Class 11 Bengali MIL Important Chapter 15 প্রাচীন কামরূপের শাসন নীতি

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 15 প্রাচীন কামরূপের শাসন নীতি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 15 প্রাচীন কামরূপের শাসন নীতি Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 15 প্রাচীন কামরূপের শাসন নীতি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 15

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘প্রাচীন কামরূপের শাসননীতি’ প্রবন্ধটি কার লেখা?

উত্তরঃ প্রবন্ধটি লেখক রাজমোহন নাথ-এর লেখা।

২। রাজমোহন নাথ কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ রাজমোহন নাথ ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে হাইলাকান্দি শহরের নিকটবর্তী রাঙাউটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। রাজমোহন নাথ পেশায় কী ছিলেন?

উত্তরঃ রাজমোহন নাথ পেশায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন।

৪। কোন নৃগোষ্ঠী অসমের উপত্যকা ভূমিতে প্রথম ধান ও সুপারি চাষ আরম্ভ করেছিল?

উত্তরঃ অস্ট্রিক জাতির মানুষেরা প্রথম ধান, পান,কলা,কচু,হলুদ ও সুপারির চাষ আরম্ভ করেছিল।

৫। প্রাচীন কামরূপের এক শাখা বর্তমানের কোন জাতির পূর্বপুরুষ বলে মনে করা হয়?

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপের এক শাখা বর্তমানের খাসিয়া জাতির পূর্বপুরুষ বলে মনে করা হয়।

৬। নরক রাজা কোথায় লালিত-পালিত হয়েছিলেন?

উত্তরঃ নরক রাজা মিথিলার রাজা জনকের গৃহে রাজপুত্রদের সঙ্গে লালিত-পালিত হয়েছিলেন।

৭। নরক কাকে পরাজিত করে প্রাগজ্যোতিষপুরে আধিপত্য স্থাপন করেছিলেন?

উত্তরঃ নরক কিরাতরাজ ঘটককে যুদ্ধে পরাজিত করে প্রাগজ্যোতিষপুরে আধিপত্য স্থাপন করেছিলেন।

৮। প্রাচীন কামরূপের শাসন ব্যবস্থায় ‘বিয়ষ’ বলতে কী বোঝানো হতো?

উত্তরঃ শাসনকার্যের সুবিধার জন্য কামরূপ রাজ্যকে পৃথক পৃথক অংশে বিভক্ত করা হয়েছিল এবং এই অংশবিশেষের নাম ছিল ‘বিষয়’।

৯। ভাস্কর বর্মার বিখ্যাত দূতের নাম কী ছিল?

উত্তরঃ ভাস্কর বর্মার বিখ্যাত দূতের নাম ছিল হংসবেগ।

১০। ‘পঞ্চমহাশব্দ’ বলতে কোন পাঁচটি বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনিকে বোঝানো হয়?

উত্তরঃ সিঙা,তম্বট,শঙ্খ, ভেরী ও জয়ঘণ্টা— এই পাঁচটি বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনিকে ‘পঞ্চমহাশব্দ’ বলা হয়।

১১। প্রাচীন কামরূপের প্রধান বিচারপতিকে কী বলা হতো?

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপের প্রধান বিচারপতিকে ‘মহাধর্মাধ্যক্ষ’ বা ‘মহাধর্মাধিকার’ বলা হতো।

১২। ‘নৌ-বান্ধক’ কর্মচারীর কাজ কী ছিল?

উত্তরঃ নৌকা ঠিকমতো ঘাটে নঙ্গর করে রাখা হয়েছে কি না,তার তত্ত্বাবধান করাই ছিল ‘নৌ-বান্ধক’ কর্মচারীর কাজ।

১৩। প্রাচীন কামরূপের রাজারা কেন ব্রাহ্মণদের ভূমিদান করতেন?

উত্তরঃ রাজারা তাঁদের পিতামাতার এবং নিজেদের যশ ও পুণ্যের নিমিত্ত উপযুক্ত পণ্ডিত ব্রাহ্মণদের ভূমিদান করতেন।

১৪। পুষ্য়বর্মা নিজেকে কোন বংশীয় বলে পরিচয় দিতেন?

উত্তরঃ রাজা পুষ্য়বর্মা নিজেকে নরক বংশীয় বলে পরিচয় দিতেন।

১৫। শিলালিপি অনুযায়ী কামরূপের কোন রাজা অশ্বমেধ যজ্ঞ সম্পন্ন করেছিলেন?

উত্তরঃ আনুমানিক ৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে কামরূপ-রাজ মহেন্দ্রবর্মা কামরূপে অশ্বমেধ যজ্ঞ সম্পন্ন করেছিলেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। প্রাচীন কামরূপের অস্ট্রিক জাতির অবদান ও তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে আলোচনা করো।

উত্তরঃ নৃতত্ত্ববিদদের মতে, ভারতের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে যখন আদিম মানবেরা প্রবেশ করছিল, সেই একই সময়ে ভারতের পূর্ব প্রান্ত দিয়ে অস্ট্রিক জাতি বর্তমান অসমের উপত্যকা ভূমিতে আগমন করে। তাঁরাই সর্বপ্রথম এই অঞ্চলে কৃষিকার্যের সূচনা করেন এবং ধান, পান,কলা, কচু,হলুদ, সুপারি ও নারকেলের চাষ আরম্ভ করেন। পাহাড়ি অঞ্চলে তাঁরা পাহাড়ের গা কেটে জল আটকে ধানের চাষ করতেন। তাঁদের সংস্কৃতি ও ধর্মবিশ্বাসের গভীর প্রভাব প্রাচীন কামরূপের ওপর পড়েছিল। অস্ট্রিকরা একাধিক আত্মায় বিশ্বাস করত এবং মনে করত মৃত্যুর পর আত্মা গাছ,পাহাড়,পাথর বা অন্য কোনো জীবজন্তুর ভেতরে প্রবেশ করে। এমনকি মৃত আত্মার উদ্দেশ্যে তাঁরা আহার্য উৎসর্গ করত। কামাখ্যা দেবীর পীঠস্থানটি নিয়ে হিন্দুদের বিশ্বাস থাকলেও, অস্ট্রিক ভাষায় ‘কামাখ্যা’ শব্দের অর্থ হলো মৃতের উদ্দেশ্যে পূজা করার স্থান। পণ্ডিতদের মতে,দেবতাদের উদ্দেশ্যে পিণ্ড দান,দূর্বা,অক্ষত ও পায়েস দিয়ে পূজা করার রীতি অস্ট্রিক সভ্যতারই দান।

২। প্রাচীন কামরূপে নরক বংশের প্রতিষ্ঠাতা নরক কীভাবে তাঁর আধিপত্য স্থাপন করেছিলেন এবং তাঁর শাসনের বিশেষত্ব কী ছিল?

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপে নরকাসুর ছিলেন একজন অনাথ শিশু, যিনি মিথিলার রাজা জনকের কৃপায় রাজপুত্রদের সঙ্গে লালিত-পালিত হয়েছিলেন। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অসীম সাহস ও বুদ্ধির প্রখরতা প্রকাশ পায় এবং তিনি কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ব দিকে অগ্রসর হন। সেখানে তিনি প্রাগজ্যোতিষপুরের কিরাতরাজ ঘটককে যুদ্ধে পরাজিত করে নিজের আধিপত্য স্থাপন করেন। নরক রাজা হওয়ার পর তাঁর ধর্মপিতা জনককে কামরূপে নিয়ে আসেন এবং মিথিলা থেকে নানা দক্ষ কর্মচারী এনে সেই দেশের অনুকরণে শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। তাঁর শাসনকালে নগরে সচিব, দ্বারী,সেনাপতি ও প্রচুর সৈন্যসামন্ত ছিল। তবে পরবর্তীকালে তিনি নিজ জাতি অর্থাৎ অসুরদের প্রতি বেশি পক্ষপাতিত্ব করতে শুরু করেন এবং মিথিলা থেকে আসা কর্মচারীদের অবজ্ঞা করেন। এর ফলে রাজ্যে অসন্তোষ দেখা দেয় এবং আর্য ও অসুরদের বিরোধের জেরে তাঁর পতন ঘটে।

৩। প্রাচীন কামরূপের শাসন ব্যবস্থায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বিভাগ ও কর্মচারীদের ভূমিকা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপের শাসন নীতি ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং আধুনিক শাসন ব্যবস্থার মতো বিন্যস্ত। রাজ্য পরিচালনার সুবিধার জন্য রাজ্যকে ‘বিষয়’ এবং ‘মণ্ডল’ নামক প্রশাসনিক বিভাগে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ‘বিষয়পতি’, ‘বিষয় নায়ক’ বা ‘বিষয়ামাত্য’ থাকতেন যারা শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। রাজাই ছিলেন রাজ্যের সর্বময় কর্তা, যাঁর আজ্ঞা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হতো। রাজার অধীনে প্রধান মন্ত্রীকে বলা হতো ‘মহামাত্য’ এবং যুদ্ধবিদ্যার প্রধানকে বলা হতো ‘মহাসেনাপতি’। এ ছাড়াও ‘মহাসান্ধিবিগ্রহিক’ নামে একজন উচ্চপদস্থ কর্মচারী ছিলেন যিনি যুদ্ধ ও শান্তি বিষয়ক ব্যাপারগুলো দেখতেন এবং ভূমিদানপত্রের তত্ত্বাবধান করতেন। রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার দায়িত্বে ছিলেন ‘মহাধর্মাধ্যক্ষ’ এবং আধুনিক অ্যাডভোকেট জেনারেলের মতো পদ ছিল ‘ন্যায়করণিক’। কর সংগ্রহ ও দাপ্তরিক কাজের জন্য ‘কায়স্থ’ এবং ‘শাসনয়িতা’ বা ‘লেখয়িতা’ নিয়োগ করা হতো।

৪। প্রাচীন কামরূপের নৌ-শক্তি ও তার পরিচালনার জন্য নিযুক্ত কর্মচারীদের দায়িত্ব সম্পর্কে লেখো।

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপের রাজাদের অত্যন্ত প্রবল নৌ-শক্তি ছিল, কারণ ব্রহ্মপুত্রের মতো বিশাল নদ কামরূপের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় রণতরীর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। এই বিশাল রণতরীর বাহিনীর অধিপতিকে বলা হতো ‘নাবাধ্যক্ষ’। নৌ-বাহিনীর কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন স্তরের কর্মচারী নিযুক্ত ছিলেন। সাধারণ নাবিকদের বলা হতো ‘কৈবর্ত’, যা বর্তমানে নৌ-সেনা বা খালাসির সমতুল্য। নৌকার রশি ও অন্যান্য সরঞ্জামের বন্দোবস্ত করতেন ‘নৌরজক’। নৌকাগুলো ঘাটে ঠিকমতো নঙ্গর করা হয়েছে কি না, তার দেখাশোনা করতেন ‘নৌ-বান্ধক’ এবং নৌকা থেকে শুল্ক বা কর আদায়ের দায়িত্ব ছিল ‘নৌকক্ষিভক্ষ সাধনী’র ওপর। প্রাচীন কামরূপের শাসন ব্যবস্থায় এই জলপথের সুরক্ষা ও নৌ-শক্তির রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্ব পেত।

৫। প্রাচীন কামরূপের রাজকীয় উপাধি এবং ভূমিদান প্রথা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপের রাজারা নিজেদের বংশের উৎপত্তি কোনো দৈবশক্তি থেকে হয়েছে বলে কল্পনা করতেন এবং বহু প্রভাবশালী রাজকীয় উপাধি গ্রহণ করতেন। তাঁদের উপাধিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ‘পরমবৈষ্ণব’, ‘পরম মাহেশ্বর’, ‘পরম ভট্টারক’, ‘পরম দেবতা’, ‘পরম ভাগবত’ এবং ‘মহারাজাধিরাজ’। ভূমিদান প্রথা ছিল এই যুগের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। রাজারা সাধারণত বিদ্বান এবং শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণদের ভূমি দান করতেন। এই দানপত্রের দলিলগুলোকে ‘তাম্রশাসন’ বা ‘তাম্রলিপি’ বলা হতো কারণ এগুলো তামার পাতে খোদাই করা থাকত। এই ভূমিগুলো ছিল ‘নিষ্কর’, অর্থাৎ ভূমিভোগীদের কোনো রাজস্ব বা খাজনা দিতে হতো না। ভূমি দান করার আগে রাজা আধুনিক শাসননীতির মতো বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মচারী এবং ন্যায়করণিকের মতামত গ্রহণ করতেন। পিতামাতা ও নিজের পুণ্য লাভের আশায় রাজারা এই পবিত্র কাজ সম্পন্ন করতেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top