Class 11 Bengali MIL Important Chapter 12 আহার ও পানীয় Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 12 আহার ও পানীয় Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.
Class 11 Bengali MIL Important Chapter 12 আহার ও পানীয়
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
আহার ও পানীয়
Chapter: 12
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
২। ‘আহার ও পানীয়’ রচনাটি কোন মূল গ্রন্থ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে?
উত্তরঃ রচনাটি স্বামী বিবেকানন্দের ‘প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য’ প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
৩। স্বামী বিবেকানন্দ কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ তিনি ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দের ১২ই জানুয়ারি কলকাতার সিমুলিয়া অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন।
৪। স্বামী বিবেকানন্দের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ তাঁর পিতার নাম ছিল বিখ্যাত ব্যারিস্টার বিশ্বনাথ দত্ত এবং মাতার নাম ছিল ভুবনেশ্বরী দেবী।
৫। ছোটবেলায় স্বামী বিবেকানন্দের ডাকনাম কী ছিল?
উত্তরঃ ছোটবেলায় তাঁর ডাকনাম ছিল বীরেশ্বর বা বিলে।
৬। স্বামী বিবেকানন্দ কত খ্রিস্টাব্দে আমেরিকা যাত্রা করেন এবং শিকাগো ধর্ম মহাসম্মেলনে বক্তৃতা দেন?
উত্তরঃ তিনি ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দের ৩১শে মে আমেরিকা যাত্রা করেন এবং সেপ্টেম্বর মাসে শিকাগো ধর্ম মহাসম্মেলনে বক্তৃতা দেন।
৭। স্বামী বিবেকানন্দের প্রধান ও বিখ্যাত বিদেশী শিষ্যা কে ছিলেন?
উত্তরঃ তাঁর প্রধান ও বিখ্যাত বিদেশী শিষ্যা ছিলেন মিস মার্গারেট নোবল বা ভগিনী নিবেদিতা।
৮। স্বামী বিবেকানন্দ বাংলা ও ইংরেজিতে কোন দুটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন?
উত্তরঃ তিনি বাংলায় ‘উদ্বোধন’ এবং ইংরেজিতে ‘প্রবুদ্ধ ভারত’ নামে দুটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন।
৯। ‘আহার’ শব্দটির অর্থ সম্পর্কে শঙ্করাচার্যের অভিমত কী ছিল?
উত্তরঃ শঙ্করাচার্যের মতে ‘আহার’ শব্দের অর্থ হলো ইন্দ্রিয়লব্ধ বিষয়জ্ঞান।
১০। রামানুজাচার্যের মতে ‘আহার’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ রামানুজাচার্যের মতে ‘আহার’ শব্দের অর্থ হলো ভোজ্যদ্রব্য।
১১। রামানুজাচার্য ভোজ্যদ্রব্য বা আহার গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন তিনটি দোষ থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন?
উত্তরঃ তিনি তিনটি দোষ বাঁচিয়ে চলতে বলেছেন; যথা— জাতিদোষ, আশ্রয়দোষ এবং নিমিত্তদোষ।
১২। ‘জাতিদোষ’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি উত্তেজক খাদ্য গ্রহণ করলে মনে যে অস্থিরতা ও দুর্মতি আসে, তাকে জাতিদোষ বলা হয়।
১৩। আহারের ক্ষেত্রে ‘নিমিত্তদোষ’ কীসের ফলে ঘটে?
উত্তরঃ খাদ্যদ্রব্যে ধুলো, ময়লা, কীট বা চুল ইত্যাদি পড়ে খাদ্য অপবিত্র হলে নিমিত্তদোষ ঘটে।
১৪। স্বামী বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মিশন এবং বেলুর মঠ কত কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তরঃ তিনি ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দের ১লা মে রামকৃষ্ণ মিশন এবং ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে বেলুর মঠ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৫। স্বামী বিবেকানন্দ কত খ্রিস্টাব্দে দেহত্যাগ করেন?
উত্তরঃ তিনি ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা জুলাই দেহত্যাগ করেন।
দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর।
১। স্বামী বিবেকানন্দের ‘আহার ও পানীয়’ প্রবন্ধ অনুসরণে আচার্য রামানুজ উল্লিখিত আহারের তিনটি প্রধান দোষ বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর ‘আহার ও পানীয়’ প্রবন্ধে আচার্য রামানুজের মত উল্লেখ করে ভোজ্যদ্রব্যের তিনটি মূল দোষের কথা বলেছেন। প্রথমত, ‘জাতিদোষ’ হলো খাদ্যের নিজ প্রকৃতির দোষ; যেমন পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি উত্তেজক বস্তু খেলে চিত্ত অস্থির হয়। দ্বিতীয়ত, ‘আশ্রয়দোষ’ ঘটে খাদ্য প্রস্তুতকারী বা পরিবেশনকারীর চরিত্রের প্রভাবে; অর্থাৎ চরিত্রহীন বা পাপিষ্ঠ ব্যক্তির ছোঁয়া খাদ্যকে অপবিত্র করে। তৃতীয়ত, ‘নিমিত্তদোষ’ ঘটে খাদ্যে কদর্য কীট, চুল বা ময়লা পড়ার ফলে। লেখক জানান যে জাতিদোষ ও নিমিত্তদোষ এড়ানো সহজ হলেও সামাজিক বাস্তবতায় আশ্রয়দোষ থেকে বেঁচে থাকা কঠিন, যা অনেক সময় কুসংস্কারে রূপ নেয়।
২। ‘আহার ও পানীয়’ রচনায় আমিষ ও নিরামিষ আহারের পক্ষে ও বিপক্ষে প্রচলিত বিভিন্ন সামাজিক ও শাস্ত্রীয় মতবাদগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘আহার ও পানীয়’ প্রবন্ধে স্বামীজি আমিষ ও নিরামিষ আহার নিয়ে শাস্ত্রীয় ও সামাজিক তর্কের এক সুন্দর চিত্র তুলে ধরেছেন। একপক্ষ মনে করেন কোনো জীবহত্যাই করা উচিত নয় এবং নিরামিষ খাদ্যই পরম পবিত্র ও স্বাস্থ্যকর। অন্যদিকে অন্যপক্ষের যুক্তি হলো, হত্যা না করলে জীবনধারণ অসম্ভব এবং কঠোর পরিশ্রমী জাতির জন্য মাংসাহার প্রয়োজনীয়। জৈন, বৌদ্ধ ও বৈষ্ণবধর্মে হিংসা বর্জন ও নিরামিষ আহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, আবার প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্রে যজ্ঞ বা শ্রাদ্ধের মতো বিশেষ অনুষ্ঠানে মাংসভোজনের বিধানও দেখা যায়। স্বামীজি সমন্বয়ী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে জানান যে, ধর্মসাধনায় মগ্ন সাধকদের জন্য নিরামিষ উপযোগী হলেও, বৈষয়িক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত সাধারণ কর্মক্ষম মানুষের পক্ষে পুষ্টিকর আহার গ্রহণ করাই যুক্তিসঙ্গত।
৩। স্বাস্থ্যরক্ষা ও ব্যাধি মুক্তির উপায় সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দ ‘আহার ও পানীয়’ প্রবন্ধে কী কী মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন?
উত্তরঃ প্রবন্ধে স্বামীজি স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য সহজে পাচ্য ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ময়রার দোকানের অতি-ভাজা ও বাসি খাবারকে বিষের তুল্য বলে চিহ্নিত করেছেন এবং বিশুদ্ধ গৃহজাত অন্ন, ডাল ও রুটি খাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। পেটের রোগ ও অজীব ব্যাধি থেকে মুক্ত হতে তিনি অলসতা ত্যাগ করে প্রতিদিন পদব্রজে ভ্রমণ, ফাঁকা হাওয়ায় শারীরিক পরিশ্রম এবং নিয়ম মেনে চলাকে প্রধান ওষুধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অতিরিক্ত ওষুধ না খেয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া এবং জল ফুটিয়ে বিশুদ্ধ করে পান করার পরামর্শ তিনি প্রদান করেছেন।
৪। ‘আহার ও পানীয়’ রচনায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দেশের পানীয় জল পরিশোধনের বিভিন্ন পদ্ধতি ও তাদের গুণাগুণ কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে?
উত্তরঃ স্বামীজি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দেশের জল বিশুদ্ধকরণের নানা পদ্ধতির তুলনামূলক আলোচনা করেছেন। আমাদের দেশে পূর্বে ফিটকিরির গুঁড়ো ব্যবহার করে ঘোলা জল থিতিয়ে নেওয়ার চমৎকার প্রথা ছিল, যা জীবাণু ও ময়লা দূর করতে বেশ কার্যকরী। অন্যদিকে পাশ্চাত্য দেশে, বিশেষ করে আমেরিকায়, ফিল্টার বা আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে জলকে বাষ্পে পরিণত করে বিশুদ্ধ পানীয় জল তৈরি করার রীতি প্রচলিত। স্বামীজি মনে করেন, সাধারণ ফিল্টারে অনেক সময় জীবাণু থেকে যেতে পারে, তাই জল ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে পান করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও সর্বোত্তম উপায়।
৫। ‘আহার ও পানীয়’ প্রবন্ধটির বিষয়বস্তু সংক্ষেপে আলোচনা করে এর নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ ‘আহার ও পানীয়’ রচনাটিতে স্বামী বিবেকানন্দ মানুষ ও সমাজের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খাদ্য ও পানীয়ের গুরুত্ব আলোচনা করেছেন। রচনাটিতে শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের খাদ্যাভ্যাস, আমিষ-নিরামিষ বিতর্ক, জল শোধনের নানা উপায় এবং আধুনিককালের ভুল খাদ্যাভ্যাসের পরিণতি অত্যন্ত সহজ ও প্রাত্যহিক ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। যেহেতু পুরো নিবন্ধটি মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান দুটি উপাদান— আহার (খাদ্য) এবং পানীয় (জল)— এর রূপরেখা ও নিয়মকানুনকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে, তাই ‘আহার ও পানীয়’ নামকরণটি বিষয়মুখী, অর্থবহ এবং সর্বতোভাবে সার্থক হয়েছে।

