Class 11 Bengali MIL Important Chapter 11 ইচ্ছাপূরণ

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 11 ইচ্ছাপূরণ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 11 ইচ্ছাপূরণ Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.

Class 11 Bengali MIL Important Chapter 11 ইচ্ছাপূরণ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 11

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘ইচ্ছাপূরণ’ গল্পটি কার লেখা?

উত্তরঃ গল্পটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। 

২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম কত সালে এবং কোথায় হয়েছিল?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে হয়েছিল। 

৩। সুবলচন্দ্রের ছেলের নাম কী ছিল?

উত্তরঃ সুবলচন্দ্রের ছেলের নাম ছিল সুশীলচন্দ্র।

৪। সুবলচন্দ্র কেন ছেলেকে শাস্তি দিতে দৌড়াতে পারতেন না?

উত্তরঃ সুবলচন্দ্রের পায়ে বাত ছিল, তাই তিনি হরিণের মতো দৌড়াতে পারা ছেলের পিছনে ছুটতে পারতেন না। 

৫। সুশীলচন্দ্র স্বভাবত কেমন ছেলে ছিল?

উত্তরঃ সুশীলচন্দ্র মোটেও শান্ত ছিল না,সে পাড়া মাথায় করে বেড়াত এবং অত্যন্ত দুরন্ত ছিল।

৬। শনিবার দিন স্কুলে যাওয়ার সময় সুশীলের মনে কী ইচ্ছা হয়েছিল?

উত্তরঃ সুশীলের ইচ্ছা হয়েছিল যে সেদিন স্কুলে না গিয়ে সে সারা দিন বোসেদের বাড়িতে বাজি পোড়ানো দেখবে।

৭। সুশীল স্কুলে না যাওয়ার জন্য বাবার কাছে কী অজুহাত দিয়েছিল?

উত্তরঃ সুশীল বলেছিল যে তার পেট কামড়াচ্ছে, তাই সে স্কুলে যেতে পারবে না।

৮। সুবলচন্দ্র সুশীলের মিথ্যা কথা বুঝতে পেরে কী শাস্তি দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ সুবলচন্দ্র সুশীলকে ঘরে আটকে রেখে এক বাটি অত্যন্ত তেঁতো পাচন খাইয়ে দিয়েছিলেন।

৯। সুবলচন্দ্র মনে মনে কী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন?

উত্তরঃ সুবলচন্দ্র চেয়েছিলেন যে তিনি যদি আবার ছেলেবেলা ফিরে পেতেন,তবে সময় নষ্ট না করে কেবল পড়াশোনা করতেন। 

১০। সুশীলের মনে কী হওয়ার আক্ষেপ ছিল?

উত্তরঃ সুশীল ভেবেছিল সে যদি তার বাবার মতো বড় এবং স্বাধীন হতে পারত,তবে তাকে কেউ আটকে রাখতে পারত না।

১১। বাপ ও ছেলের মনের ইচ্ছা কে পূরণ করেছিলেন?

উত্তরঃ স্বয়ং ইচ্ছাকরুণী ঠাকুরানী বাপ ও ছেলের মনের ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন। 

১২। বয়স পরিবর্তনের পর সুবলচন্দ্রের পোশাকে কী পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল?

উত্তরঃ ছোট হয়ে যাওয়ায় সুবলের জামা-কাপড় অত্যন্ত ঢিলা হয়ে গিয়েছিল এবং হাতার অংশ মাটি পর্যন্ত ঝুলছিল। 

১৩। বৃদ্ধ হওয়ার পর সুশীলচন্দ্র গাছে উঠতে গিয়ে কী সমস্যায় পড়েছিল?

উত্তরঃ বৃদ্ধ শরীরের ভারে গাছের কচি ডাল ভেঙে গিয়েছিল এবং সুশীল ধপ করে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। 

১৪। বৃদ্ধ সুশীল লজেন্স খেতে পারল না কেন?

উত্তরঃ বৃদ্ধ হওয়ায় সুশীলের মুখ দাঁতহীন হয়ে পড়েছিল,তাই লজেন্স মুখে দিয়েও সে চুষতে বা চিবোতে পারছিল না। 

১৫। গল্পের শেষে সুবলচন্দ্র পুনরায় বৃদ্ধ হয়ে সুশীলকে কী নির্দেশ দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ গল্পের শেষে সুবলচন্দ্র গম্ভীর হয়ে সুশীলকে ব্যাকরণ মুখস্থ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। 

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তৰ।

১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক পরিচয় সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিত। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং সংগীত রচয়িতা। ১৯১৩ সালে তিনি তাঁর ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য এশিয়াবাসীদের মধ্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘সোনার তরী’, ‘চিত্রা’, ‘নৈবেদ্য’,’খেয়া’ ইত্যাদি। তাঁর রচিত উপন্যাস ‘গোরা’, ‘ঘরে বাইরে’, ‘চোখের বালি’ এবং নাটক ‘বিসর্জন’, ‘ডাকঘর’, ‘রক্তকরবী’ বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। এছাড়া তিনি বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষা ক্ষেত্রেও অনন্য অবদান রেখেছেন। 

২। বয়স পরিবর্তনের পর বালক সুবলচন্দ্রের অবস্থা কেমন হয়েছিল এবং তাকে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল?

উত্তরঃ বয়স পরিবর্তনের পর সুবলচন্দ্র ছোট হয়ে গেলেও তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাসগুলি সহজে দূর হয়নি। তিনি বড়দের মতো তামাক খেতে চাইলে বা বড়দের আড্ডায় গিয়ে কথা বলতে গেলে লোকে তাঁকে ‘জ্যাঠা’ বলে কান ধরে বিদায় করে দিত। পড়াশোনার প্রতি অনুরাগ ফিরে পাওয়ার যে প্রতিজ্ঞা তিনি করেছিলেন, তা তিনি রক্ষা করতে পারেননি। সুশীলচন্দ্র এখন বাবা হওয়ার কারণে তাঁকে জোর করে স্কুলে পাঠাতেন এবং সন্ধ্যাবেলা মাস্টারমশাই রেখে পড়াশোনা করাতেন। এছাড়া সুশীলের কড়া শাসনে তাঁর পছন্দমতো খাবার খাওয়াও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কারণ সুশীল মনে করত ছোটদের বেশি খেলে অসুখ করবে।

৩। বৃদ্ধ হওয়ার পর সুশীলচন্দ্রের দিনগুলো কেমন কাটছিল? নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বর্ণনা করো।

উত্তরঃ বৃদ্ধ সুশীলচন্দ্র ভেবেছিলেন যে বড় হলে তিনি অনেক স্বাধীনতা পাবেন, কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো। বৃদ্ধ শরীরে তাঁর পুরোনো চঞ্চলতা আর অবশিষ্ট ছিল না। তিনি গাছে উঠতে গিয়ে পড়ে গিয়ে হাত-পা ভেঙে ফেলার উপক্রম করেন। পাড়ার বন্ধুদের সাথে খেলতে গিয়েও তিনি স্বস্তি পাননি, বরং তাদের গোলমাল তাঁর কাছে বিরক্তিকর মনে হয়েছিল। তাঁর পছন্দের খাবার লজেন্স খাওয়ার মতো দাঁতও তাঁর ছিল না। পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তাঁর বাত ও সর্দি-কাশির ব্যামো দেখা দেয়, যার ফলে তাঁকে দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকতে হয়। স্বাধীনতা পাওয়ার বদলে তিনি বার্ধক্যের নানা জটিলতায় জর্জরিত হয়ে পড়েন। 

৪। ‘ইচ্ছাপূরণ’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তরঃ ‘ইচ্ছাপূরণ’ গল্পের নামটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গল্পের মূল চরিত্র সুবলচন্দ্র এবং তাঁর পুত্র সুশীলচন্দ্র উভয়েই নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল এবং একে অপরের জীবন ফিরে পাওয়ার কল্পনা করত। ইচ্ছাকরুণী ঠাকুরানী তাদের এই বাসনা অলৌকিকভাবে পূরণ করেন। কিন্তু ইচ্ছাপূরণ হওয়ার পর তারা বুঝতে পারে যে প্রতিটি বয়সের নিজস্ব কিছু ধর্ম এবং সীমাবদ্ধতা থাকে। অন্যের জায়গায় গিয়ে তারা কেউই সুখী হতে পারেনি। গল্পের শেষে যখন তারা পুনরায় নিজেদের আসল অবস্থায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তখন সেই ইচ্ছাও পূরণ হয়। তাই মনের সুপ্ত বাসনা পূরণ হওয়া এবং তার পরিণতির ওপর ভিত্তি করে গল্পের এই নামকরণটি যথাযথ হয়েছে।

৫। গল্পের শেষে বাপ ও ছেলের যে শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছিল এবং তারা পুনরায় যা প্রার্থনা করেছিল তা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ দীর্ঘ সময় প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে কাটানোর পর সুবল ও সুশীল দুজনেই উপলব্ধি করে যে তারা অন্যের জীবনে প্রবেশ করে সুখী নয়। বালক সুবলচন্দ্রের কাছে সুশীলের শাসন অসহ্য হয়ে উঠেছিল এবং বৃদ্ধ সুশীলচন্দ্রের কাছে বার্ধক্যের রোগ-ব্যাধি ও শারীরিক অক্ষমতা যন্ত্রণাদায়ক হয়ে উঠেছিল। তাই তারা দুজনেই কায়মনে ইচ্ছাকরুণীর কাছে প্রার্থনা করতে থাকে যেন তারা পুনরায় নিজেদের আগের রূপ ফিরে পায়। সুবল যেন পুনরায় বৃদ্ধ বাবা এবং সুশীল যেন পুনরায় বালক পুত্র হয়ে ফিরে আসে। ইচ্ছাকরুণী তাদের এই ভুল বুঝতে পারার জন্য এবং তাদের কাতর প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে পরদিন সকালে তাদের আবার আগের মতো করে দেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top