Class 11 Bengali MIL Important Chapter 18 ভাড়াটে চাই Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 18 ভাড়াটে চাই Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.
Class 11 Bengali MIL Important Chapter 18 ভাড়াটে চাই
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
ভাড়াটে চাই
Chapter: 18
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘ভাড়াটে চাই’ নাটকটি কার লেখা?
উত্তরঃ নাটকটি বিখ্যাত সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা।
২। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমার বালিয়াডাঙিতে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। লেখকের পিতার নাম কী ছিল এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম ছিল প্রমথনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বরিশালের বাসুদেব পাড়া গ্রামে।
৪। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম কী ছিল?
উত্তরঃ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম ছিল তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।
৫। লেখক কোন ছদ্মনামে ‘সুনন্দর জার্নাল’ লিখতেন?
উত্তরঃ তিনি ‘সুনন্দ’ ছদ্মনামে সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায় ‘সুনন্দর জার্নাল’ লিখে সুখ্যাতি অর্জন করেন।
৬। ছোটদের জন্য তাঁর সৃষ্ট কোন কাল্পনিক চরিত্রটি খুব জনপ্রিয়?
উত্তরঃ ছোটদের জন্য তাঁর সৃষ্ট কাল্পনিক চরিত্র ‘টেনিদা’ খুবই জনপ্রিয়।
৭। ‘ভাড়াটে চাই’ নাটকের শুরু হয় কোন সময়ে এবং ঘরের মালিক কে?
উত্তরঃ নাটকটি সকাল সাতটার সময় শুরু হয়,এবং বাড়ির মালিক হলেন ভূপেন তলাপাত্র।
৮। ভূপেন বাবুর ভাইপোর নাম কী এবং তার বয়স কত?
উত্তরঃ ভূপেন বাবুর ভাইপোর নাম গাবলু, এবং তার বয়স আনুমানিক পঁচিশ বছর।
৯। মিস্টার গুপ্ত ঘরটিতে কয়টি কুকুর রাখতে চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ মিস্টার গুপ্ত ঘরটিতে মোট আটটি কুকুর রাখতে চেয়েছিলেন।
১০। ঘর ভাড়া নিতে আসা যাত্রাদলটির নাম কী ছিল?
উত্তরঃ ঘর ভাড়া নিতে আসা যাত্রাদলটির নাম ছিল ‘মহিষমর্দিনী অপেরা পার্টি’।
১১। ঘর ভাড়া নিতে আসা ‘পাগল’ লোকটি নিজেকে কী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ পাগল লোকটি নিজেকে হিন্দুস্তানের বাদশাহ শাহেনশাহ শাহজাহান বলে পরিচয় দিয়েছিলেন।
১২। কৃষ্ণদাস ও বিশাখা দাসী ভূপেন বাবুকে কত মাসের অগ্রিম ভাড়া দিতে চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ তাঁরা ভূপেন বাবুকে অগ্রিম ছয় মাসের ভাড়া দিতে চেয়েছিলেন।
১৩। বিশাখা দাসী ঝ্যাঁটা নিয়ে ভূপেন বাবুকে কেন মেরেছিলেন?
উত্তরঃ বিশাখা দাসী তাঁর স্বামী কৃষ্ণদাসের সাথে খাট কোথায় থাকবে তা নিয়ে ঝগড়া করার সময় ভূপেন বাবু মধ্যস্থতা করতে আসায় রেগে গিয়ে তাঁকে মেরেছিলেন।
১৪। গাবলু শেষ পর্যন্ত ঘরটিতে কী করার প্রস্তাব দিয়েছিল?
উত্তরঃ গাবলু শেষ পর্যন্ত ঘরটিতে পাড়ার ছেলেদের উপকারের জন্য একটি লাইব্রেরি বা পাঠাগার করার প্রস্তাব দিয়েছিল।
১৫। নাটকটির শেষে পাঠাগারটির কী নাম রাখা হয়েছিল?
উত্তরঃ নাটকটির শেষে পাঠাগারটির নাম রাখা হয়েছিল ‘ভূপেন্দ্র পাঠাগার’।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের শিক্ষা ও কর্মজীবন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের শিক্ষা জীবন অতিবাহিত হয় দিনাজপুর,ফরিদপুর,বরিশালের বিএম কলেজ এবং কলকাতায়। ১৯৪১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ. ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে তিনি ডি.লিট ডিগ্রি লাভ করেন। কর্মজীবনে তিনি প্রথমে জলপাইগুড়ি কলেজ,তারপর সিটি কলেজ এবং শেষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি একাধারে গল্প, উপন্যাস,প্রবন্ধ এবং নাটক রচনায় পারদর্শী ছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘উপনিবেশ’ ‘শিলালিপি’ ‘লালমাটি’ ইত্যাদি। ১৯৭০ সালের ৬ নভেম্বর এই মহান সাহিত্যিকের জীবনাবসান ঘটে।
২। মিস্টার গুপ্ত ঘর ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে কী অদ্ভুত শর্ত দিয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত ভূপেন বাবু তাঁকে কেন বিদায় করলেন?
উত্তরঃ মিস্টার গুপ্ত ঘর ভাড়া নিতে এসে জানান যে তিনি তাঁর আটটি কুকুরের জন্য ঘরটি ভাড়া নিতে চান। তাঁর কাছে দুটি গ্রেট ডেন,দুটি অ্যালসেশিয়ান, দুটি টেরিয়ার এবং দুটি পিকিনিজ কুকুর ছিল। তাঁর ভৃত্য কানাই জানায় যে,এই কুকুরগুলো একসঙ্গে থাকলে কামড়া-কামড়ি করে কুরুক্ষেত্র বাঁধিয়ে দেবে,তাই তাদের আলাদা রাখার জন্য ঘরে আট-দশটি খোপ তৈরি করতে হবে। ভূপেন বাবু যখন শোনেন যে কুকুরের জন্য ঘর ভাড়া চাওয়া হচ্ছে,তখন তিনি ভীষণ অবাক হন এবং জলাতঙ্ক রোগের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মিস্টার গুপ্ত কুকুরদের জন্য মাসে পাঁচশ টাকা খরচ করলেও ভূপেন বাবু কুকুরদের আস্তানা বানাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের বিদায় করে দেন।
৩। ‘মহিষমর্দিনী অপেরা পার্টি’ ঘর ভাড়া নেওয়ার জন্য কী ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল?
উত্তরঃ ‘মহিষমর্দিনী অপেরা পার্টি’র নরেস, নরেশ, সিধু এবং কালীপদ নামের চারজন যুবক ঘর ভাড়া নিতে আসে। তারা জানায় যে আগে তারা শোভাবাজারে ছিল কিন্তু সেখান থেকে বিতাড়িত হয়ে এখন এই ঘরটিতে আস্তানা গাড়তে চায়। ভূপেন বাবু যাত্রাদলকে ঘর দিতে অনিচ্ছুক হলে তারা তাদের অভিনয়ের দক্ষতা দেখানোর জন্য ‘রাবণবিলাপ’ পালার রাবণ ও শূর্পণখার দৃশ্য অভিনয় শুরু করে দেয়। তাদের চিৎকার এবং অস্বাভাবিক অভিনয় দেখে ভূপেন বাবু বিরক্ত হন এবং পুলিশ ডাকার ভয় দেখান। শেষ পর্যন্ত সিধু ও তার দলবল ভূপেন বাবুকে ‘বেরসিক’ বলে গালি দিতে দিতে চলে যায়।
৪। কৃষ্ণদাস ও বিশাখা দাসীর ঘর ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা এবং তার করুণ পরিণতি বর্ণনা করো।
উত্তরঃ কৃষ্ণদাস ও বিশাখা দাসী নামের এক বৈষ্ণব দম্পতি ঘর ভাড়া নিতে আসেন। তাঁরা নিজেদের ‘নিঝঞ্ঝাট’ বলে দাবি করেন এবং ছয় মাসের অগ্রিম ভাড়া দিতেও রাজি হন। কিন্তু ঘর দেখার পরেই খাট কোথায় পাতা হবে তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া শুরু হয়। বিশাখা দাসী জানলার পাশে খাট রাখতে রাজি ছিলেন না চোরের ভয়ে, অন্যদিকে কৃষ্ণদাস সেখানেই খাট রাখতে চাইছিলেন। তাঁদের এই ব্যক্তিগত ঝগড়ার মধ্যে ভূপেন বাবু মধ্যস্থতা করতে গেলে বিশাখা দাসী অত্যন্ত রেগে যান এবং ভূপেন বাবুকে ‘বেআক্কেলে’ বলে গালি দেন। শেষে বিশাখা দাসী একটি ঝ্যাঁটা নিয়ে ভূপেন বাবুকে তাড়া করেন এবং ভূপেন বাবু টেবিলের তলায় লুকোলেও তাঁকে ঝ্যাঁটা দিয়ে কয়েক ঘা বসিয়ে দেন।
৫। গাবলু এবং তার বন্ধুরা কীভাবে বুদ্ধিবলে ভূপেন বাবুকে লাইব্রেরি বা পাঠাগার স্থাপনে রাজি করাল?
উত্তরঃ গাবলু শুরু থেকেই ঘরটিতে একটি লাইব্রেরি করতে চেয়েছিল, কিন্তু ভূপেন বাবু টাকার লোভে তা দিচ্ছিলেন না। একের পর এক অদ্ভুত ভাড়াটেদের অত্যাচারে ভূপেন বাবু যখন অতিষ্ঠ, তখন গাবলু তার বন্ধুদের নিয়ে একটি শেষ চাল চালে। তার বন্ধু নকু দাড়ি লাগিয়ে ‘প্লেগ’ আক্রান্ত রোগী সেজে ঘরে ঢুকে পড়ে এবং জানায় যে সে গৌহাটি থেকে আসছে এবং তার সুটকেসে একটি মরা ইঁদুর পাওয়া গেছে। প্লেগের ভয়ে ঘর ভাড়া নিতে আসা রামরাম বাবু ও তাঁর দলবল এবং ভূপেন বাবু নিজে ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর গাবলু নকুর ছদ্মবেশ খুলে দিলে ভূপেন বাবু বুঝতে পারেন যে গাবলুর বন্ধুরা তাঁকে বিপদ থেকে বাঁচিয়েছে। কৃতজ্ঞতাবোধ এবং ভাড়াটেদের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বাঁচতে ভূপেন বাবু শেষ পর্যন্ত ঘরটি গাবলুদের পাঠাগার করার জন্য ছেড়ে দেন এবং তার নাম রাখা হয় ‘ভূপেন্দ্র পাঠাগার’।

