Class 11 Bengali MIL Important Chapter 17 সৃষ্টির আদিকথা ও জুমচাষ প্রচলনের কাহিনী Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 17 সৃষ্টির আদিকথা ও জুমচাষ প্রচলনের কাহিনী Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.
Class 11 Bengali MIL Important Chapter 17 সৃষ্টির আদিকথা ও জুমচাষ প্রচলনের কাহিনী
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
সৃষ্টির আদিকথা ও জুমচাষ প্রচলনের কাহিনী
Chapter: 17
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘সৃষ্টির আদিকথা ও জুমচাষ প্রচলনের কাহিনী’ প্রবন্ধটি কার লেখা?
উত্তরঃ প্রবন্ধটি লেখক নিরঞ্জন চাকমা-র লেখা।
২। নিরঞ্জন চাকমা কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ নিরঞ্জন চাকমা ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন উত্তর ত্রিপুরার বুড়িসিং পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
৩। নিরঞ্জন চাকমা চাকমা ভাষায় কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
উত্তরঃ তিনি চাকমা ভাষার পত্রিকা ‘সদক’-এর সম্পাদক ছিলেন।
৪। নিরঞ্জন চাকমা কত সালে সাহিত্য আকাদেমির ‘ভাষা-সম্মান’ পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তরঃ তিনি ২০১১ সালে সাহিত্য আকাদেমির ‘ভাষা-সম্মান’ পুরস্কার লাভ করেন।
৫। চাকমা ভাষায় ঈশ্বরকে কী বলা হয়?
উত্তরঃ চাকমা ভাষায় ঈশ্বরকে ‘গোজেন’ বলা হয়।
৬। সৃষ্টির আদিতে পৃথিবীর অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তরঃ সৃষ্টির আদিতে কোনো বায়ু, রোদ,বৃষ্টি বা আলো ছিল না,ছিল কেবল অপার-অনন্ত স্থির জলরাশি এবং নিসীম অন্ধকার।
৭। গোজেন সমুদ্রের ওপর নিজের প্রয়োজনে কী সৃষ্টি করেছিলেন?
উত্তরঃ গোজেন সমুদ্রের ওপর নিজের প্রয়োজনে একটি বিশাল বটগাছ সৃষ্টি করেছিলেন।
৮। সমুদ্রের তলা থেকে মাটি তুলে এনে স্থলভাগ কে তৈরি করেছিল?
উত্তরঃ একটি বিশাল আকৃতির কাঁকড়া-দৈত্য সমুদ্রের তলা থেকে মাটি তুলে এনে স্থলভাগ তৈরি করেছিল।
৯। গোজেনের নিজের ছায়া থেকে সৃষ্ট প্রথম মানবের নাম কী?
উত্তরঃ গোজেনের নিজের ছায়া থেকে সৃষ্ট প্রথম মানবের নাম হলো কেদুগা।
১০। গোজেন কেদুগার সঙ্গিনী হিসেবে কাকে এবং কীভাবে সৃষ্টি করেছিলেন?
উত্তরঃ গোজেন নিজের শরীরের ঘ্রিং বা ময়লা থেকে কেদুগী নামক মানবীকে সৃষ্টি করেছিলেন।
১১। প্রচণ্ড হিমপাত থেকে পৃথিবী রক্ষার জন্য গোজেন কাকে পাঠিয়েছিলেন?
উত্তরঃ গোজেন পৃথিবী রক্ষার জন্য কালোইয়া নামক এক দেবতাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন।
১২। মনুষ্য সমাজকে আগুনের ব্যবহার ও গৃহ নির্মাণের কৌশল কে শিখিয়েছিলেন?
উত্তরঃ বিয়াত্রা নামক দেবতা মনুষ্য সমাজকে আগুনের ব্যবহার ও গৃহ নির্মাণের কৌশল শিখিয়েছিলেন।
১৩। মা-লক্ষ্মীর প্রিয় বাহন কী এবং তিনি কার আহ্বানে পৃথিবীতে এসেছিলেন?
উত্তরঃ মা-লক্ষ্মীর প্রিয় বাহন ছিল ‘মে-মে ছাগলী’ নামক এক ধরনের ছোট পাখি এবং তিনি দেবতা বিয়াত্রার আহ্বানে পৃথিবীতে এসেছিলেন।
১৪। মা-লক্ষ্মী কোন ছদ্মবেশে লোকালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ মা-লক্ষ্মী এক মধ্যবয়সী বিধবা নারীর বেশে লোকালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন।
১৫। মা-লক্ষ্মী কার বাড়িতে প্রথম আশ্রয় নিয়েছিলেন?
উত্তরঃ তিনি মিলিংগ্যা নামক এক বিপত্নীক গৃহস্থের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।
১। সৃষ্টির আদিতে গোজেন কীভাবে পৃথিবী ও প্রাণীকুল সৃষ্টি করেছিলেন তা বর্ণনা করো।
উত্তরঃ সৃষ্টির শুরুতে পৃথিবী বলতে কিছু ছিল না, ছিল কেবল অন্ধকার ও জলরাশি। গোজেন প্রথমে জলের ওপর একটি বটগাছ সৃষ্টি করেন এবং সেই গাছের পাতার ওপর বসে ধ্যান করেন। তাঁর নির্দেশে এক কাঁকড়া-দৈত্য সমুদ্রের তলদেশ থেকে মাটি এনে স্থলভাগ তৈরি করে। এরপর গোজেন পর্যায়ক্রমে সূর্য, চন্দ্র, গ্রহ-নক্ষত্র, গাছপালা, পশু-পাখি ও কীটপতঙ্গ সৃষ্টি করেন। অবশেষে তিনি নিজের ছায়া থেকে প্রথম মানব কেদুগা এবং নিজের শরীরের ময়লা থেকে প্রথম মানবী কেদুগীকে সৃষ্টি করেন। এভাবে সমগ্র সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
২। মা-লক্ষ্মী কীভাবে দুধ-সাগর পাড়ি দিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন?
উত্তরঃ স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে আসার পথে একটি বিশাল দুধ-সাগর ছিল। মা-লক্ষ্মী তাঁর বাহন মে-মে ছাগলীর পিঠে চড়ে সেই সাগরের তীরে আসেন। দেবতা বিয়াত্রা আগে থেকেই সেখানে একটি কাঁকড়া, একটি শুকর ও একটি মাকড়সাকে রেখে দিয়েছিলেন। প্রথমে কাঁকড়াটি জলের ওপর ভাসে, তার ওপর শুকরটি দাঁড়ায় এবং মাকড়সাটি তার জাল দিয়ে এপার-ওপার বেঁধে দেয়। মা-লক্ষ্মী তাঁর বাহনসহ শুকরের পিঠে চড়ে খুব সহজে ও স্বচ্ছন্দে সেই দুধ-সাগর পাড়ি দিয়ে মর্ত্যে বা পৃথিবীতে আগমন করেন।
৩। মিলিংগ্যার বাড়িতে মা-লক্ষ্মীর অলৌকিক মহিমা কীভাবে প্রকাশিত হয়েছিল?
উত্তরঃ মা-লক্ষ্মী যখন এক বিধবা নারীর বেশে মিলিংগ্যার বাড়িতে আসেন,তখন মিলিংগ্যার ছোট তিনটি মেয়ে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ছিল। মা-লক্ষ্মী বড় মেয়েটিকে একটি বেতের ঝুড়ি আনতে বলেন এবং নিজের পুঁটলি থেকে মাত্র একটি চাল বের করে সেই ঝুড়ির মধ্যে রাখেন। এরপর তিনি একটি কুলো দিয়ে ঝুড়িটি ঢেকে দেন এবং মেয়েটিকে বলেন সেখান থেকে চাল নিয়ে রান্না করতে। মেয়েটি অবাক হয়ে দেখে যে সেই একটি চাল থেকেই ঝুড়ি ভর্তি চাল হয়ে গেছে। এভাবে সামান্য এক কণা চাল দিয়ে তিনি সবার পেট ভরানোর ব্যবস্থা করে নিজের অলৌকিক মহিমা প্রকাশ করেন।
৪। প্রবন্ধ অনুসারে জুমচাষের সূচনা ও পদ্ধতি সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ মা-লক্ষ্মী পৃথিবীতে এসে মিলিংগ্যাকে বিবাহ করেন এবং জুমচাষের সূচনা করেন। তিনি মিলিংগ্যাকে দিয়ে বনের একটি উর্বর জায়গা চিহ্নিত করান এবং জঙ্গল পরিষ্কার করান। চৈত্র মাসের শেষে সেই শুকানো গাছপালা পুড়িয়ে ফেলা হয়। এরপর মা-লক্ষ্মী নিজেই জুম খেতে ধান এবং অন্যান্য ফসলের বীজ রোপণ করেন। তিনি ঝোপঝাড়ের আড়ালে একটি গর্তে বুনো ঘাস ও আগাছা পাথর দিয়ে চাপা দিয়ে বন্দি করে রাখেন যাতে ফসলের ক্ষতি না হয়। শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে ধান পেকে গেলে তিনি গ্রামবাসীদের ডেকে সেই ফসল কাটার ব্যবস্থা করেন এবং এভাবে জুমচাষের প্রথা স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
৫। অন্তর্ধানের পূর্বে মা-লক্ষ্মী গ্রামবাসীদের কী কী উপদেশ দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ বিদায় নেওয়ার আগে মা-লক্ষ্মী গ্রামবাসীদের জানান যে তিনি কেবল সুগৃহিণী ও সৎচরিত্রের ব্যক্তিদের ঘরেই অবস্থান করেন। যে বাড়িতে সবসময় অকথ্য ভাষা ব্যবহার করা হয়,যেখানে নারীরা হিংসাপরায়ণ বা পতিভক্তিহীন, অথবা যেখানে পুরুষরা অলস, মদ্যপ বা জুয়াড়ি,সেখানে তিনি থাকেন না। তিনি বলেন যে তিনি অদৃশ্যভাবে চিরকাল ধান এবং চালের ঝুড়িতে বিরাজ করবেন। যারা তাঁর এই নীতিগুলি মেনে চলবে, তাদের ঘর সবসময় ধন-সম্পদ ও সুখ-শান্তিতে পরিপূর্ণ থাকবে। এই উপদেশ দিয়ে তিনি চোখের পলকে স্বর্গে ফিরে যান।

