Class 11 Bengali MIL Important Chapter 19 পদ-পরিবর্তন Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Bengali MIL Important Chapter 19 পদ-পরিবর্তন Solutions and select need one. Class 11 Bengali MIL Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. AHSEC Class 11 Bengali MIL Additional Question Answer.
Class 11 Bengali MIL Important Chapter 19 পদ-পরিবর্তন
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Bengali MIL Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Bengali MIL Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
পদ-পরিবর্তন
Chapter: 19
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। পদ কাকে বলে?
উত্তরঃ বাক্যে ব্যবহৃত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলা হয়।
২। বাংলা ব্যাকরণে পদ কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ বাংলা ব্যাকরণে পদ পাঁচ প্রকার, যথা— বিশেষ্য,বিশেষণ,সর্বনাম,অব্যয় ও ক্রিয়া।
৩। বিশেষ্য পদ বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ যে পদের দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝানো হয়,তাকে বিশেষ্য পদ বলা হয়।
৪। বিশেষণ পদ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পদের মাধ্যমে বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
৫। সর্বনাম পদ কাকে বলে?
উত্তরঃ বাক্যে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলা হয়।
৬। ক্রিয়া পদ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে পদের দ্বারা কোনো ধরনের কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়া পদ বলা হয়।
৭। অব্যয় পদ বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ বাক্যের মধ্যে এমন কতগুলো পদ থাকে যেগুলোর লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তিযুক্ত হলেও কোনো পরিবর্তন হয় না,তাদের অব্যয় পদ বলে।
৮। ‘পদ-পরিবর্তন’ কাকে বলে?
উত্তরঃ এক শ্রেণীর পদ থেকে অন্য এক শ্রেণীর পদে রূপান্তরকে ‘পদ-পরিবর্তন’ বলা হয়।
৯। ‘অন্তর’ শব্দটির বিশেষণ রূপ কী?
উত্তরঃ ‘অন্তর’ বিশেষ্য শব্দটির বিশেষণ রূপ হলো ‘আন্তরিক’।
১০। ‘বছর’ শব্দের পদ-পরিবর্তন করলে কী হবে?
উত্তরঃ ‘বছর’ বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ হবে ‘বাত্সরিক’।
১১। ‘সূর্য’ শব্দের পদ-পরিবর্তন করলে কী রূপ পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ‘সূর্য’ বিশেষ্য পদটির বিশেষণ রূপ হলো ‘সৌর’।
১২। ‘অধিক’ বিশেষণ পদটির বিশেষ্য রূপ কী?
উত্তরঃ ‘অধিক’ শব্দটির বিশেষ্য রূপ হলো ‘আধিক্য’।
১৩। ‘উচিত’ শব্দটির পদ-পরিবর্তন করলে কী হবে?
উত্তরঃ ‘উচিত’ বিশেষণ পদটির বিশেষ্য রূপ হলো ‘ঔচিত্য’।
১৪। ‘নীল’ শব্দটির বিশেষ্য রূপ কী?
উত্তরঃ ‘নীল’ বিশেষণ পদটির বিশেষ্য রূপ হলো ‘নীলিমা’।
১৫। ‘পশু’ শব্দের পদ-পরিবর্তন করলে কী রূপ হয়?
উত্তরঃ ‘পশু’ বিশেষ্য পদটির বিশেষণ রূপ হলো ‘পাশব’ বা ‘পাশবিক’।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। পদ কাকে বলে? বাংলা ব্যাকরণে পদ কয় প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ আলোচনা করো।
উত্তরঃ বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার।
উদাহরণসহ এদের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
(i) বিশেষ্য: যে পদের দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝানো হয়,তাকে বিশেষ্য পদ বলে। এটি কোনো ব্যক্তি,বস্তু,স্থান,জাতি,গুণ বা অবস্থার নাম হতে পারে।
উদাহরণ: ‘অন্তর’, ‘বছর’, ‘সমুদ্র’, ‘নীতি’, ‘অংশ’ ইত্যাদি।
(ii) বিশেষণ: যে পদের মাধ্যমে বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলা হয়। এটি বিশেষ্য পদের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
উদাহরণ: ‘আন্তরিক’ ‘বাৎসরিক’ ‘নৈতিক”সামুদ্রিক’ ইত্যাদি।
(iii) সর্বনাম: বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। নামের পুনরাবৃত্তি রোধ করে বাক্যের শ্রুতিমধুরতা বজায় রাখাই এই পদের কাজ।
উদাহরণ: সে,তিনি,তারা (উৎস অনুযায়ী এটি বিশেষ্যের স্থান গ্রহণ করে)।
(iv) অব্যয়: বাক্যের মধ্যে এমন কতগুলো পদ থাকে যেগুলোর লিঙ্গ,বচন বা বিভক্তিযুক্ত হলেও কোনো পরিবর্তন হয় না, তাদের অব্যয় পদ বলে [২]। অর্থাৎ, যার কোনো ‘ব্যয়’ বা পরিবর্তন নেই।
উদাহরণ: এবং,কিন্তু, অথবা, ও (এই পদগুলো বাক্যের বিভিন্ন অংশকে যুক্ত করে কিন্তু নিজেরা অপরিবর্তিত থাকে)।
(v) ক্রিয়া: যে পদের দ্বারা কোনো ধরনের কাজ করা,হওয়া বা থাকা বোঝায়, তাকে ক্রিয়া পদ বলা হয়। বাক্যের অর্থ সম্পন্ন করতে ক্রিয়া পদের ভূমিকা অপরিবর্তিত।
উদাহরণ: খাওয়া, যাওয়া, করা, দেখা ইত্যাদি।
২। বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের সংজ্ঞা দাও এবং এদের মধ্যে পদ-পরিবর্তনের দুটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ বিশেষ্য পদের সংজ্ঞা: বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, বাক্যের অন্তর্গত যে পদের দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, স্থান, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝানো হয়, তাকে বিশেষ্য পদ বলা হয়। সহজ কথায়, কোনো কিছুর নামই হলো বিশেষ্য।
বিশেষণ পদের সংজ্ঞা: যে পদের মাধ্যমে বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি বিস্তারিতভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলা হয়। অর্থাৎ, বিশেষণ পদ বিশেষ্য পদের বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতি বর্ণনা করে।
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মধ্যে পদ-পরিবর্তন: বাক্য গঠনের প্রয়োজনে অনেক সময় বিশেষ্য পদকে বিশেষণে এবং বিশেষণ পদকে বিশেষ্যে রূপান্তরিত করতে হয়। একেই ‘পদ-পরিবর্তন’ বলা হয়।
এর দুটি করে উদাহরণ দেওয়া হলো:
(i) বিশেষ্য থেকে বিশেষণে পরিবর্তন: বিশেষ্য পদ যখন তার মূল অর্থ ঠিক রেখে কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে,তখন তা বিশেষণে পরিণত হয়।
(ক) অংশ (বিশেষ্য) — আংশিক (বিশেষণ): এখানে ‘অংশ’ একটি নাম, আর ‘আংশিক’ দ্বারা কোনো কিছুর খণ্ডিত অবস্থাকে বোঝানো হচ্ছে।
(খ) ধাতু (বিশেষ্য) — ধাতব (বিশেষণ): ‘ধাতু’ একটি বস্তুর নাম, আর ‘ধাতব’ বলতে ধাতু দিয়ে তৈরি বা ধাতুর মতো গুণসম্পন্ন কিছু বোঝায়।
(ii) বিশেষণ থেকে বিশেষ্যে পরিবর্তন: যখন কোনো গুণ বা অবস্থাকে স্বতন্ত্রভাবে নাম হিসেবে প্রকাশ করা হয়,তখন বিশেষণ পদ বিশেষ্যে রূপান্তরিত হয়।
(ক) কঠিন (বিশেষণ) — কঠিনতা বা কাঠিন্য (বিশেষ্য): ‘কঠিন’ বস্তুর অবস্থা প্রকাশ করে, কিন্তু ‘কাঠিন্য’ বা ‘কঠিনতা’ সেই অবস্থার নামকে বোঝায়।
(খ) করুণ (বিশেষণ) — করুণা বা কারুণ্য (বিশেষ্য): ‘করুণ’ একটি বিশেষ ভাব বা অবস্থা প্রকাশ করে,আর ‘করুণা’ হলো সেই ভাবের নাম।
৩। অব্যয় পদ কাকে বলে? একে ‘অব্যয়’ বলা হয় কেন? বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ বাক্যের মধ্যে এমন কিছু পদ থাকে যেগুলোর লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তিভেদে কোনো প্রকার পরিবর্তন বা ব্যয় হয় না, সেই পদগুলোকে অব্যয় পদ বলা হয়। এদের ‘অব্যয়’ বলার কারণ হলো এদের রূপের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, অর্থাৎ যা ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না তাই অব্যয়। এই পদগুলো বাক্যের গঠন ও ভাবপ্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও নিজেরা সবসময় অপরিবর্তিত থাকে।
৪। পদ-পরিবর্তন বলতে কী বোঝো? বিশেষ্য থেকে বিশেষণ এবং বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদের পরিবর্তনের তিনটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ এক ব্যাকরণগত শ্রেণী থেকে অন্য শ্রেণীতে পদের রূপান্তরকে পদ-পরিবর্তন বলা হয়, যেমন বিশেষ্য থেকে বিশেষণ বা বিশেষণ থেকে বিশেষ্য।
বিশেষ্য থেকে বিশেষণ:
(i) লোক — লৌকিক।
(ii) নীতি — নৈতিক।
(iii) সমুদ্র — সামুদ্রিক।
বিশেষণ থেকে বিশেষ্য:
(i) আলস্য — অলস (উৎস অনুসারে অলস — আলস্য)।
(ii) বীর — বীরত্ব বা বীর্য।
(iii) গম্ভীর — গাম্ভীর্য।
৫। সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ:
| সর্বনাম পদ। | ক্রিয়া পদ। |
| বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বাক্যে যে পদ ব্যবহৃত হয়,তাকে সর্বনাম পদ বলা হয়। | যে পদের দ্বারা কোনো ধরনের কাজ করা,হওয়া বা থাকা বোঝায়,তাকে ক্রিয়া পদ বলে। |
| এটি বাক্যে বিশেষ্য বা নাম পদের বারবার ব্যবহার কমিয়ে শ্রুতিমধুরতা রক্ষা করে। | এটি বাক্যের অপরিহার্য অংশ যা কোনো ঘটনার সম্পাদন বা সক্রিয়তা প্রকাশ করে। |
| সে, তিনি, তারা, আপনি, আমি ইত্যাদি। | করা, যাওয়া, খাওয়া, দেখা, হওয়া ইত্যাদি। |
| “রাম স্কুলে যায়। সে একজন ভালো ছাত্র।” এখানে ‘সে’ রামের পরিবর্তে বসেছে। | রাম স্কুলে যায়।” এখানে ‘যায়’ পদটি দিয়ে একটি কাজ করা বোঝাচ্ছে। |

