঝাঁক’ ইত্যাদি। তাঁর কবিতার চিত্রকল্পগুলো অত্যন্ত রঙীন এবং ব্যঞ্জনাধর্মী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সান্নিধ্য এবং আশীর্বাদও তিনি লাভ করেছিলেন,যা তাঁর সাহিত্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছিল। 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top