Class 11 Bengali MIL Important Chapter 14 তাসের ঘর

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 14 তাসের ঘর Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 14 তাসের ঘর Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 14 তাসের ঘর

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 14

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘তাসের ঘর’ গল্পটি কার লেখা?

উত্তরঃ গল্পটি লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা।

২। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন।

৩। লেখকের জন্ম কোথায় হয়েছিল?

উত্তরঃ লেখকের জন্ম হয়েছিল বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে।

৪। লেখকের প্রথম উপন্যাসের নাম কী?

উত্তরঃ লেখকের প্রথম উপন্যাসের নাম হলো ‘চৈতালী ঘূর্ণি’।

৫। অমর শখ করে কী কিনেছিল?

উত্তরঃ অমর শখ করে এক সেট চায়ের বাসন কিনেছিল।

৬। চায়ের বাসন সেটটির দাম কত ছিল?

উত্তরঃ চায়ের বাসন সেটটির দাম ছিল চার টাকা।

৭। অমরের স্ত্রীর নাম কী?

উত্তরঃ অমরের স্ত্রীর নাম ছিল শৈল।

৮। অমরের বোনের নাম কী ছিল?

উত্তরঃ অমরের বোনের নাম ছিল গৌরী।

৯। শৈলর বাবার বাড়ি কোথায় ছিল?

উত্তরঃ শৈলর বাবার বাড়ি ছিল এলাহাবাদে।

১০। শৈলর বাবার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ শৈলর বাবার নাম ছিল মহেন্দ্রবাবু।

১১। শৈলর একটি চারিত্রিক দোষ কী ছিল?

উত্তরঃ শৈলর একটি প্রধান দোষ ছিল যে সে সব সময় তার বাপের বাড়ির মিথ্যা গুণগান বা তুলনা করত।

১২। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় কোন বিখ্যাত চলচ্চিত্রটির কাহিনীকার?

উত্তরঃ সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জলসাঘর’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাহিনী অবলম্বনে তৈরি।

১৩। লেখক কত সালে পদ্মভূষণ উপাধি পান?

উত্তরঃ লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্য কীর্তির জন্য পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত হন।

১৪। অমর কীসের ব্যবসা করত?

উত্তরঃ অমর কলকাতায় অর্ডার সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করত।

১৫। শৈলকে কত টাকা চাওয়ার মিথ্যে অপবাদ দেওয়া হয়েছিল?

উত্তরঃ শৈলর মিথ্যে কথায় প্রকাশ পেয়েছিল যে অমর তার শ্বশুরবাড়ির কাছে ১৫০, ৮০ বা ১০০ টাকা চেয়ে পাঠায়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। শৈলর স্বভাব ও তার বাপের বাড়ি নিয়ে মিথ্যে বলার প্রবণতা সম্পর্কে আলোচনা করো।

উত্তরঃ শৈল ছিল একজন বিনীত, নম্র এবং মিষ্টিমুখের সুন্দরী বধূ, কিন্তু তার একটি প্রধান চারিত্রিক ত্রুটি ছিল যে সে সব সময় তার বাপের বাড়ির আভিজাত্য নিয়ে মিথ্যে গল্প করত। গল্পের প্রতিটি পদে সে তার শ্বশুরবাড়ির জিনিসের সাথে তার বাপের বাড়ির জিনিসের তুলনা করত এবং বাপের বাড়ির সবকিছুকে শ্রেষ্ঠ বলে জাহির করত। উদাহরণস্বরূপ,সে দাবি করেছিল যে তার বাবা আফগানিস্তান থেকে আসা কাবুলিওয়ালাদের ছাড়া অন্য কারও হিং কেনেন না এবং বড় মাছ ছাড়া তাদের বাড়িতে ঢোকে না। এমনকি চায়ের কাপ ভেঙে গেলেও সে দাবি করেছিল যে তার বাবা চাইলেই অনেক টাকা পাঠিয়ে দেন। তার এই অবাস্তব ও কাল্পনিক অহংকারই গল্পে বড় সমস্যার সৃষ্টি করেছিল।

২। চায়ের কাপ ভেঙে যাওয়ার ঘটনাটি কেন্দ্র করে শৈল ও তার শাশুড়ির মধ্যে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?

উত্তরঃ অমরের কেনা শখের চায়ের সেটের একটি কাপ খুঁজে না পাওয়ায় অমরের মা রেগে যান এবং গৌরীকে বকাবকি করেন। তখন শৈল এসে নির্ভীকভাবে স্বীকার করে যে কাপটি সেই ভেঙে ফেলেছে। এই অকপট অপরাধ স্বীকারের ফলে শাশুড়ির রাগ কিছুটা কমে এবং তিনি শৈলকে মার্জনা করতে বাধ্য হন। তবে এই ঘটনার পর শাশুড়ি রাগের মাথায় বাকি সেটটিও ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন। শৈলর এই সত্য বলাটা ছিল গল্পের এক বিরল মুহূর্ত, কারণ সাধারণত সে মিথ্যা বলতেই অভ্যস্ত ছিল।

৩। অমর কেন শৈলকে তার বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল?

উত্তরঃ শৈলর বাপের বাড়ির আভিজাত্য নিয়ে করা মিথ্যে গল্পগুলো শেষ পর্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে যখন সে দাবি করে যে তার স্বামী অমরের প্রয়োজনে তার বাবা প্রচুর টাকা পাঠান। এই খবরটি পাড়ায় ছড়িয়ে পড়লে অমরের মায়ের কানে যায় এবং তিনি মনে করেন যে তার ছেলে শ্বশুরবাড়ির কাছে হাত পাতে। যখন অমর বাড়ি আসে, তার মা তাকে এই নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন। অমর এই অপমান সহ্য করতে না পেরে এবং শৈলর নির্লজ্জ মিথ্যে বলা দেখে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়। এই মিথ্যেচারের শাস্তি হিসেবে অমর শৈলকে সেই রাতেই এলাহাবাদে তার বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়,যা শৈলর জন্য এক প্রকার নির্বাসন ছিল।

৪। শৈলর বাবা মহেন্দ্রবাবুর পাঠানো চিঠির বিষয়বস্তু এবং তার প্রভাবে অমরের মায়ের মনের পরিবর্তন কীভাবে হয়েছিল?

উত্তরঃ শৈলর বাবা মহেন্দ্রবাবু ছিলেন একজন অত্যন্ত সাধু ও নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। শৈল এলাহাবাদে যাওয়ার দীর্ঘ দুই মাস পর তিনি যখন বেয়াইকে চিঠি লেখেন, তখন চিঠিতে শৈলর কোনো দোষ প্রকাশ না করে বরং অত্যন্ত বিনয়ের সাথে নিজের অযোগ্যতার কথা জানান। তিনি লেখেন যে শৈল নিশ্চয়ই কোনো অপরাধ করেছে কিন্তু তা প্রকাশ করেনি। চিঠির শেষ অংশে তিনি অমরের উন্নতি এবং চাকুরির খবরে খুশি প্রকাশ করেন। এই পরম বিনয়ী ও অকৃত্রিম চিঠিটি পড়ে অমরের মায়ের মন গলে যায় এবং শৈলর প্রতি তার দীর্ঘদিনের রাগ বা ক্রোধ শান্ত হয়। তিনি উপলব্ধি করেন যে শৈলর বাপের বাড়ির আভিজাত্যের গল্পগুলো মিথ্যে হলেও শৈল মনে মনে তাদের খুব ভালোবাসে এবং শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।

৫। লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্য প্রতিভা ও প্রাপ্ত পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তরঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী ও ঔপন্যাসিক। তাঁর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বাস্তব জীবনের গভীর অভিজ্ঞতা, গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন চরিত্রের নিখুঁত চিত্রায়ণ এবং প্রবল হৃদয়াবেগ। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘গণদেবতা’ ‘হাসুলীবাকের উপকথা’,’আরোগ্য নিকেতন’, ‘কবি’ ইত্যাদি। সাহিত্য সাধনার জন্য তিনি বহু পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন,যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শরৎস্মৃতি পুরস্কার, জগত্তারিণী স্বর্ণপদক,রবীন্দ্র-পুরস্কার, সাহিত্য একাডেমি এবং ভারত সরকারের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান ‘জ্ঞানপীঠ পুরস্কার’। এছাড়াও তিনি পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত হন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top