Class 11 Bengali MIL Important Chapter 13 মহেশ

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 13 মহেশ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 13 মহেশ Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 13 মহেশ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 13

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘মহেশ’ গল্পটির লেখক কে?

উত্তরঃ গল্পটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা।

২। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ তিনি ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১৫ই সেপ্টেম্বর হুগলী জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। শরৎচন্দ্রের লেখা কোন গল্পটি ‘কুন্তলীন প্রতিযোগিতা’-য় পাঠানো হয়েছিল?

উত্তরঃ তাঁর ‘মন্দির’ নামক গল্পটি কুন্তলীন প্রতিযোগিতায় পাঠানো হয়েছিল।

৪। ‘মহেশ’ গল্পের ঘটনাটি কোন গ্রামের পটভূমিকায় রচিত?

উত্তরঃ গল্পের ঘটনাটি কাশিপুর গ্রামের পটভূমিকায় রচিত।

৫। কাশিপুর গ্রামের জমিদার বাবুর নাম কী ছিল?

উত্তরঃ কাশিপুর গ্রামের জমিদার বাবুর নাম ছিল শিবচরণ বাবু (শিববাবু)।

৬। গফুরের গ্রামের যে পণ্ডিত ও পুরোহিত ছিলেন, তাঁর নাম বা উপাধি কী ছিল?

উত্তরঃ তাঁর নাম বা উপাধি ছিল তর্করত্ন।

৭। গফুরের পোষা বলদটির নাম কী ছিল?

উত্তরঃ গফুরের পোষা বলদটির নাম ছিল মহেশ।

৮। গফুরের মেয়ের নাম কী ছিল এবং তার বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ গফুরের মেয়ের নাম ছিল আমিনা এবং তার বয়স ছিল বছর-দশেক।

৯। গফুর তার পিতলের থালাটি কার দোকানে বাঁধা রেখেছিল?

উত্তরঃ গফুর তার পিতলের থালাটি বংশীর দোকানে বাঁধা রেখেছিল।

১০। গফুর পিতলের থালাটি বাঁধা রেখে কত টাকা পেয়েছিল?

উত্তরঃ গফুর পিতলের থালাটি বাঁধা রেখে এক টাকা পেয়েছিল।

১১। গফুর ও মহেশের ওপর কোন্ বাংলা মাসের তীব্র অনাবৃষ্টি ও খরার চিত্র গল্পে দেখা যায়?

উত্তরঃ গল্পে বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসের তীব্র অনাবৃষ্টি ও খরার চিত্র দেখা যায়।

১২। তর্করত্নের মতে গোহত্যা করলে কী শাস্তি পেতে হবে?

উত্তরঃ তর্করত্নের মতে গোহত্যা করলে কর্তারা জ্যান্ত কবর দেবে।

১৩। শেষপর্যন্ত গফুর মহেশকে কিসের আঘাত দিয়ে হত্যা করেছিল?

উত্তরঃ গফুর লাঙলের মাথা দিয়ে মহেশের মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেছিল।

১৪। মহেশের মৃত্যুর পর গফুর আমিনাকে নিয়ে কোথায় কাজ করতে চলে গিয়েছিল?

উত্তরঃ গফুর আমিনাকে নিয়ে ফুলবেড়ের চটকলে কাজ করতে চলে গিয়েছিল।

১৫। গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় গফুর মহেশের প্রাশ্চিত্তের জন্য কী রেখে গিয়েছিল?

উত্তরঃ গফুর মহেশের প্রাশ্চিত্তের জন্য আমিনার জল খাওয়ার ঘটি ও পিতলের থালাটি রেখে গিয়েছিল।

দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর।

১। ‘মহেশ’ গল্পে গফুর ও তার পোষা বলদ মহেশের মধ্যকার নিবিড় ভালোবাসার পরিচয় দাও।

উত্তরঃ ‘মহেশ’ গল্পে গফুর ও তার বলদ মহেশের সম্পর্কটি শুধুমাত্র প্রভু ও পশুর ছিল না, তা ছিল পিতাপুত্রের মতো অমলিন স্নেহের। নিজের চরম দারিদ্র্য ও অনাহারের মধ্যেও গফুর মহেশকে সন্তানের মতো ভালোবাসত। সে মহেশকে নিজের ঘরের ছেঁড়া চালের খড় এনে খেতে দিয়েছে এবং অনাহারে থাকা মহেশের গায়ে-মাথায় হাত বুলিয়ে অশ্রুপাত করেছে। মহেশকে বিক্রি করে দেওয়ার প্রস্তাব এলে সে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, নিজের ছেলেকে কেউ কসাইয়ের হাতে বিক্রি করে না। গল্পজুড়ে গফুরের আকুলতা এবং মহেশের নীরব চাউনির মধ্য দিয়ে তাদের এই গভীর আত্মিক ভালোবাসার সম্পর্কটি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

২। ‘মহেশ’ গল্প অবলম্বনে তর্করত্ন ও জমিদার শিবচরণ বাবুর চরিত্র এবং তাঁদের শোষণ-পীড়নের চিত্র আলোচনা করো।

উত্তরঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘মহেশ’ গল্পে তর্করত্ন ও জমিদার শিবচরণ বাবু তৎকালীন নির্মম সমাজব্যবস্থা ও ধর্মীয় ভণ্ডামির প্রতীক। গ্রামের জমিদার শিবচরণ বাবু অতি সামান্য অপরাধে দরিদ্র প্রজা গফুরকে ডেকে এনে মারধর করেন এবং জরিমানা ধার্য করেন। অন্যদিকে, গ্রামের ধর্মান্ধ পুরোহিত তর্করত্ন মুখে গোরক্ষার কথা বললেও মহেশের অনাহার ও পিপাসা মেটাতে একমুঠো খড় বা জল দেননি। বরং গফুরকে গোহহত্যার ভয় দেখিয়ে ও নীচুজাত বলে অপমান করে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করেছেন। এই দুই শোষক চরিত্রের নির্মম প্রহার, অমানবিক আচরণ ও ধর্মীয় ভণ্ডামি দরিদ্র গফুরকে চরম ট্র্যাজেডির দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

৩। গফুর কীভাবে মহেশকে হত্যা করতে বাধ্য হয়েছিল? মহেশের মৃত্যুর পরিণতি বর্ণনা করো।

উত্তরঃ জ্যৈষ্ঠের চরম দাবদায়ে গফুর জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরে দেখে যে ঘরে খাবার বা জল কিছুই নেই। পিপাসার্ত ও ক্ষুধার্ত মহেশ আমিনার মাটির কলসি ভেঙে জল খেয়ে ফেলে এবং জলটুকু মাটিতে পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। তপ্ত রোদে মেয়ে আমিনার অনাহার ও জলের জন্য হাহাকার দেখে এবং মহেশের প্রতি এক মুহূর্তের তীব্র ক্রোধ ও হতাশায় গফুর নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সে ঘরের কোণে থাকা লাঙলের ভাঙা মাথাটি তুলে মহেশের মাথায় সজোরে আঘাত করে। এই আঘাতে অনাহারক্লিষ্ট মহেশ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। মহেশের মৃত্যুর পর গফুর গভীর অনুশোচনায় বাকরুদ্ধ ও নিশ্চল হয়ে পড়ে।

৪। “আকাশে মুখ তুলিয়া বলিল, আল্লাহ্! আমাকে যত খুশি সাজা দিয়ো…”— উক্তিটির প্রেক্ষাপট ও গফুরের মনের তীব্র ক্ষোভ ও আক্ষেপ আলোচনা করো।

উত্তরঃ মহেশের মৃত্যুর পর ভিটেমাটি ত্যাগ করে গভীর রাতে মেয়ে আমিনাকে নিয়ে ফুলবেড়ের চটকলে কাজের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় গফুর পরমেশ্বরের উদ্দেশ্যে এই আকুল প্রার্থনা করেছিল। চরম দারিদ্র্য, জমিদারের অত্যাচার এবং ধর্মের নামে ভণ্ডামির শিকার হয়ে গফুর তার প্রিয় মহেশকে হারিয়েছিল। মহেশকে বাঁচানোর সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সে বুঝতে পারে যে গ্রামের ধনী ও ধর্মান্ধ সমাজপতিরাই মহেশের মৃত্যুর জন্য দায়ী। তাই সে নিজের অপরাধ স্বীকার করে আল্লাহর কাছে শাস্তি চেয়েছিল, কিন্তু যারা সৃষ্টিকর্তার দেওয়া মাঠের ঘাস ও তেষ্টার জল মহেশকে খেতে দেয়নি, তাদের যেন ঈশ্বর কখনো ক্ষমা না করেন— এই অভিশাপ দিয়ে সমাজপতিদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছিল।

৫। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘মহেশ’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তরঃ সাহিত্যকর্মে নামকরণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা রচনার মূল ভাববস্তু বা কেন্দ্রীয় চরিত্রকে বহন করে। ‘মহেশ’ গল্পটির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো গফুরের পোষা বলদ ‘মহেশ’। গল্পের সূচনা থেকে পরিণতি পর্যন্ত পুরো ঘটনাক্রম মহেশকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। চরম অনাবৃষ্টি, দারিদ্র্য এবং সামাজিক শোষণের মুখে পড়ে কীভাবে গফুর মহেশকে বাঁচাতে চেয়েছিল এবং শেষপর্যন্ত মহেশকে হারিয়ে ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল, তাই গল্পের মূল প্রতিপাদ্য। মহেশ চরিত্রটি কেবল একটি পশু নয়, এটি তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার নিঃস্ব প্রজা ও অবলা পশুর ওপর নির্মম অত্যাচারের প্রতীক হয়ে উঠেছে। সুতরাং, গল্পটির ‘মহেশ’ নামকরণ সর্বতোভাবে সার্থক ও যুক্তিযুক্ত হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top