Class 11 Bengali MIL Important Chapter 16 আদাব

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 16 আদাব Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 16 আদাব Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 16 আদাব

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 16

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘আদাব’ গল্পটি কার লেখা? 

উত্তরঃ গল্পটি লেখক সমরেশ বসু-এর লেখা।

২। সমরেশ বসু কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? 

উত্তরঃ সমরেশ বসু ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর ঢাকার বিক্রমপুরে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। সমরেশ বসু কোন ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন? 

উত্তরঃ সমরেশ বসু ‘কালকূট’ এবং ‘ভ্রমর’ ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।

৪। ‘আদাব’ গল্পটি প্রথম কত সালে এবং কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? 

উত্তরঃ গল্পটি ১৯৪৬ সালে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

৫। সমরেশ বসু কত সালে এবং কোন উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান? 

উত্তরঃ তিনি ১৯৮০ সালে ‘শাম্ব’ উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান।

৬। ‘আদাব’ গল্পটি কোন পটভূমিতে রচিত হয়েছে? 

উত্তরঃ গল্পটি হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার পটভূমিতে রচিত হয়েছে।

৭। দাঙ্গার সময় শহরে কোন কোন আদেশ জারি করা হয়েছিল? 

উত্তরঃ দাঙ্গার সময় শহরে ১৪৪ ধারা এবং কারফিউ জারি করা হয়েছিল।

৮। গল্পের প্রধান দুটি চরিত্র দাঙ্গার হাত থেকে বাঁচতে কোথায় আশ্রয় নিয়েছিল? 

উত্তরঃ চরিত্র দুটি একটি রাস্তার মোড়ে উল্টে থাকা ডাস্টবিনের আড়ালে আশ্রয় নিয়েছিল।

৯। দাঙ্গার সময় আততায়ীরা কী কী অস্ত্র নিয়ে লড়াই করছিল? 

উত্তরঃ দাঙ্গার সময় আততায়ীরা দা, সড়কি, ছুরি এবং লাঠি নিয়ে লড়াই করছিল।

১০। সুতা-মজুর ও মাঝির বাড়ি কোথায় ছিল? 

উত্তরঃ সুতা-মজুরের বাড়ি ছিল চাষাঢ়ায় এবং মাঝির বাড়ি ছিল বুড়িগঙ্গার ওপারে শুভড্যায়।

১১। মাঝির বগলের পুঁটলিতে কী কী ছিল? 

উত্তরঃ মাঝির বগলের পুঁটলিতে তার ছেলেমেয়ের জন্য দুটি জামা এবং স্ত্রীর জন্য একটি শাড়ি ছিল।

১২। দাঙ্গার কারণে কার ভগ্নিপতির মৃত্যু হয়েছিল?

উত্তরঃ সুতা-মজুরের ভগ্নিপতির মৃত্যু গত বছরের ‘রায়টে’ হয়েছিল।

১৩। মাঝি কেন সেই বিপজ্জনক রাতেই বাড়ি ফেরার জন্য ব্যাকুল ছিল? 

উত্তরঃ পরের দিন ঈদ ছিল এবং তার ছেলেমেয়েরা নতুন জামা পরার আশায় তার জন্য অপেক্ষা করছিল,তাই সে বাড়ি ফিরতে ব্যাকুল ছিল।

১৪। সুতা-মজুর ও মাঝির মধ্যে বিচ্ছেদের সময় শেষ সম্ভাষণ কী ছিল? 

উত্তরঃ তাদের মধ্যে শেষ সম্ভাষণ ছিল ‘আদাব’।

১৫। গল্পের শেষে মাঝির পরিণতি কী হয়েছিল? 

উত্তরঃ গল্পের শেষে মিলিটারির টহলদার বাহিনীর গুলির আঘাতে মাঝির মৃত্যু হয়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘আদাব’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ‘আদাব’ শব্দের অর্থ হল অভিবাদন বা পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শন। সমরেশ বসুর এই গল্পে আমরা দেখি দাঙ্গার বিভীষিকার মধ্যে দুই সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষ—একজন হিন্দু সুতা-মজুর এবং একজন মুসলমান মাঝি—একই ডাস্টবিনের আড়ালে আশ্রয় নেয়। শুরুতে তাদের মধ্যে একে অপরের প্রতি তীব্র সন্দেহ ও ভয় কাজ করলেও, সময়ের সাথে সাথে তারা বুঝতে পারে যে অভাবী সাধারণ মানুষের কোনো জাত নেই, তাদের দুঃখ ও সংগ্রাম একই। গল্পের শেষে যখন তারা বিচ্ছিন্ন হয়,তখন তারা প্রচলিত ধর্মীয় সম্ভাষণ ছেড়ে একে অপরকে ‘আদাব’ জানায়, যা হয়ে ওঠে মানবিক সংহতির প্রতীক। হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার অমানবিকতাকে ছাপিয়ে মানুষের প্রতি মানুষের এই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশই গল্পটিকে সার্থক করে তুলেছে।

২। ‘আদাব’ গল্প অবলম্বনে দাঙ্গা-বিধ্বস্ত শহরের ভয়াবহ রূপটি বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ ‘আদাব’ গল্পে দাঙ্গা-বিধ্বস্ত শহরের এক অত্যন্ত বিভীষিকাময় চিত্র ফুটে উঠেছে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে মাঝে মাঝেই মিলিটারির টহলদার গাড়ির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। শহরে তখন ১৪৪ ধারা ও কারফিউ জারি ছিল এবং চারিদিকে ‘আল্লাহু আকবর’ বা ‘বন্দেমাতরম’ ধ্বনি আতঙ্কের সৃষ্টি করছিল। হিন্দু-মুসলমান উভয় পক্ষই দা, ছুরি, লাঠি নিয়ে সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। অন্ধকারকে আশ্রয় করে ঘাতক দল চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছিল এবং বস্তিতে বস্তিতে আগুন জ্বলছিল। মৃতপ্রায় নারী-শিশুর আর্তচিৎকার এবং মিলিটারির নির্বিচার গুলি চালনার ঘটনা পুরো পরিবেশকে বীভৎস ও মৃত্যুভয়ংকর করে তুলেছিল।

৩। ডাস্টবিনের আড়ালে সুতা-মজুর ও মাঝির কথোপকথনের মাধ্যমে যে মানবিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল,তা বুঝিয়ে লেখো। 

উত্তরঃ ডাস্টবিনের আড়ালে সুতা-মজুর ও মাঝি যখন প্রথম মিলিত হয়, তখন তাদের মধ্যে ছিল চরম অবিশ্বাস। দুজনেই একে অপরকে ‘খুনি’ বা ‘আততায়ী’ ভেবে আতঙ্কিত ছিল। কিন্তু যখন তারা কথা বলা শুরু করে এবং জানতে পারে যে তারা দুজনেই শ্রমজীবী মানুষ, তখন তাদের মধ্যে এক অদ্ভুত আত্মীয়তা গড়ে ওঠে। তারা একে অপরের পরিবারের খবর নেয় এবং অভাবের তাড়নায় জীবনের ঝুকি নিয়ে কেন তারা রাস্তায় বেরিয়েছে, তা শেয়ার করে। সুতা-মজুর মাঝিকে বিড়ি দিয়ে আপ্যায়ন করে এবং নিজেদের বিপদ ও পরিবারের কথা ভেবে দুজনেই দীর্ঘশ্বাস ফেলে। রাজনীতির শিকার হয়ে মানুষে মানুষে যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে তারা সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের কথা বলে একে অপরের বন্ধু হয়ে ওঠে।

৪। “মানুষ না, আমরা জ্যান কুত্তার বাচ্চা হইয়া গেছি”—মাঝির এই উক্তির প্রেক্ষাপট ও অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ ‘আদাব’ গল্পে মাঝি যখন দেখে যে মানুষ একে অপরকে পশুর মতো কাটাকাটি করছে এবং অকারণে রক্তগঙ্গা বইয়ে দিচ্ছে, তখন সে গভীর ক্ষোভে ও দুঃখে এই কথাটি বলেছে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ফলে মানুষের বিবেক ও বুদ্ধি লোপ পায় এবং তারা সাধারণ মানবিকতা ভুলে হিংস্র হয়ে ওঠে। মাঝি বুঝতে পেরেছিল যে এই লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের কোনো স্বার্থ নেই,তবুও তারাই এর শিকার হচ্ছে। বড় বড় নেতারা সাততলায় বসে হুকুম জারি করে, আর মরতে হয় মাঝির মতো সাধারণ মানুষকে। দাঙ্গার কারণে মানুষ আজ কুত্তার মতো একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে,যা মানুষের মনুষ্যত্বের চূড়ান্ত অবমাননা হিসেবেই মাঝি এখানে উল্লেখ করেছে।

৫। ‘আদাব’ গল্পের করুণ পরিণতিটি বর্ণনা করো।

উত্তরঃ ‘আদাব’ গল্পের পরিণতি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও হৃদয়স্পর্শী। অনেকক্ষণ এক সাথে কাটানোর পর সুতা-মজুর ও মাঝি যখন আলাদা হয়,তখন মাঝি সিদ্ধান্ত নেয় যে সে যেভাবেই হোক বুড়িগঙ্গা পার হয়ে নিজের বাড়ি ফিরবে। কারণ তার ছেলেমেয়েরা ঈদের নতুন জামার আশায় পথ চেয়ে বসে আছে। সুতা-মজুর তাকে বারবার নিষেধ করলেও মাঝি তার ভালোবাসার টানে অন্ধকার গলির ভেতর দিয়ে এগিয়ে যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, মিলিটারির টহলদার বাহিনী তাকে ‘ডাকু’ বা দাঙ্গাকারী ভেবে গুলি চালায়। গুলিতে মাঝির মৃত্যু হয় এবং সুতা-মজুরের চোখে ভেসে ওঠে মাঝির সেই রক্তমাখা নিথর দেহ এবং তার পরিবারের জন্য আনা সেই নতুন জামা ও শাড়ি যা মাঝির রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছে। মাঝির এই মৃত্যু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার অসারতা ও মানবিকতার পরাজয়কেই তুলে ধরে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top